
১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২০:৪৫
এদেশে যারা ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে তাদেরও নিরাপদ থাকতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, আমরা যদি নিরাপদ না থাকি, এদেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকবে না। সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
মাহফুজ বলেন, ভারতীয় আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষে বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক অঙ্গন, বুদ্ধিজীবী মহল ও আইন অঙ্গনের একটি অংশকে কব্জা করা হয়েছে। এদের একটি অংশ নিজেদের স্বার্থে দেশবিরোধী ভূমিকা পালন করছে।
তিনি বলেন, একটি অংশ নিজেদের বিবেক ও চিন্তা বিক্রি করে দিয়েছে, আরেকটি অংশ সচেতনভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করেও দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।
এসব ব্যক্তিকে ভিনদেশি ‘এসেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মাহফুজ বলেন, ‘এই ভিনদেশি এসেটদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ওসমান হাদি। ওসমান হাদি বাংলাদেশের সম্পদ হলেও বিদেশি স্বার্থরক্ষাকারীরা তাকে হত্যার জন্য নানা যুক্তি তৈরি করেছে।’
ওসমান হাদিকে যখন গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই নীরব ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা।
মাহফুজ আলম বলেন, তাকে আক্রমণ করার সময় কেউ কথা বলেনি, কেউ প্রতিবাদ করেনি। কোনো শব্দ নেই, কোনো কথা নেই। সবাই যেন আমাদের সঙ্গে নাটক করছে।’ এই নীরবতাকেও তিনি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর যখন মুজিববাদী আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের বাড়িঘর চোরমারের ক্ষমতা ছিল, তখন আমরা সংবরণ করেছিলাম। ক্ষমা করে যদি ভুল করে থাকি, আর ক্ষমা করব না।
যদি এদেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, মুক্তির লড়াই যাবে উল্লেখ করে মাহফুজ বলেন, খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। অত সুশীলতা করে লাভ নেই। অনেক ধৈর্য্য হয়েছে, অনেক রিকনসিলিয়েশনের কথা হয়েছে।
এদেশে যারা ভারতের স্বার্থ রক্ষা করবে তাদেরও নিরাপদ থাকতে দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। তিনি বলেন, আমরা যদি নিরাপদ না থাকি, এদেশে আমাদের শত্রুরাও নিরাপদ থাকবে না। সোমবার বিকেলে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বানে আয়োজিত সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশে তিনি একথা বলেন।
মাহফুজ বলেন, ভারতীয় আধিপত্য বজায় রাখার লক্ষে বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে সাংস্কৃতিক অঙ্গন, বুদ্ধিজীবী মহল ও আইন অঙ্গনের একটি অংশকে কব্জা করা হয়েছে। এদের একটি অংশ নিজেদের স্বার্থে দেশবিরোধী ভূমিকা পালন করছে।
তিনি বলেন, একটি অংশ নিজেদের বিবেক ও চিন্তা বিক্রি করে দিয়েছে, আরেকটি অংশ সচেতনভাবে বাংলাদেশে অবস্থান করেও দেশের বিরুদ্ধে অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে।
এসব ব্যক্তিকে ভিনদেশি ‘এসেট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মাহফুজ বলেন, ‘এই ভিনদেশি এসেটদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দাঁড়িয়েছিলেন ওসমান হাদি। ওসমান হাদি বাংলাদেশের সম্পদ হলেও বিদেশি স্বার্থরক্ষাকারীরা তাকে হত্যার জন্য নানা যুক্তি তৈরি করেছে।’
ওসমান হাদিকে যখন গুলি করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকেই নীরব ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ করেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা।
মাহফুজ আলম বলেন, তাকে আক্রমণ করার সময় কেউ কথা বলেনি, কেউ প্রতিবাদ করেনি। কোনো শব্দ নেই, কোনো কথা নেই। সবাই যেন আমাদের সঙ্গে নাটক করছে।’ এই নীরবতাকেও তিনি ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন। ৫ আগস্টের পর যখন মুজিববাদী আওয়ামী লীগ সন্ত্রাসীদের বাড়িঘর চোরমারের ক্ষমতা ছিল, তখন আমরা সংবরণ করেছিলাম। ক্ষমা করে যদি ভুল করে থাকি, আর ক্ষমা করব না।
যদি এদেশের লড়াই দেশের বাইরে যায়, মুক্তির লড়াই যাবে উল্লেখ করে মাহফুজ বলেন, খুবই সংকটময় পরিস্থিতি সামনে। আমাদের গায়ে হাত দেওয়া যাবে না। একটা লাশ পড়লে আমরা কিন্তু লাশ নেব। অত সুশীলতা করে লাভ নেই। অনেক ধৈর্য্য হয়েছে, অনেক রিকনসিলিয়েশনের কথা হয়েছে।

০২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।
মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপুসহ ছয়জনকে হুইপ নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। সোমবার (২ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ হুইপ অধ্যাদেশ ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৩(১)-এর বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিম্নবর্ণিত সংসদ সদস্যগণকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ নিয়োগ করলেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত হুইপরা হলেন, আলহাজ মো. জি কে গউছ (২৪১ হবিগঞ্জ-৩), রফিকুল ইসলাম (১০১ খুলনা-৩), মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ (২২৩ শরীয়তপুর-৩), এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু (৫৯ নাটোর-২), মো. আখতারুজ্জামান মিয়া (৯ দিনাজপুর-৪), এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান (২৭৭ লক্ষ্মীপুর-৪)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:৪৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী-১, কুড়িগ্রাম-২, রংপুর-৬ ও রংপুর-৪ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির প্রার্থীরা আবেদন করেছেন।
এই চার প্রার্থী হলেন, বিএনপির কুড়িগ্রাম-২ আসনের সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, বিএনপির রংপুর-৬ আসনের মো. সাইফুল ইসলাম, বিএনপির রংপুর-৪ আসনের মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং বিএনপির রাজশাহী-১ আসনের মেজর জেনারেল (অব.) মো. শরীফ উদ্দিন।
সোমবার (২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এসব আবেদনের ওপর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছ।
এর আগে রোববার বিএনপির প্রার্থী ডি এম ডি জিয়াউর এবং পাবনা-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিবের পৃথক আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
এ ছাড়া বৃহস্পতিবার চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। যে চারটি আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে সেগুলো হলো-শেরপুর-১, ঢাকা-৬ ও ৭ এবং গাইবান্ধা-৪।
আবেদনকারী চার প্রার্থী হলেন, শেরপুর-১ আসনে বিএনপির সানসিলা জেবরিন, ঢাকা-৬ আসনে জামায়াতের মো. আবদুল মান্নান, ঢাকা-৭ আসনে জামায়াতের মো. এনায়াত উল্লাহ এবং গাইবান্ধা-৪ আসনে জামায়াতের মো. আবদুর রহিম সরকার।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী অনিয়মের বিরুদ্ধে আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি)।

০২ মার্চ, ২০২৬ ১২:১১
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা প্রদান স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। গত ২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। সোমবার (২ মার্চ) সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস নিজেদের ভেরিফায়েড ফেসবুকের এক পোস্টে এসব নিশ্চিত করেছে।
এতে বলা হয়, ‘২১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে কার্যকরভাবে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশসহ কিছু দেশের নাগরিকদের জন্য অভিবাসী ভিসা দেওয়া স্থগিত করেছে। যেসব দেশের অভিবাসীরা যুক্তরাষ্ট্রের করদাতাদের ব্যয়ে তুলনামূলক বেশি হারে সরকারি সহায়তা নেন, তাদের ক্ষেত্রেই এই সিদ্ধান্ত প্রযোজ্য।’
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘প্রভাবিত দেশগুলোর নাগরিকরা অভিবাসী ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন এবং নির্ধারিত সাক্ষাৎকারে অংশ নিতে পারবেন। পররাষ্ট্র দপ্তর ভিসা সাক্ষাৎকারের সময় নির্ধারণ কার্যক্রম চালিয়ে যাবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:২০
০২ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৮
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৯
০২ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৫