
১১ জুন, ২০২৫ ১৪:৩১
দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে হাসপাতালগুলোতে আবারও করোনা পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে প্রাথমিকভাবে এ পরীক্ষা সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে।
বুধবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক হালিমুর রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে যেসব মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, সেখানেই এই পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় কোম্পানিগুলো থেকে পরীক্ষার কিট সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশ থেকেও কিট আমদানির জন্য সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপোকে (সিএমএসডি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক হালিমুর রশীদ বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী ১০ দিনের মধ্যে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আবার চালু করা যাবে- তবে তা সীমিত পরিসরে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, যাদের করোনা উপসর্গ থাকবে, পরীক্ষা শুধু তাদের জন্যই চালু হবে। সংক্রমণের হার যদি আরও বাড়ে, তাহলে পরীক্ষার পরিধিও বাড়ানো হবে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, বরিশাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোয় পরীক্ষা চালু হবে। যেসব হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, শুধু সেখানেই শুরুতে এ সুবিধা মিলবে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যা অত্যন্ত উচ্চ শনাক্তের হার। তবে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। এরই মধ্যে ৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে এবং বিমানবন্দরসহ সব প্রবেশপথে হেলথ স্ক্রিনিং অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে আবারও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগাম সতর্কতা হিসেবেই করোনা পরীক্ষা চালুর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে হাসপাতালগুলোতে আবারও করোনা পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে প্রাথমিকভাবে এ পরীক্ষা সীমিত পরিসরে পরিচালিত হবে।
বুধবার (১১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক হালিমুর রশীদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে যেসব মেডিকেল কলেজ ও জেলা হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, সেখানেই এই পরীক্ষা শুরু হবে বলে জানা গেছে।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় কোম্পানিগুলো থেকে পরীক্ষার কিট সংগ্রহ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশ থেকেও কিট আমদানির জন্য সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপোকে (সিএমএসডি) নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক হালিমুর রশীদ বলেন, আমরা আশা করছি, আগামী ১০ দিনের মধ্যে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা আবার চালু করা যাবে- তবে তা সীমিত পরিসরে হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, যাদের করোনা উপসর্গ থাকবে, পরীক্ষা শুধু তাদের জন্যই চালু হবে। সংক্রমণের হার যদি আরও বাড়ে, তাহলে পরীক্ষার পরিধিও বাড়ানো হবে।
প্রাথমিকভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ, মুগদা জেনারেল হাসপাতাল, বরিশাল, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, রাজশাহী, খুলনা, সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় শহরের হাসপাতালগুলোয় পরীক্ষা চালু হবে। যেসব হাসপাতালে আরটি-পিসিআর ল্যাব রয়েছে, শুধু সেখানেই শুরুতে এ সুবিধা মিলবে।
মঙ্গলবার (১০ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০১ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, যা অত্যন্ত উচ্চ শনাক্তের হার। তবে ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত কারও মৃত্যু হয়নি। এরই মধ্যে ৯ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে এবং বিমানবন্দরসহ সব প্রবেশপথে হেলথ স্ক্রিনিং অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারা অব্যাহত থাকলে দেশে আবারও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগাম সতর্কতা হিসেবেই করোনা পরীক্ষা চালুর এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৯:১৯
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।
রমজান মাসকে সামনে রেখে সরকার প্রায় ১৮৬ কোটি টাকা ব্যয়ে এক কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল কিনবে বলে জানা গেছে।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাবের ভিত্তিতে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দেশের ২টি প্রতিষ্ঠান থেকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত সয়াবিন তেল প্যাকেজের ১০টি লটের ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮৫ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেড থেকে ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার। এতে ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯৫ পয়সা।
এছাড়া শবনম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড থেকে টিসিবির জন্য আরো ৫০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনা হবে । এতে মোট ব্যয় হবে ৯২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। প্রতি লিটারের দাম পড়বে ১৮৫ টাকা ৯০ পয়সা। সভায় সয়াবিন তেল ছাড়াও সার আমদানির অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.