
০৩ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৩
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস
ছবি: সংগৃহীত
পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার নাম পুনরায় পরিবর্তন করে ‘জিয়ানগর’ রাখা হয়েছে। এ-সংক্রান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন ইতোমধ্যে জারি হয়েছে।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ জানিয়েছে, ২০ জানুয়ারি ২০২৫ অনুষ্ঠিত প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)-এর ১১৯তম বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জনস্বার্থে এই নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উপসচিব হেলেনা পারভীন স্বাক্ষর করে প্রজ্ঞাপনটি জারি করেছেন।
জানা গেছে, পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রচেষ্টায় ২০০২ সালের ২৭ মার্চ পিরোজপুর সদর উপজেলার পারেরহাট, বালিপাড়া ও পত্তাশী ইউনিয়নের ৯৪.৫৯ বর্গকিলোমিটার এলাকায় ১৯৭৬ সালে গঠিত ইন্দুরকানী থানাকে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ৮৭তম বৈঠকে ইন্দুরকানী থানাকে 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নামকরণের প্রস্তাব আনা হয়।
পরে ২০০২ সালের ২১ এপ্রিল তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ও সাবেক সংসদ সদস্য দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী স্থানীয় জনগণের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ইন্দুরকানী সফর করে সাঈদীর প্রস্তাবিত নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' নামে নতুন এই উপজেলা উদ্বোধন করেছিলেন।
এরপর ২০১৭ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় পুনর্বিবেচনার পর উপজেলা ১৫ বছর পর ‘ইন্দুরকানী’ নামে পুনঃনামকরণ করা হয়।
জিয়ানগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. ফরিদ আহম্মেদ বলেন, ‘পুনরায় জিয়ানগর নাম ফিরে পাওয়ায় দলের নেতাকর্মীসহ আমরা আনন্দিত। আওয়ামী লীগ সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে নাম পরিবর্তন করে ইন্দুরকানী করেছিল।’
পিরোজপুর-১ আসনের এমপি মাসুদ সাঈদী তার ফেসবুক পোস্টে জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট একটি সফল গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের পর একই বছরের ৫ সেপ্টেম্বর আমি অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের কাছে 'ইন্দুরকানী' নাম পরিবর্তন করে পুনরায় সাঈদীর রাখা নাম 'জিয়ানগর উপজেলা' করণের দাবি নিয়ে জিয়ানগরের ৩ হাজার মানুষের স্বাক্ষরসংবলিত একটি স্মারক মন্ত্রণালয়ে গিয়ে জমা প্রদান করি।
আমার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি উপজেলার নাম পরিবর্তন করে সাঈদীর দেওয়া জিয়ানগর নাম পুনর্বহালে জনমত যাচাইয়ে উপজেলার তিন স্থানে জনসমীক্ষার জন্য একটি টিম পাঠিয়েছিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। জনমত সমীক্ষা শেষে দীর্ঘদিন পার হয়ে গেলেও এ নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।
অবশেষে চলতি বছরের (২০২৬) শুরুর দিকে আমি আবারও অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খানের সাথে যোগাযোগ করি। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, এই জানুয়ারিতেই আমরা নিকারের মিটিং করব এবং 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' হিসেবে ঘোষণা করব। সেই কথা অনুযায়ী গত ৬ মাঘ ১৪৩২ তারিখের নিকারের সভায় 'ইন্দুরকানী'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর' করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, যা এখন শুধু গেজেট আকারে প্রকাশিত হওয়ার অপেক্ষায়।
শুরু থেকে নিয়ে এই পর্যন্ত 'ইন্দুরকানী উপজেলা'-কে পুনরায় 'জিয়ানগর উপজেলা' হিসেবে ঘোষণা করার এই কাজে যে বা যারা আমাকে পরামর্শ দিয়েছেন, সহযোগিতা করেছেন, পাশে থেকেছেন; তাদের প্রত্যেককেই আমি অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুকরিয়া জানাচ্ছি। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ১৫ বছর পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আমি বিশেষভাবে জিয়ানগরের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে অশেষ ধন্যবাদ ও মুবারকবাদ জানাচ্ছি।
আমি একই সাথে জিয়ানগর উপজেলার সকল রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধিবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণকেও ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে আয়েশা আক্তার (৫০) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দাউদখালী ইউনিয়নের হারজী নলবুনিয়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, মাঠ থেকে হাঁস আনতে গেলে বজ্রপাতের আঘাতে নিহত হন আয়েশা আক্তার। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মঠবাড়িয়া সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামে মশিউর রহমান তালুকদারের ছেলে স্বাধীন তালুকদার (২২) মাঠে গরু আনতে গেলে নিখোঁজ হন। পরবর্তীতে মাঠে তার মৃতদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের লোকজনের ধারণা, বজ্রপাতের কারণে স্বাধীন তালুকদারের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়।
এ ছাড়াও উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের নবী হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ হাসান (২৫) বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হন। তার সাথে থাকা সঙ্গী সোহেল জানান, বজ্রপাতের সময় তিনি নদীতে পড়ে যান। পরবর্তীতে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিহতের পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৫
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় বজ্রপাতে তিনজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। ২৯ এপ্রিল বুধবার সন্ধ্যার সময় উপজেলার হারজী নলবুনিয়া গ্রামের মো. আ. সালামের স্ত্রী মোসা. আয়েশা বেগমের (৫০) মৃত্যু হয়। নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির মধ্যে মাঠে হাঁস আনতে গিয়ে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।
একইদিন বিকালে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের বাসিন্দা মো. নবী হোসেনের ছেলে মো. হাসানের (২৫) মৃত্যু হয়। হাসান বলেশ্বর নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে নিখোঁজ হন।
অন্যদিকে মঠবাড়িয়া সদর ইউনিয়নের সবুজ নগর গ্রামের বাসিন্দা মশিউর রহমানের ছেলে স্বাধীন তালুকদারের (২০) মৃত্যু হয়। দুপুরে গরু আনতে মাঠে গিয়ে নিখোঁজ হন স্বাধীন।
অনেক খোঁজাখুজির পর রাতে মাঠে তার লাশ পাওয়া যায়। তার শরীরে বজ্রপাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার বলেন, নিহদের পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:২৫
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পিরোজপুরের সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজাদের পিটুনিতে মানিক সরদার (৫৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে আটক করেছে।
রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব দুর্গাপুর এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মানিক সরদার মৃত ছবেদ আলী সরদারের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে মানিক সরদারের সঙ্গে অন্য ভাইদের বিরোধ চলছিল এবং বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন ছিল। এ নিয়ে রোববার রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ওই রাতে মানিক সরদার ও তার ছেলে মেহেদীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তার ভাতিজা রাব্বি সরদার, আজিম সরদার, সাইফুল ইসলাম মৃধা, প্রতিবেশী রবিন শেখ ও সজিব। প্রথমে তাদের নিজ বাড়িতে মারধর করা হয়, পরে মজিবুর সরদারের বাড়িতে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় নির্যাতন চালানো হয়।
এ সময় স্বামী ও ছেলেকে রক্ষা করতে গেলে মানিকের স্ত্রী ফরিদা বেগমকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে মানিক সরদার অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে বাড়িতে ফেলে রেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হিসেবে সাইফুল ইসলাম মৃধা (২৭), রাব্বি সরদার, আজিম সরদার (২৭) ও রবিন শেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার সময় ইউনিয়নের চৌকিদার শেখ মিকচান ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন এবং তার উপস্থিতিতেই মারধরের ঘটনা ঘটে।
নিহতের মেয়ে তামান্না আক্তার বন্যা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার আব্বাকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। তিনি বাঁচতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।
ছেলে মেহেদী বলেন, আমাকে ও বাবাকে ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়। একপর্যায়ে বাবা অচেতন হয়ে পড়েন।
স্থানীয়রা জানান, জমিজমা বিরোধের পাশাপাশি গরু চুরির সন্দেহ নিয়েও বিরোধ চলছিল, যা ঘটনার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।
৩ নম্বর দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নোমান মৃধা বলেন, বিরোধের পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।
পিরোজপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.