
২৯ মে, ২০২৫ ১৫:৫৬
রুপালি দুনিয়ায় একটা প্রচলিত মতামত রয়েছে, বিয়ের পর নায়িকাদের ক্যারিয়ার গ্রাফ নিম্মমুখী হতে শুরু করে। সংসার-সন্তান সামলাতে গিয়ে অনেকেই পেশার সঙ্গে দূরত্বও তৈরি করেন। কেউ বা আবার ‘প্রায়োরিটি’ বেছে নেন।
Advertisement
এই মতামত যেন পুরোপুরি ফলে গেলে টালিউডের নন্দিত অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে। এ অভিনেত্রী বিয়ের পর সময়ের সঙ্গে মাতৃত্বকে আপন করে নিয়েছেন। দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার সামলানোর পাশাপাশি অভিনয়জীবনও বাদ দেননি একেবারে। সম্প্রতি এক দুপুরে পরিবার এবং মাতৃত্বের সফর প্রসঙ্গে বিভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা বললেন কোয়েল।
প্রায় দু’বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন কোয়েল। তবে ছবি মুক্তি বা তার প্রচারের ব্যস্ততা এখনো তার কাছে একই রয়ে গেছে। তিনি বলছিলেন, ‘শুটিংয়ের সময়ে তবুও বিরতি পাওয়া যায়। কিন্তু ছবির প্রচারে এখনো আমার বেশ চাপ লাগে। কারণ, বিরতির কোনো সুযোগ থাকে না। মুক্তির দিন পর্যন্ত ছবিটার সম্পর্কে দর্শককে জানানোর চেষ্টা করি।’
গত ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন কোয়েল। তার পরিবারে এসেছে কন্যাসন্তান। স্বাভাবিকভাবেই মা হওয়ার পর কোয়েলের ব্যস্ততা বেড়েছে। তাই পেশার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় এখন তার কর্মপদ্ধতিও বদলে গেছে। কোয়েলের স্বীকারোক্তি, ‘আগে চিত্রনাট্য পেলেই পড়তে বসে যেতাম। নতুন কাজের জন্য পর পর মিটিং করতাম। নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিতাম। কিন্তু এখন এই সবটাই নির্ভর করে কবীরের (কোয়েলের ছেলের নাম) উপর।’
জীবনের নতুন অধ্যায় মাতৃত্ব। কোয়েল সেই নতুন অধ্যায় চুটিয়ে উপভোগ করছেন। মাতৃত্ব তাকে বহু দিক থেকে বদলেও দিয়েছে বলে উপলব্ধি কোয়েলের। তার কথায়, ‘একটা সময়ে অনেক কিছুই জানতাম না। এখন মাল্টিটাস্কিং করতে পারি। আবার আমিই যে সেগুলো করতে পারি, তা উপলব্ধি করে বিস্মিত হয়েছি।’
ছেলেকে সারাদিন বাড়িতে একা ছেড়ে রাখতে পছন্দ করেন না কোয়েল। যদি তাকে সেটা করতেও হয়, সে ক্ষেত্রে তিনি কবীরের সারা দিনের রুটিন তৈরি করে তার পর বাড়ির বাইরে পা রাখেন। তারপরেও অবশ্য মায়ের ছুটি নেই।
কোয়েলের কথায়, ‘সিসিটিভিতে যখন দেখি ও একা একা ঘরে বসে আছে, তখন খুব কষ্ট হয়। স্কুল থেকে ঠিক সময়ে বাড়ি ফিরছে কি না, কী খাবার খাবে, সবটাই আমার নজরে থাকে।’
কবীর এবং কাব্যের (কোয়েলের মেয়ের নাম) মধ্যে তাকে কে বেশি বিরক্ত করে? প্রশ্ন শুনেই পরিচিত হাসির ঝিলিক খেলে যায় কোয়েলের মুখে। বললেন, ‘কেউই নয়। আমার মনে হয় জীবনের অন্যতম সেরা একটা সময়ের মধ্যে রয়েছি। তাই ওদের নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’
কবীরের বয়স এখন পাঁচ বছর। তাই মনের মধ্যেও তার নানা প্রশ্নের উঁকিঝুঁকি। দিনের শেষে একরাশ ক্লান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কিন্তু কোনো দিন সেই বাহানায় ছেলের প্রশ্নকে এড়িয়ে যাননি কোয়েল। তার কথায়, ‘একজন মা হিসেবে বিশ্বাস করি, সন্তানদের প্রশ্নগুলো আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ না হলেও ওদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর আমি তাকে সম্মান করতে পছন্দ করি।’
কর্মরত মায়েদের নিত্যদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। প্রথমবার মা হওয়ার পর কোয়েলের কাছেও দুই জগৎ নতুন অর্থ বয়ে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তার অনুপ্রেরণা বাবা রঞ্জিত মল্লিক। কোয়েলের কথায়, ‘আমার ছোটবেলায় বাবা প্রায় সারা বছর কাজ করতেন। কিন্তু বাড়িতে বাবার অনুপস্থিতি আমি কোনো দিন অনুভব করিনি। তাই হয়তো আমাকেও এখন খুব বেশি চেষ্টা করতে হয়নি।’ তবে কখনো কখনো অন্যভাবেও ভাবতে পছন্দ করেন কোয়েল। যেমন, শৈশবে বাবা ব্যস্ত থাকলে, মা থাকতেন সঙ্গে। সেখানে কোয়েল এবং তার স্বামী দু’জনকেই বাড়ির বাইরে সময় কাটাতে হয়। কোয়েলের বিশ্লেষণ, ‘শিক্ষা রয়ে যায়। তারপরেও আমি বলব, সন্তানের জন্য মায়ের স্পর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
পরিবারের পরিসর এবং দায়িত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কাজের সংখ্যাও কমিয়েছেন কোয়েল। কিন্তু তা নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। কোয়েলের কথায়, ‘এখনো পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ধাপ আমি উপভোগ করেছি এবং অভিনেত্রী, স্ত্রী বা মা হিসাবে দায়িত্ব পালনে কোনো রকম ফাঁকি দিইনি।’ ‘প্রতিযোগিতা’ নয়, বরং এই মুহূর্তে সন্তানরাই কোয়েলের কাছে সবার আগে। তার কথায়, ‘‘ছবি তো আমি পরেও করতে পারব। কিন্তু ওদের বড় হওয়ার এই সময়টা চলে গেলে তো আর ফিরে আসবে না।’’
সন্তানের প্রতিপালনে কোনও রকম ত্রুটি রাখতে নারাজ কোয়েল। এই সফরে তিনিও নিজেকে প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে আবিষ্কার করছেন। ভাল চিত্রনাট্য এবং চরিত্রের প্রস্তাব পেলে অভিনয়ও করতে রাজি। কোয়েলের কথায়, ‘করতে হবে বলে অভিনয় করতে চাই না। কোনো দিন করিনি। আগামী দিনেও করব না।
রুপালি দুনিয়ায় একটা প্রচলিত মতামত রয়েছে, বিয়ের পর নায়িকাদের ক্যারিয়ার গ্রাফ নিম্মমুখী হতে শুরু করে। সংসার-সন্তান সামলাতে গিয়ে অনেকেই পেশার সঙ্গে দূরত্বও তৈরি করেন। কেউ বা আবার ‘প্রায়োরিটি’ বেছে নেন।
Advertisement
এই মতামত যেন পুরোপুরি ফলে গেলে টালিউডের নন্দিত অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের সঙ্গে। এ অভিনেত্রী বিয়ের পর সময়ের সঙ্গে মাতৃত্বকে আপন করে নিয়েছেন। দুই সন্তানকে নিয়ে সংসার সামলানোর পাশাপাশি অভিনয়জীবনও বাদ দেননি একেবারে। সম্প্রতি এক দুপুরে পরিবার এবং মাতৃত্বের সফর প্রসঙ্গে বিভিন্ন আঙ্গিক নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের সঙ্গে কথা বললেন কোয়েল।
প্রায় দু’বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন কোয়েল। তবে ছবি মুক্তি বা তার প্রচারের ব্যস্ততা এখনো তার কাছে একই রয়ে গেছে। তিনি বলছিলেন, ‘শুটিংয়ের সময়ে তবুও বিরতি পাওয়া যায়। কিন্তু ছবির প্রচারে এখনো আমার বেশ চাপ লাগে। কারণ, বিরতির কোনো সুযোগ থাকে না। মুক্তির দিন পর্যন্ত ছবিটার সম্পর্কে দর্শককে জানানোর চেষ্টা করি।’
গত ডিসেম্বরে দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন কোয়েল। তার পরিবারে এসেছে কন্যাসন্তান। স্বাভাবিকভাবেই মা হওয়ার পর কোয়েলের ব্যস্ততা বেড়েছে। তাই পেশার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় এখন তার কর্মপদ্ধতিও বদলে গেছে। কোয়েলের স্বীকারোক্তি, ‘আগে চিত্রনাট্য পেলেই পড়তে বসে যেতাম। নতুন কাজের জন্য পর পর মিটিং করতাম। নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিতাম। কিন্তু এখন এই সবটাই নির্ভর করে কবীরের (কোয়েলের ছেলের নাম) উপর।’
জীবনের নতুন অধ্যায় মাতৃত্ব। কোয়েল সেই নতুন অধ্যায় চুটিয়ে উপভোগ করছেন। মাতৃত্ব তাকে বহু দিক থেকে বদলেও দিয়েছে বলে উপলব্ধি কোয়েলের। তার কথায়, ‘একটা সময়ে অনেক কিছুই জানতাম না। এখন মাল্টিটাস্কিং করতে পারি। আবার আমিই যে সেগুলো করতে পারি, তা উপলব্ধি করে বিস্মিত হয়েছি।’
ছেলেকে সারাদিন বাড়িতে একা ছেড়ে রাখতে পছন্দ করেন না কোয়েল। যদি তাকে সেটা করতেও হয়, সে ক্ষেত্রে তিনি কবীরের সারা দিনের রুটিন তৈরি করে তার পর বাড়ির বাইরে পা রাখেন। তারপরেও অবশ্য মায়ের ছুটি নেই।
কোয়েলের কথায়, ‘সিসিটিভিতে যখন দেখি ও একা একা ঘরে বসে আছে, তখন খুব কষ্ট হয়। স্কুল থেকে ঠিক সময়ে বাড়ি ফিরছে কি না, কী খাবার খাবে, সবটাই আমার নজরে থাকে।’
কবীর এবং কাব্যের (কোয়েলের মেয়ের নাম) মধ্যে তাকে কে বেশি বিরক্ত করে? প্রশ্ন শুনেই পরিচিত হাসির ঝিলিক খেলে যায় কোয়েলের মুখে। বললেন, ‘কেউই নয়। আমার মনে হয় জীবনের অন্যতম সেরা একটা সময়ের মধ্যে রয়েছি। তাই ওদের নিয়ে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’
কবীরের বয়স এখন পাঁচ বছর। তাই মনের মধ্যেও তার নানা প্রশ্নের উঁকিঝুঁকি। দিনের শেষে একরাশ ক্লান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কিন্তু কোনো দিন সেই বাহানায় ছেলের প্রশ্নকে এড়িয়ে যাননি কোয়েল। তার কথায়, ‘একজন মা হিসেবে বিশ্বাস করি, সন্তানদের প্রশ্নগুলো আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ না হলেও ওদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর আমি তাকে সম্মান করতে পছন্দ করি।’
কর্মরত মায়েদের নিত্যদিন নতুন নতুন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়। প্রথমবার মা হওয়ার পর কোয়েলের কাছেও দুই জগৎ নতুন অর্থ বয়ে নিয়ে এসেছিল। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তার অনুপ্রেরণা বাবা রঞ্জিত মল্লিক। কোয়েলের কথায়, ‘আমার ছোটবেলায় বাবা প্রায় সারা বছর কাজ করতেন। কিন্তু বাড়িতে বাবার অনুপস্থিতি আমি কোনো দিন অনুভব করিনি। তাই হয়তো আমাকেও এখন খুব বেশি চেষ্টা করতে হয়নি।’ তবে কখনো কখনো অন্যভাবেও ভাবতে পছন্দ করেন কোয়েল। যেমন, শৈশবে বাবা ব্যস্ত থাকলে, মা থাকতেন সঙ্গে। সেখানে কোয়েল এবং তার স্বামী দু’জনকেই বাড়ির বাইরে সময় কাটাতে হয়। কোয়েলের বিশ্লেষণ, ‘শিক্ষা রয়ে যায়। তারপরেও আমি বলব, সন্তানের জন্য মায়ের স্পর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
পরিবারের পরিসর এবং দায়িত্ব বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে কাজের সংখ্যাও কমিয়েছেন কোয়েল। কিন্তু তা নিয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। কোয়েলের কথায়, ‘এখনো পর্যন্ত জীবনের প্রতিটি ধাপ আমি উপভোগ করেছি এবং অভিনেত্রী, স্ত্রী বা মা হিসাবে দায়িত্ব পালনে কোনো রকম ফাঁকি দিইনি।’ ‘প্রতিযোগিতা’ নয়, বরং এই মুহূর্তে সন্তানরাই কোয়েলের কাছে সবার আগে। তার কথায়, ‘‘ছবি তো আমি পরেও করতে পারব। কিন্তু ওদের বড় হওয়ার এই সময়টা চলে গেলে তো আর ফিরে আসবে না।’’
সন্তানের প্রতিপালনে কোনও রকম ত্রুটি রাখতে নারাজ কোয়েল। এই সফরে তিনিও নিজেকে প্রতি মুহূর্তে নতুন ভাবে আবিষ্কার করছেন। ভাল চিত্রনাট্য এবং চরিত্রের প্রস্তাব পেলে অভিনয়ও করতে রাজি। কোয়েলের কথায়, ‘করতে হবে বলে অভিনয় করতে চাই না। কোনো দিন করিনি। আগামী দিনেও করব না।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১০
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’
বিনোদন জগতের জনপ্রিয় মুখ এবং পেশাদার চিকিৎসক ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি মানুষের চরিত্রে তাকে দেখা গেলেও, তার বাস্তব জীবনের পেছনের গল্পটি সংগ্রামের ও ত্যাগের। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার শৈশব, দারিদ্র্য এবং পান্তা ভাতের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসার কথা জানিয়েছেন।
ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না।
কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।
তিনি বলেন, ‘এবং এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।
তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’
অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।’

২২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৭
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা শাকিব খানের সিনেমা ‘বরবাদ’। এ সিনেমার আলোচিত গান ‘চাঁদমামা’। এ গানে এবার নাচ পরিবেশন করলেন ছেলে আব্রাম খান জয়। জয়ের সঙ্গে নাচতে দেখা গেছে ঢালিউড কুইন অপু বিশ্বাসকেও।
সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অপু-জয়ের সে মুহূর্তের ভিডিও। নেটিজেনদের প্রশংসা কুড়াচ্ছে মা-ছেলের এ মনোমুগ্ধকর নাচ।
ভিডিওতে অপু বিশ্বাস পরেছিলেন কালো রংয়ের পোশাক। কালো ওড়নায় ছিল সাদা রংয়ের প্রিন্ট।
অন্যদিকে নীল জিন্স আর অ্যাশ কোটে দেখা যায় জয়কে। নেটদুনিয়ায় বিভিন্ন সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিওটি।
এর আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় তুর্কির ঐতিহ্যবাহী জনপ্রিয় ‘জেবেক’ নাচ পরিবেশন করে ভাইরাল হয়েছিলেন অপু। এবার ছেলের নাচ প্রশংসা কুড়াচ্ছে নেটিজেনদের।

২১ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৩
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।
গত বছরের এপ্রিলে সিডনি থেকে ঢাকায় এসেছিলেন চিত্রনায়িকা শাবনূর। ঢাকায় ছিলেন মাত্র ৮ ঘণ্টা। অসুস্থ মাকে সঙ্গে নিয়েই আবার উড়াল দেন অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে। তখন জানিয়েছিলেন, বছর শেষে ঢাকায় ফিরবেন।
বাংলাদেশে না এসে তাঁর যাত্রার গন্তব্য বদলে যায় যুক্তরাষ্ট্রে। সিদ্ধান্তের পেছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর একমাত্র সন্তান আইজান নেহানের। শাবনূর ছেলেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে আমেরিকা যেতে চায় কি না। সঙ্গে সঙ্গে আইজানের উত্তর ছিল—হ্যাঁ।
এবার যুক্তরাষ্ট্রে জায়েদ খানের ডিনারের আমন্ত্রণে যোগ দিলেন শাবনূর। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালে শাবনূরের দেখা হয়েছে দেশীয় চলচ্চিত্রের অনেক পরিচিত মুখের সঙ্গে। সমসাময়িক অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে মৌসুমী, অমিত হাসান, কাজী মারুফদের সঙ্গে আড্ডা দিয়েছেন।
শাবনূরকে দেখা গেল চার নায়কের সঙ্গে। দীর্ঘদিন পর বিদেশের মাটিতে সেই নায়কদের পেয়ে বেশ আনন্দমুখর সময় কাটালেন শাবনূর। চার নায়ক হলেন কাজী মারুফ, জায়েদ খান, মামনুন হাসান ইমন এবং আলেকজান্ডার বো। মূলত জায়েদ খানের আমন্ত্রণেই এসেছিলেন শাবনূর।
এ বিষয়ে জায়েদ খান বলেন, শাবনূর আমাদের চলচ্চিত্র ইতিহাসের আইকন। তিনি নিউ ইয়র্কে এসেছেন, তাই তার সম্মানে আমি একটা ডিনারের আয়োজন করেছিলাম। সেখানে শাবনূর ছিলেন, তার হাতে আমি ফুল তুলে দিয়েছি। বলা যায় সম্মানিত করার চেষ্টা করেছি।
উল্লেখ্য, এই চার নায়কের মধ্যে আলেকজান্ডার ব্যতীত বাকি তিনজনের বিপরীতেই কাজ করেছেন শাবনূর। জায়েদ খান ফেসবুকে শাবনূরের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করেন। সঙ্গে তিনি লিখেছেন, ‘নায়িকাকে আমাদের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা।’
এই ছবিতে নানা রকম মন্তব্য করছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, ‘শাবনূর মানেই এক আলাদা মায়া। আজও একই সৌন্দর্য, একই সৌম্যতা। শাবনূর হলো বাংলা সিনেমার চিরসবুজ সৌন্দর্য। শাবনূরকে দেখলে মনে হয় সময় যেনো থেমে গেছে! কি নির্মল হাসি, শান্ত উপস্থিতি। শাবনূর আজও ঠিক তেমনই সবার হৃদয় ছুঁয়ে যান।’
প্রায় মাসখানেক ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন শাবনূর। আরো কয়েক দিন থাকবেন বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.