
১৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:০০
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
খেলা শেষ হতে আর মাত্র কয়েক সেকেন্ড বাকি। সমর্থক তো বটেই, প্রেসবক্সে কর্মরত ক্রীড়া সাংবাদিকরাও মহা টেনশনে ঘামছেন। কারণটা পরিস্কার, বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের পুরনো একটি ব্যধি আছে। তা হলো শেষ মুহূর্তে গোল হজম করে হয় ড্র করবে, নয় হারবে। কিন্তু মঙ্গলবার (১৮ অক্টোবর) লাল-সবুজ বাহিনীর জন্য আক্ষরিক অর্থেই ‘মঙ্গলময়’ ছিল। কেননা এদিন আর বাংলাদেশ অন্তিম মুহূর্তে গোল খায়নি, হারেওনি। বরং জিতেছে তাদের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী ভারতের বিরুদ্ধে, ১-০ গোলে! এএফসি এশিয়ান কাপের বাছাইপর্বের সি-গ্রুপের এই হোম ম্যাচে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামের ২২,৪০০ সমর্থক এক অবিস্মরণীয় ক্ষণের সাক্ষী হয়ে রইলেন। প্রবল প্রতিপক্ষ ভারতের বিরুদ্ধে এই জয় বহুল প্রতীক্ষিত ছিল। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিতে হারানোই ছিল ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের সর্বশেষ জয়। কাকতালীয়ভাবে সেই ম্যাচটিও অনুষ্ঠিত হয়েছিল এই মাঠেই! দীর্ঘ ২২ বছর পর আবারও ভারতের বিরুদ্ধে জিতে নতুন প্রজেন্মের ফুটবল অনুরাগীদের প্রত্যাশা পূরণ করলেন লাল-সবুজের যোদ্ধারা।
রেফারি খেলা শেষের বাঁশি বাজাতেই মাটিতে শুয়ে পড়লেন বাংলাদেশের ‘পোস্টারবয়’ হামজা চৌধুরী। চোখে হাত রেখে অঝোরে কাঁদছেন তিনি। এ কান্না চিত্তসুখের কান্না। সতীর্থদের একাংশ দৌড়ে গিয়ে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন। অন্যরা গিয়ে জড়িয়ে ধরলেন গোলরক্ষক মিতুল মারমাকে, যিনি বিগত কয়েক ম্যাচে ভাল পারফর্ম না করতে পেরে প্রবল সমালোচিত হচ্ছিলেন। স্টেডিয়ামের গ্যালারির দর্শকদের গগণবিদারী উল্লাস যেন সবকিছুতে ছাপিয়ে গেছে। তবে দৃষ্টিকটু বিষয় হলো-ভারত দলের বেশ কজন হতাশ-রাগান্বিত ফুটবলার বাংলাদেশের ফুটবলারদের সঙ্গে সৌজন্যমূলক করমর্দন না করেই ড্রেসিং রুমে চলে যান!
এ নিয়ে দু’দল ৩৩ বার মুখোমুখি হয়েছে। ভারত ১৬ বার জিতেছে তারা। ৪টিতে জিতেছে বাংলাদেশ। ১৩টি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত দ্বৈরথ হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ। যখনই এই দুই দল মুখোমুখি হয়, তখন খেলাটি হয় দারুণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এবং উপভোগ্য। যদিও হেড টু হেডে ভারত অনেক ব্যবধানে এগিয়ে, কিন্তু মাঠের খেলায় এসবের বিন্দুমাত্র প্রভাব প্রতিফলিত হয় না।
বরাবরের মতো প্রীতি ম্যাচে খেলালেও প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে আবারও জামাল ভূঁইয়াকে সাইডবেঞ্চে বসিয়ে রাখেন কোচ জাভিয়ের ক্যাবরেরা। কিউবা মিচেলের ক্ষেত্রেও তাই। চোট কাটিয়ে ফেরেন শেখ মোরসালিন।
শুরুর কয়েক মিনিট ভারত তুলনামূলক বেশি চাপ সৃষ্টি করে খেলে। বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই কাউন্টার অ্যাটাকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। কিন্তু তেমন সুবিধা করতে পারছিল না। তেমনই একটি প্রতি আক্রমণ থেকে ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল করে এগিয়ে যায় লাল-সবুজ বাহিনী। বাংলাদেশের সীমানায় থ্রো-ইন পায় ভারত। বক্সের মধ্যে জটলা থেকে মোরসালিন বল পান। তার লম্বা পাস খুঁজে নেয় রাকিবকে। বা উইং ধরে ভারতের দীর্ঘদেহী ডিফেন্ডার আকাশ মিশ্রাকে গতির লড়াইয়ে পেছনে ফেলে দ্রুত সামনে এগিয়ে যান। যে গড়ানো ক্রসটি করেন (শুয়ে পড়ে) তা থেকে চমৎকারভাবে ভারত গোলরক্ষক গুরপ্রীতি সিংহের দুই পায়ের ফাঁক দিয়ে বল জালে পাঠিয়ে উল্লাসে ফেটে পড়েন মোরসালিন (১-০)। দর্শকদের উল্লাসধ্বনি যেন পরিণত হয় গর্জনে!
প্রথমার্ধে হামজাকে দেখা গেছে রক্ষণ সামলাতে। আগের ম্যাচগুলোর মতো তেড়েফুঁড়ে আক্রমণে ওঠেননি। ২৬ মিনিটে কিছুটা অস্বস্তি অনুভব করা তারিক কাজীকে উঠিয়ে শাকিল আহাদ তপুকে নামান কোচ।
৩১ মিনিটে দলকে নিশ্চিত গোল হজমের হাত থেকে দলকে বাঁচান মিতুল মারমা। সতীর্থের ব্যাকপাস ঠিকমতো বিপদমুক্ত করতে পারেননি তিনি। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের কাছ থেকে বল নিতে পোস্ট ছেড়ে বেরিযে যান বাংলাদেশ গোলরক্ষক। অরক্ষিত পোস্ট লক্ষ্য করে লালিয়ানজুয়ালার শট হেডের মাধ্যমে কর্নারের বিনিময়ে ফেরান হামজা।
৩৪ মিনিটে ভারতের বিক্রম পার্থকে তপু বর্মণ ফেলে দিলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। হাতাহাতিতে লিপ্ত হন দু’লের খেলোয়াড়রা। মোরসালিনকে ধাক্কা মারেন নারাভি নিখিল। এ নিয়ে উত্তেজনা আরও বাড়ে। পরে ফিলিপিন্সের রেফারি ক্লিফোর্ড ডেপুয়াটের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রেফারি তপু এবং নারাভিকে হলুদ কার্ড দেখান।
৪৪ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে পারতো বাংলাদেশ। সাদ উদ্দিনের ক্রস আটকে যায় ভারতের রক্ষণে। তবে বল চলে যা ডি-বক্সের ঠিক বাইরে দাঁড়ানো হামজার পায়ে। লিস্টার সিটির এ তারকার বা পায়ের ভলি সাইড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে চলে গেলে আক্ষেপে পোড়েন লাল-সবুজের সমর্থকরা।
বিরতির পর বাংলাদেশ-ভারত উভয় দিই সমানতালে খেলে। তবে শেষের কয়েক মিনিট ভারত বাংলাদেশের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করে খেলে। কিন্ত বাংলাদেশের গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের দৃঢ়তায় ভারত আর গোল করে সমতায় ফিরতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত খেলা শেষ হলে ভগ্ন হৃদয়ে মাঠ ছাড়ে তারা। আর বাংলাদেশ দল দর্শকদের সঙ্গে ২২ বছরের আক্ষেপ ঘুঁচিয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দীর্ঘ সময় সবুজ জমিনে পদচারণা করে।
এদিকে স্মরণীয় এই জয়ের পর জাতীয় ফুটবল দলকে ২ কোটি টাকা পুস্কারের ঘোষণা দেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সি-গ্রুপে ৫ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট বাংলাদেশের। অবস্থান চার দলের মধ্যে তৃতীয়। বাংলাদেশের পরের ও শেষ গ্রুপ ম্যাচ সিঙ্গাপুরের বিরুদ্ধে, আগামী বছরের ৩১ মার্চ (অ্যাওয়ে ম্যাচ)।
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১০
০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০৬

০৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:০১
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।
বাংলাদেশ ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন এনে সরকার নতুন করে সাজাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তামিম ইকবালকে নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে বিসিবির আগের পরিচালনা পর্ষদ।
মঙ্গলবার সরকারের এ সিদ্ধান্ত আসে গত বছরের অক্টোবরে অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের পর। পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে, যার ভিত্তিতেই এই বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৭ বছর বয়সী তামিম ইকবাল এখন পর্যন্ত বিসিবির ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী সভাপতি। তার নেতৃত্বে ১১ সদস্যের একটি অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে আছেন সাবেক অধিনায়ক মিনহাজুল আবেদিন এবং সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খানসহ আরো কয়েকজন সদস্য।
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) জানিয়েছে, আগের বোর্ডটি সঠিকভাবে গঠিত হয়নি এবং কার্যক্রমও ঠিকভাবে পরিচালনা করতে পারছিল না।
তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) বিষয়টি জানানো হয়েছে। এনএসসি আশা করছে, আইসিসি এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করবে।
এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম পদে থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করলেও পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। বোর্ডের নির্বাচন নিয়ে অনিয়ম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে চাপ বাড়ছিল।
এর মধ্যেই কয়েকজন পরিচালক পদত্যাগ করায় সংকট আরো গভীর হয়।
আজই সন্ধ্যা ৬টায় মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বিসিবির অফিসে যাবে তামিমের নেতৃত্বে নতুন অ্যাডহক কমিটি। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিটিংয়ে বসবে নতুন কমিটি।

২৪ মার্চ, ২০২৬ ২২:১০
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস
সাফ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সূচনা করেছে বাংলাদেশ যুব দল। গ্রুপপর্বের প্রথম ম্যাচেই পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্টে শুভ সূচনা করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ম্যাচের নায়ক ছিলেন রোনান সুলিভান, যিনি জাতীয় দলের জার্সিতে অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে নজর কাড়েন।
ম্যাচের আগে থেকেই আলোচনায় ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত দুই ফুটবলার রোনান সুলিভান ও ডেকলাইন সুলিভান। তবে প্রথম একাদশে জায়গা পান শুধু রোনানই, আর সুযোগ পেয়ে মাঠেই নিজের প্রতিভার ঝলক দেখান তিনি। তার নৈপুণ্য আর আক্রমণভাগে তৎপরতায় পুরো ম্যাচেই এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ।
যদিও ব্যক্তিগত দক্ষতা দেখিয়েও শুরুতে একা খুব বেশি কিছু করতে পারছিলেন না যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া এই তরুণ ফুটবলার। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ছন্দে ফিরে দলকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।
‘বি’ গ্রুপে বাংলাদেশের আরেক প্রতিপক্ষ ভারত। তাদের বিপক্ষে ম্যাচ ২৮ মার্চ। এর আগে ২৬ মার্চ মুখোমুখি হবে ভারত-পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান পয়েন্ট হারালেই শেষ চারে খেলা নিশ্চিত হবে বাংলাদেশের।
মালে জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে আক্রমণে ধার থাকলেও মাঝমাঠে কিছুটা অগোছালো পাসের কারণে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি দলটি।
৪ মিনিটে মুর্শেদ আলীর ক্রস থেকে সতীর্থের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়। ১৬ মিনিটে নাজমুল ফয়সালের ক্রস ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটি সুযোগ হাতছাড়া হয়।
৩১ মিনিটে মোহাম্মদ মানিকের জোরালো শট লক্ষ্যে থাকেনি। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আরো কয়েকটি আক্রমণ করলেও গোল পাওয়া হয়নি।
প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে নেওয়া রোনান সুলিভানের দুর্দান্ত ফ্রি কিকে বল পাকিস্তানের জাল কাঁপালে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ১০ মিনিট পর ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এলেও মুর্শেদ আলীর শট বার ঘেঁষে বাইরে যায়। তবে ৬৭ মিনিটে শেখ সংগ্রামের নিখুঁত ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রোনান। আর তাতেই জয় নিশ্চিত হয় বাংলাদেশের।
বরিশাল টাইমস

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.