Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২০
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।
ঝালকাঠি-১ আসনে ভোটারদের নজর এখন ডা. মাহমুদা আলম মিতুর দিকে। বরিশাল বিভাগে ২১টি আসনের মধ্যে তরুণদের রাজনৈতিক দল এনসিপির একমাত্র নারী প্রার্থী তিনি। পিরোজপুরে দলটির আরেকজন প্রার্থী থাকলেও শুরু থেকেই মিতুর উপস্থিতি রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে।
তবে ভোটের আগেই জোটের সমর্থন পেতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র হয়ে উঠেছে। কারণ এই আসনে ইসলামপন্থী জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতের প্রার্থীও রয়েছে।
নির্বাচন বিশ্লেষকরা বলছেন, মিতু ঝালকাঠি-১ আসন থেকে সরে দাঁড়ালে বরিশালে এনসিপির রাজনৈতিক উপস্থিতি প্রায় শেষ হয়ে যাবে। তাই ঝালকাঠি-১-এর লড়াই এখন শুধু মিতুর নয়, বরং এনসিপির টিকে থাকার লড়াইও হয়ে উঠেছে।
বিএনপি থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা ড. ফয়জুল হক এখন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে প্রচারণায় রয়েছেন। জামায়াত তাদের পূর্ব ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছেন।
ফয়জুল হক ঝালকাঠীর পীর এ কামেল কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় ইসলামপন্থীরা এই আসনে তাঁকে মনোনয়নের ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে ভোটযুদ্ধ কেবল প্রার্থীই নয়, জোটের সমর্থনের ওপরও কেন্দ্রীভূত। সবার একটাই প্রশ্ন- ইসলামপন্থী জোটের চূড়ান্ত সমর্থন কে পাবেন, ড. ফয়জুল নাকি ডা. মিতু?
নাম প্রকাশ না করার শর্তে জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বলছেন, নীতিগত কারণেই এই আসনে ফয়জুল হককে দলীয় সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইসলামপন্থী দলের একাধিক শীর্ষ নেতাদের ভাষ্য, ফয়জুল হক কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি হওয়ায় তারা ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিএনপি ছেড়ে আসার কারণে ঘোষিত প্রার্থীকে বাদ দিয়ে ফয়জুল হককে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
ড. ফয়জুল হক বিএনপির মালয়েশিয়া শাখার সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ৫ আগস্ট দেশে ফেরার পর তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিএনপি মনোনয়ন না দিলে নিজের ইচ্ছায় নির্বাচনে দাঁড়ানোর পরিকল্পনা ছিল তাঁর।
পরে জামায়াত তাঁকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। বর্তমানে তিনি দলীয় মনোনয়নপত্র দাখিল করে নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয়।
ফয়জুল হক রাজাপুরী হুজুরের সর্বকনিষ্ঠ সন্তান এবং কামেল হযরত কায়েদ সাহেব হুজুরের নাতি। গত ১৬ বছর ধরে তিনি অনলাইন টকশো, লেখালেখি ও মাঠপর্যায়ে অন্যায়, জুলুম ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন।
নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সম্পর্কে ফয়জুল বলেন, মালয়েশিয়ায় বিএনপির দলীয় পদ থেকে তিনি স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ান। কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ড তাঁর কাছে গ্রহণযোগ্য মনে হয়নি। জামায়াতের মনোনয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী হতে পেরে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি ভবিষ্যতে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে সরকার গঠন সম্ভব।’
অন্যদিকে, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় কাজ করছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তিনি এনসিপির ডেপুটি চিফ অরগানাইজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জোটবদ্ধ নির্বাচনের পরও ইসলামী দলগুলোর নেতারা তাঁকে পুরুষ প্রার্থীর তুলনায় বেশি সময় ও সহযোগিতা দেবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।
মিতু বলেন, ‘এটি নারী হিসেবে আমার ন্যায্য সম্মান ও সমর্থন।’ তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী লড়াই আমাকে শুধু ভোটের রাজনীতি শেখায়নি, মানুষের ভালোবাসা, আস্থা ও প্রত্যাশার গুরুত্বও বুঝিয়েছে।’
শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে থাকবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে মিতু বলেন, বিষয়টি এখন এনসিপির একার নয়। কারণ ভোটে এনসিপি জোট করেছে। এনসিপির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২১টি আসনের একটি আসনে দলীয় মনোনয়ন দাখিল করা হয়েছে।
মিতু আরো বলেন, তফসিল ঘোষণার আগেই এলাকার সুধীজনদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। এখন নিয়মিত অনলাইন ও অফলাইনে প্রচারণা চালাই। জোট যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটেই মেনে নেব।
এদিকে, ঝালকাঠি-১ আসনে এছাড়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি থেকে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ইসলামী আন্দোলন থেকে ইব্রাহীমসহ ৯ জন। ভোটের মাঠে এখন শুরু হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
জামায়াতের ফয়জুল নাকি এনসিপির ডা. মিতু- কে জোটের সমর্থন পাচ্ছেন, সেই দিকেই নজর ভোটার ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। কারণ পিরোজপুর-৩ আসনে এনসিপির প্রাথী মো শামীম হামিদীর অবস্থান তেমন একটা ভালো নয় বলে মনে করছে অনেকে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৩
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৫৮
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’

২২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৩৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে চাঁদাবাজির মামলায় দপদপিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য (মেম্বার) আবুল বাশার সিকদার ও তার চাচাতো ভাই মো. রাকিব সিকদারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে জামিন প্রার্থনা করে আদালতের হাজির হলে ঝালকাঠির চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এইচ এম কবির হোসেন এই আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঝালকাঠির নলছিটি আমলী আদালতের জিআরও মো. এনামুল হক।
কারাগারে যাওয়া আবুল বাশার সিকদার নলছিটি উপজেলার দপদপিয়া গ্রামের মো. নেছাহার সিকদারের ছেলে ও মো. রাকিব সিকদার একই গ্রামের আমির আলি সিকদারের ছেলে।
মামলার বরাত দিয়ে জিআরও মো. এনামুল হক জানান, নলছিটির তিমিরকাঠি গ্রামের ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার সোহেলের কাছে আসামীরা ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি চাঁদা দিতে না চাইলে ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ব্যবসায়ী সুমন খন্দকার, তার ভাই বাহারুল খন্দকার ও আকিব বিশ্বাসকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে আসামীরা। এ ঘটনায় সুমন খন্দকার সোহেল বাদী হয়ে নলছিটি থানায় ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর মামলা করেন।
তদন্ত শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পেলে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই করুন বিশ্বাস। পরবর্তীতে আজ আসামীরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক তা নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।’
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদায়) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার। বুধবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কার্যবিধি, ১৯৯৬-এর ৩বি (২) ধারা অনুযায়ী তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পালনকালে তিনি প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা ভোগ করবেন। জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি প্রজ্ঞাপনটি জারি করেন।
ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার স্বপন একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। দীর্ঘ পেশাগত জীবনে তিনি এশিয়া, আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রায় ৩৫টি দেশে টেকসই স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও উন্নয়ন খাতে তিন দশকের বেশি সময় কাজ করেছেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের সাবেক সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পুষ্টি বিশেষজ্ঞ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার সঙ্গেও কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাডজাঙ্কট সহযোগী অধ্যাপক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
শিক্ষাজীবনে তিনি শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস, ফিলিপাইন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পুষ্টিতে স্নাতকোত্তর এবং সুইডেনের উমিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রাজনৈতিক জীবনে আশির দশকে ছাত্রদলের মাধ্যমে তার পথচলা শুরু। তিনি বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে বিএনপির বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। গত বছরের ১০ মার্চ তিনি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পান এবং দলটির স্বাস্থ্যনীতি প্রণয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনায় সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি বিএনপি গ্রাসরুট নেটওয়ার্কের টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
ঝালকাঠি সদর উপজেলার নৈকাঠি গ্রামের সন্তান ড. জিয়াউদ্দিন হায়দারের বাবা মরহুম হরমুজ আলী ছিলেন একজন সিনিয়র সহকারী সচিব। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়।
নিয়োগের প্রতিক্রিয়ায় ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতকে আরও শক্তিশালী, সমন্বিত ও টেকসই করতে তিনি কাজ করবেন। তিনি বলেন, “প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে আরও জোরদার করতে হবে, যাতে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যায়।”
বর্তমানে হামের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপকে ইতিবাচক উল্লেখ করে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে টিকা সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা তার অগ্রাধিকার। পাশাপাশি পুষ্টি, মাতৃ ও শিশুর স্বাস্থ্য এবং সংক্রামক ও অসংক্রামক রোগ মোকাবিলায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা এবং দক্ষ জনবল গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন।
ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করে তুলতে তিনি কাজ করতে চান। সরকারের বিভিন্ন সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের মাধ্যমেই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর আস্থা আমার জন্য বড় দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করব।