
০১ জুন, ২০২৫ ১০:২৪
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’

০৬ জুন, ২০২৬ ২০:৫৭
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বাকেরগঞ্জে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে নারী পুরুষসহ ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের সময় দুলাল মোল্লা (৬৫) নামে একজনের বসতঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলার ঘটনায় পুলিশ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামের দুলাল মোল্লার ছেলে মামুন মোল্লা, (৩০) সাকিব মোল্লা (১৯) রবিউল মোল্লা ( ৩০)ইমরান মোল্লা ও সুমাইয়া আক্তার (১৯) নলছিটি উপজেলার মানপাশা ইউনিয়নের রুহুল আমিনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২০)।
উভয় পক্ষের আহতরা হলেন, আরিফুল খান (৪০) সাইফুল খান (৩৫) আবির খান (২৫) কামাল শিকদার (৪০) তাসলিমা বেগম (৪৮) সুমাইয়া আক্তার(১৯) হাসিব মোল্লা (২১) সুমি আক্তার( ২০) সাহানাজ বেগম (২২) জাহিদুল ইসলাম (২০)।
৫ জুন শুক্রবার বিকাল সাড়ে পাঁচটারদিকে উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের দাওকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুলাল মোল্লা একই গ্রামের মৃত চান্দু মোল্লার ছেলে। ফারুক সিকদার তাদের প্রতিবেশী।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দাওকাঠী গ্রামের দুলাল মোল্লার পুত্র রাকিব মোল্লা,একই গ্রামের জামাল সিকদারের মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে পরিবারকে জানালে জামাল সিকদার তার মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে তার বনের বাসায় রেখে মেয়েকে চয়ন খান নামে এক যুবকের সঙ্গে বিয়ে দেয়, ১ জুন জামাল সিকদারের মেয়ে তার স্বামী চয়ন খানকে নিয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয় রাকিব মোল্লা, ২ জুন রাতে রবিউল মোল্লা ও বেল্লাল ফকিরের পুত্র হাসিব ফকিরসহ আর অজ্ঞাত কয়েক জনমিলে মোঃ জামাল সিকদারের মেয়ে জামাতা মোঃ চয়ন খানের কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে।
এতে গুরুতর আহত হয় চয়ন খান, বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় ৩ জুন রাতে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় একটি মামলা হয়।
৫ জুন শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটায় আসামিদের গ্রেপ্তার পূর্বক বিচারের দাবিতে শ্যামপুর-বাকেরগঞ্জ সড়কের দাওকাঠী মাদারিয়া পাড় রাস্তায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে। এতে করে দুলাল মোল্লার পরিবার একপর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে আবির খান (২৫) ও আরিফুল খান (৪০) দুইজনকে কুপিয়ে জখম করে। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার তাদের লোকজন নিয়ে ওই দুলাল মোল্লার ঘরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ। এ অগ্নিকান্ডে নগদ টাকা, জমির দলিল ও বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ প্রায় ৭ লক্ষ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন দুলাল মোল্লার পরিবার।
ভুক্তভোগী দুলাল মোল্লার স্ত্রী তাসলিমা বেগম জানান, আমাদের বসতঘর ভাংচুর করে এসময় তাদের বাধা দিতে গেলে আমাদের পরিবারের ৭ জনকে কুপিয়ে জখম করেছে এরপরে ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয় এসময়ে আমরা ডাক-চিৎকার করলে আসপাশের লোকজন ছুটে এসে উদ্ধার করে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে, সেখানে চিকিৎসাধীন আছি।ঘন্টা খানেক পরে জানতে পারি বাকেরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ ব্যাপারে অভিযোগ অস্বিকার করে ফারুক সিকদার ও জামাল সিকদার বলেন আমরা দুলাল মোল্লার ঘর পুড়ে যাওয়ার বিষয়ে কিছুই জানিনা। তবে আমরা মানববন্ধন শেষে যেজারমত করে বাড়িতে ফিরতে ছিলাম ওই মুহূর্তে দুলাল মোল্লা ও তার পুত্ররা মিলে আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়,এতে আবির খান ও আরিফুল খান গুরুতর আহত হয়েছেন, তারা বর্তমানে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
বাকেরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে স্থানীয় উৎসুক জনতা অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটাতে পারে, তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৮
বরিশাল নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডস্থ কাশিপুরের চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর মামলায় আটকের পর জামিন নিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের বিরুদ্ধে। এতে বাদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলার আসামীরা হলেন- মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার (৬০) ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার ও দেলোয়ার তালুকদারের স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার।
বাদীর পরিবার ও এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হক হাওলাদারের বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকা বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আব্দুল হক হাওলাদারের সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার এবং স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে আব্দুল হক হাওলাদারের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী ফুলি বেগমকে সামনে পেয়ে বেধম মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুল হক হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার, মোঃ শান্ত তালুকদারকে আটক করা হয়। পরে আদালতে পাঠালে তাদের জামিন মঞ্জুর করে বিচারক।
এদিকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন মোঃ দেলোয়ার তালুকদার। মামলা তুলে নিতে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার। এ অবস্থায় মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার বলেন, মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার ছেলেরা জামিনে বের হয়ে এসে আমাকে এবং পরিবারকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতেন বলেন। তা না হলে তারা আমাকে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দেন। এ অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধরের মামলায় এজাহারভুক্ত তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে বাদিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। এখন জামিনে বের হয়ে কোন আসামী বা অন্য কেউ যদি মামলার বাদিকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে সেটাও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
বরিশাল নগরীর ৩০নং ওয়ার্ডস্থ কাশিপুরের চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধর মামলায় আটকের পর জামিন নিয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে ওই এলাকার মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের বিরুদ্ধে। এতে বাদী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এদিকে নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মামলার আসামীরা হলেন- মৃত আক্তার তালুকদারের ছেলে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার (৬০) ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার ও দেলোয়ার তালুকদারের স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার।
বাদীর পরিবার ও এজাহারে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মোঃ দেলোয়ার তালুকদারের সঙ্গে প্রতিবেশী আব্দুল হক হাওলাদারের বিরোধ চলে আসছিল। এরই ধারাবাহিকা বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে আব্দুল হক হাওলাদারের সঙ্গে তাঁদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার ও মোঃ শান্ত তালুকদার এবং স্ত্রী মোসাঃ শামসুর নাহার লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্র নিয়ে আব্দুল হক হাওলাদারের বাড়িতে হামলা চালান। এ সময় আব্দুল হক হাওলাদারের স্ত্রী ফুলি বেগমকে সামনে পেয়ে বেধম মারধর করে রক্তাক্ত জখম করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেলে আব্দুল হক হাওলাদার বাদী হয়ে বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানায় মামলা দায়েরের পর রাতেই মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার দুই ছেলে মোঃ প্রিন্স তালুকদার, মোঃ শান্ত তালুকদারকে আটক করা হয়। পরে আদালতে পাঠালে তাদের জামিন মঞ্জুর করে বিচারক।
এদিকে জামিনে বের হয়েই আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেন মোঃ দেলোয়ার তালুকদার। মামলা তুলে নিতে বাদীকে খুন জখমের হুমকি দিতে থাকেন বলে অভিযোগ করেন মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার। এ অবস্থায় মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার ও তার পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
মামলার বাদী আব্দুল হক হাওলাদার বলেন, মোঃ দেলোয়ার তালুকদার ও তার ছেলেরা জামিনে বের হয়ে এসে আমাকে এবং পরিবারকে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নিতেন বলেন। তা না হলে তারা আমাকে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের খুন জখমের হুমকি দেন। এ অবস্থায় আমি ও আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছি। আমি এর প্রতিকার চাই।
এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, চহঠা এলাকায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে নারীকে মারধরের মামলায় এজাহারভুক্ত তিনজন আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। তবে বাদিকে হুমকি দেওয়ার বিষয়টি জানা নেই। এখন জামিনে বের হয়ে কোন আসামী বা অন্য কেউ যদি মামলার বাদিকে হত্যার হুমকি দিয়ে থাকে সেটাও তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

০৬ জুন, ২০২৬ ১৮:৪২
বরিশালসহ সারা দেশে রাত ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।
রোববার (৭ জুন) বরিশাল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বরিশাল টাইমস
বরিশালসহ সারা দেশে রাত ১টার মধ্যে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে দেশের ১৮টি জেলার ওপর দিয়ে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিও হতে পারে। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া এক পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুকের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- রংপুর, বরিশাল, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেটের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
এদিকে আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার (৫ দিন) আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশটি পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু কক্সবাজার উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হতে পারে।
রোববার (৭ জুন) বরিশাল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ ছাড়া, সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.