
১০ জুন, ২০২৫ ১৮:৩৫
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।
ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি. এম সাহাবউদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এ সময় তার স্ত্রী সাথে থাকলেও কার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়।
মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ১১টার দিকে ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় তাকে গ্রেফতার করা হয়। সে গোপালগঞ্জ জেলার সদর থানার বিনাপানি গার্লস স্কুল রোডের মৃত মইনদ্দিনের ছেলে। তার পাসপোর্ট নম্বর-বি-০০০৭৩৯৪৮।
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকালে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরবর্তীতে, তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় মামলা থাকায় তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার দেখিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করে।
তার বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জ থানায় একাধিক মামলাসহ সেনা সদস্যদের উপর হামলা, গাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গোপালগঞ্জ সদর থানায় মামলা রয়েছে সেনাবাহিনীর।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী জানান, পূর্ব থেকে ইমিগ্রেশনে খবর ছিল গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম ভারতে যেতে পারে।
সেই মোতাবেক বহির্গমন বিভাগের সকল অফিসারকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে সকাল ১১ দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন ভবনে প্রবেশে করে বহির্গমন সিল মারার জন্য ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দিলে অনলাইনে তার স্টপ লিস্ট থাকায় সন্দেহ হলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রাসেল মিয়া বলেন, এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামীলীগ নেতাকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছেন। যেহেতু গোপালগঞ্জ থানায় তার নামে মামলা রয়েছে। সেহেতু তাকে গোপালগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা করা হবে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩০
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩০
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।
রাজধানীর কদমতলী (ঢাকা-৪) আসনে গণসংযোগকালে কাজি মারিয়া ইসলাম নামের জামায়াতে ইসলামীর এক নারী কর্মীকে মাথায় কোপ দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএসসিসির ৫২ নম্বর ওয়ার্ড মুরাদপুর হাইস্কুল সংলগ্ন মাজেদা গলিতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, দাঁড়িপাল্লা মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য জামায়াতের নারী কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গণসংযোগ করেছিলেন। এ সময় মাজেদা গলির একটি ৫ তলা ভবনের একটি ফ্ল্যাটে ভোট চাইতে কয়েকজন নারী কর্মী ফ্ল্যাটের ভেতরে ঢোকেন।
এ সময় কয়েকজন যুবক তাদের পথরোধ করে জানতে চান, দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী এ জয়নাল আবেদীন কে, তাকে তো কেউ চিনে না, তার জন্য আপনারা ভোট চাইতে আসছেন কেন।
এ নিয়ে উভয়ের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা চলাকালে পেছন থেকে মারিয়া ইসলামের মাথায় কোপ দেয় যুবকদের একজন। পরে তারা পালিয়ে যায়। মারিয়া ইসলাম বর্তমানে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী মো. জয়নাল আবেদীন বলেন, বিষয়টি শুনেছি। কে বা কারা এ আঘাত করেছে তা আমরা এখনো স্পষ্ট না। আমি মনে করি, এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। তবে নারীদের উপর এমন হামলার নিন্দা জানাই।
কদমতলী থানার ওসি আশরাফুজ্জামান বলেন, এমন একটি ঘটনার কথা শুনেছি। এ বিষয়ে আমরা আরও ভালো করে জানার চেষ্টা করছি, কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এখনো লিখিত কোনো অভিযোগ আমরা পাইনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪২
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে মঞ্চে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে প্রমাসনের আয়োজনে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠের নির্ধারিত দিনক্ষণ ছিল। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন। দুপুরের দিকে অনুষ্ঠান শুরুর মুহূর্তে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকরা সমানে সারিতে চেয়ার বসতে না পেরে হট্টগোল শুরু করেন।
এসময় কথা কাটাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা এবং দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা কয়েকশ চেয়ার ভাঙচুর করে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ চলাকালে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।
জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের অভিযোগ করে বলেন, ‘পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা আমাদের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা করে। এতে আমাদের দলের কমপক্ষে ১৫ জন কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেন, ‘উগ্রবাদী জঙ্গি জামাতিরা পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করছে। তারা দেশকে বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে চাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইগাতীর ইশতেহার অনুষ্ঠান শুরুর প্রাক্কালে পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে আমাদের দলের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়েছে। বর্তমানে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন।’
ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নিয়ে আমরা ইশতেহার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু সেখানে বসাকে কেন্দ্র করে একটু ঝামেলা হয়েছে। পরিস্থিতি আমরা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। একইসঙ্গে এ ঘটনাটি আমরা ঊর্ধ্বতনকে জানিয়েছি। এ ঘটনায় পরবর্তী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.