
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪৮
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।
ছবি: সংগৃহীত
সাইবার হামলা চালিয়ে শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের কম্পিউটার ব্যবস্থা থেকে ২৫ লাখ ডলার হাতিয়ে নিয়েছে হ্যাকাররা। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সরকারি কর্মকর্তারা এ তথ্য জানিয়েছেন।
চুরি যাওয়া এই অর্থ অস্ট্রেলিয়ার একটি দ্বিপক্ষীয় ঋণ পরিশোধের অংশ ছিল। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এ অর্থ পরিশোধ করার কথা ছিল।
কর্মকর্তাদের ধারণা, গত জানুয়ারি মাসে হ্যাকাররা এই অর্থ হাতিয়ে নেয়। তবে বিষয়টি এত দিন জানাজানি হয়নি।
গত বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা সাংবাদিকদের বলেন, শ্রীলঙ্কা নির্ধারিত অর্থ পরিশোধের জন্য আগেই পাঠিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সাইবার অপরাধীরা মাঝপথে তা আটকে দিয়ে প্রকৃত গ্রাহকের বদলে অন্য ব্যাংক হিসাবে সরিয়ে নেয়।
হর্ষণা সুরিয়াপ্পেরুমা বলেন, এ ঘটনায় সরকারি ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্যালয়ের চার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি হ্যাকারদের শনাক্তে বিদেশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহায়তা চাওয়া হচ্ছে।
হ্যাকাররা ঠিক কীভাবে এই অর্থ চুরি করেছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে তদন্তকারীদের ধারণা, সার্বভৌম ঋণ পরিশোধ প্রক্রিয়ায় ই–মেইলভিত্তিক অর্থ পরিশোধের নির্দেশনায় কারসাজি করেছিল সাইবার অপরাধীরা।
নির্ধারিত সময়ে অর্থ না পেয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে অভিযোগ জানানোর পর বিষয়টি শ্রীলঙ্কার কর্মকর্তাদের নজরে আসে।
শ্রীলঙ্কার উপ-অর্থমন্ত্রী অনিল জয়ন্ত ফার্নান্দো বলেন, সাইবার অপরাধীরা ভারতকে পরিশোধের জন্য নির্ধারিত অর্থও হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। ব্যাংক হিসাবের তথ্যে গরমিল দেখে সন্দেহ তৈরি হলে নড়েচড়ে বসে কর্তৃপক্ষ। আর তখনই আগের চুরির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।
এই সাইবার হামলা শ্রীলঙ্কার জন্য নতুন এক ধাক্কা। চার বছর আগে দেশটি ভয়াবহ অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছিল। ওই সংকটে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শূন্য হয়ে পড়েছিল। সে সময় নিজেদের ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলারের বৈদেশিক ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছিল কলম্বো।
খাদ্য, জ্বালানি ও ওষুধের আমদানি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল সরকারবিরোধী তীব্র আন্দোলন। শেষমেশ ২০২২ সালের জুলাইয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষে।
কলম্বোয় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে অনিয়মের বিষয়ে ক্যানবেরা অবগত রয়েছে।
ম্যাথিউ ডাকওয়ার্থ বলেন, ‘শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করছে এবং অস্ট্রেলীয় কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় রাখছে। অস্ট্রেলিয়া এই তদন্তে সহায়তা করছে।’
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, চলতি বছরের শুরুর দিকেই সাইবার প্রতারণার বিষয়ে শ্রীলঙ্কানদের সতর্ক করে স্থানীয় পত্রিকায় সচেতনতামূলক বিজ্ঞাপন দিয়েছিল দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যেই খোদ অর্থ মন্ত্রণালয়েই এ চুরির ঘটনা ঘটল।
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪০
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩১
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৩
২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০২

২৪ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০২
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে যৌথ গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে অন্তত ২২ জন তালেবান জঙ্গি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে কেপি অঞ্চলে জঙ্গি হামলা বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তান।
সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানায়, খাইবার জেলায় পাকিস্তানি তালেবানের উপস্থিতির ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আইএসপিআরের দাবি, এসব জঙ্গি ভারত-সমর্থিত এবং তারা এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, এলাকায় অন্য কোনো ‘খারিজি’ (জঙ্গি) সদস্য থাকলে তাদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় জঙ্গিদের নির্বিচার গুলিতে ১০ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে এবং ভারত সীমান্ত পারের হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করছে। কাবুল ও নয়াদিল্লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সহিংসতা বাড়ানোরকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে কেপির বান্নু জেলায় পৃথক অভিযানে এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ দুই জঙ্গিকে হত্যা করে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।
বরিশাল টাইমস
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া (কেপি) প্রদেশে যৌথ গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে অন্তত ২২ জন তালেবান জঙ্গি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) এ তথ্য জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনী।
এ খবর দিয়েছে আরব নিউজ।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ের সহিংসতার প্রেক্ষাপটে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
২০২১ সালে আফগানিস্তানে তালেবান পুনরায় ক্ষমতায় ফেরার পর থেকে কেপি অঞ্চলে জঙ্গি হামলা বেড়েছে, যা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে পাকিস্তান।
সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) জানায়, খাইবার জেলায় পাকিস্তানি তালেবানের উপস্থিতির ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী ও পুলিশের সমন্বয়ে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
অভিযানে নিহত জঙ্গিদের কাছ থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে আইএসপিআরের দাবি, এসব জঙ্গি ভারত-সমর্থিত এবং তারা এলাকায় বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
এ বিষয়ে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানায়, এলাকায় অন্য কোনো ‘খারিজি’ (জঙ্গি) সদস্য থাকলে তাদের নির্মূলে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ সময় জঙ্গিদের নির্বিচার গুলিতে ১০ বছর বয়সী এক শিশু নিহত হয়েছে বলেও জানানো হয়।
পাকিস্তান বরাবরই অভিযোগ করে আসছে, আফগানিস্তান তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দিচ্ছে এবং ভারত সীমান্ত পারের হামলার জন্য জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে সহায়তা করছে। কাবুল ও নয়াদিল্লি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এদিকে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে সহিংসতা বাড়ানোরকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস ধরেই পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে চলতি সপ্তাহে কেপির বান্নু জেলায় পৃথক অভিযানে এক আত্মঘাতী হামলাকারীসহ দুই জঙ্গিকে হত্যা করে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী।
বরিশাল টাইমস

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০১
ইরান তার আকাশসীমা ও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর আংশিকভাবে পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে ট্রানজিট করতে পারবে। তবে এসব খুলে দিরেও একই দিন দেশটি নতুন করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এখন নির্ধারিত রুটে পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে। প্রযুক্তিগত ও পরিচালনগত প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা হবে।
যাত্রীসেবা পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দেশজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে—এমন আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ইসলামাবাদে আরেক দফা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে আকাশপথ আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে। সেন্টকম-এর তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরুর পর থেকে ২১টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে স্থায়ী চুক্তি না হলে পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।
ইরান তার আকাশসীমা ও বেশ কয়েকটি বিমানবন্দর আংশিকভাবে পুনরায় চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করে ট্রানজিট করতে পারবে। তবে এসব খুলে দিরেও একই দিন দেশটি নতুন করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোর থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে।
দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি-এর বরাতে বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থা জানায়, আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এখন নির্ধারিত রুটে পূর্বাঞ্চলীয় আকাশসীমা ব্যবহার করতে পারবে। প্রযুক্তিগত ও পরিচালনগত প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করে ধাপে ধাপে ফ্লাইট কার্যক্রম পুনরুদ্ধার করা হবে।
যাত্রীসেবা পুরোপুরি চালুর লক্ষ্যে সামরিক ও বেসামরিক কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে দেশজুড়ে বিমানবন্দরগুলোতে পর্যায়ক্রমে ফ্লাইট চালু করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত করেই এই প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর যৌথ হামলা চালায়। এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি রয়েছে—এমন আঞ্চলিক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়। পরে ৮ এপ্রিল পাকিস্তান-এর মধ্যস্থতায় দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা এখনো বহাল রয়েছে।
স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে সম্প্রতি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে এবং ইসলামাবাদে আরেক দফা বৈঠকের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে আকাশপথ আংশিকভাবে খুলে দেওয়া হলেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ এখনো বহাল রয়েছে। সেন্টকম-এর তথ্য অনুযায়ী, অবরোধ শুরুর পর থেকে ২১টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, কোনো শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত এই অবরোধ অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা। এর মধ্যে স্থায়ী চুক্তি না হলে পুনরায় সংঘাত শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে যুক্তরাষ্ট্র আবারও শক্তি প্রয়োগ করতে প্রস্তুত।

১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৪৭
হরমুজ প্রণালিতে নতুন ফি আদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত ফি’ আরোপ করা হবে না। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত খরচের জন্য নতুন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হতে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো ফি আরোপ করবে না। তবে পার্লামেন্ট বর্তমানে একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করছে। এ আইনে ‘প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করতে হলে ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক হবে। কোনো অবস্থাতেই শত্রুপক্ষের সামরিক জাহাজ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মালিকানায় থাকা জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজগুলো পূর্ব সমন্বয়ের ভিত্তিতে চলাচল করতে পারবে।
ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, প্রণালি পরিচালনা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ইরান মেনে নেবে না। এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের মাহমুদ নাবাভিয়ান নামের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এজন্য তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, ইরান এইমাত্র ঘোষণা করেছে যে, তাদের হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ধন্যবাদ!
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা করেছিলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির বাকি সময়টুকু বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই তেল পরিবহন পথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য খোলা থাকবে।
হরমুজ প্রণালিতে নতুন ফি আদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছে ইরান। দেশটি জানিয়েছে, প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘প্রচলিত ফি’ আরোপ করা হবে না। তবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত খরচের জন্য নতুন ধরনের ফি নির্ধারণ করা হতে পারে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটির মুখপাত্র ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, তেহরান প্রচলিত পদ্ধতিতে কোনো ফি আরোপ করবে না। তবে পার্লামেন্ট বর্তমানে একটি খসড়া আইন প্রস্তুত করছে। এ আইনে ‘প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ’ সংক্রান্ত ফি নির্ধারণ করার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
তিনি জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াত করতে হলে ইরানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করা বাধ্যতামূলক হবে। কোনো অবস্থাতেই শত্রুপক্ষের সামরিক জাহাজ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মালিকানায় থাকা জাহাজ এই প্রণালি দিয়ে যেতে পারবে না। তবে বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের জাহাজগুলো পূর্ব সমন্বয়ের ভিত্তিতে চলাচল করতে পারবে।
ইব্রাহিম রেজায়ি বলেন, প্রণালি পরিচালনা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা ইরান মেনে নেবে না। এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের মাহমুদ নাবাভিয়ান নামের এক কর্মকর্তা বলেছেন, কিছু বাণিজ্যিক জাহাজকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এজন্য তাদের ফি পরিশোধ করতে হবে।
এদিকে ইরান হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানান।
ট্রাম্প তার পোস্টে লিখেছেন, ইরান এইমাত্র ঘোষণা করেছে যে, তাদের হরমুজ প্রণালি এখন সম্পূর্ণ উন্মুক্ত এবং জাহাজ চলাচলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। ধন্যবাদ!
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ঘোষণা করেছিলেন, চলমান যুদ্ধবিরতির বাকি সময়টুকু বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত এই তেল পরিবহন পথটি বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য খোলা থাকবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.