Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৬ জুলাই, ২০২৫ ১৪:০৭
কক্সবাজার সদরের পূর্ব মুক্তারকুল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রীবাহী বাস বিলে পড়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার খরুলিয়ার পূর্ব মুক্তারকুল দরগাহ পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ‘কিং অব কমিউনিটি সেন্টার’-এর পূর্ব পাশে মারসা পরিবহন নামে একটি দ্রুতগামী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বাসটি খরুলিয়া এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বিলে পড়ে সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
দরগাহপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, বাসটি অনেক দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ একটি বিকট শব্দ হয়। আমরা ছুটে গিয়ে দেখি, বাসটি বিলে পড়ে আছে। যাত্রীরা বলছিলেন, চালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বাসটি সোজা রাস্তা ছেড়ে হঠাৎ বাঁ দিকে সরে যায় এবং বিলের পানিতে পড়ে যায়।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকেই মাথায় ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালকরা দীর্ঘ সময় ঘুম ছাড়া গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। আবার অনেক বাস কোম্পানি ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাচ্ছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটছে। ওসি নাসির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পর বাস চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চালকের লাইসেন্স, বাসের ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।
কক্সবাজার সদরের পূর্ব মুক্তারকুল এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এক যাত্রীবাহী বাস বিলে পড়ে গেছে। এতে অন্তত ২০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার খরুলিয়ার পূর্ব মুক্তারকুল দরগাহ পাড়া এলাকার চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ‘কিং অব কমিউনিটি সেন্টার’-এর পূর্ব পাশে মারসা পরিবহন নামে একটি দ্রুতগামী বাস দুর্ঘটনায় পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রামু ক্রসিং হাইওয়ে থানা পুলিশ। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বাসটি খরুলিয়া এলাকায় এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের বিলে পড়ে সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে প্রায় ২০ জন যাত্রী আহত হন। স্থানীয়রা দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
দরগাহপাড়া এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল হক বলেন, বাসটি অনেক দ্রুতগতিতে আসছিল। হঠাৎ একটি বিকট শব্দ হয়। আমরা ছুটে গিয়ে দেখি, বাসটি বিলে পড়ে আছে। যাত্রীরা বলছিলেন, চালক হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। বাসটি সোজা রাস্তা ছেড়ে হঠাৎ বাঁ দিকে সরে যায় এবং বিলের পানিতে পড়ে যায়।
আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের কক্সবাজার সদর হাসপাতাল ও বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অনেকেই মাথায় ও পিঠে আঘাত পেয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মহাসড়কটিতে দীর্ঘদিন ধরে যানবাহনের বেপরোয়া গতি এবং পর্যাপ্ত ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের অভাব রয়েছে। একই সঙ্গে চালকদের প্রশিক্ষণ ও বিশ্রামের অভাব দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলেন, চালকরা দীর্ঘ সময় ঘুম ছাড়া গাড়ি চালাতে বাধ্য হন। আবার অনেক বাস কোম্পানি ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালাচ্ছে। এতে যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটছে। ওসি নাসির উদ্দিন জানান, দুর্ঘটনার পর বাস চালক ও হেলপার ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন। বাসটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। চালকের লাইসেন্স, বাসের ফিটনেস ও রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৮
যশোরের ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মহিউদ্দিন (২৬)। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের হাজী শহিদের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিক গ্রামের কাগজের সাংবাদিক নাজমুস সাকিব আকাশের ছোট ভাই।
মহিউদ্দিন খাগড়াছড়ি ৩২ ব্যাটালিয়ন বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহতের বন্ধু কামরুল ইসলাম নান্টু (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নান্টু বাঘারপাড়ার চন্ডিপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।
হতাহতের স্বজন ও স্থানীয় জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে মহিউদ্দিন দুই মাসের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি (মহিউদ্দিন) এবং বন্ধু নান্টু মোটরসাইকেল করে শার্শা উপজেলার জামতলার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঝিকরগাছার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে পৌঁছালে সামনে থেকে আসা একটি পিকআপ তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তারা দুজন সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এলাকার বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, মাথা ও বুকে প্রচন্ড আঘাত লাগার কারণে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নান্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কর্মকার জানান, ঘাতক পিকআপ ও চালককে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এদিকে সাংবাদিক আকাশের ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামের কাগজের মফস্বল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৪
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
যশোরের ঝিকরগাছায় পিকআপের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী এক বিজিবি সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে যশোর-বেনাপোল মহাসড়কের ঝিকরগাছা উপজেলার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতের নাম মহিউদ্দিন (২৬)। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলার পার্বতীপুর গ্রামের হাজী শহিদের ছেলে ও স্থানীয় দৈনিক গ্রামের কাগজের সাংবাদিক নাজমুস সাকিব আকাশের ছোট ভাই।
মহিউদ্দিন খাগড়াছড়ি ৩২ ব্যাটালিয়ন বিজিবিতে কর্মরত ছিলেন। এ দুর্ঘটনায় নিহতের বন্ধু কামরুল ইসলাম নান্টু (২৮) গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নান্টু বাঘারপাড়ার চন্ডিপুর গ্রামের মুরাদ বিশ্বাসের ছেলে।
হতাহতের স্বজন ও স্থানীয় জানিয়েছেন, কিছু দিন আগে মহিউদ্দিন দুই মাসের ছুটি নিয়ে বাড়িতে আসেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি (মহিউদ্দিন) এবং বন্ধু নান্টু মোটরসাইকেল করে শার্শা উপজেলার জামতলার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ঝিকরগাছার বেনেয়ালী ব্র্যাক অফিসের সামনে পৌঁছালে সামনে থেকে আসা একটি পিকআপ তাদের ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এতে তারা দুজন সড়কের ওপর ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এলাকার বাসিন্দারা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টার দিকে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মকর্তা ডা. বিচিত্র মল্লিক জানান, মাথা ও বুকে প্রচন্ড আঘাত লাগার কারণে মহিউদ্দিনের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত নান্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক।
সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত নাভারণ হাইওয়ে থানার ওসি গোপাল কর্মকার জানান, ঘাতক পিকআপ ও চালককে আটক করা হয়েছে। আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। এদিকে সাংবাদিক আকাশের ভাইয়ের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রামের কাগজের মফস্বল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি কৃষক কার্ড বিতরণ ও প্রি-পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় ১৫ জন কৃষককে নিজ হাতে প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড বিতরণ করেন ও গাছের চারা তুলে দেন।
প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আরো ৯ উপজেলায় কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতানা সালাউদ্দিন টুকু, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী৷
এতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কৃষি সচিব রফিকুল ই মোহামেদ। এছাড়া একজন কৃষক ও কৃষানি বক্তব্য রাখেন। এর আগে মঙ্গলবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী সড়কপথে শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে পৌঁছান৷
এসময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য, কৃষক ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। প্রথম পর্যায়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ৪৫৩ জন কৃষক এই কার্ডের সুবিধা পাবেন।
এই কার্ডের মাধ্যমে বছরে আড়াই হাজার টাকা, কৃষকদের পরিচিতি, ভর্তুকি, ঋণ, বীজ ও সারসহ ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন কৃষকরা। এর ফলে কৃষি সহায়তা বিতরণে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং প্রকৃত কৃষকদের কাছে সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছানো নিশ্চিত হবে।
ফলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিক লাভের আশা করছেন কৃষকরা। তাদের দাবি, মাঠ পর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের মাঝে কার্ড বিতরণ করলে উপকৃত হবে কৃষকরা। আর কৃষি কর্মকর্তা বলছেন, এই কার্ডের আওতায় ভর্তুকিসহ সরকারের অন্তত ১০টি সুবিধা পাবে কৃষকরা। প্রধানমন্ত্রী দুপুরে শহরের পৌর উদ্যানে আয়োজিত কৃষি মেলায় উদ্বোধন করবেন।
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৬
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৩
১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪২