ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।
বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ইঞ্জিন বিকল হয়ে চরম বিপদাপন্ন অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ভোলা ও পটুয়াখালীর ১৮ জন মাঝিমাল্লা। টানা কয়েকদিন ধরে উত্তাল সাগরে ভাসতে থাকা এসব জেলেদের উদ্ধারে আকুতি জানাচ্ছে তাদের পরিবার। তবে বৈরী আবহাওয়া, উপযুক্ত নৌযান ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম না থাকার অজুহাতে উদ্ধার অভিযানে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেছে কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশ।
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচরসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের মোহনা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণে গভীরে বর্তমানে ট্রলারটি অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার ভোরে ভোলা জেলার চরফ্যাশন উপজেলার মাছঘাট থেকে ১৮ জন মাঝিমাল্লা নিয়ে সাগরে মাছ ধরতে যান ট্রলারের মাঝি হানিফ মিয়া। কিন্তু সাগরে পৌঁছানোর পরপরই ট্রলারের ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে। এরপর থেকে উত্তাল সাগরে ঢেউয়ের তোড়ে ভাসছেন তারা। আশপাশে থাকা অন্য ট্রলারগুলোর কাছে হাত ইশারা করে সাহায্য চাওয়া হলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কেউ কাছে ভিড়তে সাহস পায়নি।
বিপদগ্রস্ত জেলেদের উদ্ধারে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরসহ রাঙ্গাবালী উপজেলা প্রশাসন, কোস্টগার্ড ও নৌপুলিশের কাছে একাধিকবার সাহায্য চাওয়া হয়েছে। রাজধানীতে অবস্থানরত মৎস্য ব্যবসায়ী জুনায়েত হাসান ও মাঝির ছেলে মেহেদী হাসান জানান, মঙ্গলবার রাতেও মাঝিমাল্লাদের সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হয়েছে। তারা চরম আতঙ্কে রয়েছেন এবং দ্রুত উদ্ধারের আকুতি জানাচ্ছেন।
তবে রাঙ্গাবালী কোস্টগার্ডের কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন জানান, দুর্ঘটনাস্থলটি অনেক দূরে এবং সেখানে যেতে ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় লাগবে। উত্তাল সাগরে যাওয়ার মতো উপযুক্ত নৌযান, জনবল বা সরঞ্জাম তাদের কাছে নেই। ফলে তাদের উদ্ধারকারী দলের নিরাপত্তাও ঝুঁকিতে পড়বে। বিষয়টি ভোলা কোস্টগার্ড ও স্থানীয় ট্রলার মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে রাঙ্গাবালী নৌপুলিশের ইনচার্জ মো. জায়েদুর রহমান জানান, তাদের সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে সাগরে থাকা অন্যান্য মাছ ধরার ট্রলারের মাধ্যমে জেলেদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান জানিয়েছেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনসহ উচ্চপর্যায়ে জানানো হয়েছে। আটকে পড়া ১৮ জন জেলেকে কীভাবে দ্রুত ও নিরাপদে ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে আলোচনা চলছে।
এদিকে সাগরে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা ১৮ জেলেকে দ্রুত জীবিত উদ্ধারে প্রধানমন্ত্রী ও উদ্ধারকারী বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন স্বজনরা।

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’
বরিশালের বাবুগঞ্জে চুরির সময় চোরাই মালামালসহ এক নারী ও তার আপন ভাইকে আটক করেছেন স্থানীয়রা। পরে তাদের গণধোলাই দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
আটকরা হলেন—মুলাদী উপজেলার গাছুয়া গ্রামের আবদুর রহমান সরদারের মেয়ে রুমা আক্তার (৩৫) ও তার ভাই জসিম সরদার (৪০)।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে বাবুগঞ্জ উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর ইউনিয়নের আগরপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে আগরপুর গ্রামের একটি টিটুর চায়ের দোকানসহ ব্রাহ্মণদিয়া গ্রামের হানিফ হাওলাদার, আরিফ আকন, আসাদুল ইসলামসহ একাধিক বাড়িতে সংঘবদ্ধ চুরির ঘটনা ঘটে।
পরে টিটুর চায়ের দোকানে চুরির ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে দুই চোরকে শনাক্ত করা হয়। এরপর স্থানীয়রা এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে রুমা আক্তার ও জসিম সরদারকে আটক করেন।
আগরপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মো. আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে ওই নারী ও পুরুষকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. মিলন জানান, জসিম সরদারের কাছ থেকে টিটুর চায়ের দোকান থেকে চুরি হওয়া একটি ডলারসহ নগদ টাকা এবং রুমা আক্তারের কাছ থেকে চুরি যাওয়া পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।’

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫০
ঝালকাঠিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশের মতো ঝালকাঠিতেও বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার শহরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের আয়নালী মোল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় এবং বিএনপি নেত্রী শারমিন আক্তার মুক্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগ নেতা মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ঝালকাঠিতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে জেলা বঙ্গবন্ধু ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সারা দেশের মতো ঝালকাঠিতেও বিশেষ অভিযান চলছে। এর অংশ হিসেবে বুধবার শহরের প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় এলাকায় অভিযান চালিয়ে সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের তথ্যমতে, গ্রেপ্তার সোহাগ মোল্লা ওরফে মোল্লা শাওন ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের আয়নালী মোল্লার ছেলে। তার বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং বিভিন্ন ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ জানায়, বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের করা মামলায় এবং বিএনপি নেত্রী শারমিন আক্তার মুক্তাকে মারধরের ঘটনায় করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল ইসলাম জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানের অংশ হিসেবে ছাত্র-যুব প্রজন্ম লীগ নেতা মোল্লা শাওনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

১০ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৫
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৪
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১৬
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৯:৫৬