
১১ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:২৪
নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনপ্রিয়তা বাড়লেও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) জনপ্রিয়তা কমেছে বলে একটি জরিপের ফলাফলে ওঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটার ২০২৪ সালের অক্টোবরে যেখানে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা কমে ১২ শতাংশে নেমেছে। অন্যদিকে, এনসিপির প্রতি সমর্থন ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে ‘কোন দলকে ভোট দেবেন’ জরিপের এমন প্রশ্নে এখনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও জাতীয় আর্কাইভ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ডিআইজিডি পালস সার্ভে’-এর গবেষণা পেপার উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) ও ভয়েস ফর রিফর্ম যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
‘জনগণের মতামত, অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা জুলাই ২০২৫’ শীর্ষক এই জরিপ করেছে ভয়েস ফর রিফর্ম ও বিআইজিডি। অন্তবর্তী সরকারের পারফরমেন্স, জনগণের সংস্কার প্রত্যাশা ও আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর জনসমর্থনের ওপর সম্প্রতি এই জরিপ পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইজিডির’ ফেলো সৈয়দা সেলিনা আজিজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভয়েস ফর রিফর্মের সহ আহ্বায়ক এ কে এম ফাহিম মাশরুর, বিআইজিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মিরাজ এম হাসান ও আসিফ শাহান।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আপনি কাকে ভোট দেবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছে, বিএনপিকে ভোট দেবে। সেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা কমে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামির পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ, তা কমে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ১০ দশমিক ৪ শতাংশে নেমেছে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, তবে চলতি বছরের জুলাইয়ের জরিপে তা ৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালে এনসিপির পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ২ শতাংশ, চলতি বছরের জুলাইয়ে সেই সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশে। জাতীয় পার্টির প্রতি সমর্থন ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমে শূণ্য দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে।
অন্যান্য ইসলামিক দলের সমর্থনও কমছে, ২ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে শূণ্য দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। অন্যান্য দলের প্রতিও সমর্থন কমেছে জনগণের। যেখানে ২০২৪ সালে অন্যান্য দলে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিল, চলতি বছরের জুলাইয়ে তা কমে ১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে কোন দলকে ভোট দেবে এখনও সিদ্ধান্ত নেই এমন ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে। জরিপে ২০২৪ সালের অক্টোবরে যেখানে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল, জুলাইয়ে তা বেড়ে ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ভোট না দেওয়ার কথা জানিয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। আর কাকে ভোট দেবে এমন তথ্য জানাতে চাননি এই জরিপে অংশ নেওয়া ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, যা গত অক্টোবরে ছিল ১২ দশমিক ৯ শতাংশ।
এদিকে জরিপে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী। ৭০ শতাংশ বলেছেন আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে জানিয়েছন ১৫ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেওয়া ৫১ শতাংশ মনে করে ভালো মতো সংষ্কার করে তারপরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিছু জরুরি সংষ্কার করে নির্বাচন চায় ১৭ শতাংশ। তবে জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হোক এমন বিষয়ে মত দিয়েছে ৩২ শতাংশ। আর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়ে মত দিয়েছে ১২ শতাংশ, জুনের মধ্যে ১১ শতাংশ এবং ডিসেম্বর ২০২৬ অথবা এর পরে নির্বাচন হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে ২৫ শতাংশ।
জরিপে প্রশ্ন করা হয় আপনার নির্বাচনি এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিতবে বলে আপনার মনে হয়। এমন প্রশ্নের উত্তরে ৩৮ শতাংশ জানিয়েছে বিএনপির প্রার্থী, জামায়েতী ইসলামীর ১৩ শতাংশ, আওয়ামী লীগের ৭ শতাংশ, এনসিপি ১ শতাংশ এবং অন্যান্য দলের ৩ শতাংশ প্রার্থী জিতবে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন। এবং এই প্রশ্নের উত্তরে জানিনা বলে উত্তর দিয়েছেন ২৯ শতাংশ এবং প্রশ্নের উত্তর দেন নি ৯ শতাংশ।
মূল প্রবন্ধের সার্বিক বিশ্লেষণ ও মূল বার্তায় বিআইজিডির ফেলো সৈয়দা সেলিনা আজিজ বলেন, ‘বর্তমানে সমস্যার ধরণ বহুমাত্রিক এবং এই সমস্যায় অর্থনীতির একতরফা প্রভাব কমেছে। এই বহুমাত্রিকতার কেন্দ্রে রয়েছে রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যা এবং এগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অস্থিতিশীলতা। এই কারণগুলোর জন্যই অন্তবর্তীকালীন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা কমেছে। মানুষ এই অস্থিতিশীলতার সমাধান খুঁজছেন দুইভাবে, এক- নির্বাচন, দুই- সংষ্কার। যদিও মানুষ নির্বাচনমুখী, তবু আমাদের ফলাফল অনুযায়ী একটি বিশাল গোষ্ঠী এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। ভোটের ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রার্থী মনোনয়ন বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।’
সারাদেশের ৬৪ জেলায় পাঁচ হাজার ৪৮৯ জন নারী ও পুরুষের মধ্যে টেলিফোনে এই জরিপ পরিচালিত হয়। চলতি বছর জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ২০ জুলাই এই জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে।
নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জনপ্রিয়তা বাড়লেও বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের (বিএনপি) জনপ্রিয়তা কমেছে বলে একটি জরিপের ফলাফলে ওঠে এসেছে। জরিপে অংশ নেওয়া ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ ভোটার ২০২৪ সালের অক্টোবরে যেখানে বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা কমে ১২ শতাংশে নেমেছে। অন্যদিকে, এনসিপির প্রতি সমর্থন ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২ দশমিক ৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। তবে ‘কোন দলকে ভোট দেবেন’ জরিপের এমন প্রশ্নে এখনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার কথা জানিয়েছেন ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশ।
সোমবার (১১ আগস্ট) সকালে রাজধানীর আগারগাঁও জাতীয় আর্কাইভ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ডিআইজিডি পালস সার্ভে’-এর গবেষণা পেপার উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিআইজিডি) ও ভয়েস ফর রিফর্ম যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
‘জনগণের মতামত, অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশা জুলাই ২০২৫’ শীর্ষক এই জরিপ করেছে ভয়েস ফর রিফর্ম ও বিআইজিডি। অন্তবর্তী সরকারের পারফরমেন্স, জনগণের সংস্কার প্রত্যাশা ও আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক দলগুলোর জনসমর্থনের ওপর সম্প্রতি এই জরিপ পরিচালিত হয়।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিআইজিডির’ ফেলো সৈয়দা সেলিনা আজিজ। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভয়েস ফর রিফর্মের সহ আহ্বায়ক এ কে এম ফাহিম মাশরুর, বিআইজিডির সিনিয়র রিসার্চ ফেলো মিরাজ এম হাসান ও আসিফ শাহান।
জরিপের ফলাফলে বলা হয়, আগামী জাতীয় নির্বাচনে আপনি কাকে ভোট দেবেন- এমন প্রশ্নের জবাবে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ১৬ দশমিক ৩ শতাংশ বলেছে, বিএনপিকে ভোট দেবে। সেখানে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে তা কমে ১২ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। জামায়াতে ইসলামির পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ১১ দশমিক ৩ শতাংশ, তা কমে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে ১০ দশমিক ৪ শতাংশে নেমেছে।
২০২৪ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ৮ দশমিক ৯ শতাংশ, তবে চলতি বছরের জুলাইয়ের জরিপে তা ৭ দশমিক ৩ শতাংশে নেমে এসেছে। ২০২৪ সালে এনসিপির পক্ষে ভোট দেওয়ার কথা বলেছিল ২ শতাংশ, চলতি বছরের জুলাইয়ে সেই সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৮ শতাংশে। জাতীয় পার্টির প্রতি সমর্থন ২ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে কমে শূণ্য দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে।
অন্যান্য ইসলামিক দলের সমর্থনও কমছে, ২ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে কমে শূণ্য দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। অন্যান্য দলের প্রতিও সমর্থন কমেছে জনগণের। যেখানে ২০২৪ সালে অন্যান্য দলে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ ভোট দেওয়ার কথা জানিয়েছিল, চলতি বছরের জুলাইয়ে তা কমে ১ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে কোন দলকে ভোট দেবে এখনও সিদ্ধান্ত নেই এমন ভোটারের সংখ্যা বেড়েছে। জরিপে ২০২৪ সালের অক্টোবরে যেখানে ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ ছিল, জুলাইয়ে তা বেড়ে ৪৮ দশমিক ৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। আর ভোট না দেওয়ার কথা জানিয়েছে ১ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ। আর কাকে ভোট দেবে এমন তথ্য জানাতে চাননি এই জরিপে অংশ নেওয়া ১৪ দশমিক ৪ শতাংশ মানুষ, যা গত অক্টোবরে ছিল ১২ দশমিক ৯ শতাংশ।
এদিকে জরিপে অংশ নেওয়া বেশিরভাগ মানুষ সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশাবাদী। ৭০ শতাংশ বলেছেন আগামী জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না বলে জানিয়েছন ১৫ শতাংশ মানুষ। জরিপে অংশ নেওয়া ৫১ শতাংশ মনে করে ভালো মতো সংষ্কার করে তারপরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক। কিছু জরুরি সংষ্কার করে নির্বাচন চায় ১৭ শতাংশ। তবে জাতীয় নির্বাচন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে হোক এমন বিষয়ে মত দিয়েছে ৩২ শতাংশ। আর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়ে মত দিয়েছে ১২ শতাংশ, জুনের মধ্যে ১১ শতাংশ এবং ডিসেম্বর ২০২৬ অথবা এর পরে নির্বাচন হওয়ার পক্ষে মত দিয়েছে ২৫ শতাংশ।
জরিপে প্রশ্ন করা হয় আপনার নির্বাচনি এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিতবে বলে আপনার মনে হয়। এমন প্রশ্নের উত্তরে ৩৮ শতাংশ জানিয়েছে বিএনপির প্রার্থী, জামায়েতী ইসলামীর ১৩ শতাংশ, আওয়ামী লীগের ৭ শতাংশ, এনসিপি ১ শতাংশ এবং অন্যান্য দলের ৩ শতাংশ প্রার্থী জিতবে বলে জরিপে অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন। এবং এই প্রশ্নের উত্তরে জানিনা বলে উত্তর দিয়েছেন ২৯ শতাংশ এবং প্রশ্নের উত্তর দেন নি ৯ শতাংশ।
মূল প্রবন্ধের সার্বিক বিশ্লেষণ ও মূল বার্তায় বিআইজিডির ফেলো সৈয়দা সেলিনা আজিজ বলেন, ‘বর্তমানে সমস্যার ধরণ বহুমাত্রিক এবং এই সমস্যায় অর্থনীতির একতরফা প্রভাব কমেছে। এই বহুমাত্রিকতার কেন্দ্রে রয়েছে রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত সমস্যা এবং এগুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে আইনশৃঙ্খলার অবনতি, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং অস্থিতিশীলতা। এই কারণগুলোর জন্যই অন্তবর্তীকালীন সরকারের গ্রহণযোগ্যতা কমেছে। মানুষ এই অস্থিতিশীলতার সমাধান খুঁজছেন দুইভাবে, এক- নির্বাচন, দুই- সংষ্কার। যদিও মানুষ নির্বাচনমুখী, তবু আমাদের ফলাফল অনুযায়ী একটি বিশাল গোষ্ঠী এখনও সিদ্ধান্ত নেননি। ভোটের ক্ষেত্রে উপযুক্ত প্রার্থী মনোনয়ন বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।’
সারাদেশের ৬৪ জেলায় পাঁচ হাজার ৪৮৯ জন নারী ও পুরুষের মধ্যে টেলিফোনে এই জরিপ পরিচালিত হয়। চলতি বছর জুলাইয়ের ১ তারিখ থেকে ২০ জুলাই এই জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।
জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে। রোববার দুপর সোয়া ১২টার দিকে জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।
সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্স সকাল ৯টা১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে। সকাল ১১টায় তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ারপোর্টের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হয়।Maps
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এম্বুলেন্সটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ উড্ডয়ন করেছে। মির্জা আব্বাসের ভাগ্নে ও ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল্লাহ জামাল চৌধুরী আদিত্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মির্জা আব্বাসকে বহনকারী এয়ার এ্যাম্বুলেন্স এসময় তিনি পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়ার আবেদন করেছেন। মির্জা আব্বাসের সঙ্গে এয়ার এম্বুলেন্সে তার স্ত্রী জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস ও বড় ছেলে মির্জা ইয়াসির আব্বাস রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ইফতারের পর মাগরিবের নামাজ পড়ার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। পরে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে ভার্চুয়াল মেডিক্যাল বোর্ড বসে এবং অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেয়।
গত শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের পর তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। শনিবার সকালে করা মস্তিষ্কের সিটি স্ক্যানের রিপোর্ট ভালো এসেছে বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৭
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে।
এর প্রভাবে গত কয়েকদিনে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ (শনিবার, ১৪ মার্চ) শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে বাতিল হয়েছে ২৬টি ফ্লাইট।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) জনসংযোগ দপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আজ কুয়েত এয়ারলাইন্সের ২টি, জাজিরার (কুয়েত) ৪টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার (শারজাহ, ইউএইউ) ২টি, গালফ এয়ারের (বাহরাইন) ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের (কাতার) ৪টি, ফ্লাইদুবাই ৪টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ও এমিরেটস এয়ারলাইনসের (সংযুক্ত আরব আমিরাত) ৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এর আগে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ২৮টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি ১১ মার্চ ২৭টি, ১২মার্চ ২৮টি ও ১৩মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.