
১৪ মে, ২০২৬ ১৯:৩২
বরিশালের রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা রাতে বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার অনুগত বাস শ্রমিকদের হামলায় বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, আরেক গ্রুপ সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী ছাত্র-যুব এবং শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে বিএনপি নেতা জিয়ার শ্যালক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে অন্তত ২০/২৫ জন বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে আকস্মিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সোহাগের নেতৃত্বে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে অন্তত ৩০/৩৫টি মাহিন্দ্র-সিএনজি ভাঙচুর করাসহ ৫ শ্রমিক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। তাদের মধ্যে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বরিশাল মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন মোল্লা, রূপাতলী শাখা কমিটির সভাপতি স্বপন মোল্লা এবং একই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজকে উদ্ধার করে রাতেই শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।
মাহিন্দ্র সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সরকারি অনুমোদন থাকলেও তাদেরকে মহানগর বিএনপির নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের অনুসারীরা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ভিড়তে দিচ্ছেন না।
এই বিএনপি নেতার শ্যালক সোহাগ জোরপূর্বক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করে রূপাতলীসহ আশপাশ এলাকাসমূহে পরিবহন সেক্টরে সকলের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। এবং পরিবহনগুলোতে দেদারছে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বুধবার রাতে সংঘাত এবং রক্তারক্তির ঘটনায় আইনি ঝামেলা থেকে নিজেদের রক্ষায় উল্টো বরিশাল-পটুয়াখালী-ঝালকাঠি সড়ক অবরোধ করে বিএনপি নেতা জিয়া সিকদারের অনুসারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ছুটে গেলেও হামলাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি পারভেজ খান মুন অভিযোগ করেন, তাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত পরিবহনগুলো শহর থেকে বের হতে দেয় না বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এনিয়ে দুটি সংগঠনের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার রাতে অনেকটা আকস্মিক তাদের ওপর অস্ত্রসহ হামলা করে বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালকসহ কতিপয় ক্যাডার বাহিনী।
একপর্যায়ে তাদের কার্যালয় ভাঙচুর করাসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখলে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও বিএনপি নেতার প্রভাব বিস্তারের কারণে আইনগত কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে না পুলিশ। ফলে বাধ্য অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভুক্তভোগী সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল শহরের সদর রোড অবরোধ করে। ঘণ্টাব্যাপি অবরোধের ফলে সদর রোডের দুই প্রান্তে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে বুধবার রাতের ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।
তবে বুধবার রাতে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করছেন বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালক সোহাগ হাওলাদার। তার দাবি, তথাকথিত সংগঠনের নেতারা বাস শ্রমিক এবং মালিকদের ওপর আগে হামলা করে, তখন তারা প্রতিরোধ করেছেন। তাছাড়া এই সংগঠনের নামে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন করেন সোহাগ।
বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করে হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এসময় সড়কের দুই প্রান্তে বহু যানবাহন আটকা পড়লে ঘটনাস্থলে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশালটাইমসকে বলেন, বাস মালিক এবং শ্রমিকদের তরফ থেকে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি শহরের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে সংঘর্ষের পরে রাস্তা আটকে বিষয়টি তারা দাবি আকারে প্রশাসনের উচ্চমহলে তুলে ধরেন। এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে রাস্তা ছেড়ে দেয়। সেই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করেছিল। পরে সেখানে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সদর রোড এবং রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত আছে বলে জানান ওসি।’
বরিশাল টাইমস
ছবি: বরিশাল টাইমস
বরিশালের রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিএনপির দু’গ্রুপ ব্যাপক সংঘর্ষে জড়িয়েছে। বুধবার সন্ধ্যা রাতে বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার অনুগত বাস শ্রমিকদের হামলায় বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের অন্তত ৫ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, বরিশাল রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির দুটি গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন বরিশাল মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব জিয়া উদ্দিন সিকদার, আরেক গ্রুপ সদর আসনের এমপি মজিবর রহমান সরোয়ারের অনুসারী ছাত্র-যুব এবং শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার রাতে বিএনপি নেতা জিয়ার শ্যালক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সোহাগ হাওলাদারের নেতৃত্বে সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মুখে অন্তত ২০/২৫ জন বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সাথে আকস্মিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন।
একপর্যায়ে সোহাগের নেতৃত্বে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে অন্তত ৩০/৩৫টি মাহিন্দ্র-সিএনজি ভাঙচুর করাসহ ৫ শ্রমিক নেতাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়। তাদের মধ্যে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন বরিশাল মহানগর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিলন মোল্লা, রূপাতলী শাখা কমিটির সভাপতি স্বপন মোল্লা এবং একই কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াজকে উদ্ধার করে রাতেই শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করে।
মাহিন্দ্র সংগঠনের নেতাদের অভিযোগ, বরিশাল জেলা ও মহানগর অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের সরকারি অনুমোদন থাকলেও তাদেরকে মহানগর বিএনপির নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের অনুসারীরা রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ভিড়তে দিচ্ছেন না।
এই বিএনপি নেতার শ্যালক সোহাগ জোরপূর্বক বাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক পদ দখল করে রূপাতলীসহ আশপাশ এলাকাসমূহে পরিবহন সেক্টরে সকলের মাথার ওপর ছড়ি ঘুরাচ্ছেন। এবং পরিবহনগুলোতে দেদারছে চাঁদাবাজি চালিয়ে যাচ্ছেন।
বুধবার রাতে সংঘাত এবং রক্তারক্তির ঘটনায় আইনি ঝামেলা থেকে নিজেদের রক্ষায় উল্টো বরিশাল-পটুয়াখালী-ঝালকাঠি সড়ক অবরোধ করে বিএনপি নেতা জিয়া সিকদারের অনুসারীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাসহ কোতয়ালি মডেল থানার ওসি ছুটে গেলেও হামলাকারী কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি পারভেজ খান মুন অভিযোগ করেন, তাদের সংগঠনের অন্তর্ভুক্ত পরিবহনগুলো শহর থেকে বের হতে দেয় না বাস মালিক এবং শ্রমিক সংগঠনের নেতারা। এনিয়ে দুটি সংগঠনের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। বুধবার রাতে অনেকটা আকস্মিক তাদের ওপর অস্ত্রসহ হামলা করে বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালকসহ কতিপয় ক্যাডার বাহিনী।
একপর্যায়ে তাদের কার্যালয় ভাঙচুর করাসহ তিনজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ফেলে রাখলে উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও বিএনপি নেতার প্রভাব বিস্তারের কারণে আইনগত কোনো ব্যবস্থাগ্রহণ করছে না পুলিশ। ফলে বাধ্য অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের ভুক্তভোগী সদস্যরা বৃহস্পতিবার বিকেলে বরিশাল শহরের সদর রোড অবরোধ করে। ঘণ্টাব্যাপি অবরোধের ফলে সদর রোডের দুই প্রান্তে কয়েকশ যানবাহন আটকা পড়ে। পরে পুলিশ গিয়ে বুধবার রাতের ঘটনায় ব্যবস্থাগ্রহণের আশ্বাস দিলে শ্রমিকেরা রাস্তা থেকে সরে গিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে দেন।
তবে বুধবার রাতে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালক ওয়ার্কার্স ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার বিষয়টি অস্বীকার করছেন বিএনপি নেতা জিয়া উদ্দিন সিকদারের শ্যালক সোহাগ হাওলাদার। তার দাবি, তথাকথিত সংগঠনের নেতারা বাস শ্রমিক এবং মালিকদের ওপর আগে হামলা করে, তখন তারা প্রতিরোধ করেছেন। তাছাড়া এই সংগঠনের নামে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি চালানোর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন করেন সোহাগ।
বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকালে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করে হামলাকারীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এসময় সড়কের দুই প্রান্তে বহু যানবাহন আটকা পড়লে ঘটনাস্থলে তাদের বুঝিয়ে শুনিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়।
বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বরিশালটাইমসকে বলেন, বাস মালিক এবং শ্রমিকদের তরফ থেকে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি শহরের বাইরে যাওয়ার ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতা চাওয়া হয়েছে।
বুধবার রাতে সংঘর্ষের পরে রাস্তা আটকে বিষয়টি তারা দাবি আকারে প্রশাসনের উচ্চমহলে তুলে ধরেন। এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে তারা অবরোধ তুলে নিয়ে রাস্তা ছেড়ে দেয়। সেই ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে অটোরিকশা, অটো টেম্পু, মিশুক বেবিটেক্সি, মাহিন্দ্র-সিএনজি ইউনিয়নের নেতাকর্মীরা সদর রোড অবরোধ করেছিল। পরে সেখানে গিয়ে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয় এবং বুধবার রাতের হামলার ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলা হয়েছে। বর্তমানে সদর রোড এবং রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত আছে বলে জানান ওসি।’
বরিশাল টাইমস

১৪ মে, ২০২৬ ১৮:৪৩
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের (ভিসি) দায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. মামুন অর রশিদকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত তিনি ভিসির দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের (ভিসি) দায়িত্ব পেলেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ। আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৩ (সংশোধিত)-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী ড. মো. মামুন অর রশিদকে এ নিয়োগ দেয়া হয়েছে।
যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের তারিখ পর্যন্ত তিনি ভিসির দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তার বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৪ মে, ২০২৬ ১৭:২৫
পদোন্নতির দাবীতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষকদের শাটডাউন কর্মসূচি। প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়েছিলেন তারা। দুইদিন পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তালাগুলো খুললেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর তৌফিকুল আলম।
শিক্ষকদের আন্দোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে নেওয়া এই উদ্যোগ- জানালেন ভিসি। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন অন্তত ৬০ জন শিক্ষক। তাদের অভিযোগ, পদোন্নতির বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।
গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় তা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং ওই সভায় শিক্ষকদের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে উঠেছে অভিযোগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরা সাধারণ সভা করে গত ১০ মে থেকে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়, একযোগে বন্ধ রাখা হয় ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রশাসনিক পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান কয়েক শিক্ষক।
এই শাটডাউনে স্থবির বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে তৈরি হবে সেশন জট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র শরিফুল আলমের মত, ‘পরীক্ষা ও ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষকদের আইন বহির্ভূত দাবীর কারণে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়মনীতি অনুসরণ করে পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজন সময়।এর মধ্যে আজ সকালে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা খুললেন ভিসি। তিনি বলেছেন, ‘ইউজিসির নিয়মের বাইরে গিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি, শিক্ষকদের আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা অপসারণের উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। দপ্তরগুলো চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।’
পদোন্নতির দাবীতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শিক্ষকদের শাটডাউন কর্মসূচি। প্রশাসনিক দপ্তরগুলোতে তালা ঝুলিয়েছিলেন তারা। দুইদিন পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তালাগুলো খুললেন উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর তৌফিকুল আলম।
শিক্ষকদের আন্দোলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকদিন ধরে চলা অচলাবস্থা নিরসনে নেওয়া এই উদ্যোগ- জানালেন ভিসি। দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতির দাবি জানিয়ে আসছিলেন অন্তত ৬০ জন শিক্ষক। তাদের অভিযোগ, পদোন্নতির বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে একাধিকবার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও নেওয়া হয়নি কার্যকর কোনো উদ্যোগ।
গত ৩০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে পরবর্তী সিন্ডিকেট সভায় তা বাস্তবায়নে কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি। বরং ওই সভায় শিক্ষকদের মতামত যথাযথভাবে গুরুত্ব পায়নি বলে উঠেছে অভিযোগ।
এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষকরা সাধারণ সভা করে গত ১০ মে থেকে কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। উপাচার্যকে ক্যাম্পাসে ‘অবাঞ্ছিত’ ঘোষণা করা হয়, একযোগে বন্ধ রাখা হয় ক্লাস, পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। প্রশাসনিক পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান কয়েক শিক্ষক।
এই শাটডাউনে স্থবির বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকের আশঙ্কা, দ্রুত সমাধান না হলে তৈরি হবে সেশন জট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ছাত্র শরিফুল আলমের মত, ‘পরীক্ষা ও ক্লাস বন্ধ রেখে শিক্ষকদের আইন বহির্ভূত দাবীর কারণে আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’
অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিয়মনীতি অনুসরণ করে পদোন্নতি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজন সময়।এর মধ্যে আজ সকালে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা খুললেন ভিসি। তিনি বলেছেন, ‘ইউজিসির নিয়মের বাইরে গিয়ে পদোন্নতি দেওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করেছি, শিক্ষকদের আলোচনার আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। এমন অবস্থার মধ্যে প্রশাসনিক দপ্তরের তালা অপসারণের উদ্যেগ নেওয়া হয়েছে। দপ্তরগুলো চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

১৪ মে, ২০২৬ ১৩:১৬
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ২০০ টাকা বকশিশ না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার দুই মিনিটেই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে মৃত নারীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারা যাওয়া রোগী দিপালী সিকদার (৪০) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের শংকর শিকদারের স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
দিপালীর স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দিপালীকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে টানা ২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের অব্যবস্থাপনার কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।
দিপালীর ভাই মিলন হাওলাদার অভিযোগ করেন, দিপালী যখন অক্সিজেনের সহায়তায় বাঁচার লড়াই করছিলেন, ঠিক তখনই মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল সেখানে হাজির হন।
পাশের অন্য এক রোগীর স্বজনরা ট্রলিটি নেওয়ার জন্য সোহেলকে ২০০ টাকা দেয়। টাকার লোভে সোহেল আমার বোনের ছটফটানি উপেক্ষা করেই অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা হাত-পা ধরলেও সে শোনেনি। অক্সিজেন খোলার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় বোন মারা যায়।
এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, আমার বোনকে খুন করা হয়েছে।দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে টেনেহিঁচড়ে, মারধর করেন।
এ সময় হাসপাতালের অন্য স্টাফরা সোহেলের পক্ষ নিয়ে দিপালীর স্বজনদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ান তারা। পরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দায়িত্বরত আনসার সদস্য নিঠু রঞ্জন জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত স্বজনরা সোহেল নামের ওই কর্মচারীকে বেদম মারধর করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করি এবং তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করি।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বরিশালটাইমসকে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তার বেতন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ২০০ টাকা বকশিশ না পেয়ে অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়ার দুই মিনিটেই রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১৩ মে) বিকেলে হাসপাতালের ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে হাসপাতাল চত্বরে মৃত নারীর স্বজন ও হাসপাতাল কর্মচারীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।
মারা যাওয়া রোগী দিপালী সিকদার (৪০) বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পূর্ব খরকি গ্রামের শংকর শিকদারের স্ত্রী। এই ঘটনায় অভিযুক্ত কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর।
দিপালীর স্বজনরা জানান, তীব্র শ্বাসকষ্ট নিয়ে বুধবার দুপুর পৌনে ৩টার দিকে দিপালীকে শেবাচিম হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করা হয়। রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় চিকিৎসক তাকে দ্রুত ওপিডি ভবনের মেডিসিন বিভাগে স্থানান্তর করেন এবং জরুরি ভিত্তিতে টানা ২ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন অক্সিজেন দেওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু শয্যা সংকট ও অক্সিজেন পয়েন্টের অব্যবস্থাপনার কারণে তাকে একটি ট্রলিতে রেখেই অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল।
দিপালীর ভাই মিলন হাওলাদার অভিযোগ করেন, দিপালী যখন অক্সিজেনের সহায়তায় বাঁচার লড়াই করছিলেন, ঠিক তখনই মেডিসিন ইউনিট-১ এর কর্মচারী সোহেল সেখানে হাজির হন।
পাশের অন্য এক রোগীর স্বজনরা ট্রলিটি নেওয়ার জন্য সোহেলকে ২০০ টাকা দেয়। টাকার লোভে সোহেল আমার বোনের ছটফটানি উপেক্ষা করেই অক্সিজেনের লাইনটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়। আমরা হাত-পা ধরলেও সে শোনেনি। অক্সিজেন খোলার ঠিক দুই মিনিটের মাথায় বোন মারা যায়।
এটা স্বাভাবিক মৃত্যু নয়, আমার বোনকে খুন করা হয়েছে।দিপালীর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে স্বজনরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা অভিযুক্ত কর্মচারী সোহেলকে টেনেহিঁচড়ে, মারধর করেন।
এ সময় হাসপাতালের অন্য স্টাফরা সোহেলের পক্ষ নিয়ে দিপালীর স্বজনদের ওপর চড়াও হন। একপর্যায়ে সংঘর্ষে জড়ান তারা। পরে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
দায়িত্বরত আনসার সদস্য নিঠু রঞ্জন জানান, রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজিত স্বজনরা সোহেল নামের ওই কর্মচারীকে বেদম মারধর করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ায় আমরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করি এবং তাকে উদ্ধার করে পরিস্থিতি শান্ত করি।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর বরিশালটাইমসকে বলেন, এ ঘটনায় অভিযুক্তকে তাৎক্ষণিকভাবে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
তার বেতন বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম বরিশালটাইমসকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় নিহতের স্বজনদের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.