
১০ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৫
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।

০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ রোববার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সকাল সাড়ে ৮টার দিকে প্রথমে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। এরপর ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার আগে দুজনকেই এজলাসে তোলা হয়। বেলা ১১টার পর রায় পড়া শুরু করেন বিচারক।
এদিকে রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।
গত ১৯ মে সকালে পল্লবীতে আলোচিত এই ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডটি ঘটে। পরদিন ২০ মে (১৯ মে দিবাগত রাত) ১২টা ৫ মিনিটে ভিকটিমের বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের বিরুদ্ধে ভিকটিমকে ধর্ষণ করে মৃত্যু ঘটানো ও লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়। এরপর তদন্তে মাঠে নামে পুলিশ। ঘটনার ৪ দিনের মাথায় ২৪ মে তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান চার্জশিট (অভিযোগপত্র) জমা দেন। চার্জশিটে মোট ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়।
এর আগে, গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজ দিন ধার্য করেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে নৃশংস এ ঘটনার মাত্র ১৯ দিনের মাথায় নজিরবিহীন গতিতে বিচার শেষ পর্যায়ে পৌঁছায়।
গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের জবানবন্দি ও জেরার মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত। পরে ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থন শুনানিতে নিজেদের নির্দোষ দাবি করেন আসামিরা।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হয় পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। এ সময় তাকে কৌশলে নিজেদের বাসায় ডেকে নেন স্বপ্না। ওই দিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে সোহেলের দরজার সামনে মেয়ের জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সোহেলের শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং একটি বড় বালতির মধ্যে মাথা দেখতে পান। পরে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে কল পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। শনিবার (৬ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম শুল্লুকিয়া গ্রামের এই সংঘাতে নোয়াখালী শহর শ্রমিক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক হৃদয়সহ ছাত্রদল, যুবদলের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন। বর্তমানে সেখানে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত রয়েছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শুক্রবার বিকালে উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নের বাঁধেরহাট এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এর প্রতিবাদে শনিবার বিকেলে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেলের নেতৃত্বে সেখানে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে ছাত্রদল।
সেখানে থাকাকালীন তারা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় মাথায় বেঁধে কালাদরপ ইউনিয়নে একটি মিছিল করে এমন সংবাদ পায়। কর্মসূচি শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল বহর নিয়ে ফেরার পথে কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সেলিমকে তার বাড়ির পাশের একটি দোকানে বসে থাকতে দেখতে পান। এ সময় চেয়ারম্যানের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মিছিলের কথা নিয়ে বাগবিতণ্ডা হয়।
এদিকে মসজিদের মাইকে চেয়ারম্যানের ওপর হামলার কথা ছড়িয়ে দিলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও চেয়ারম্যানের সমর্থকরা ঘটনাস্থলে জড়ো হন। পরে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয় এবং ছাত্রদলের একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়। এতে শ্রমিকদল নেতা হৃদয়সহ ছয় জন আহত হন। পরে রাত পৌনে ৮টার দিকে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে শাহাদাত হোসেন সেলিমের একটি ব্যক্তিগত কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এন বি এস রাসেল বলেন, চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশে ছাত্রলীগের লোকজন মিছিল করার জন্য জড়ো হয়েছিল। খবর পেয়ে ওয়ার্ড ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সেখানে গেলে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। পরে আমরা বাঁধেরহাটের কর্মসূচি শেষে ঘটনাস্থলে গিয়ে নেতাকর্মীদের নিরাপদে সরিয়ে আনি। হামলায় আমাদের ছয় জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়েছে।
সুধারাম মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। হামলা, মোটরসাইকেলে ও একটি অফিসে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা রয়েছেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৫৭
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৭ জুন, ২০২৬ ১১:৪৫
০৭ জুন, ২০২৬ ০১:৫৮
০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৫৭
০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৪০