
১০ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৫
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৪৪
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় এবার আরও দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে জাতীয়তাবাদী কৃষকদল।
মঙ্গলবার (১২ মে) জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বহিষ্কৃতরা হলেন- দুমকি উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম মীর এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল ওহাব।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে সরাসরি জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের সংগঠনের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
এছাড়াও দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার অনুরোধ জানানো হয়। জাতীয়তাবাদী কৃষকদল কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন এবং সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম বাবুল এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
এর আগে, একই ঘটনায় বিএনপি, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলও কয়েকজন নেতাকে বহিষ্কার করে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন দুমকি উপজেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বশির উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আহসান ফারুক ও সুলতান শওকত হোসেন এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুসা ফরাজী। এছাড়া বহিষ্কৃত সাবেক যুবদল নেতা রিপন শরীফসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে পবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে ভিসি ড. কাজী রফিকুল ইসলামের অপসারণ দাবিতে চলমান অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে শিক্ষক ও কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালায়।

১২ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
বরিশালের হিজলায় স্ত্রীকে পরকীয়া প্রেম থেকে ফেরাতে না পেরে অভিমান বিষপান করার দুই দিন পরে সাইদুল সরদার (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরিশাল শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
সাইদুল সরদার হিজলা-মুলাদী উপজেলার সীমান্তবর্তী চরপত্তনীভাঙা গ্রামের সামছুল হক সরদারের ছেলে। হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের বাবা সামছুল হক সরদার জানান, তার ছেলে সাইদুল সরদারের স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ায় তাদের মধ্যে কলহ লেগে থাকতো। স্ত্রীকে পরকীয়া থেকে ফেরাতে ব্যর্থ হয়ে এর আগেও সাইদুল একাধিকবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। মোবাইল ফোনে কথা বলা নিয়ে গত রোববার দুপুরে সাইদুলের সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝগড়া হয়। ওই দিন বেলা ৩টার দিকে তিনি ঘরে ঢুকে বিষপান করে অসুস্থ হয়ে পড়েন।
পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওই দিনই সন্ধ্যায় তাকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে নেওয়া হয়। দুই দিন চিকিৎসাধীন থাকার পরে মঙ্গলবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
হিজলা থানার ওসি মো. সোলায়মান বলেন, বিষপানে অসুস্থ্য ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এঘটনায় থানা একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

১২ মে, ২০২৬ ২০:২০
বরগুনার আমতলীতে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ওই কিশোরীর মা শাহিনুর বেগম বাদী হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বিচার চেয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি পুলিশের সাহায্য নিয়েছেন।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শাহিনুর বেগম। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওসমান মোল্লাকে (৩৮) আটক করে। ওসমান মোল্লা উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী (উড়ষীতলা) গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই বছর ধরে তিনি তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা শাহিনুর বেগম জানান, তার শারীরিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে ওসমান গত দুই বছর ধরে মেয়ের ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। শুরুতে তিনি বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি, কিন্তু পরে কয়েকবার নিজের চোখে ঘটনাটি দেখেছেন। ওসমান তার কাছে বারবার ক্ষমা চেয়ে শুধরানোর সুযোগ নিলেও নিজের আচরণের ধরণ বদলাননি। স্বজনদের কাছে বিচার চেয়ে কোনো ফল না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
পুলিশের কাছে ওসমান মোল্লা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাচনাইন পারভেজ জানান, কিশোরী এবং তার মায়ের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বরগুনার আমতলীতে নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে এক বাবাকে আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ওই কিশোরীর মা শাহিনুর বেগম বাদী হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পরিবারের আত্মীয়-স্বজনদের কাছে বিচার চেয়ে ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি পুলিশের সাহায্য নিয়েছেন।
মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে আমতলী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন শাহিনুর বেগম। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ওসমান মোল্লাকে (৩৮) আটক করে। ওসমান মোল্লা উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের ঘটখালী (উড়ষীতলা) গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ অনুযায়ী, গত দুই বছর ধরে তিনি তার ১৩ বছর বয়সী মেয়েকে ধর্ষণ করে আসছিলেন।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা শাহিনুর বেগম জানান, তার শারীরিক সমস্যার সুযোগ নিয়ে ওসমান গত দুই বছর ধরে মেয়ের ওপর এমন পাশবিক নির্যাতন চালিয়েছেন। শুরুতে তিনি বিষয়টি বিশ্বাস করতে পারেননি, কিন্তু পরে কয়েকবার নিজের চোখে ঘটনাটি দেখেছেন। ওসমান তার কাছে বারবার ক্ষমা চেয়ে শুধরানোর সুযোগ নিলেও নিজের আচরণের ধরণ বদলাননি। স্বজনদের কাছে বিচার চেয়ে কোনো ফল না পাওয়ায় তিনি শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছেন।
পুলিশের কাছে ওসমান মোল্লা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু হাচনাইন পারভেজ জানান, কিশোরী এবং তার মায়ের জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এছাড়া ভুক্তভোগী কিশোরীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বরগুনা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.