
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:০০
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ০৩:৪৬
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৩৬

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১১
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হতে বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। এবারের আসরের প্রধান আয়োজক ভারত, সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। তবে ভারতে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতে নিপা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার একাধিক দেশ ভারতফেরত যাত্রীদের জন্য বিশেষ স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং চালু করেছে। পরিস্থিতি আরও অবনতি হলে পুনরায় কোয়ারেন্টিন ব্যবস্থা চালুর আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপে অংশ নিতে আসা ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও দর্শকদের ভোগান্তি বাড়তে পারে।
ইতোমধ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য সংস্থা ভারতে নিপা ভাইরাসের বিস্তার নিয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে। জিও সুপার, ট্যাপম্যাড, হেলথ মাস্টার, খাইবার নিউজসহ একাধিক সংবাদমাধ্যম বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
নিপা ভাইরাস অত্যন্ত সংক্রামক এবং প্রাণঘাতী। সাধারণত কাঁচা খেজুরের রস পানসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এটি মানবদেহে সংক্রমিত হয়। একবার মানবদেহে প্রবেশ করলে দ্রুত অন্যদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, এই ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা কার্যকর টিকা এখনো নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) নিপা ভাইরাসকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ও মহামারি সৃষ্টির সম্ভাবনাসম্পন্ন ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সিজিটিএনের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ইতোমধ্যে চিকিৎসাকর্মীসহ অন্তত পাঁচজন নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। জনবহুল দেশ হওয়ায় সবার কার্যকর স্ক্রিনিং করাও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে, নিপা ভাইরাসে মৃত্যুহার ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত। যারা সুস্থ হন, তাদের অনেকের মধ্যেও পরবর্তীতে স্নায়ুবিক জটিলতা দেখা যায়।

২৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।
দক্ষিণ এশিয়ার নতুন টুর্নামেন্ট সাফ ফুটসালের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি নিয়ে বৃহস্পতিবার দেশে ফিরছে বাংলাদেশ নারী দল। থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টে সাবিনা-কৃষ্ণারা অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে।
ব্যাংকক থেকে ফুটসাল দলের ম্যানেজার ইমরানুর রহমান জানিয়েছেন, ছেলেদের দল মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটায় ঢাকায় পৌঁছাবে এবং দুইদিন পর একই সময় ঢাকায় পৌঁছাবে মেয়েদের দল।
প্রথম সাফ ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশ ছেলে ও মেয়ে দুই বিভাগেই অংশ নেয়। ছেলেরা ৭ দেশের মধ্যে পঞ্চম হয়েছে। ৬ ম্যাচের দুটি জিতে ও একটি ড্র করে ৭ পয়েন্ট পেয়েছে বাংলাদেশ।
নারী বিভাগে সাবিনারা ৬ ম্যাচের পাঁচটি জিতেছে এবং একটি ড্র করে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। নারী ফুটবলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার পরপর দুইবারের চ্যাম্পিয়ন। এবার নারী ফুটসালেও দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হয়েছে বাংলাদেশ।

২৪ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।
আসন্ন আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা হচ্ছে না বাংলাদেশের। তাদের বদলে স্কটল্যান্ড খেলবে এবারের বিশ্বকাপে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কায়। বাংলাদেশের পরিবর্তে ব্রিটিশ দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের সহযোগী দেশ স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হবে, এমন আলোচনা কিছুদিন ধরেই চলছিল।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশকে ভারতে খেলার বিষয়ে তাদের অবস্থান পর্যালোচনার জন্য সময় দিয়েছিল। তবে বাংলাদেশ তাদের সিদ্ধান্তে অটল, নিরাপত্তা শঙ্কা থাকায় ভারতের মাটিতে তারা কিছুতেই খেলবে না। যার ফলশ্রুতিতে বিকল্প দল বেছে নিচ্ছে আইসিসি।
এই বদলের ফলে স্কটল্যান্ড প্রাথমিক পর্বের গ্রুপ ‘সি’-তে জায়গা পেয়েছে। গ্রুপ পর্বে তারা কলকাতায় খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালি (৯ ফেব্রুয়ারি) এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের মুখোমুখি হবে স্কটিশরা।
আইসিসি তাদের বিবৃতিতে দাবি করেছে, ভারতে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোনো বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই। সে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আইসিসি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.