
২৬ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:০৯
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার হলে সিলিং ফ্যান খুলে মাথায় পড়ে আহত হওয়া পরীক্ষার্থীর খোঁজ নিতে দুপুরে তার বাসায় গেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান।
এরআগে, রোববার (২৬ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ১১ নম্বর কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে ওই পরীক্ষার্থীর মাথা পড়ে কেটে রক্তাক্ত হয়।
তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে আবার পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয় এবং অতিরিক্ত সময়ও বরাদ্দ দেওয়া হয়। আহত পরীক্ষার্থী মো. নিয়ামুল হাসান (১৭)। তার রোল নম্বর ১৯২২৬৭। তিনি জাফরুল হুসাইনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, পরীক্ষা চলাকালে হঠাৎ কক্ষের সিলিং ফ্যান খুলে সরাসরি পরীক্ষার্থীর মাথার ওপর পড়ে। এতে তিনি মাথায় আঘাত পান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যান। এ ঘটনায় পরীক্ষার কক্ষে কিছু সময়ের জন্য আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কার্যক্রমে সাময়িক বিঘ্ন ঘটে।
খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে একটি মেডিকেল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে তাকে পর্যবেক্ষণে রেখে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। চিকিৎসা ও দুর্ঘটনার কারণে সময় নষ্ট হওয়ায় তাকে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় দেওয়া হয়।
পরে দুপুর ৩টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কায়েসুর রহমান আহত নিয়ামুল হাসানের খোঁজ নিতে তার বাসায় যান এবং তার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ও শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।
এ সময় ইউএনও মো. কায়েসুর রহমান বলেন, পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহপাকের রহমতে আমাদের নিয়ামুল হাসান (১৭), এসএসসি পরীক্ষার্থী, দারুল ইসলাম মডেল একাডেমির শিক্ষার্থী, এখন সুস্থ আছে। মদনমোহন উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় বড় ধরনের ক্ষতি থেকে মহান আল্লাহ পাক তাকে রক্ষা করেছেন। উপজেলা প্রশাসন তার পরিবারের পাশে আছে এবং থাকবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার্থী নিয়ামুল ঘুম থেকে উঠে চা-নাস্তা করে পরবর্তী পরীক্ষার প্রস্তুতি নেবে এবং এই ছোট্ট দুর্ঘটনাকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবে—এটাই প্রত্যাশা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, নিয়ামুল বর্তমানে সুস্থ আছে এবং মানসিকভাবে স্বাভাবিক রয়েছে। চিকিৎসা শেষে সে আবার পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিকে স্থানীয়রা জানান, কেন্দ্রের কিছু কক্ষে পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সিলিং ফ্যান থাকায় এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে বেগমগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম বলেন, পরীক্ষা চলাকালে ফ্যান খুলে পড়ে এক পরীক্ষার্থী আহত হয়। তাৎক্ষণিক চিকিৎসা শেষে তাকে পুনরায় পরীক্ষায় অংশ নিতে দেওয়া হয়েছে। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের প্রতিনিধিরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৫৭
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৩
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুদ্বিভ্রাটের কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় দিচ্ছে পরীক্ষা।
নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চলছে এসএসসি এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা। ওই কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে গোটা নবীনগরে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কক্ষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেকেই উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়ে। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮টি, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি— মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে তার অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আমার দেশকে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় তারের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে । আমরা কাজ শুরু করেছি, দ্রুতই সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অভিভাবকেরা। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্র।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৫
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একটি মাইক্রোবাস। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার চুনতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে …
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে একটি মাইক্রোবাস। এতে ঘটনাস্থলেই ৩ জন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার চুনতি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বিস্তারিত আসছে …
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে বিদ্যুদ্বিভ্রাটের কারণে চলমান এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনালের ১১টি কেন্দ্রে বিদ্যুৎ না থাকায় ৪ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী মোমবাতির আলোয় দিচ্ছে পরীক্ষা।
নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, নবীনগর ইচ্ছাময়ী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে চলছে এসএসসি এবং নারায়ণপুর ডিএস কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে দাখিল পরীক্ষা। ওই কেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা মোমবাতির আলোয় পরীক্ষা দিচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জানা যায়, আজ সকাল থেকে কালবৈশাখী ঝড় শুরু হলে নবীনগরে পল্লী বিদ্যুতের ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করার কারণে গোটা নবীনগরে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে কক্ষে পর্যাপ্ত আলো না থাকায় শিক্ষার্থীরা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে।
পরীক্ষার হল অন্ধকার হয়ে পড়ায় আলোর অভাবে অনেকেই উত্তরপত্রে লেখার সময় সমস্যায় পড়ে। এ বছর নবীনগর উপজেলায় এসএসসি ৮টি, দাখিল ২টি ও ভোকেশনাল ১টি— মোট ১১টি কেন্দ্রে ৪ হাজার ৪৭৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে পরীক্ষার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মাঠ পর্যায়ে তার অভাব দেখা যাচ্ছে, যা পরীক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।
নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান আমার দেশকে বলেন, বিদ্যুৎ অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, ঝড়-বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন জায়গায় তারের ওপর গাছের ডালপালা ভেঙে পড়ে থাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পরীক্ষাকেন্দ্রে মোমবাতি ও চার্জলাইটের মাধ্যমে আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আবদুল ওয়াদুদ হোসেন আমার দেশকে বলেন, সকাল থেকে বৃষ্টিপাত ও ঝোড়ো বাতাসের কারণে বিভিন্ন জায়গায় গাছপালা ভেঙে তারের ওপর পড়ে থাকায় ৩৩ কেভি লাইন ট্রিপ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে । আমরা কাজ শুরু করেছি, দ্রুতই সমাধানের চেষ্টা চলছে।
বিদ্যুৎ না থাকায় অভিভাবকেরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে না পারায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের গাফিলতিকে দায়ী করছেন অভিভাবকেরা। বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিদ্যুৎহীন ছিল প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্র।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১০:৫৭
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:০১
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:৪৫
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৪