নির্বাচন ভারতের এজেন্ডা, এমনটা প্রচার করা বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ‘নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন দরকার।’
আজ রোববার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি এ কথা বলেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রথম নির্বাহী সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘অবিলম্বে বিচার–সংস্কার–নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করো’ শীর্ষক আলোচনা হয়।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ভারতের কোনো মিডিয়া কিংবা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বাংলাদেশে নির্বাচন চাইলেন, আর এখানে নির্বাচনের দাবি করা ভারতের ইচ্ছা অনুযায়ী হচ্ছে বলে মনে করা, এ ধরনের প্রচার অত্যন্ত বিপজ্জনক।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ভারতীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শেখ হাসিনা সরকার যে ফ্যাসিস্ট রোলার চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে দেশে ঐক্য গড়ে উঠেছে। সেখানে নির্বাচন ভারতের এজেন্ডা, এমন কথা বলে জনগণের ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে ভারতের পারপাস সার্ভ করা হচ্ছে। এমন প্রচার ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতে সাহায্য করবে।
সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, যাঁরা শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিলেন, এখন তাঁরা নতুন বন্দোবস্ত করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ফ্যাসিজমের থেকে যাওয়া শিকড়ে পানি ঢেলে তাঁরা আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাচ্ছেন।
গণ–অভ্যুত্থানে পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যে ফাটল ধরেছে বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক। তিনি বলেন, কোনো অভ্যুত্থানের প্রথম সারির নেতারা এতটা বিতর্কিত হননি, যতটা এখন হচ্ছেন। তরুণেরা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজে জড়িত হয়ে পড়েছেন, যা লজ্জাজনক।
একটি দল ছাড়া কেউ ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় না, প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্য উল্টোভাবে সত্য বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক। তিনি বলেন, জাপানে প্রধান উপদেষ্টা যে কথা বলেছেন, সেটা তথ্যভিত্তিক নয়।
সভায় আরও বক্তব্য দেন এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা প্রমুখ। সভার শুরুতে আবদুস সালাম স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:৫০
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ), তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানা এবং তানজীন ওহাব বৃষ্টিসহ ৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ অগাস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক (পর্যবেক্ষণ ও বিচারণ) এবং অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুবুর রহমান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ) তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এই অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।
অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ যাত্রা বন্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।
অবৈধ সম্পদ অর্জন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ), তার স্ত্রী নাহিদ সুলতানা এবং তানজীন ওহাব বৃষ্টিসহ ৩ জনের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
আজ বৃহস্পতিবার (২৭ অগাস্ট) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানজির আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
এর আগে, দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক (পর্যবেক্ষণ ও বিচারণ) এবং অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা এ কে এম মাহবুবুর রহমান তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আবেদন করেন।
ওই আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস (পরশ) তার নিজ নামে এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন করে মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন। এই অভিযোগের বিষয়ে বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনে অনুসন্ধান কার্যক্রম চলছে।
অনুসন্ধানকালে গোপন সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তারা বিদেশে পালিয়ে গেলে অনুসন্ধান কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। এজন্য সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের বিদেশ যাত্রা বন্ধ করা একান্ত প্রয়োজন।

২৭ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০৯
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুড়ে যাওয়া দলীয় কার্যালয়ে ঝুলছিল শোক দিবসের একটি ব্যানার। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লাগানো হয়েছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পোস্টার। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সৌজন্যে দেওয়া ওই ব্যানারে লেখা ছিল- 'শোক থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে প্রত্যাবর্তন।' এ লেখার সাথে বিশালাকৃতির ওই ব্যানারে ১৫ আগস্ট নিহত শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল সদস্যদের ছবি যুক্ত ছিল। এর পাশাপাশি উপজেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় জায়গায় সাঁটানো হয়েছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের ছবি সম্বলিত পোস্টার। ব্যানার এবং পোস্টার পরে অপসারণ করা হলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপজেলা কার্যালয়ে ব্যানার কীভাবে এলো আর পোস্টারগুলোই বা কে কখন লাগালো তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যানার-পোস্টার অপসারণ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে তারা।
জানা যায়, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়টি পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। উপজেলার কলেজ গেট এলাকার চৌরাস্তায় অবস্থিত আওয়ামী লীগের নিজস্ব ওই দলীয় কার্যালয়ের পোড়া ভবনটি এরপর থেকেই পরিত্যক্ত ছিল। বুধবার ভোর থেকে সেই দলীয় কার্যালয়ে ১০ ফুট লম্বা এবং ৭ ফুট প্রস্থের একটি শোক দিবসের ব্যানার ঝুলতে দেখা যায়। দুপুর প্রায় দেড়টা পর্যন্ত ব্যানারটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঝুলছিল। পরে খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতারা সেটিকে অপসারণ করে। এদিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুলের তোরণ ও বিভিন্ন স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাঁটানো হয় গ্রেনেড হামলার পোস্টার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন বলেন, 'মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত অফিসে ওই ব্যানারটি কেউ ঝুলিয়ে দিয়ে গেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কলেজ গেট এলাকার ওই দলীয় অফিসের আশেপাশে তেমন কোনো দোকানপাট নেই। ওখানে কিছু গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়। তাই আমরা সাথেসাথে ঘটনাটি টের পাইনি। বেলা ১টায় দিকে আমি খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গিয়ে ব্যানারটি তাৎক্ষণিক অপসারণ করে।'
রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম বলেন, 'বুধবার ভোরে আলো ফোটার আগে কে বা কারা গোপনে এসে খানপুরা এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের দেয়ালসহ কিছু জায়গায় নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার লাগিয়ে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসার পরে সকল পোস্টার সাথেসাথে অপসারণ করা হয়। এখন চুরি করে রাতের আঁধারে কেউ পোস্টার লাগালে সেখানে বিএনপির আর কী করার আছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটা সংগঠন কীভাবে পোস্টার লাগায় এর ব্যাখ্যা পুলিশ ভালো দিতে পারবে।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, 'ঘটনাটি আমরা জানার পরে যখন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি তখন সেখানে কিছুই ছিল না। পুলিশ যাওয়ার আগেই ব্যানার পোস্টার অপসারণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের যেহেতু কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে সেহেতু তাদের সবধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম করাই আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এসব ব্যানার-পোস্টার কারা কখন লাগিয়েছে সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।'
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যানার এবং পোস্টার সাঁটানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'আওয়ামী লীগের সাথে বাংলাদেশ জন্মের ইতিহাস জড়িত। যে দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই দলকে নির্বাহী আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ করা যায় না। যারা করেছে তারা অন্যায় করেছে। ইতিহাস একদিন তাদের বিচার ঠিকই করবে। বাঁধভাঙা জোয়ার কখনো বাঁধা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রতিটি বাঙালির নেতা। তাকে মুছে ফেলার শক্তি পৃথিবীর কারো নেই। আমাদের শোক থেকে এবার হবে জাগরণ। আর সেই জাগরণ থেকে ডিসেম্বরের আগেই হবে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন। পৃথিবীর ইতিহাসে এক নজিরবিহীন প্রত্যাবর্তন দেখবে সমগ্র বিশ্ব। সেই বার্তাটাই দেওয়া হয়েছে।'
এদিকে থানার ৫০০ গজের মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এই ব্যানার টাঙানো এবং উপজেলা সদর খানপুরাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টার সাঁটানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় চলছে। বিএনপি এটাকে চোরাগোপ্তা কার্যক্রম হিসেবে দেখলেও কেউ কেউ বলছেন এটা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের আভাস। আওয়ামী লীগ ফুরিয়ে যায়নি। এর আগে গত ১৫ আগস্ট খানপুরা এলাকার বিসমিল্লাহ ডেইরি ফার্মের মাঠে শোক দিবসের সংক্ষিপ্ত র্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত কর্মসূচি পালন করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। এ ঘটনায় উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরদিন ১৬ আগস্ট এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার খালেদ হোসেন স্বপনসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। #
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পুড়ে যাওয়া দলীয় কার্যালয়ে ঝুলছিল শোক দিবসের একটি ব্যানার। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় লাগানো হয়েছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার পোস্টার। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সৌজন্যে দেওয়া ওই ব্যানারে লেখা ছিল- 'শোক থেকে জাগরণ, জাগরণ থেকে প্রত্যাবর্তন।' এ লেখার সাথে বিশালাকৃতির ওই ব্যানারে ১৫ আগস্ট নিহত শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সকল সদস্যদের ছবি যুক্ত ছিল। এর পাশাপাশি উপজেলা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় জায়গায় সাঁটানো হয়েছিল ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় হতাহতদের ছবি সম্বলিত পোস্টার। ব্যানার এবং পোস্টার পরে অপসারণ করা হলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উপজেলা কার্যালয়ে ব্যানার কীভাবে এলো আর পোস্টারগুলোই বা কে কখন লাগালো তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক তোলপাড় চলছে। স্থানীয় বিএনপি নেতারা বলছেন খবর পাওয়ার সাথে সাথেই ব্যানার-পোস্টার অপসারণ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি ঘটনাটি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে তারা।
জানা যায়, বিগত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়ার পরপরই বাবুগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়টি পুড়িয়ে দেয় বিক্ষুব্ধ আন্দোলনকারীরা। উপজেলার কলেজ গেট এলাকার চৌরাস্তায় অবস্থিত আওয়ামী লীগের নিজস্ব ওই দলীয় কার্যালয়ের পোড়া ভবনটি এরপর থেকেই পরিত্যক্ত ছিল। বুধবার ভোর থেকে সেই দলীয় কার্যালয়ে ১০ ফুট লম্বা এবং ৭ ফুট প্রস্থের একটি শোক দিবসের ব্যানার ঝুলতে দেখা যায়। দুপুর প্রায় দেড়টা পর্যন্ত ব্যানারটি দলীয় কার্যালয়ের সামনে ঝুলছিল। পরে খবর পেয়ে ছাত্রদল নেতারা সেটিকে অপসারণ করে। এদিকে উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়ন পরিষদ, স্কুলের তোরণ ও বিভিন্ন স্টেশনের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সাঁটানো হয় গ্রেনেড হামলার পোস্টার।
বাবুগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক আতিকুর রহমান আল-আমিন বলেন, 'মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত অফিসে ওই ব্যানারটি কেউ ঝুলিয়ে দিয়ে গেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কলেজ গেট এলাকার ওই দলীয় অফিসের আশেপাশে তেমন কোনো দোকানপাট নেই। ওখানে কিছু গাড়ি পার্কিং করে রাখা হয়। তাই আমরা সাথেসাথে ঘটনাটি টের পাইনি। বেলা ১টায় দিকে আমি খবর পাওয়ার পরপরই আমাদের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা গিয়ে ব্যানারটি তাৎক্ষণিক অপসারণ করে।'
রহমতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহসিন উদ্দিন শামীম বলেন, 'বুধবার ভোরে আলো ফোটার আগে কে বা কারা গোপনে এসে খানপুরা এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের দেয়ালসহ কিছু জায়গায় নিষিদ্ধ সংগঠনের পোস্টার লাগিয়ে যায়। সকালে বিষয়টি নজরে আসার পরে সকল পোস্টার সাথেসাথে অপসারণ করা হয়। এখন চুরি করে রাতের আঁধারে কেউ পোস্টার লাগালে সেখানে বিএনপির আর কী করার আছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটা সংগঠন কীভাবে পোস্টার লাগায় এর ব্যাখ্যা পুলিশ ভালো দিতে পারবে।'
বাবুগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মিজানুর রহমান হাওলাদার বলেন, 'ঘটনাটি আমরা জানার পরে যখন ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি তখন সেখানে কিছুই ছিল না। পুলিশ যাওয়ার আগেই ব্যানার পোস্টার অপসারণ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের যেহেতু কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে সেহেতু তাদের সবধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম করাই আইনত দন্ডনীয় অপরাধ। এসব ব্যানার-পোস্টার কারা কখন লাগিয়েছে সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাস্থলের আশেপাশের সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।'
এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাবেক সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ব্যানার এবং পোস্টার সাঁটানোর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, 'আওয়ামী লীগের সাথে বাংলাদেশ জন্মের ইতিহাস জড়িত। যে দলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে সেই দলকে নির্বাহী আদেশ দিয়ে নিষিদ্ধ করা যায় না। যারা করেছে তারা অন্যায় করেছে। ইতিহাস একদিন তাদের বিচার ঠিকই করবে। বাঁধভাঙা জোয়ার কখনো বাঁধা দিয়ে আটকে রাখা যায় না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব প্রতিটি বাঙালির নেতা। তাকে মুছে ফেলার শক্তি পৃথিবীর কারো নেই। আমাদের শোক থেকে এবার হবে জাগরণ। আর সেই জাগরণ থেকে ডিসেম্বরের আগেই হবে ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন। পৃথিবীর ইতিহাসে এক নজিরবিহীন প্রত্যাবর্তন দেখবে সমগ্র বিশ্ব। সেই বার্তাটাই দেওয়া হয়েছে।'
এদিকে থানার ৫০০ গজের মধ্যে আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে এই ব্যানার টাঙানো এবং উপজেলা সদর খানপুরাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পোস্টার সাঁটানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে তোলপাড় চলছে। বিএনপি এটাকে চোরাগোপ্তা কার্যক্রম হিসেবে দেখলেও কেউ কেউ বলছেন এটা আওয়ামী লীগের পুনর্জাগরণের আভাস। আওয়ামী লীগ ফুরিয়ে যায়নি। এর আগে গত ১৫ আগস্ট খানপুরা এলাকার বিসমিল্লাহ ডেইরি ফার্মের মাঠে শোক দিবসের সংক্ষিপ্ত র্যালি, আলোচনা সভা ও দোয়া-মোনাজাত কর্মসূচি পালন করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। এ ঘটনায় উপজেলার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার পরদিন ১৬ আগস্ট এয়ারপোর্ট থানার উপ-পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরদার খালেদ হোসেন স্বপনসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেন। #

২৫ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৫৫
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এসব নির্বাচনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সাক্ষাৎ করেন। পরে সাংবাদিকদের বৈঠকের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষ আগামী সপ্তাহে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনার জন্য ইসির সঙ্গে বৈঠক করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল, তারিখ নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করবে। ইসির সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং করবে।
বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় পানি সরবরাহে ডেনমার্কের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রাজধানীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ফেজের কাজ শেষ করতে ডেনমার্ক সহায়তা করবে। এই ধাপে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পানি শোধনাগারে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা করবে দেশটি। এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে পরিশোধ করবে সরকার। এতে সরকারের ওপর চাপ পড়বে না।
এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মেঘনা নদী থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি শোধন সম্ভব হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১০০ কোটি টাকা দেবে ডেনমার্ক।
চলতি অর্থবছরের মধ্যেই দেশের পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, এসব নির্বাচনের জন্য বাজেটে ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান ও প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের সঙ্গে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত ক্রিশ্চিয়ান ব্রিক্স মোলার সাক্ষাৎ করেন। পরে সাংবাদিকদের বৈঠকের আলোচ্য বিষয় তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অনুমতি সাপেক্ষ আগামী সপ্তাহে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বিষয়ে আলোচনার জন্য ইসির সঙ্গে বৈঠক করা হবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের তফসিল, তারিখ নির্বাচন কমিশন নির্ধারণ করবে। ইসির সঙ্গে আলোচনার পর মন্ত্রণালয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে ব্রিফিং করবে।
বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় পানি সরবরাহে ডেনমার্কের সহায়তার কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, রাজধানীতে পানি সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক। সায়েদাবাদ পানি শোধনাগার প্রকল্পের তৃতীয় ফেজের কাজ শেষ করতে ডেনমার্ক সহায়তা করবে। এই ধাপে ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই পানি শোধনাগারে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সহায়তা করবে দেশটি। এর মধ্যে দেড় হাজার কোটি টাকা অনুদান। বাকি ৩ হাজার কোটি টাকা আগামী ২০ বছরে ধাপে ধাপে পরিশোধ করবে সরকার। এতে সরকারের ওপর চাপ পড়বে না।
এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে মেঘনা নদী থেকে ৯৫ কোটি লিটার পানি শোধন সম্ভব হবে। এছাড়া রোহিঙ্গাদের সহায়তায় ১০০ কোটি টাকা দেবে ডেনমার্ক।

০১ জুন, ২০২৫ ১৭:১৯
নির্বাচন ভারতের এজেন্ডা, এমনটা প্রচার করা বিপজ্জনক বলে মন্তব্য করেছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। তিনি বলেছেন, ‘নিজেদের প্রয়োজনে আমাদের বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন দরকার।’
আজ রোববার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে জোনায়েদ সাকি এ কথা বলেন। গণসংহতি আন্দোলনের প্রথম নির্বাহী সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট আবদুস সালামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এই স্মরণসভার আয়োজন করা হয়। গণসংহতি আন্দোলন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ‘অবিলম্বে বিচার–সংস্কার–নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করো’ শীর্ষক আলোচনা হয়।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী বলেন, ভারতের কোনো মিডিয়া কিংবা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বাংলাদেশে নির্বাচন চাইলেন, আর এখানে নির্বাচনের দাবি করা ভারতের ইচ্ছা অনুযায়ী হচ্ছে বলে মনে করা, এ ধরনের প্রচার অত্যন্ত বিপজ্জনক।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ভারতীয় পৃষ্ঠপোষকতায় শেখ হাসিনা সরকার যে ফ্যাসিস্ট রোলার চালিয়েছিল, তার বিরুদ্ধে দেশে ঐক্য গড়ে উঠেছে। সেখানে নির্বাচন ভারতের এজেন্ডা, এমন কথা বলে জনগণের ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে ভারতের পারপাস সার্ভ করা হচ্ছে। এমন প্রচার ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করতে সাহায্য করবে।
সভায় বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, যাঁরা শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিস্ট হয়ে উঠতে সাহায্য করেছিলেন, এখন তাঁরা নতুন বন্দোবস্ত করে বহাল তবিয়তে রয়েছেন। ফ্যাসিজমের থেকে যাওয়া শিকড়ে পানি ঢেলে তাঁরা আবার ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চাচ্ছেন।
গণ–অভ্যুত্থানে পক্ষের শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্যে ফাটল ধরেছে বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক। তিনি বলেন, কোনো অভ্যুত্থানের প্রথম সারির নেতারা এতটা বিতর্কিত হননি, যতটা এখন হচ্ছেন। তরুণেরা অনাকাঙ্ক্ষিত কাজে জড়িত হয়ে পড়েছেন, যা লজ্জাজনক।
একটি দল ছাড়া কেউ ডিসেম্বরে নির্বাচন চায় না, প্রধান উপদেষ্টার এমন বক্তব্য উল্টোভাবে সত্য বলে মন্তব্য করেন সাইফুল হক। তিনি বলেন, জাপানে প্রধান উপদেষ্টা যে কথা বলেছেন, সেটা তথ্যভিত্তিক নয়।
সভায় আরও বক্তব্য দেন এবি পার্টির সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন, ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, রাষ্ট্রসংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক ফয়জুল হাকিম লালা প্রমুখ। সভার শুরুতে আবদুস সালাম স্মরণে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:৫৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২১:১৫
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:৩৬
২৭ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৮