সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন নাবিলা নুসরাত (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসক। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাবিলা নুসরাত বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা চিকিৎসক ডা. মাইনুল ইসলাম শুভর স্ত্রী। তিনি ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে প্যাথলজি বিষয়ে এমডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য অধ্যয়নরত ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ঢাকার আদাবর থেকে স্বামী ও দুই সহকর্মীর সঙ্গে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসেন নাবিলা। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাঁরা। শনিবার বিকেলে তাঁরা মিশ্রিপাড়া সীমা বৌদ্ধবিহার ঘুরতে যান।
সন্ধ্যার পর ইজিবাইকে করে কুয়াকাটায় ফেরার পথে বটতলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে যানটি সড়কের পাশে পড়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে নাবিলা গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইলিয়াস তালুকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটায় অবকাশযাপনে গিয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আনন্দঘন ভ্রমণ মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে এক পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতিতে।

০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ১৪:২৬
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছে একটি সাংবাদিক পরিবার। সরকারি জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার ২ নম্বর লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল সিকদারের পরিবারের অভিযোগ, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ডীয় হালটের প্রায় ২৯ শতক জমি পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ হালটটি দীর্ঘদিন ধরে কার্তিকপাশা ও আঠারগাছিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজের বিষয়টি জানার পর ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই দেয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিক কামাল সিকদার পটুয়াখালীতে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে দুমকি থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। কামাল সিকদারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান।
কামাল সিকদার বলেন, ‘সরকারি হালট দখল করে দেয়াল নির্মাণ করায় আমাদের পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা চাই না। সরকারি জমি উদ্ধার করে মানুষের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার ও তাঁর ভাই আবু সালেহ খোকন দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থানের অংশ। কবরস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেখানে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাসজমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তাঁরা।
এদিকে, জমিটির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ড, মৌজা নকশা ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে জমিটির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি হালট দখলের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দখলমুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সরকারি রেকর্ডে হালট হিসেবে থাকা জমির সীমানা কীভাবে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে যাচ্ছে, আর ভূমি কর্মকর্তার আপত্তির পরও নির্মাণকাজ চলার অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।
পটুয়াখালীর দুমকিতে সরকারি রেকর্ডীয় হালট দখল করে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল জব্বার সিকদার এবং তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এতে দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে অবরুদ্ধ অবস্থায় পড়েছে একটি সাংবাদিক পরিবার। সরকারি জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার ২ নম্বর লেবুখালী ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আঠারগাছিয়া গ্রামের সিকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক কামাল সিকদারের পরিবারের অভিযোগ, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ডীয় হালটের প্রায় ২৯ শতক জমি পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। অথচ হালটটি দীর্ঘদিন ধরে কার্তিকপাশা ও আঠারগাছিয়া গ্রামের মানুষের চলাচলের পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, সরকারি জমিতে নির্মাণকাজের বিষয়টি জানার পর ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা সেলিম উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে কাজ বন্ধ রাখার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই দেয়াল নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিক কামাল সিকদার পটুয়াখালীতে অবস্থান করছিলেন। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে খবর পেয়ে তিনি জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে দুমকি থানার এসআই শহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। কামাল সিকদারের ভাষ্য অনুযায়ী, পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে গিয়ে দেয়াল নির্মাণের কারণে চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি দেখতে পান।
কামাল সিকদার বলেন, ‘সরকারি হালট দখল করে দেয়াল নির্মাণ করায় আমাদের পরিবারের স্বাভাবিক চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা চাই না। সরকারি জমি উদ্ধার করে মানুষের চলাচলের পথ উন্মুক্ত রাখার দাবি জানাচ্ছি।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আবদুল জব্বার সিকদার ও তাঁর ভাই আবু সালেহ খোকন দাবি করেন, বিরোধপূর্ণ জায়গাটি তাঁদের বাপ-দাদার আমলের পারিবারিক কবরস্থানের অংশ। কবরস্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সেখানে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করা হচ্ছে। জায়গাটি সরকারি হালট কিংবা খাসজমি হয়ে থাকলে ভূমি প্রশাসন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে বলেও জানান তাঁরা।
এদিকে, জমিটির মালিকানা ও সীমানা নিয়ে দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি দাবির মধ্যে প্রকৃত অবস্থা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তাঁদের মতে, আঠারগাছিয়া মৌজার ১৫০২ নম্বর প্লটের সরকারি রেকর্ড, মৌজা নকশা ও সরেজমিন জরিপের মাধ্যমে জমিটির প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করা জরুরি।
স্থানীয়দের দাবি, সরকারি হালট দখলের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে দখলমুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিক পরিবারসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের চলাচলের পথ নিশ্চিত করতে ভূমি প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ প্রয়োজন।
সরকারি রেকর্ডে হালট হিসেবে থাকা জমির সীমানা কীভাবে পারিবারিক কবরস্থানের সীমানার মধ্যে যাচ্ছে, আর ভূমি কর্মকর্তার আপত্তির পরও নির্মাণকাজ চলার অভিযোগের সত্যতা কতটুকু—তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় চারটি বিপন্ন পাহাড়ি বন্য বানর উদ্ধার করেছে পরিবেশবাদী সংগঠন এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালী। এ সময় বানর দিয়ে খেলা দেখানোর অভিযোগে চার বাজিকরকে আটক করা হয়। পরে ভবিষ্যতে বন্যপ্রাণী আটক বা লালন-পালন করবেন না—এমন লিখিত মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেয় বন বিভাগ।
শনিবার(৩১ অক্টোবর) সকালে কলাপাড়া শহরের ব্রিজসংলগ্ন সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বন বিভাগের সহায়তায় এ অভিযান চালানো হয়।
উদ্ধার করা বানরগুলোর আনুমানিক বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। আটক ব্যক্তিরা হলেন চট্টগ্রামের মিরসরাই এলাকার বাসিন্দা মো. মোস্তাক, মো. লোকমান, মো. লিটন মীর ও মো. কামরুল।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এসব বন্য বানর দিয়ে খেলা দেখিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন তাঁরা।
এনিমেল লাভারস অব পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়োজিদ মুন্সী বলেন, উদ্ধার করা বানরগুলো বর্তমানে নিরাপদ হেফাজতে রাখা হয়েছে। এগুলোকে সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া কোনো বন্যপ্রাণী আটক রাখা, কেনাবেচা কিংবা পরিবহন করা দণ্ডনীয় অপরাধ।
বন বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে উদ্ধার করা বানরগুলোকে উপযুক্ত সংরক্ষিত বনাঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।

৩১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৩৭
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মজিদবাড়িয়া কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন মাত্র একজন শিক্ষার্থী। তবে তিনিও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। মানবিক বিভাগের ওই শিক্ষার্থী এক বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটিতে আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও একজন শিক্ষার্থীরও পাস করতে না পারার ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির পাঠদানের মান ও শিক্ষার পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কলেজের অধ্যক্ষ ফারুক ইকবাল জানান, ২০০২ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার দুই দশকের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি প্রতিষ্ঠানটি। বর্তমানে আটজন শিক্ষক থাকলেও নেই নিজস্ব কোনো পাকা একাডেমিক ভবন। টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান।
অধ্যক্ষের দাবি, এমপিওভুক্ত না হওয়া এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধার অভাবে ভালো মানের শিক্ষার্থীরা এ কলেজে ভর্তি হতে আগ্রহী হয় না। ফলে দিন দিন কমছে শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছর মানবিক বিভাগ থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। রাজু আহমেদ নামের ওই শিক্ষার্থীও একটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন।
কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও শিক্ষার্থীসংকট কাটেনি। আটজন শিক্ষক কর্মরত থাকা সত্ত্বেও একমাত্র পরীক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষা কার্যক্রমের মান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:২৬
সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটায় বেড়াতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন নাবিলা নুসরাত (৩২) নামে এক নারী চিকিৎসক। শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের বটতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত নাবিলা নুসরাত বরিশাল সদর উপজেলার বাসিন্দা চিকিৎসক ডা. মাইনুল ইসলাম শুভর স্ত্রী। তিনি ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজে প্যাথলজি বিষয়ে এমডি ডিগ্রি অর্জনের জন্য অধ্যয়নরত ছিলেন বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার ঢাকার আদাবর থেকে স্বামী ও দুই সহকর্মীর সঙ্গে কুয়াকাটায় বেড়াতে আসেন নাবিলা। সেখানে একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন তাঁরা। শনিবার বিকেলে তাঁরা মিশ্রিপাড়া সীমা বৌদ্ধবিহার ঘুরতে যান।
সন্ধ্যার পর ইজিবাইকে করে কুয়াকাটায় ফেরার পথে বটতলা এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে যানটি সড়কের পাশে পড়ে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খায়। এতে নাবিলা গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে কুয়াকাটা হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলাপাড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইলিয়াস তালুকদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটায় অবকাশযাপনে গিয়ে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আনন্দঘন ভ্রমণ মুহূর্তেই পরিণত হয়েছে এক পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতিতে।
০৮ নভেম্বর, ২০২৬ ০০:২৬
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৫৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:৩৩
০৭ নভেম্বর, ২০২৬ ২১:৫৮