
১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩২
পিরোজপুরের কদমতলা ইউনিয়নে কৃষকদের সহায়তায় ধান কাটা কর্মসূচি পালন করেছে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল। টানা বৃষ্টি ও মাঠে পানি জমে যাওয়ায় পাকা ধান দ্রুত কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা।
শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ধান কেটে সহযোগিতা করছে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১৩ মে) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, সাধারণ সম্পাদক নাজিম আহমেদ খানসহ ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ধান কাটা কর্মসূচিতে সহযোগিতা পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ছাত্রদলের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, এছাড়াও এলাকাবাসী এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
স্থানীয় কৃষক রফিক উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু আজকে সকালে ছাত্রদলের কয়েকজন এসে ধান কাটায় সহযোগিতা করেছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অনেক ভালো লেগেছে। ধান কেটে সহযোগিতা
করার মানসিকতার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক বান্ধব সরকার। টানা বৃষ্টিতে কদমতলা ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ অবস্থায় ধান কাটার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছে না স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষকের এই দুর্ভোগ কমাতে আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ সকালে কদমতলা ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করে তাদের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করেছি।
পিরোজপুরের কদমতলা ইউনিয়নে কৃষকদের সহায়তায় ধান কাটা কর্মসূচি পালন করেছে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল। টানা বৃষ্টি ও মাঠে পানি জমে যাওয়ায় পাকা ধান দ্রুত কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা।
শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ধান কেটে সহযোগিতা করছে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১৩ মে) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, সাধারণ সম্পাদক নাজিম আহমেদ খানসহ ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ধান কাটা কর্মসূচিতে সহযোগিতা পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ছাত্রদলের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, এছাড়াও এলাকাবাসী এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
স্থানীয় কৃষক রফিক উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু আজকে সকালে ছাত্রদলের কয়েকজন এসে ধান কাটায় সহযোগিতা করেছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অনেক ভালো লেগেছে। ধান কেটে সহযোগিতা
করার মানসিকতার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক বান্ধব সরকার। টানা বৃষ্টিতে কদমতলা ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ অবস্থায় ধান কাটার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছে না স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষকের এই দুর্ভোগ কমাতে আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ সকালে কদমতলা ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করে তাদের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করেছি।

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:১১
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে খালে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ৬ নং নাজিরপুর ইউনিয়নের ছোট আমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের মো. মিরাজ শেখের দুই ছেলে আব্দুর রহমান (৬) ও আবু বক্কর (৪)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই শিশু মায়ের সঙ্গে দুই দিন আগে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। বাড়ির পাশের নতুন খনন করা গভীর খালে বুধবার দুপুরে তারা নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে খাল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাসেল সিকদার জানান, ধারণা করা হচ্ছে একজন পানিতে পড়ে গেলে অন্যজন তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ডুবে যায়।
নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক স্নিগ্ধা মিত্র জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়।নাজিরপুর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে খালে ডুবে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) বুধবার দুপুর ১টার দিকে উপজেলার ৬ নং নাজিরপুর ইউনিয়নের ছোট আমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার দৈহারী ইউনিয়নের ভরতকাঠি গ্রামের মো. মিরাজ শেখের দুই ছেলে আব্দুর রহমান (৬) ও আবু বক্কর (৪)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, দুই শিশু মায়ের সঙ্গে দুই দিন আগে নানাবাড়িতে বেড়াতে আসে। বাড়ির পাশের নতুন খনন করা গভীর খালে বুধবার দুপুরে তারা নিখোঁজ হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে খাল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করেন।
নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. রাসেল সিকদার জানান, ধারণা করা হচ্ছে একজন পানিতে পড়ে গেলে অন্যজন তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে ডুবে যায়।
নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক স্নিগ্ধা মিত্র জানান, হাসপাতালে আনার আগেই দুই শিশুর মৃত্যু হয়।নাজিরপুর থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৪:৪৭
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের আলোচিত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর (সি.এ) মো. ইয়াসির আরাফাতকে বদলি করা হয়েছে। সোমবার (১১ মে) পিরোজপুর জেলা প্রশাসক আবু সাঈদের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ বদলি কার্যকর করা হয়।
অফিস আদেশ সূত্রে জানা যায়, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদে কর্মরত সাঁটমুদ্রাক্ষরিক-কাম-কম্পিউটার অপারেটর মো. ইয়াসির আরাফাতকে জিয়ানগর উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। একই সঙ্গে জিয়ানগর উপজেলা পরিষদে একই পদে কর্মরত শাহারিয়ারকে নাজিরপুর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে।
এর আগে ইয়াসির আরাফাতের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ স্থানীয় ও জাতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে— সরকারি কাজে অনিয়ম, ফাইল গায়েবের অভিযোগ, নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের খাদ্য বরাদ্দে অনিয়ম, বাবুরহাট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়ালের কাজ সম্পন্ন না করেই প্রধান শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিল উত্তোলনের অভিযোগ এবং বেনামে ঠিকাদারি পরিচালনার তথ্য।
এসব অভিযোগ নিয়ে টেলিভিশন, প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে এ বিষয়ে জানতে মো. ইয়াসির আরাফাতের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১২ মে, ২০২৬ ১৩:১৭
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে ২০ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১১ মে) গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব সোহাগদল গ্রামের ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে মো. রাসেল খান (২৮) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে থানায় পাঁচটি মামলা রয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুজন হলেন- মেহরাব হোসেন (২০) ও শাকির মোল্লা (২০)। তাদের সবার বাড়ি উপজেলার দক্ষিণ কৌড়িখারা গ্রামে। রাসেল ওই গ্রামের মৃত মনসুর আলীর ছেলে, মেহরাব মো. মিজানুর রহমানের এবং শাকির মো. সালাম মোল্লার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাতে ইন্দেরহাটের গ্রিনরোড এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। সেখানে মাদক বিক্রির খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছালে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে ধাওয়া করে ওই তিনজনকে আটক করা হয়। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। রাসেল খানের বিরুদ্ধে আগে থেকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে মঙ্গলবার সকালে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অন্য কারও সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.