Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ জুন, ২০২৫ ১৬:৪৭
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গরুর লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি) দেখা দিয়েছে। গত তিন মাসে এ রোগে শতাধিক গরু মারা গেছে। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক গরুকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কোরবানির ঈদের আগে গরুর অসুস্থতা নিয়ে চিন্তিত কৃষক ও খামারিরা। এতে মহাবিপদে পড়েছেন তারা।
প্রাণী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গরুর লাম্পি স্কিন একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এখন পর্যন্ত এই রোগের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। এই রোগে আক্রান্ত হলে গরুর শরীরে প্রথমে জ্বর আসে। গরুর খাবারের রুচি কমে যায়।
জ্বর বেশি হলে নাক-মুখ দিয়ে লালা বের হয়, পা ফুলে যায়। গরুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় গুটি গুটি ক্ষত হয় এবং পচন ধরে। সে সঙ্গে চামড়া থেকে লোম উঠে যায়। এই রোগে আক্রান্ত পশু সুস্থ হতে প্রায় এক মাস সময় লাগে। গরুর চেয়ে বাছুর আক্রান্ত হলে দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই বাছুর গরুর মৃত্যুঝুঁকিও বেশি থাকে।
সরকারি সহায়তা ও প্রতিষেধক না থাকায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন উপজেলার খামারিসহ প্রান্তিক কৃষকরা। এ ছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া লাম্পি স্কিনের চিকিৎসাসেবা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন মাস ধরে উপজেলায় লাম্পি স্কিন প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গরুর চিকিৎসা করাতে আসা টিয়াখালীর ইটবাড়িয়া গ্রামের শাহানারা বেগম জানান, তার গোয়ালে অন্তত ১৮টি গরু আছে।
এর মধ্যে তিনটি আক্রান্ত হয়েছে। একটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজে গত সোমবার হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, এই গরুটির কষ্ট দেখে গত সাত দিনে আমি রাতে ঘুমাতে পারছি না। মানুষ হলে হয়তো মুখে বলে বোঝাতে পারত। সরকারিভাবে ওষুধ সরবরাহ না পেয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন এই খামারি।
কুয়াকাটা থেকে আসা রাকিবুল একটি বাছুর গরুর মাথায় পানি ঢালছিলেন। তিনি জানান, প্রচণ্ড জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে তার গরুর শরীর। ১৯টি গরুর মধ্যে বেশ কয়েকটি আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে নিয়ে আসা বাছুরটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে মাথায় পানি দিয়ে শরীর ঠান্ডা করতে ব্যস্ত তিনি। তার গোয়ালে আক্রান্ত পশুগুলোর একেকটির ওষুধ কিনতে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
নীলগঞ্জ থেকে দুটি গরু নিয়ে আসা মুসা হাওলাদার বলেন, এখানে ডাক্তাররা চিকিৎসাসেবায় কোনো ঘাটতি রাখছেন না। তবে ৩০০ টাকা করে প্রতি ডোজ ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে। তাই সরকারিভাবে এ রোগের ওষুধ সরবরাহের দাবি করছি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ বিল্লাহ বলেন, দেশে গবাদিপশুর জন্য এই লাম্পি ডিজিজ একটি প্রাণঘাতী সংক্রমক ভাইরাস, যা মশা, মাছির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। চলমান পরিস্থিতিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের বিশ্রামের সময়ও থাকছে না। চাষিরা তাদের যত্নে লালিত পশু নিয়ে এসে অনেক সময় কান্নাও জুড়ে দেন। প্রতিদিন অর্ধশতাধিক পশুর চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
মারুফ বিল্লাহ বলেন, এই রোগের ভ্যাকসিন বা ওষুধ দেশে উৎপাদন হচ্ছে না। তাই চাষিদের বাড়তি মূল্যে কিনে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া এই রোগে আক্রান্ত শতকরা ১২ শতাংশ গরুর মৃত্যু হয়। যেহেতু এটি সংক্রামক জাতীয় একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস এবং স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তাই খামারিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গরুর লাম্পি স্কিন রোগ (এলএসডি) দেখা দিয়েছে। গত তিন মাসে এ রোগে শতাধিক গরু মারা গেছে। প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক গরুকে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। কোরবানির ঈদের আগে গরুর অসুস্থতা নিয়ে চিন্তিত কৃষক ও খামারিরা। এতে মহাবিপদে পড়েছেন তারা।
প্রাণী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গরুর লাম্পি স্কিন একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এখন পর্যন্ত এই রোগের কোনো প্রতিষেধক আবিষ্কৃত হয়নি। এই রোগে আক্রান্ত হলে গরুর শরীরে প্রথমে জ্বর আসে। গরুর খাবারের রুচি কমে যায়।
জ্বর বেশি হলে নাক-মুখ দিয়ে লালা বের হয়, পা ফুলে যায়। গরুর শরীরের বিভিন্ন স্থানে চামড়ায় গুটি গুটি ক্ষত হয় এবং পচন ধরে। সে সঙ্গে চামড়া থেকে লোম উঠে যায়। এই রোগে আক্রান্ত পশু সুস্থ হতে প্রায় এক মাস সময় লাগে। গরুর চেয়ে বাছুর আক্রান্ত হলে দিন দিন দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই বাছুর গরুর মৃত্যুঝুঁকিও বেশি থাকে।
সরকারি সহায়তা ও প্রতিষেধক না থাকায় দুশ্চিন্তায় রয়েছেন উপজেলার খামারিসহ প্রান্তিক কৃষকরা। এ ছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়া লাম্পি স্কিনের চিকিৎসাসেবা দিতেও হিমশিম খাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন মাস ধরে উপজেলায় লাম্পি স্কিন প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক গরুর মৃত্যু হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে গরুর চিকিৎসা করাতে আসা টিয়াখালীর ইটবাড়িয়া গ্রামের শাহানারা বেগম জানান, তার গোয়ালে অন্তত ১৮টি গরু আছে।
এর মধ্যে তিনটি আক্রান্ত হয়েছে। একটির অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় বৃষ্টিতে ভিজে গত সোমবার হাসপাতালে নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, এই গরুটির কষ্ট দেখে গত সাত দিনে আমি রাতে ঘুমাতে পারছি না। মানুষ হলে হয়তো মুখে বলে বোঝাতে পারত। সরকারিভাবে ওষুধ সরবরাহ না পেয়ে হতাশার কথা জানিয়েছেন এই খামারি।
কুয়াকাটা থেকে আসা রাকিবুল একটি বাছুর গরুর মাথায় পানি ঢালছিলেন। তিনি জানান, প্রচণ্ড জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে তার গরুর শরীর। ১৯টি গরুর মধ্যে বেশ কয়েকটি আক্রান্ত হলেও হাসপাতালে নিয়ে আসা বাছুরটি দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শে মাথায় পানি দিয়ে শরীর ঠান্ডা করতে ব্যস্ত তিনি। তার গোয়ালে আক্রান্ত পশুগুলোর একেকটির ওষুধ কিনতে প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করতে হচ্ছে।
নীলগঞ্জ থেকে দুটি গরু নিয়ে আসা মুসা হাওলাদার বলেন, এখানে ডাক্তাররা চিকিৎসাসেবায় কোনো ঘাটতি রাখছেন না। তবে ৩০০ টাকা করে প্রতি ডোজ ওষুধ বাইরের দোকান থেকে কিনতে হচ্ছে। তাই সরকারিভাবে এ রোগের ওষুধ সরবরাহের দাবি করছি।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মারুফ বিল্লাহ বলেন, দেশে গবাদিপশুর জন্য এই লাম্পি ডিজিজ একটি প্রাণঘাতী সংক্রমক ভাইরাস, যা মশা, মাছির মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। চলমান পরিস্থিতিতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আমাদের বিশ্রামের সময়ও থাকছে না। চাষিরা তাদের যত্নে লালিত পশু নিয়ে এসে অনেক সময় কান্নাও জুড়ে দেন। প্রতিদিন অর্ধশতাধিক পশুর চিকিৎসা দিতে হচ্ছে।
মারুফ বিল্লাহ বলেন, এই রোগের ভ্যাকসিন বা ওষুধ দেশে উৎপাদন হচ্ছে না। তাই চাষিদের বাড়তি মূল্যে কিনে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। এ ছাড়া এই রোগে আক্রান্ত শতকরা ১২ শতাংশ গরুর মৃত্যু হয়। যেহেতু এটি সংক্রামক জাতীয় একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস এবং স্থায়ী চিকিৎসা নেই, তাই খামারিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৯
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৬
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫২
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বুধবারও থেমে থেমে মুষলধারে বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাস অব্যাহত রয়েছে। এতে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় উপজেলায় ১১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পায়রা সমুদ্রবন্দরে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত বহাল থাকায় কুয়াকাটা-সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর এখনও উত্তাল রয়েছে। তবে সাগরে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় বড় কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) কলাপাড়ার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের সলিমপুর, নবাবপুর, চাকামইয়া, ডালবুগঞ্জ ও বালিয়াতলী এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে বহু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বজ্রপাতে আটটি গরু মারা গেছে এবং শত শত গাছপালা উপড়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো বৃষ্টির মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় উপজেলা প্রশাসন দ্রুত ত্রাণ কার্যক্রম শুরু করেছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি হারানো চারটি অসহায় পরিবারকে দুই বান্ডিল করে ঢেউটিন ও এক প্যাকেট করে খাদ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া চাকামইয়ায় ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত একটি মাদ্রাসা মেরামতের জন্য এক বান্ডিল ঢেউটিন ও দুই প্যাকেট খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের সহযোগিতায় এই সহায়তা সামগ্রী বিতরণ করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাউছার হামিদ এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোকছেদুল আলম জানান, কালবৈশাখী ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কলাপাড়ার সব পরিবারকে পর্যায়ক্রমে সরকারি সহায়তার আওতায় আনা হবে।
বরিশাল টাইমস
বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়াকে কেন্দ্র করে পেট্রোল পাম্পে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার পৌর বাসটার্মিনাল এলাকায় লাবনী ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুর থেকে লাবনী ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেল বিতরণ করা হচ্ছিল। জ্বালানি তেলের জন্য প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, ট্রাক, মিনিট্রাক ও স্থানীয় কৃষকরা দীর্ঘক্ষণ লাইনে অপেক্ষা করছিলেন।
এ সময় এক ব্যক্তি পাম্প থেকে প্লাস্টিকের বোতলে জ্বালানি তেল নেওয়ার সময় লাইনে অপেক্ষমান লোকজন প্রতিবাদ করে। এক পর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সৃষ্টি হয় এবং লোকজন উত্তেজিত হয়ে ফিলিং স্টেশন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে বেশ কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং গাড়ির মালিকদের সঙ্গে মারামারি বেঁধে যায়। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলিশ ও আনসার সদস্যদের সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত করেন। তবে এ ঘটনায় কেউ গুরুতর আহত হয়নি।
মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন চৌধুরী ঢাকা পোস্টকে বলেন, গ্রাহকরাই ঝামেলা সৃষ্টি করেছে এবং কিছু মানুষ রাস্তার বিপরীত দিক থেকে ঢিল ছুড়েছে। আজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে ছিল।
ধুলাসার ইউপির ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হাওলাদার জানান, গতকাল বজ্রপাতে তার দুটি গাভীন গরুর মৃত্যু হয়েছে। বড় জাতের দুটি গরুর বাজারমূল্য প্রায় এক লাখ টাকা ছিল। তিনি এখন দুশ্চিন্তায় আছেন বলেও জানান এই কৃষক।
কলাপাড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মারুফ বিল্লাহ বলেন, ‘আমরা এখন পর্যন্ত ২৩ জন কৃষকের তালিকা পেয়েছি। তাদের ২৯টি গরু বজ্রপাতে মাঠে ও খামারে নিহত হয়েছে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে এর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক কৃষকের গরুর মৃত্যুর খবর পাচ্ছি, কিন্তু এখনো তাদের নাম পাইনি।’
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. কাউছার হামিদ বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক ব্যক্তিকে সরকারিভাবে নগদ অর্থ, খাদ্য সহায়তা ও ঢেউটিন প্রদান করা হবে। আমরা সঠিকভাবে তালিকা প্রণয়ন করছি।’
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর বাউফলে উফশী আউশ ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে সার ও বীজ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) বেলা সারে ১১টার দিকে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথী ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সালেহ আহমেদ।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের খরিপ-১ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ফসলের বৃদ্ধির লক্ষে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ডিএপি সার ১০ কেজি, এমওপি সার ১০ কেজি,উফশী ধানের বীজ ৫ কেজি করে মোট দুই হাজার চার শত কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে রাসায়নিক সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার কৃষি খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। সঠিক সময়ে উচ্চ ফলনশীল বীজ ও সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাউফল অঞ্চলে ধান উৎপাদন উল্লেখ যোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে।
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২৩:৪২
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:০৩
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:২৬
২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:১২