
০৬ জুন, ২০২৫ ১৭:২৩
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সাগর কন্যা কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। এবার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো প্রায় বুকিং হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আবহাওয়া ঠিক থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নামবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ হোটেলে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ কক্ষের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। তবে ১০-১১ জুন পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা জানালেন অনেকেই। এ দুই দিনের জন্য আগাম বুকিং পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের ১০-১১ জুনে অলরেডি ৪০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
হোটেল তাজওয়ার কর্তৃপক্ষ জানান, তাদেরও ওই তারিখে আগাম বুকিং রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে মূলত সরকারি ছুটি কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৫ জুন অফিস আদালত সচল হবে। ৭ জুন থেকে কোরবানি শুরু হবে। যা চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এ জন্য ১০-১১ জুন এই দুইদিন মূলত বিনোদন, ভ্রমণের মুখ্য সময়।
এই পিক টাইমে কুয়াকাটায় লাখো পর্যটকের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ। ১২ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকার কথা বললেন অধিকাংশরা। তবে আধুনিক সেবা সংবলিত ও তারকা মানের হোটেলগুলোতে এখনও গেস্ট রয়েছে। তাদের ৯-১০-১১ জুনে এখনই শতভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
এছাড়াও পর্যটকের ভিড়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কিংবা অশোভন আচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। বাসে আসা পর্যটককে নির্দিষ্ট হোটেলে নেওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থার কথাও জানালেন একাধিক হোটেল কর্তৃপক্ষ।
হোটেল রাজমহলের ম্যানেজার জুয়েল ফরাজি বলে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইতোমধ্যে মুঠোফোনে ভালোই সাড়া পাচ্ছি। টানা ১০ দিনের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হবে। আশা করছি পেছনের লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারব। এ সময় তিনি হোটেলে রাজমহলে ১০% ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা রয়েছেও।
হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০ দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। মূলত ৯ জুন থেকে কুয়াকাটায় ১১ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়ের সম্ভাবনা থাকছে। পর্যটক বরণে কুয়াকাটার ছোট-বড়-মাঝারি আধুনিক ও তারকা মানের অন্তত ২৩০টি হোটেল-মোটেল রিসোর্ট এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, ইতোমধ্যেই পর্যটক বরণে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন এখানে আসা পর্যটকের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সচেষ্ট রয়েছেন।
ঈদ পরবর্তী আগত পর্যটক-দর্শনার্থীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি তিনটি স্পটে বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক তাপস চন্দ্র রায়।
মহিপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, পর্যটকের নিরাপত্তা বিধানে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা লাখো পর্যটকের সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কুয়াকাটা দর্শনীয় স্পটগুলোতে আলাদা আলাদা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা সর্বদা প্রস্তুত থাকবে টুরিস্ট পুলিশ।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পর্যটকের সেবা নিশ্চিতে সকল ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহার টানা ১০ দিনের ছুটিতে পর্যটক বরণে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন সাগর কন্যা কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ। এবার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের জনপ্রিয় পর্যটন স্পট কুয়াকাটার হোটেল-মোটেল ও রিসোর্টগুলো প্রায় বুকিং হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, আবহাওয়া ঠিক থাকলে কুয়াকাটায় পর্যটকের ঢল নামবে। ইতোমধ্যে অধিকাংশ হোটেলে শতকরা ২৫ থেকে ৩০ ভাগ কক্ষের আগাম বুকিং হয়ে গেছে। তবে ১০-১১ জুন পর্যটকে পরিপূর্ণ হয়ে যাওয়ার কথা জানালেন অনেকেই। এ দুই দিনের জন্য আগাম বুকিং পাওয়া যাচ্ছে। হোটেল মিয়াদ ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃপক্ষ জানান, তাদের ১০-১১ জুনে অলরেডি ৪০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
হোটেল তাজওয়ার কর্তৃপক্ষ জানান, তাদেরও ওই তারিখে আগাম বুকিং রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) থেকে মূলত সরকারি ছুটি কার্যকর হয়েছে। আগামী ১৫ জুন অফিস আদালত সচল হবে। ৭ জুন থেকে কোরবানি শুরু হবে। যা চলবে ৯ জুন পর্যন্ত। এ জন্য ১০-১১ জুন এই দুইদিন মূলত বিনোদন, ভ্রমণের মুখ্য সময়।
এই পিক টাইমে কুয়াকাটায় লাখো পর্যটকের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানালেন কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি ইব্রাহিম ওয়াহিদ। ১২ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি থাকার কথা বললেন অধিকাংশরা। তবে আধুনিক সেবা সংবলিত ও তারকা মানের হোটেলগুলোতে এখনও গেস্ট রয়েছে। তাদের ৯-১০-১১ জুনে এখনই শতভাগ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে।
এছাড়াও পর্যটকের ভিড়ে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ যানবাহনের অতিরিক্ত ভাড়া নিয়ন্ত্রণে কিংবা অশোভন আচরণ বন্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি তুলেছেন কেউ কেউ। বাসে আসা পর্যটককে নির্দিষ্ট হোটেলে নেওয়ার অসুস্থ প্রতিযোগিতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থার কথাও জানালেন একাধিক হোটেল কর্তৃপক্ষ।
হোটেল রাজমহলের ম্যানেজার জুয়েল ফরাজি বলে, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ইতোমধ্যে মুঠোফোনে ভালোই সাড়া পাচ্ছি। টানা ১০ দিনের ছুটিতে রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক হবে। আশা করছি পেছনের লোকসান পুষিয়ে উঠতে পারব। এ সময় তিনি হোটেলে রাজমহলে ১০% ডিসকাউন্ট এর ব্যবস্থা রয়েছেও।
হোটেল খান প্যালেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাসেল খান বলেন, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১০ দিনের সরকারি ছুটি রয়েছে। মূলত ৯ জুন থেকে কুয়াকাটায় ১১ জুন পর্যন্ত পর্যটকের উপচেপড়া ভিড়ের সম্ভাবনা থাকছে। পর্যটক বরণে কুয়াকাটার ছোট-বড়-মাঝারি আধুনিক ও তারকা মানের অন্তত ২৩০টি হোটেল-মোটেল রিসোর্ট এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এমএ মোতালেব শরীফ বলেন, ইতোমধ্যেই পর্যটক বরণে সকল ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের লোকজন এখানে আসা পর্যটকের সর্বোচ্চ সেবা প্রদানে সচেষ্ট রয়েছেন।
ঈদ পরবর্তী আগত পর্যটক-দর্শনার্থীর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিতে কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ সকল ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি তিনটি স্পটে বিশেষ প্রহরার ব্যবস্থা থাকবে। এ তথ্য নিশ্চিত করেন ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের পরিদর্শক তাপস চন্দ্র রায়।
মহিপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, পর্যটকের নিরাপত্তা বিধানে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসা পর্যটকরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হয় সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ সোচ্চার।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা জোনের সহকারী পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, পবিত্র ঈদুল আজহার লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে কুয়াকাটা লাখো পর্যটকের সমাগম লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আগত পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তা ইতোমধ্যেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। কুয়াকাটা দর্শনীয় স্পটগুলোতে আলাদা আলাদা সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হবে। পর্যটকদের নিরাপত্তা সর্বদা প্রস্তুত থাকবে টুরিস্ট পুলিশ।
কুয়াকাটা বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটির সদস্য সচিব ও কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, পর্যটকের সেবা নিশ্চিতে সকল ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২২
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন স্পিকারকে শপথ পড়াবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যদের নিয়ে আজ বুধবার (১১ মার্চ) বৈঠক করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। আগামীকাল সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন আলতাফ হোসেন চৌধুরী। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। এ সময় রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন স্পিকারকে শপথ পড়াবেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এমন তথ্য জানা গেছে।
সরকারি দল বিএনপির সংসদ সদস্যদের নিয়ে আজ বুধবার (১১ মার্চ) বৈঠক করেছেন দলীয় চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বেলা ১১টার দিকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের পশ্চিম ব্লকে এ বৈঠক হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বৈঠকে নতুন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্ধারণ ছাড়াও বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়নি। আগামীকাল সংসদ অধিবেশনে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শুরু হচ্ছে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গ্রাম পুলিশ নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৯ নম্বর ধুলাসার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিমের টাকা লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে চেয়ারম্যানকে টাকার বান্ডিল নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়। এ নিয়ে জনমনে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিও দেখা যায়, নিজ বাসভবনে খালি গায়ে লুঙ্গি পরিহিত অবস্থায় বসে আছেন চেয়ারম্যান হাফেজ আব্দুর রহিম। তার সামনে টাকার বান্ডিল নিয়ে কয়েকজন লোক বসে আছে।
টাকা গ্রহণের একপর্যায়ে তাকে বলতে শোনা যায়, নিয়োগ বোর্ড তিনি একাই নিয়ন্ত্রণ করছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ওসি নাম জড়িয়েও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেন তিনি। এমনকি ইউএনও অফিসের এক পিয়নের সঙ্গে যোগসাজশ থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যায় তার কথায়।
স্থানীয়দের দাবি, চারজন গ্রাম পুলিশ নিয়োগের বিপরীতে একেকজন প্রার্থীর কাছ থেকে ৫ থেকে ৬ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভিডিওতে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী তামিমের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার বিষয়টি ফুটে উঠলেও লেনদেনের পরিমাণ নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, ‘স্বচ্ছতার বুলি আওড়ালেও পর্দার আড়ালে লাখ লাখ টাকার খেলা চলেছে, ওই ভিডিও তার জীবন্ত প্রমাণ। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম গণমাধ্যমকে বলেন, আমাকে ফাঁসাতে টাকাটা একজন গ্রাম পুলিশের চাকরিপ্রত্যাশী রেখে গেছেন। আমি টাকাটা স্থানীয় একজনের কাছে জামানত রেখেছিলাম। তবে নিয়োগ বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
মহিপুর থানার ওসি মো. মহব্বত খান দাবি করেন, পরীক্ষার দিন তিনি পটুয়াখালীতে মিটিংয়ে ছিলেন। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাউছার হামিদ জানান, নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ হয়েছে। ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি তার জানা নেই। তবে ভিডিওর বিষয়টি তদন্ত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।
বর্তমানে উপজেলাজুড়ে চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ফেসবুকের নিউজফিড সর্বত্রই ওই ভিডিও নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে।
এলাকাবাসীর দাবি, শুধু দায়সারা তদন্ত কিংবা বক্তব্য নয় বরং উচ্চতর তদন্তের মাধ্যমে পর্দার আড়ালের সত্য বের করে দোষীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২২:০১
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় রুবিনা আক্তার নামের এক গৃহবধূকে মুখ বেঁধে খালের পানিতে ডুবিয়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ৯টায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এর আগে ভোরে উপজেলার চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী রুবিনা আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আমার স্বামীর সঙ্গে শ্বশুর শহীদ হাওলাদারসহ ভাসুর, ননদ, দেবর এবং চাচা শ্বশুরের বিরোধ চলে আসছিল। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যায় তার চাচা শ্বশুর মনির আমার স্বামী বাদলকে হত্যা করার হুমকি দেয়।
তিনি আরও বলেন, এছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে স্বামীর সঙ্গে আমাকেও দোষারোপ করে তারা। আজ ভোরে সেহরি ও নামাজের জন্য অজু করতে ঘরের বাইরে বের হই। এ সময় পেছন থেকে তাকে ৪/৫ জন মিলে মুখ বেঁধে জোর করে তুলে নিয়ে খালের মধ্যে ফেলে দেয় এবং ডুবিয়ে মারার চেষ্টা করে। এতে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে।
ভুক্তভোগীর স্বামী বাদল হাওলাদারের অভিযোগ, আমার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ কাজ করেছে আমার পরিবার। বর্তমানে স্ত্রীকে বরিশালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে এসেছি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শ্বশুর শহীদ হাওলাদার কালবেলাকে বলেন, আমার সব জমি লিখে দিয়েছি তাদের। কিন্তু আমার থাকার জায়গা থেকে তারা আামকে সরাতে মিথ্যা নাটক সাজানো হয়েছে। এ হত্যাচেষ্টার বিষয়টি আমি জানি না।
কলাপাড়া থানার ওসি রবিউল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.