
২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০১
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার তথা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের অংশ হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর আওতায় সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের ওপর ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর ফল ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রথম গেজেট অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩, যার মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬।
সংশোধিত গেজেটে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট কমে হয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। মোট প্রদত্ত ভোট দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭। এর মধ্যে বাতিল ভোট ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ এবং বৈধ ভোট ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ এবং ‘না’ ভোট কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫। যদিও বৈধ ভোটের সংখ্যা কমেছে, বাতিল ভোট বেড়েছে ১২ হাজার ৫৫৯। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬।
তবে এই সংশোধনের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুধু জানানো হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমেই সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এই গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর সংবিধান সংস্কার তথা ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধন এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশোধিত গেজেট অনুযায়ী, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের অংশ হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’-এর আওতায় সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের ওপর ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। এর ফল ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশ করা হয়েছিল।
প্রথম গেজেট অনুযায়ী, ‘হ্যাঁ’ ভোট ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬। মোট প্রদত্ত ভোট ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩, যার মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ ভোট। ফলে বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬।
সংশোধিত গেজেটে দেখা যায়, ‘হ্যাঁ’ ভোট কমে হয়েছে ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ এবং ‘না’ ভোট ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১। মোট প্রদত্ত ভোট দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭। এর মধ্যে বাতিল ভোট ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ এবং বৈধ ভোট ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগের ঘোষণার তুলনায় ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০ এবং ‘না’ ভোট কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫। যদিও বৈধ ভোটের সংখ্যা কমেছে, বাতিল ভোট বেড়েছে ১২ হাজার ৫৫৯। সব মিলিয়ে মোট প্রদত্ত ভোট কমেছে ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬।
তবে এই সংশোধনের নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি নির্বাচন কমিশন। শুধু জানানো হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমেই সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। এই গণভোটের মাধ্যমেই জুলাই জাতীয় সনদের সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৫
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৪
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করবে। গণমাধ্যমের কাজ হলো সমস্যা তুলে ধরা এবং আমাদের নজরে আনা। আমরা সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সবাই মিলে কাজ করলে সব কিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেননি। তিনি আশ্বাস দেন যে দুই-চার মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এর আগে মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২৩
দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ শেষে ঠাকুরগাঁও হাফেজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
তিনি বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন হবে; গণতন্ত্রকে তার প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া হবে। ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে আমি সবসময় ঋণী। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে বলে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সহ নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য যে, সরকার গঠনের পর তিনদিনের সরকারি সফরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। মসজিদের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে নিজ এলাকায় শুরু করেন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
শুক্রবার বিকেলে ইএসডিও এর আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শনিবার সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিকেলে জেলা বিএনপি মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন তিনি। পরদিন সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন৷
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
রমজানকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছিল, তা কিছুটা কমেছে। তবে বাজারে রীতিমত উত্তাপ ছড়াচ্ছে ফলের দাম। এমন পরিস্থিতিতে বাজারে এসে রীতিমতো হা-হুতাশ করছে সাধারণ ক্রেতারা।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মহাখালী ও কারওয়ান বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিকেজি মাল্টা ৩১০ থেকে ৩৪০ টাকা, আপেল ৩৩০ থেকে ৪০০ টাকা, সবুজ আঙুর ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকা, কালো আঙুর প্রায় ৫৫০ টাকা কেজি, তরমুজ আকার ও মানভেদে কেজিপ্রতি ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া, খেজুরের বাজারও অস্থির, মানভেদে প্রতি কেজি ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। লেবুর দাম কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিগুণ হয়ে সাধারণ মানের লেবু ৬০ থেকে ৮০ টাকা হালি এবং বড় লেবু ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বেগুন কেজিতে ১০০ থেকে ১৪০ টাকা এবং দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারের ফল বিক্রেতা আমজাদ আলী বলেন, তরমুজের মৌসুম এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, সরবরাহ কম থাকায় আগাম তরমুজের দাম কিছুটা বেশি। তবে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দাম স্বাভাবিক হওয়ার আশা আছে। আর অন্যান্য ফলের দাম রোজার আগে থেকে বেশি। রোজার মাস জুড়েই দাম বাড়তি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
রামপুরা বাজারে ফল কিনতে আসা এক ক্রেতা বলেন, রমজান এলেই পণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা এখন প্রায় নিয়মে পরিণত হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক ফলের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে অভিযোগ তাদের। এতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ইফতারের প্রয়োজনীয় ফল কেনা কঠিন হয়ে পড়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, অনুমতি ছাড়া কোনো শিক্ষক অন্য পেশায় যুক্ত থাকলে তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা সভায় যোগ দেওয়ার পূর্বে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকে তাদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করবে। গণমাধ্যমের কাজ হলো সমস্যা তুলে ধরা এবং আমাদের নজরে আনা। আমরা সেটা দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। সবাই মিলে কাজ করলে সব কিছু সুন্দরভাবে সম্পন্ন হবে।’
শিক্ষামন্ত্রী আরও জানান, কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে বিগত সরকার পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ দেননি। তিনি আশ্বাস দেন যে দুই-চার মাসের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে, যা শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। এর আগে মন্ত্রীকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।
দেশের পরিস্থিতি আগের চেয়ে অনেক ভালো বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) জুম্মার নামাজ শেষে ঠাকুরগাঁও হাফেজিয়া মাদরাসা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর বহুতল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এসব মন্তব্য করেন তিনি৷
তিনি বলেন, যথাসময়ে স্থানীয় নির্বাচন হবে; গণতন্ত্রকে তার প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দেওয়া হবে। ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিতে কাজ করা হচ্ছে।
মন্ত্রী বলেন, ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের কাছে আমি সবসময় ঋণী। তারা আমাকে সমর্থন দিয়েছে বলে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি৷ এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন সহ নেতা-কর্মীরা।
উল্লেখ্য যে, সরকার গঠনের পর তিনদিনের সরকারি সফরে নিজ নির্বাচনী এলাকায় এসেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। মসজিদের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপনের মাধ্যমে নিজ এলাকায় শুরু করেন আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম।
শুক্রবার বিকেলে ইএসডিও এর আয়োজনে ইফতার মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর শনিবার সকালে সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় ও বিকেলে জেলা বিএনপি মির্জা রুহুল আমিন স্মৃতি সংসদের আয়োজনে ইফতার মাহফিলে যোগ দেবেন তিনি। পরদিন সকালে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেবেন৷