
০৬ জুন, ২০২৫ ১৭:২৩
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সাগর কন্যা কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। এবার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো প্রায় বুকিং হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আবহাওয়া ঠিক থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নামবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ হোটেলে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ কক্ষের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। তবে ১০-১১ জুন পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা জানালেন অনেকেই। এ দুই দিনের জন্য আগাম বুকিং পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের ১০-১১ জুনে অলরেডি ৪০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
হোটেল তাজওয়ার কর্তৃপক্ষ জানান, তাদেরও ওই তারিখে আগাম বুকিং রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে মূলত সরকারি ছুটি কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৫ জুন অফিস আদালত সচল হবে। ৭ জুন থেকে কোরবানি শুরু হবে। যা চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এ জন্য ১০-১১ জুন এই দুইদিন মূলত বিনোদন, ভ্রমণের মুখ্য সময়।
এই পিক টাইমে কুয়াকাটায় লাখো পর্যটকের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ। ১২ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকার কথা বললেন অধিকাংশরা। তবে আধুনিক সেবা সংবলিত ও তারকা মানের হোটেলগুলোতে এখনও গেস্ট রয়েছে। তাদের ৯-১০-১১ জুনে এখনই শতভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
এছাড়াও পর্যটকের ভিড়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কিংবা অশোভন আচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। বাসে আসা পর্যটককে নির্দিষ্ট হোটেলে নেওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থার কথাও জানালেন একাধিক হোটেল কর্তৃপক্ষ।
হোটেল রাজমহলের ম্যানেজার জুয়েল ফরাজি বলে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইতোমধ্যে মুঠোফোনে ভালোই সাড়া পাচ্ছি। টানা ১০ দিনের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হবে। আশা করছি পেছনের লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারব। এ সময় তিনি হোটেলে রাজমহলে ১০% ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা রয়েছেও।
হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০ দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। মূলত ৯ জুন থেকে কুয়াকাটায় ১১ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়ের সম্ভাবনা থাকছে। পর্যটক বরণে কুয়াকাটার ছোট-বড়-মাঝারি আধুনিক ও তারকা মানের অন্তত ২৩০টি হোটেল-মোটেল রিসোর্ট এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, ইতোমধ্যেই পর্যটক বরণে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন এখানে আসা পর্যটকের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সচেষ্ট রয়েছেন।
ঈদ পরবর্তী আগত পর্যটক-দর্শনার্থীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি তিনটি স্পটে বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক তাপস চন্দ্র রায়।
মহিপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, পর্যটকের নিরাপত্তা বিধানে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা লাখো পর্যটকের সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কুয়াকাটা দর্শনীয় স্পটগুলোতে আলাদা আলাদা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা সর্বদা প্রস্তুত থাকবে টুরিস্ট পুলিশ।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পর্যটকের সেবা নিশ্চিতে সকল ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সাগর কন্যা কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। এবার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো প্রায় বুকিং হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আবহাওয়া ঠিক থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নামবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ হোটেলে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ কক্ষের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। তবে ১০-১১ জুন পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা জানালেন অনেকেই। এ দুই দিনের জন্য আগাম বুকিং পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের ১০-১১ জুনে অলরেডি ৪০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
হোটেল তাজওয়ার কর্তৃপক্ষ জানান, তাদেরও ওই তারিখে আগাম বুকিং রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে মূলত সরকারি ছুটি কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৫ জুন অফিস আদালত সচল হবে। ৭ জুন থেকে কোরবানি শুরু হবে। যা চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এ জন্য ১০-১১ জুন এই দুইদিন মূলত বিনোদন, ভ্রমণের মুখ্য সময়।
এই পিক টাইমে কুয়াকাটায় লাখো পর্যটকের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ। ১২ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকার কথা বললেন অধিকাংশরা। তবে আধুনিক সেবা সংবলিত ও তারকা মানের হোটেলগুলোতে এখনও গেস্ট রয়েছে। তাদের ৯-১০-১১ জুনে এখনই শতভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
এছাড়াও পর্যটকের ভিড়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কিংবা অশোভন আচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। বাসে আসা পর্যটককে নির্দিষ্ট হোটেলে নেওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থার কথাও জানালেন একাধিক হোটেল কর্তৃপক্ষ।
হোটেল রাজমহলের ম্যানেজার জুয়েল ফরাজি বলে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইতোমধ্যে মুঠোফোনে ভালোই সাড়া পাচ্ছি। টানা ১০ দিনের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হবে। আশা করছি পেছনের লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারব। এ সময় তিনি হোটেলে রাজমহলে ১০% ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা রয়েছেও।
হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০ দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। মূলত ৯ জুন থেকে কুয়াকাটায় ১১ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়ের সম্ভাবনা থাকছে। পর্যটক বরণে কুয়াকাটার ছোট-বড়-মাঝারি আধুনিক ও তারকা মানের অন্তত ২৩০টি হোটেল-মোটেল রিসোর্ট এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, ইতোমধ্যেই পর্যটক বরণে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন এখানে আসা পর্যটকের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সচেষ্ট রয়েছেন।
ঈদ পরবর্তী আগত পর্যটক-দর্শনার্থীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি তিনটি স্পটে বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক তাপস চন্দ্র রায়।
মহিপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, পর্যটকের নিরাপত্তা বিধানে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা লাখো পর্যটকের সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কুয়াকাটা দর্শনীয় স্পটগুলোতে আলাদা আলাদা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা সর্বদা প্রস্তুত থাকবে টুরিস্ট পুলিশ।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পর্যটকের সেবা নিশ্চিতে সকল ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০১
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
পটুয়াখালীতে বেড়েছে অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত ও বায়ুবাহিত রোগ হামের প্রকোপ। জেলা সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য মতে, ২৯ মার্চ পর্যন্ত ৩১ জন রোগীর নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। এসব রোগী জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শুধু শিশুরাই নয়, হামের লক্ষণ নিয়ে প্রাপ্তবয়স্করাও হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ১২ জন শিশু। শিশু ওয়ার্ডে অন্য রোগীদের চিকিৎসা চলমান থাকায় ডায়েরিয়া ওয়ার্ডের পাশের দুটি ওয়ার্ডে আইসোলেশন পদ্ধতিতে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, চলতি মাসে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ জন হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে এবং ২ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক। তারা হলেন— আকিবুল ইসলাম (৩০) এবং রুহুল আমিন (৪০)। তবে লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হওয়া রোগীদের বেশিরভাগই শিশু।
আক্রান্ত শিশুদের পরিবারের ভাষ্যমতে, হামে আক্রান্তদের শুরুতে তীব্র জ্বর হয়। এরপর ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে লাল দাগ দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে পাতলা পায়খানাও দেখা যাচ্ছে।
হামের লক্ষণ নিয়ে ৯ মাস ১০ দিন বয়সী শিশু আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন তার মা রুবি আক্তার। তিনি বলেন, ওর টাইফয়েড নিউমোনিয়া ছিল। পরবর্তীতে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করি।
ওখানকার কিছু শিশুর এই রোগ ছিল। হাসপাতাল থেকে নাম কাটাইয়া নিয়া যাই এরপর আমার ছেলেরও এই রোগ দেখা দিয়েছি। তাই আবার হাসপাতালে নিয়ে আসছি। গত ৩ দিন ধরে এখানে ভর্তি আছি।
৯ মাস ১৫ দিন বয়সী আরেক শিশু তানজিম হোসেনের মা শিলা আক্তার বলেন, প্রথমে ওর গায়ে জ্বর আসছে। তারপর পাতলা পায়খানা শুরু হইছে। পরে গায়ে র্যাশ র্যাশ উঠে গেছে। এরপরে এখানে নিয়া আসছি।কিন্তু এখানে জায়গা সঙ্কটে একটি বেডে ২-৩ জনকেও চিকিৎসা দিচ্ছে।
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ওয়াহিদ শামীম বলেন, এটি সিজনাল রোগ। তবে এবারে একটু হাম আক্রান্ত বেশী হচ্ছে। আমাদের বেড সংখ্যা কম। তাই বর্তমানে হামের চিকিৎসা দেওয়া আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। শিশু ওয়ার্ডে নরমাল ভাবেই আমাদের প্রায় ১৫০ এর বেশী রোগী আছে। আমরা যথাযথভাবে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যথাযথভাবে হাম প্রতিরোধী টিকা না নেওয়াই সংক্রমণ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। পটুয়াখালীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, এখন পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি মোট ৩১ জনের নমুনা ল্যাব টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠিয়েছি।
এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৪ জনের রিপোর্ট আমরা পেয়েছি। এদের মধ্যে ২ জনের পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে, কোনো মৃত্যু নেই। পটুয়াখালীতে এখন পর্যন্ত তেমন প্রাদুর্ভাব নেই।আল্লাহ যদি রহম করে তেমন কোনো সমস্যা হবেনা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের চিকিৎসায় আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদকে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব মোঃ সালাহ্ উদ্দিন রিপন।
রবিবার (২৯ মার্চ) বিকেল ৩টায় লেবুখালী এলাকার একটি হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, “খবর পটুয়াখালী” নামের একটি অনলাইন পোর্টালে গত ২৮ মার্চ প্রকাশিত “চাঁদাবাজির অভিযোগে আটককৃতদের ছাড়াতে দুমকি থানায় বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রিপন” শিরোনামের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
লিখিত বক্তব্যে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র রাজনীতি থেকে বিএনপির যুব রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং রাজনৈতিক কারণে একাধিকবার কারাবরণও করেছেন। রাজনৈতিকভাবে তাকে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি জানান, প্রায় এক মাস আগে লেবুখালী এলাকায় একটি ঘটনার সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট পোর্টালের এক প্রতিবেদকের সঙ্গে তার ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার জের ধরেই তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে দুমকি থানায় দায়ের করা একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দুইজনকে আটক করে। আটককৃতদের মধ্যে তার ভাতিজা শাহীন শরীফও ছিলেন। খবর পেয়ে তিনি থানায় গিয়ে অভিযোগকারী মনির মোল্লার কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
রিপনের দাবি, তিনি জানতে পারেন তার ভাতিজা মারামারির ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিল এবং এ বিষয়ে থানায় মামলা রয়েছে। পরবর্তীতে ভাতিজার সঙ্গে দেখা করে তিনি সেখান থেকে চলে আসেন। মামলাধীন কোনো আসামিকে ছাড়িয়ে আনার বিষয়ে তিনি কোনো ধরনের তদবির করেননি বলেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন।
এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ঘটনার সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করে সাংবাদিকদের প্রতি সঠিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার মাধ্যমেই সত্য-মিথ্যার পার্থক্য জনগণের সামনে উঠে আসে। শেষে তিনি প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে তা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৪
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী কয়েকটি লঞ্চে অভিযান চালিয়ে ফ্লোরে পাতা শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে ঘাটে নোঙর করা এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭, এমভি পূবালীসহ মোট পাঁচটি দোতলা লঞ্চে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল আশরাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত এ অভিযানে রোভার স্কাউটস ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
অভিযান চলাকালে লঞ্চগুলোর ফ্লোরে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের উদ্দেশ্যে বিছানো শতাধিক তোশক ও চাদর জব্দ করা হয়। পরে জব্দকৃত এসব তোশক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকার অসহায় ও দুস্থ নারী-পুরুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, লঞ্চের কিছু কর্মচারী নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে তোশক ও চাদরের নামে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, এমনকি কখনও এক হাজার টাকারও বেশি আদায় করেন। বিশেষ করে ঈদ মৌসুমে এই ভোগান্তি বেড়ে যায়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটসের কোষাধ্যক্ষ মো. আব্দুল কাইয়ুমসহ রোভার স্কাউটসের সদস্যরা।
বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার বলেন, নিয়মিত মাইকিংয়ের মাধ্যমে যাত্রীদের সচেতন করা হলেও কিছু অসাধু লস্কর ও কর্মচারী নিজেদের ব্যবহারের তোশক-চাদর ভাড়া দিয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছিল। তাই এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬