
২৯ মে, ২০২৫ ১৬:৪২
এবার কী নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়লেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সরকার দলীয় সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথ? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রাসাঙ্গিক বিষয়-বস্তু নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসে দাড়িয়েছে, এক বিধবা নারীর সাথে এই সাংসদের ২৭ আগস্ট কী ঘটেছিল? ঘটনাস্থল স্থানীয় ডাকবাংলোর সম্মুখে এই কাহিনী নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে বরিশাল আদালতে আসা ওই নারী।
চল্লিশের কোঠায় পা ফেলা মরিয়ম বেগম গতকাল সোমবার আদালতে আইনের আশ্রয় নিতে এসে দিক-বেদিক ছোটাছুটি করায় সংবাদকর্মীরা তার আগমনের হেতু জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে মামলা করতে এসেছেন। তার অভিযোগ, পঙ্কজ স্থানীয় সাংসদ হয়ে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এক ধরনের প্রতারণা করেছেন।
তিনি বসতঘর নির্মাণে সরকারী বরাদ্দের টিন দেই, দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করেন। পরে টিন নয়, আর্থিক সহায়তা চাইলে সেক্ষেত্রেও অভিন্ন আচারণ করেন। এমনকি কোন প্রকার সহায়তা না দিয়ে সাংসদ প্রচার করেন যে তাকে চাহিদা অনুযায়ী ঘরের টিন ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরে ক্ষুব্ধ নারী গত ২৭ আগস্ট মেহেন্দিগঞ্জে সাংসদের আগমনের খবর পেয়ে ডাকবাংলোয় ছুটে যান। এসময় সাংসদ ডাকবাংলোর সামনের প্রাইভেটকারে অবস্থান করছিলেন, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য। এক ফাঁকে ভীর ঠেলে ওই নারী সাংসদের কাছে প্রশ্ন তোলেন তার সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে উল্টো কেন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রতিত্তোরে সাংসদ তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরে দেখা করার পরামর্শ দেন কিছুটা উত্তেজিত ভাষায়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মরিয়ম বেগম। একপর্যায়ে তার গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। সাংসদ অনুসারী ছাত্র-যুব-সেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ ওই নারীকে টেনে হিচড়ে স্থান ত্যাগে বাধ্য করতে উদ্যোগী হয়।
মরিয়মের অভিযোগ, এসময় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, এই মর্মে যে সাংসদের গাড়ির ওপর তিনি না কী জুতো নিক্ষেপ করেছেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থানা পুলিশ কোন ভুমিকা না নিয়ে বরং তাকে স্থান ত্যাগে বাধ্য করেন। মেহেন্দিগঞ্জ থানায় সাংসদ পঙ্কজের বিরুদ্ধে আইনী সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় তিনি বরিশালে নালিশ জানাতে এসেছেন। সোমবার দুপুরের দিকে মামলার কপি ওই নারী সংবাদকর্মীদের আলাপের এক ফাঁকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে খবর রটে যে মেহেন্দিগঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে এক বিধবা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিকেল থেকে গভীর রাত অবধি সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হতে চায়। পরে জানা গেল এ ধরনের মামলা হয়নি, তবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আজ মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের হতে পারে। সেক্ষেত্রে এমপি পঙ্কজ দেবনাথকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করলেও আসামি না করে তার অনুসারী ৬ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অভিযোগ আনা হয়েছে। অবশ্য সংবাকর্মীদের কাছে মরিয়ম বেগমের ভাষ্য ছিল, এতে মুখ্য ভুমিকায় ছিলেন পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমু হোসেন
এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় এই নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ডাকবাংলোয় কিছুই ঘটেনি। আবার ঘটলেও তিনি সে বিষয়ে অবগত নন। তবে ওইদিন (২৭ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় আরসি কলেজের সম্মুখে মরিয়ম বেগম সাংসদ পঙ্কজের গাড়ি আগলে ধরেছিলেন একটি ডিওলেটারে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। সাংসদ ব্যস্ত থাকায় পরে আসতে বললে নাছড়বান্দা কোনভাবেই স্থান ত্যাগে রাজি না হওয়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন।
কিন্তু সাংসদ পঙ্কজ এ তথ্য নাকচ করে দিয়ে বলেন, ডাকবাংলোতো দুরের কথা আরসি কলেজের সামনে কোন নারীর সাথে তার কোনরুপ বসচা হয়নি। অবশ্য ওই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার তথ্যমতে সেখানে উপস্থিত থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাছির উদ্দিন যে তথ্য-উপাত্ত্ব দেন, তাতে প্রমাণ করে ওইদিন কিছু একটা ঘটেছে। তবে তা আরসি কলেজ সম্মুখে নয়, ডাকবাংলোর গেটে এক বিধবা নারী সহায়তা চেয়ে না পেয়ে কিছুটা উত্তেজিত হয়েছিল। পরে তিনি অর্থায়নে অটোরিকশায় তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করেন।
ফলে তিনজনের ত্রিমুখী বক্তব্যের গড়মিল থাকলেও যে যোগফল দেখা যায়, তাতে মরিয়ম বেগমের অভিযোগ অমুলক নয়। মেহেন্দিগঞ্জ আ’লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত এমন অনেকে রয়েছেন, যাদের অনেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবার কেউ শুনেছেন। কিন্তু পরিস্থিতিগত কারণে নিজেদের নাম প্রকাশতো দুরের কথা, প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অপারগতা জানিয়ে অন্য মাধ্যমে খবর নিশ্চিত হওয়ায় পরামর্শ দেন।
এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ওই মরিয়ম বেগমের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেয়েছে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে মন্তব্য প্রকাশ করে তারা ঘটনার আরও গভীরে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজ-খবর রাখছিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কী না। ওই গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা মরিয়ম বেগমের সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন, তিনি বরিশালে এসেছিলেন। কিন্তু দুপুর নাগাদ ফিরে গেছেন। তবে মামলা দায়ের করেছে কী না শেষান্তে তা আর জানা সম্ভব হয়নি মরিয়মের সেলফোন বন্ধ থাকায়।
মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২৭ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২ থেকে ১টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বিস্তৃতি ঘটলেও সবাই যেন সতর্ক, কেউ না শোনে প্রাসঙ্গিক আলাপ। এদিকে পঙ্কজের অনুসারীরা এখন বলছে, ওই বিধবা নারী মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ায় এ ধরনের বহু কান্ড-কারখানা ঘটিয়েছে। কিন্তু মরিয়নের ভগ্নিপতি স্থানীয় কাজী হিসেবে পরিচিত রুহুল আমিন জানান, তিনি বিকারাগ্রস্ত একথা সঠিক নয়। স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মরিয়ম মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরে এক কণ্যাসন্তান নিয়ে পৌর এলাকার চরহোগলায় জরাজীর্ণ বাসায় বসবাস করছেন।
পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে এরুপ নির্যাতনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছিল। মরিয়ম বেগমের ন্যায় নিজ দলীয় সমর্থিত একজন নরসুন্দরের সাথে দলীয় বিবাদে তাকে ডাকবাংলোয় পিটিয়ে আহত করে। এর আগে সেই নরসুন্দরকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যাচেষ্টা ঘটনা নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
এছাড়া স্থানীয় ভাবে দলকে কুক্ষিগত করাসহ রাজধানী ঢাকায় ক্যাসিনো কান্ডে সম্পৃক্ততা এবং অল্পদিনে অঢেল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। ধারণা করা হচ্ছে- এসব অভিযোগের কারণে পঙ্কজ কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন। এই সাংসদ বিতর্ক অবসানে বরিশাল থেকে মিডিয়াকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্যে সেদিনকার তার ভাষ্য ছিল, তিনি দলীয় বিভাজনের রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার। যেমনটি গতকালও বললেন, মরিয়ম প্রসঙ্গে অভিযোগের উত্তর সংক্ষিপ্ত করতে গিয়ে।
এবার কী নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়লেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সরকার দলীয় সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথ? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রাসাঙ্গিক বিষয়-বস্তু নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসে দাড়িয়েছে, এক বিধবা নারীর সাথে এই সাংসদের ২৭ আগস্ট কী ঘটেছিল? ঘটনাস্থল স্থানীয় ডাকবাংলোর সম্মুখে এই কাহিনী নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে বরিশাল আদালতে আসা ওই নারী।
চল্লিশের কোঠায় পা ফেলা মরিয়ম বেগম গতকাল সোমবার আদালতে আইনের আশ্রয় নিতে এসে দিক-বেদিক ছোটাছুটি করায় সংবাদকর্মীরা তার আগমনের হেতু জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে মামলা করতে এসেছেন। তার অভিযোগ, পঙ্কজ স্থানীয় সাংসদ হয়ে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এক ধরনের প্রতারণা করেছেন।
তিনি বসতঘর নির্মাণে সরকারী বরাদ্দের টিন দেই, দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করেন। পরে টিন নয়, আর্থিক সহায়তা চাইলে সেক্ষেত্রেও অভিন্ন আচারণ করেন। এমনকি কোন প্রকার সহায়তা না দিয়ে সাংসদ প্রচার করেন যে তাকে চাহিদা অনুযায়ী ঘরের টিন ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরে ক্ষুব্ধ নারী গত ২৭ আগস্ট মেহেন্দিগঞ্জে সাংসদের আগমনের খবর পেয়ে ডাকবাংলোয় ছুটে যান। এসময় সাংসদ ডাকবাংলোর সামনের প্রাইভেটকারে অবস্থান করছিলেন, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য। এক ফাঁকে ভীর ঠেলে ওই নারী সাংসদের কাছে প্রশ্ন তোলেন তার সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে উল্টো কেন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রতিত্তোরে সাংসদ তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরে দেখা করার পরামর্শ দেন কিছুটা উত্তেজিত ভাষায়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মরিয়ম বেগম। একপর্যায়ে তার গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। সাংসদ অনুসারী ছাত্র-যুব-সেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ ওই নারীকে টেনে হিচড়ে স্থান ত্যাগে বাধ্য করতে উদ্যোগী হয়।
মরিয়মের অভিযোগ, এসময় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, এই মর্মে যে সাংসদের গাড়ির ওপর তিনি না কী জুতো নিক্ষেপ করেছেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থানা পুলিশ কোন ভুমিকা না নিয়ে বরং তাকে স্থান ত্যাগে বাধ্য করেন। মেহেন্দিগঞ্জ থানায় সাংসদ পঙ্কজের বিরুদ্ধে আইনী সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় তিনি বরিশালে নালিশ জানাতে এসেছেন। সোমবার দুপুরের দিকে মামলার কপি ওই নারী সংবাদকর্মীদের আলাপের এক ফাঁকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে খবর রটে যে মেহেন্দিগঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে এক বিধবা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিকেল থেকে গভীর রাত অবধি সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হতে চায়। পরে জানা গেল এ ধরনের মামলা হয়নি, তবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আজ মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের হতে পারে। সেক্ষেত্রে এমপি পঙ্কজ দেবনাথকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করলেও আসামি না করে তার অনুসারী ৬ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অভিযোগ আনা হয়েছে। অবশ্য সংবাকর্মীদের কাছে মরিয়ম বেগমের ভাষ্য ছিল, এতে মুখ্য ভুমিকায় ছিলেন পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমু হোসেন
এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় এই নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ডাকবাংলোয় কিছুই ঘটেনি। আবার ঘটলেও তিনি সে বিষয়ে অবগত নন। তবে ওইদিন (২৭ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় আরসি কলেজের সম্মুখে মরিয়ম বেগম সাংসদ পঙ্কজের গাড়ি আগলে ধরেছিলেন একটি ডিওলেটারে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। সাংসদ ব্যস্ত থাকায় পরে আসতে বললে নাছড়বান্দা কোনভাবেই স্থান ত্যাগে রাজি না হওয়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন।
কিন্তু সাংসদ পঙ্কজ এ তথ্য নাকচ করে দিয়ে বলেন, ডাকবাংলোতো দুরের কথা আরসি কলেজের সামনে কোন নারীর সাথে তার কোনরুপ বসচা হয়নি। অবশ্য ওই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার তথ্যমতে সেখানে উপস্থিত থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাছির উদ্দিন যে তথ্য-উপাত্ত্ব দেন, তাতে প্রমাণ করে ওইদিন কিছু একটা ঘটেছে। তবে তা আরসি কলেজ সম্মুখে নয়, ডাকবাংলোর গেটে এক বিধবা নারী সহায়তা চেয়ে না পেয়ে কিছুটা উত্তেজিত হয়েছিল। পরে তিনি অর্থায়নে অটোরিকশায় তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করেন।
ফলে তিনজনের ত্রিমুখী বক্তব্যের গড়মিল থাকলেও যে যোগফল দেখা যায়, তাতে মরিয়ম বেগমের অভিযোগ অমুলক নয়। মেহেন্দিগঞ্জ আ’লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত এমন অনেকে রয়েছেন, যাদের অনেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবার কেউ শুনেছেন। কিন্তু পরিস্থিতিগত কারণে নিজেদের নাম প্রকাশতো দুরের কথা, প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অপারগতা জানিয়ে অন্য মাধ্যমে খবর নিশ্চিত হওয়ায় পরামর্শ দেন।
এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ওই মরিয়ম বেগমের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেয়েছে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে মন্তব্য প্রকাশ করে তারা ঘটনার আরও গভীরে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজ-খবর রাখছিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কী না। ওই গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা মরিয়ম বেগমের সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন, তিনি বরিশালে এসেছিলেন। কিন্তু দুপুর নাগাদ ফিরে গেছেন। তবে মামলা দায়ের করেছে কী না শেষান্তে তা আর জানা সম্ভব হয়নি মরিয়মের সেলফোন বন্ধ থাকায়।
মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২৭ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২ থেকে ১টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বিস্তৃতি ঘটলেও সবাই যেন সতর্ক, কেউ না শোনে প্রাসঙ্গিক আলাপ। এদিকে পঙ্কজের অনুসারীরা এখন বলছে, ওই বিধবা নারী মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ায় এ ধরনের বহু কান্ড-কারখানা ঘটিয়েছে। কিন্তু মরিয়নের ভগ্নিপতি স্থানীয় কাজী হিসেবে পরিচিত রুহুল আমিন জানান, তিনি বিকারাগ্রস্ত একথা সঠিক নয়। স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মরিয়ম মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরে এক কণ্যাসন্তান নিয়ে পৌর এলাকার চরহোগলায় জরাজীর্ণ বাসায় বসবাস করছেন।
পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে এরুপ নির্যাতনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছিল। মরিয়ম বেগমের ন্যায় নিজ দলীয় সমর্থিত একজন নরসুন্দরের সাথে দলীয় বিবাদে তাকে ডাকবাংলোয় পিটিয়ে আহত করে। এর আগে সেই নরসুন্দরকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যাচেষ্টা ঘটনা নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
এছাড়া স্থানীয় ভাবে দলকে কুক্ষিগত করাসহ রাজধানী ঢাকায় ক্যাসিনো কান্ডে সম্পৃক্ততা এবং অল্পদিনে অঢেল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। ধারণা করা হচ্ছে- এসব অভিযোগের কারণে পঙ্কজ কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন। এই সাংসদ বিতর্ক অবসানে বরিশাল থেকে মিডিয়াকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্যে সেদিনকার তার ভাষ্য ছিল, তিনি দলীয় বিভাজনের রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার। যেমনটি গতকালও বললেন, মরিয়ম প্রসঙ্গে অভিযোগের উত্তর সংক্ষিপ্ত করতে গিয়ে।

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১০:০৩
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #
আবহমান বাংলার মধুমাস বলে খ্যাত জ্যৈষ্ঠের দেশীয় বিভিন্ন ফল দিয়ে বাবুগঞ্জে মধুমাস উৎসব-২০২৬'এর বর্ণাঢ্য শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আইএফআইসি (IFIC) ব্যাংক পিএলসি'র বাবুগঞ্জ শাখার উদ্যোগে রোববার প্রধান অতিথি হিসেবে ওই মধুমাস উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন ব্যাংকের অন্যতম সম্মানিত গ্রাহক বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলামের সভাপতিত্বে উৎসবে বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্যাংকের বরিশাল প্রধান শাখার সিনিয়র অফিসার ইব্রাহিম খলিল ও বাবুগঞ্জ শাখার ক্যাশ ইনচার্জ কাজী নাফিউন আলম। এসময় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ পাইলট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাহিদা আক্তার, সাধনা রায় চৌধুরী, শিশির কুমার চক্রবর্তী, আলী হাসান আকন, মাসুদ পারভেজ, মরিয়ম বেগম, ডেন্টিস্ট সোহেল রানা, ব্যবসায়ী ফয়েজ হোসেন, ইব্রাহিম খান প্রমুখ।
মধুমাস উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না বলেন, 'আইএফআইসি ব্যাংক দেশের স্বনামধন্য ও নির্ভরযোগ্য একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন বেসরকারি ব্যাংক, যা ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আইএফআইসি ব্যাংক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি (পিএলসি) হলেও এর প্রায় ৩৩% মালিকানা রয়েছে সরকারের কাছে। ব্যাংকটির গত অর্ধশতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় নানান অর্জন রয়েছে। গ্রাহকদের সন্তুষ্টি অর্জনে ব্যাংকটির বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম প্রশংসনীয়। তাছাড়া গ্রাহকদের সম্মানে প্রতিবছর তারা দেশীয় বিভিন্ন রসালো ফলের সমারোহে মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে গ্রাহকদের আপ্যায়ন করে। এমন উৎসবের আয়োজন নিঃসন্দেহে আবহমান গ্রামবাংলার ঐতিহ্যকে ধারণ এবং লালন করে। দেশের মাটি ও মানুষের আস্থার ব্যাংকে পরিনত হোক আইএফআইসি।'
সভাপতির বক্তব্যে আইএফআইসি ব্যাংকের বাবুগঞ্জ শাখার ব্যবস্থাপক (অফিসার ইনচার্জ) মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বলেন, 'গ্রাহক সন্তুষ্টিই আইএফআইসি ব্যাংকের মূল লক্ষ্য। সেবার মান ও গ্রাহকের আস্থা অর্জন করে দেশে ১৪০০'এর অধিক শাখা-উপশাখা নিয়ে এগিয়ে চলছে আমাদের ব্যাংক। প্রতিবছর আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের সম্মানে আমরা মধুমাস উৎসবের আয়োজন করে আসছি। এবার বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও আমাদের যেসব সম্মানিত গ্রাহকরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে উপস্থিত হয়ে মধুমাস উৎসবকে সার্থক করেছেন তাদের সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশাকরি এভাবেই সবাই পাশে থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের আগামীর গৌরবময় পথচলার সাথী হবেন।' #

০৬ মে, ২০২৬ ০৩:১৫
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটের ইতিহাস মানেই বিশাল সব জলযানের রাজত্ব। আজকের দিনে আমরা যখন এমভি মানামী, অ্যাডভেঞ্চার বা সুরভী-এর মতো দানবীয় ও আধুনিক লঞ্চ দেখি, তখন প্রবীণ যাত্রী ও নৌ-প্রেমীদের স্মৃতিতে আজও অম্লান হয়ে আছে একটি নাম— ‘সামাদ’। এক সময় এই রুটে ‘সামাদ’ ছিল আভিজাত্য, গতি এবং নির্ভরতার সমার্থক। আধুনিক লঞ্চের ভিড়ে সেই পুরনো দিনের ঐতিহ্যবাহী সামাদ লঞ্চের গল্প আজও মানুষের মুখে মুখে ফেরে।
বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা যায়, আশি এবং নব্বইয়ের দশকে যখন ঢাকা-বরিশাল রুটে আজকের মতো শত শত কেবিন সমৃদ্ধ লঞ্চ ছিল না, তখন সামাদ লঞ্চ ছিল যাত্রীদের প্রথম পছন্দ। বিশেষ করে এর গঠনশৈলী এবং নদীতে চলার সময় এর রাজকীয় ভঙ্গিমা মানুষকে মুগ্ধ করত। সেই সময় এই লঞ্চটি ছিল এ অঞ্চলের মানুষের কাছে এক প্রকার গর্বের বিষয়। তৎকালীন সময়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাওয়ার জন্য এই লঞ্চের কেবিন পাওয়া ছিল রীতিমতো ভাগ্যের ব্যাপার।
পুরনো লঞ্চগুলোর মধ্যে সামাদ-এর বিশেষত্ব ছিল এর মজবুত কাঠামো এবং কাঠের নিখুঁত কারুকাজ। আজকের লঞ্চগুলোতে স্টিল আর কাঁচের আধিক্য থাকলেও, সামাদ লঞ্চের অন্দরসজ্জায় ছিল আভিজাত্যের ছোঁয়া। বড় বড় কাঠের জানালা, প্রশস্ত ডেক এবং মাঝ বরাবর চলে যাওয়া গলিগুলো আজও প্রবীণদের নস্টালজিক করে তোলে। লঞ্চটির সার্চলাইট যখন রাতের আঁধারে মেঘনার বুকে আছড়ে পড়ত, তীরের মানুষ বুঝত— ‘সামাদ’ যাচ্ছে।
যাত্রীদের গভীর আবেগ
বরিশাল-ঢাকা রুটের নিয়মিত যাত্রীদের কাছে সামাদ কেবল একটি নৌযান ছিল না, বরং ছিল যাতায়াতের এক নিরাপদ আশ্রয়। লঞ্চের মাস্টার থেকে শুরু করে সারেং ও সুকানিদের সাথে যাত্রীদের গড়ে উঠত এক নিবিড় সম্পর্ক। এই লঞ্চের ডাইনিং বা ক্যান্টিনের রান্নার স্বাদও ছিল লোকমুখে প্রচলিত। নদীর টাটকা ইলিশ আর ঘন ডাল দিয়ে রাতের ডিনার সেরে ডেকের ওপর চাদর বিছিয়ে শুয়ে থাকার যে আনন্দ, তা আজকের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কেবিনে অনেক যাত্রীই খুঁজে পান না।
কালের বিবর্তনে প্রস্থান
সময়ের সাথে সাথে নৌ-প্রকৌশল বিদ্যায় এসেছে বিশাল পরিবর্তন। নতুন নতুন স্টিল বডি ও ডাবল ডেকার-ট্রিপল ডেকার লঞ্চের ভিড়ে পুরনো কাঠের অবকাঠামোর লঞ্চগুলো প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ে। নাব্য সংকট, জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তার কড়াকড়ির কারণে এক সময় ঐতিহ্যের সামাদ লঞ্চটি এই রুট থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়। যদিও সামাদ নামধারী বিভিন্ন নৌযান পরবর্তী সময়ে এসেছে, কিন্তু সেই আদি ও অকৃত্রিম ‘সামাদ’ আজও মানুষের স্মৃতির পাতায় এক সোনালী অধ্যায় হয়ে আছে।
সূত্র বলছে, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমানের গোলার আঘাতে জাহাজটি কীর্তনখোলা নদীতে ডুবে গিয়েছিল। স্বাধীনতার পর বরিশালের এক ব্যবসায়ী নিজ খরচে জাহাজটি উদ্ধার করে কুমিল্লার দাউদকান্দির সাবেক এমপি মুন্সী আবদুল আলীর কাছে বিক্রি করেন। পরবর্তীতে মুন্সী আবদুল আলী এটিকে একটি আধুনিক যাত্রীবাহী লঞ্চে রূপান্তরিত করেন এবং নিজের বাবার নামানুসারে লঞ্চটির নামকরণ করেন 'এম ভি সামাদ'। অবশ্য ১৯৮৮ সালের জুলাই মাসে বরিশালের প্রখ্যাত ব্যবসায়ী মোহন মিয়া লঞ্চটি কিনে নেন।
১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের সেই প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে কীর্তনখোলা নদীর কাউয়ার চরে লঞ্চটিকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের কারণে বেঁধে রাখা হয়েছিল। প্রবল বাতাস এবং জলোচ্ছ্বাসের তোড়ে লঞ্চটি মাঝ নদীতে উল্টে গিয়ে সলিল সমাধি ঘটে। পরবর্তীতে একটি স্যালভেজ কোম্পানি লঞ্চটি কেটে পানি থেকে উদ্ধার করে, যার মাধ্যমেই চিরতরে বিলীন হয়ে যায় ইতিহাসের এই কিংবদন্তি।
বর্তমানে বরিশাল-ঢাকা রুটে হয়তো এর চেয়েও দশগুণ বড় ও বিলাসবহুল লঞ্চ চলাচল করে। কিন্তু বরিশালের প্রবীণ মানুষরা যখন আজও স্টিমার ঘাটে দাঁড়ান, তখন তারা সেই পুরনো ভোঁ-র শব্দ আর কাঠের কাঠামোর সামাদ লঞ্চটিকে মিস করেন। এটি কেবল একটি পরিবহন ছিল না, এটি ছিল একটি সময়ের প্রতিনিধি।
নৌপথের আধুনিকায়ন অবশ্যই কাম্য, তবে সামাদের মতো যেসব লঞ্চ এ অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আজকের অবস্থানে নিয়ে এসেছে, তাদের ইতিহাস সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। বরিশালের নৌ-সংস্কৃতিতে ‘সামাদ’ লঞ্চটি তাই কেবল একটি নাম নয়, বরং এক অবিনাশী ঐতিহ্য হিসেবে চিরকাল বেঁচে থাকবে।’
১৮ জুলাই, ২০২৬ ০২:৩৩
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭