
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জুন, ২০২৫ ১০:২৪
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’
বরিশালে নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান, মহাসচিবসহ ২৮০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে গণঅধিকার পরিষদ। গতকাল শনিবার (৩১ মে) গণঅধিকার পরিষদ বরিশাল মহানগরের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শফিকুল ইসলাম সাগর বাদী হয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় মামলাটি করেন। এই মামলায় ৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং ২৫০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।
তিনি জানান, হামলার অভিযোগে করা এজাহারটি মামলা হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার বিকেলে দলীয় কার্যক্রম শেষে ফকির বাড়ি রোডের একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। ওই সড়ক দিয়ে জাতীয় পার্টি একটি মিছিল নিয়ে যাচ্ছিল। মিছিলে জাতীয় পার্টির পাশাপাশি আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা ছিল। তারা মিছিলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, উপদেষ্টামণ্ডলী এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দিচ্ছিল। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা জাতীয় পার্টির নেতাদের বিনয়ের সঙ্গে সরকারবিরোধী স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। এতে জাতীয় পার্টির নেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে রামদা, দা, চাপাতি, পিস্তল, লোহার রড, বাঁশ, ইট নিয়ে গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালান। হামলায় গণঅধিকার পরিষদের ২০/২৫ জন গুরুতর আহন হন।
মামলার আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, মহাসচিব মজিবুল হক চুন্নু, সাইদুল ইসলাম ট্যাপা, রুহুল আমিন হাওলাদার, রত্না আমিন, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, একেএম সেলিম ওসমান, বরিশাল জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক এমএ জলিল, মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক মহশিন উল ইসলাম হাবুল এবং ছাত্রলীগ নেতা পিন্স মাহমুদ সোহেল।
মামলার বাদী শফিকুল ইসলাম সাগর বলেন, আওয়ামী লীগের দোসর জাতীয় পার্টি আমাদের নিরীহ নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে আহত করেছে। বাংলাদেশে জাতীয় পার্টির রাজনীতি করার অধিকার নেই। পুলিশ আমাদের মামলা গ্রহণ করেছে। আমরা চাই অনতিবিলম্বে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করবে পুলিশ।
এর আগে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফকির বাড়ি রোডের জেলা ও মহানগর জাতীয় পার্টির কার্যালয় ভাঙচুর চালানো হয়। জাতীয় পার্টিকে আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে এ হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছেন বরিশাল মহানগর জাতীয় পার্টির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিনুল ইসলাম হাবুল।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের রংপুরের বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপী বিক্ষোভের অংশ হিসেবে শনিবার বিকেলে ফকির বাড়ি রোডের দলীয় কার্যালয় থেকে বিক্ষোভ বের করেন জাতীয় পার্টির নেতারা। মিছিলটি সদর রোডের কাছাকাছি গেলে লাঠিসোঁটা নিয়ে মিছিলে হামলা চালান গণঅধিকার পরিষদের নেতারা। এসময় জাতীয় পার্টিও পাল্টা আক্রমণ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পরে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একজনকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেন। গণঅধিকার পরিষদের নেতারা সেখান থেকে গিয়ে কোতয়ালি থানার সামনে অবস্থান নেন এবং জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন।’

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪৮
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪২
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।
বাংলাদেশে ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন নতুন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভা গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে শপথ নেয়। নতুন এই মন্ত্রিসভার সদস্য বরিশাল ১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনের এমপি জহির উদ্দিন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
আজ বুধবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে তিনি সচিবালয়ে আসেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন।তিনি বলেন, তিনি নিজেও জানেন, ভয়ভীতির মধ্যে যাঁরা বাস করেন, তাঁদের কী ধরনের মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। বিশেষ করে গণমাধ্যমের মতো এ রকম পেশায় যাঁরা কাজ করেন। তাঁদের যদি সারাক্ষণ নজরদারির মধ্যে থাকতে হয়।
জহির উদ্দিন আরও বলেন, ‘সমস্যা যেহেতু আমরা জানি, প্রধানমন্ত্রী (তারেক রহমান) যেহেতু তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার পরিকল্পনা দিয়েছেন, তাহলে আমরা বাংলাদেশে একটা ভয়মুক্ত সাংবাদিকতার পরিবেশ তৈরি করব, ইনশা আল্লাহ।’
গ্রেপ্তারের প্রায় ৯ মাস পর রাজনৈতিক মামলায় জামিন পেয়েছেন বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ। একই সঙ্গে জামিন দেওয়া হয়েছে নিষিদ্ধ সংগঠন বরিশাল মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ দুজনকে।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বরিশাল সদর থানার সরকারি নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআরও) মো. হুমায়ুন কবির এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, বুধবার জেবুন্নেছা আফরোজসহ তিনজনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।
জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরিশাল সদর আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজ, মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হক খান মামুন ও মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জসিম উদ্দিন।
এর আগে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ২০২৫ সালের ১৭ মে ঢাকার বাসা থেকে সাবেক এমপি জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরে তাকে বরিশালের ৬টি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।সেই থেকেই বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন জেবুন্নেছা আফরোজ।