
০২ জুন, ২০২৫ ১৪:৪৮
লোকবল সংকটে ভুগছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই দপ্তরে বর্তমানে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন ছাড়া কোনো কর্মচারী নেই। দীর্ঘ দিন ধরে এ কার্যালয়ে লোকবল সংকটের কারণে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পিআইও ছাড়াও উপসহকারী প্রকৌশলী,অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, কার্য-সহকারী ও অফিস সহায়ক পদ রয়েছে। কিন্তু এ কার্যালয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ছাড়া সব পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি টিআর-কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ব্যাপকসংখ্যক প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে।
তবে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকল্প তদারকি কাজে মাঠে থাকার সময় কার্যালয়টি প্রায়ই তালাবদ্ধ থাকে।
এদিকে লোকবল না থাকায় সব দায়িত্ব পালন করছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন। তিনি বলেন, শূন্যপদগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.নজরুল জানান, জনবল সংকটের বিষয়ে শূন্যপদ পূরণের জন্য দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
লোকবল সংকটে ভুগছে ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) কর্মকর্তার কার্যালয়। ওই দপ্তরে বর্তমানে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন ছাড়া কোনো কর্মচারী নেই। দীর্ঘ দিন ধরে এ কার্যালয়ে লোকবল সংকটের কারণে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ এবং উন্নয়ন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পিআইও ছাড়াও উপসহকারী প্রকৌশলী,অফিস সহকারী-কাম-কম্পিউটার অপারেটর, কার্য-সহকারী ও অফিস সহায়ক পদ রয়েছে। কিন্তু এ কার্যালয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ছাড়া সব পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। বর্তমানে উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচি, গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি টিআর-কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ব্যাপকসংখ্যক প্রকল্প বাস্তবায়ন কাজ চলমান রয়েছে।
তবে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকল্প তদারকি কাজে মাঠে থাকার সময় কার্যালয়টি প্রায়ই তালাবদ্ধ থাকে।
এদিকে লোকবল না থাকায় সব দায়িত্ব পালন করছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন। তিনি বলেন, শূন্যপদগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.নজরুল জানান, জনবল সংকটের বিষয়ে শূন্যপদ পূরণের জন্য দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৭:০৬
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ভূমি জরিপ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের চৌমাথা এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত ভূমি জরিপ কার্যক্রমের আওতায় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ১২৯ নং চর দপদপিয়া মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, জরিপের কাজে সংশ্লিষ্টরা প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমির মাপজোখ ও রেকর্ড সংক্রান্ত কাজে হয়রানি করা হচ্ছে।
দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, “জরিপকাজে নিয়োজিত সার্ভেয়ার জনি মোল্লা আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।”
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন বখতিয়ার বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য চলেছে। নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অভিযুক্ত সার্ভেয়ারদের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।”
মানববন্ধন থেকে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার জনি মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ভূমি জরিপ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও ঘুষ-দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসী।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কের চৌমাথা এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত ভূমি জরিপ কার্যক্রমের আওতায় নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া ইউনিয়নের ১২৯ নং চর দপদপিয়া মৌজায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন। তাদের দাবি, জরিপের কাজে সংশ্লিষ্টরা প্রতি শতাংশ জমির জন্য ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ দাবি করছেন। টাকা না দিলে জমির মাপজোখ ও রেকর্ড সংক্রান্ত কাজে হয়রানি করা হচ্ছে।
দপদপিয়া এলাকার বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম বলেন, “জরিপকাজে নিয়োজিত সার্ভেয়ার জনি মোল্লা আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। আমি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় আমাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে।”
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা শাহাবুদ্দিন বখতিয়ার বলেন, “ফ্যাসিস্ট আমলে এ ধরনের ঘুষ বাণিজ্য চলেছে। নতুন বাংলাদেশে এ ধরনের দুর্নীতি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা অভিযুক্ত সার্ভেয়ারদের অপসারণ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাই।”
মানববন্ধন থেকে দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়। অন্যথায় আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত সার্ভেয়ার জনি মোল্লার সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৩৮
ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান চপলকে (৫৬) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।
দুপুরের পর ঝালকাঠি সদর থানা থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন না করায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কর্ণফুলি গার্ডেন ও নাভানা টাওয়ার মার্কেটের স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের চাদকাঠি তিনঘাটলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তাকে থানায় নেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট মামলা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, আনিসুজ্জামান চপল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলের ভেতরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাকে হয়রানির শিকার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও চপলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সময়মতো ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদন না পাওয়ায় আদালতে জামিন আবেদন করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ঝালকাঠি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় জানান, আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫৪ ধারায় দাখিল করা ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনিসুজ্জামান চপলকে (৫৬) কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠির চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক এইচ এম কবির হোসেন এ আদেশ দেন।
দুপুরের পর ঝালকাঠি সদর থানা থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। আদালতে তার পক্ষে কোনো আইনজীবী জামিনের আবেদন না করায় বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
পুলিশ জানায়, ২০০৪ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কর্ণফুলি গার্ডেন ও নাভানা টাওয়ার মার্কেটের স্বর্ণ ডাকাতি মামলায় আগে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এছাড়া চলতি বছরের ৫ আগস্টের পর সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও হামলার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সোমবার সন্ধ্যায় ঝালকাঠি শহরের চাদকাঠি তিনঘাটলা এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।
থানা সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদলের কয়েকজন কর্মীকে মারধরের অভিযোগে তাকে থানায় নেওয়া হয়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে আটক করা হলেও নির্দিষ্ট মামলা না থাকায় ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজাজ আহমেদ জাগো নিউজকে বলেন, আনিসুজ্জামান চপল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দলের ভেতরে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করা একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পুলিশ প্রশাসনকে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তাকে হয়রানির শিকার করছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও দাবি করেন, থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও চপলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সময়মতো ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদন না পাওয়ায় আদালতে জামিন আবেদন করাও সম্ভব হয়নি বলে জানান তিনি।
ঝালকাঠি চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পরিদর্শক পুলক চন্দ্র রায় জানান, আসামিপক্ষের পক্ষ থেকে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ৫৪ ধারায় দাখিল করা ফরওয়ার্ডিং প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে ধর্তব্য অপরাধ সংঘটনের প্রস্তুতির অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২১
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মাদাকাসক্ত ছেলেকে হত্যার পর ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সাহায্য চেয়ে আত্মসমর্পন করেন পিতা আব্দুল বারেক খান। এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানা পুলিশ পিতা আব্দুল বারেক খান (৫৫) কে আটক ও মৃত মেহেদী হাসান শুভর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৩ টায় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছোনাউটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান-মেহেদী হাসান শুভ (২৫) দীর্ঘদিন যাবৎ মাদাকাসক্ত ছিলেন। প্রায়ই সে পিতা-মাতাকে মারধর, একাধিক এলাকাবাসীকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে। তার অত্যাচার নির্যাতনে পিতা-মাতাসহ এলাকাবাসী আতংকে থাকতো। ঘটনার দিন সকালে শুভ পিতা আব্দুল বারেক খানের কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং বসত ভাংচুর করে।
এক পর্যায় সন্ধ্যায় সে বাজার থেকে একটি দাও কিনে নিয়ে বাড়ি যান। মাকে জানান, টাকা না দিলে আজ রাতে তোমাদের ২ জনকে জবাই করা হবে। এ খবর মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে জানান। বারেকের পরমার্শে স্ত্রী খুশি বেগম রাতে অন্য ঘরে ঘুমান।
রাত ৩ টার দিকে পিতা বারেক খান ঘুমান্ত ছেলে শুভকে দাও দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে জাতীয় পরিসেবা ৯৯৯ এ কাঠালিয়া থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছান। এ সময় তারা মৃতু শুভ’র মরদেহ উদ্ধার করেন এবং পিতা আব্দুল বারেক খানকে আটক করে কাঠালিয়া থানায় নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় শুভ’র মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কাঠালিয়া-রাজাপুর) সার্কেল মোঃ শাহ আলম । এ সময় কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবু নাছের রায়হান ও ওসি তদন্ত হারান চন্দ্র পালসহ পুলিশের টিম উপস্থিত ছল।
ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় মাদাকাসক্ত ছেলেকে হত্যার পর ৯৯৯ ফোন করে পুলিশের সাহায্য চেয়ে আত্মসমর্পন করেন পিতা আব্দুল বারেক খান। এ ঘটনায় কাঠালিয়া থানা পুলিশ পিতা আব্দুল বারেক খান (৫৫) কে আটক ও মৃত মেহেদী হাসান শুভর মরদেহ উদ্ধার করেছেন।
রবিবার ১৫ ফেব্রুয়ারী রাত ৩ টায় উপজেলার আমুয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ছোনাউটা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান-মেহেদী হাসান শুভ (২৫) দীর্ঘদিন যাবৎ মাদাকাসক্ত ছিলেন। প্রায়ই সে পিতা-মাতাকে মারধর, একাধিক এলাকাবাসীকে মারধর ও কুপিয়ে জখম করেছে। তার অত্যাচার নির্যাতনে পিতা-মাতাসহ এলাকাবাসী আতংকে থাকতো। ঘটনার দিন সকালে শুভ পিতা আব্দুল বারেক খানের কাছে ৩ লক্ষ টাকা দাবি করেন এবং বসত ভাংচুর করে।
এক পর্যায় সন্ধ্যায় সে বাজার থেকে একটি দাও কিনে নিয়ে বাড়ি যান। মাকে জানান, টাকা না দিলে আজ রাতে তোমাদের ২ জনকে জবাই করা হবে। এ খবর মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে জানান। বারেকের পরমার্শে স্ত্রী খুশি বেগম রাতে অন্য ঘরে ঘুমান।
রাত ৩ টার দিকে পিতা বারেক খান ঘুমান্ত ছেলে শুভকে দাও দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে জাতীয় পরিসেবা ৯৯৯ এ কাঠালিয়া থানার পুলিশকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছান। এ সময় তারা মৃতু শুভ’র মরদেহ উদ্ধার করেন এবং পিতা আব্দুল বারেক খানকে আটক করে কাঠালিয়া থানায় নিয়ে আসেন।
এ ঘটনায় শুভ’র মা খুশি বেগম স্বামী আব্দুল বারেক খানকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার (কাঠালিয়া-রাজাপুর) সার্কেল মোঃ শাহ আলম । এ সময় কাঠালিয়া থানা অফিসার ইনচার্জ আবু নাছের রায়হান ও ওসি তদন্ত হারান চন্দ্র পালসহ পুলিশের টিম উপস্থিত ছল।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.