
২৬ মে, ২০২৫ ০১:৪৬
বরিশালের বিতর্কিত ছাত্রদল নেতা সবুজ আকনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে হাইকমান্ড। স্ত্রীর বড় বোনোর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ তাকে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে বরিশালের এই আলোচিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কোন যুক্তিতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না করলেও বলা হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সবুজ আকনকে বহিষ্কার করা হয়। এনিয়ে বরিশাল ছাত্রদলের নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও অনেকে বলছেন, সবুজের অপকর্মের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। কেন্দ্রীয় সংসদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের প্রমাণ পেয়েই কার্যকর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সূত্র নিশ্চিত করে, বাবুগঞ্জের বাসিন্দা সবুজ আকন বিগত দিনে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি অসংখ্য বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে সরকারি ভূমি দখল নেওয়াসহ চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
বাবুগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে তাদের দোসর আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসা-বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয় ছাত্রদল নেতা সবুজ আকন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ঘরনার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ার দখল করেছেন, যা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এসব কর্মকান্ডে আলোচনা-সমালোচনা চলামান থাকার মধ্যেই এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর বোনের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ২০ মে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা আত্মপক্ষ সমর্থনে একদিন বাদে অর্থাৎ ২১ মে বরিশাল প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেন এবং মামলাটি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। তখন তিনি ধর্ষণ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে সবুজ কোন অকাট্ট প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
ধর্ষণকান্ডে জড়িয়ে পড়ার খবরটি মোটা দাগে ফলাও করে প্রকাশ করে স্থানীয়সহ দেশের প্রথম শ্রেণির গণমাধ্যমগুলো, যা নিয়ে কদিন বরিশালে সরব আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তখনই ধারনা করা যায়, বিতর্কিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শাস্তির খড়গ আসছে। তাছাড়া শত্রুভাবাপন্ন জেলা ছাত্রদলের একটি অংশও চাচ্ছিলেন সবুজের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড যেনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিছুটা বিলম্বে হলেও সবুজকে বহিষ্কারের খবরে সেই বিরোধী অংশটিকে রোববার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর গিলতে দেখা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রদলের একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় প্রভাব বিস্তার করে সবুজ আকন নিজের গ্রাম বাবুগঞ্জে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। এবং একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে নিজেকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গেছেন। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় শীর্ষস্থানীয় নেতারা আর নিরব-নিশ্চুপ থাকতে পারলেন না।
সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ধর্ষণের অভিযোগসহ সবুজ আকনের সকল অপরাধের ফিরিস্তি ছাত্রদলের প্রতিপক্ষ অংশটি হাইকমান্ডের কাছে পৌঁছে দেয়। সেই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত করতেই তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অপকর্মের প্রমাণ পায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, যার প্রেক্ষিতে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অভিন্ন তথ্য দিয়ে ঢাকার একটি সূত্র জানায়, সবুজের বিরুদ্ধে উত্থ্যাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের স্বার্থে তাকে আপাতত বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে বাকি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়াতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।
অবশ্য ইতিমধ্যেই এই নেতার সাথে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির রোববার তাদের বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন দেন।
তবে ধর্ষণ-চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সবুজ আকন। এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি বলছেন, কিছুদিন পরে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা হবে, এনিয়ে দলীয় একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া স্ত্রীর বোনের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জমি সংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে রাজনৈতিকভাবে শায়েস্তা করতে এমন অভিযোগ এনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।’
বরিশালের বিতর্কিত ছাত্রদল নেতা সবুজ আকনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাগ্রহণ করেছে হাইকমান্ড। স্ত্রীর বড় বোনোর স্কুলপড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেওয়া হলো। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ তাকে বহিষ্কার করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে। তবে বরিশালের এই আলোচিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে কোন যুক্তিতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ না করলেও বলা হয়েছে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সবুজ আকনকে বহিষ্কার করা হয়। এনিয়ে বরিশাল ছাত্রদলের নেতাদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া না পাওয়া গেলেও অনেকে বলছেন, সবুজের অপকর্মের ফিরিস্তি অনেক দীর্ঘ। কেন্দ্রীয় সংসদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগসমূহের প্রমাণ পেয়েই কার্যকর সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে।
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সূত্র নিশ্চিত করে, বাবুগঞ্জের বাসিন্দা সবুজ আকন বিগত দিনে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলন সংগ্রামে ব্যাপক ভূমিকা রাখলেও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পরে তিনি অসংখ্য বিতর্কিত কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন। বিশেষ করে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে সরকারি ভূমি দখল নেওয়াসহ চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে।
বাবুগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে তাদের দোসর আওয়ামী লীগ নেতাদের বাসা-বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর এবং আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদা নেয় ছাত্রদল নেতা সবুজ আকন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ঘরনার ইউনিয়ন চেয়ারম্যানদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় প্রাধান্য পাচ্ছে। এছাড়াও ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তিনি স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সভাপতির চেয়ার দখল করেছেন, যা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে। এসব কর্মকান্ডে আলোচনা-সমালোচনা চলামান থাকার মধ্যেই এই ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে স্ত্রীর বোনের ১৪ বছর বয়সি মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে, এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ২০ মে বরিশাল নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
অবশ্য ছাত্রদল নেতা আত্মপক্ষ সমর্থনে একদিন বাদে অর্থাৎ ২১ মে বরিশাল প্রেসক্লাবে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগসমূহ অস্বীকার করেন এবং মামলাটি হয়রানিমূলক বলে দাবি করেন। তখন তিনি ধর্ষণ মামলার বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ তোলেন এবং বলেন, জমিসংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। তবে এই বক্তব্যের স্বপক্ষে সবুজ কোন অকাট্ট প্রমাণ দেখাতে পারেননি।
ধর্ষণকান্ডে জড়িয়ে পড়ার খবরটি মোটা দাগে ফলাও করে প্রকাশ করে স্থানীয়সহ দেশের প্রথম শ্রেণির গণমাধ্যমগুলো, যা নিয়ে কদিন বরিশালে সরব আলোচনা-সমালোচনা শোনা যায়। তখনই ধারনা করা যায়, বিতর্কিত ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে শাস্তির খড়গ আসছে। তাছাড়া শত্রুভাবাপন্ন জেলা ছাত্রদলের একটি অংশও চাচ্ছিলেন সবুজের বিরুদ্ধে হাইকমান্ড যেনো কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। কিছুটা বিলম্বে হলেও সবুজকে বহিষ্কারের খবরে সেই বিরোধী অংশটিকে রোববার আত্মতৃপ্তির ঢেকুর গিলতে দেখা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে জেলা ছাত্রদলের একাধিক নেতা অভিযোগ করেন, দলীয় প্রভাব বিস্তার করে সবুজ আকন নিজের গ্রাম বাবুগঞ্জে গত বছরের ৫ আগস্টের পরে ব্যাপক ত্রাস চালিয়েছেন। শীর্ষস্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে একাধিকবার সতর্ক করলেও তিনি তা উপেক্ষা করেছেন। এবং একের পর এক বিতর্কিত ঘটনার জন্ম দিয়ে নিজেকে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে গেছেন। সর্বশেষ তার বিরুদ্ধে ভাগনিকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠায় শীর্ষস্থানীয় নেতারা আর নিরব-নিশ্চুপ থাকতে পারলেন না।
সূত্রগুলো নিশ্চিত করে, ধর্ষণের অভিযোগসহ সবুজ আকনের সকল অপরাধের ফিরিস্তি ছাত্রদলের প্রতিপক্ষ অংশটি হাইকমান্ডের কাছে পৌঁছে দেয়। সেই অভিযোগ প্রাথমিক তদন্ত করতেই তার বিরুদ্ধে বেশকিছু অপকর্মের প্রমাণ পায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ, যার প্রেক্ষিতে বহিষ্কার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
অভিন্ন তথ্য দিয়ে ঢাকার একটি সূত্র জানায়, সবুজের বিরুদ্ধে উত্থ্যাপিত অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তদন্তের স্বার্থে তাকে আপাতত বহিষ্কার করা হয়। পরবর্তীতে তদন্তে বাকি অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়াতে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হতে পারে।
অবশ্য ইতিমধ্যেই এই নেতার সাথে ছাত্রদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কোনো ধরনের সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশনা দেওয়া হয়। রোববার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির রোববার তাদের বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন দেন।
তবে ধর্ষণ-চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সবুজ আকন। এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তিনি বলছেন, কিছুদিন পরে জেলা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা হবে, এনিয়ে দলীয় একটি অংশ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। এছাড়া স্ত্রীর বোনের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন। জমি সংক্রান্ত বিরোধীয় জেরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে রাজনৈতিকভাবে শায়েস্তা করতে এমন অভিযোগ এনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।’
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:০৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৫৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৮:২২
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।
বরিশাল নগরীর সিএন্ডবি রোডে কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা আরোহী এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন রিকশাচালক আউয়াল (৩০)। আজ মঙ্গলবার সকালে নগরীর সিএন্ডবি রোড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, অজ্ঞাতনামা এক নারী (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহত রিকশাচালক আউয়াল ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দুর্ঘটনায় তার হাত ভেঙে যাওয়ায় জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম বলেন, কাভার্ড ভ্যানের চাপায় রিকশা দুর্ঘটনায় এক অজ্ঞাত এক নারী নিহত হয়েছেন। এছাড়াও রিকশাচালক আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং ঘাতক গাড়িটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করছে পুলিশ।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১২:৫০
রাতের আধাঁরে টয়লেটে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরদিনই মোবাইল ফোন বন্ধ করে এলাকা থেকে ওই বখাটে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকার।
ওই এলাকার আবুল হোসেনের স্ত্রী রানু বেগম সোমবার রাতে অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী কর্মের সুবাদে প্রবাসে থাকেন। কন্যা সন্তান নিয়ে আমি বাসায় একা থাকি।
এই সুযোগে আমার বাড়ির পার্শ্ববর্তী বারেক খন্দকারের বখাটে ছেলে হাচান খন্দকার রাতের আধাঁরে আমার টয়লেটের পানির পাত্রে মরিচের গুড়া দিয়ে রাখা সহ বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে আসছে।
গত রোববার (৮ মাচ) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার পার্শ্ববর্তী জা’য়ের দালানের বিদ্যুতের মিটার থেকে বিদ্যুতের তার দিয়ে প্রায় ৩০ ফুট দুরত্বে লাইন টেনে আমার টয়লেটের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ করে রাখে যাতে আমি রাতের আধাঁরে টয়লেটে গেলেই বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে মারা যাই। বখাটের হাত থেকে রক্ষায় তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগি রানু বেগমের জা মাহামুদা বেগম বলেন, সেহেরী খেতে ওঠে ঘরের দরজার সামনের লাইট বন্ধ পাওয়ায় বাইরে বের হই। এসময় আমাকে দেখে বখাটে হাচান পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টয়লেটে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
রাতের আধাঁরে টয়লেটে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে এক বখাটের বিরুদ্ধে। এঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার পরদিনই মোবাইল ফোন বন্ধ করে এলাকা থেকে ওই বখাটে পালিয়ে গেছে। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিল্বগ্রাম এলাকার।
ওই এলাকার আবুল হোসেনের স্ত্রী রানু বেগম সোমবার রাতে অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামী কর্মের সুবাদে প্রবাসে থাকেন। কন্যা সন্তান নিয়ে আমি বাসায় একা থাকি।
এই সুযোগে আমার বাড়ির পার্শ্ববর্তী বারেক খন্দকারের বখাটে ছেলে হাচান খন্দকার রাতের আধাঁরে আমার টয়লেটের পানির পাত্রে মরিচের গুড়া দিয়ে রাখা সহ বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে আসছে।
গত রোববার (৮ মাচ) দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে আমার পার্শ্ববর্তী জা’য়ের দালানের বিদ্যুতের মিটার থেকে বিদ্যুতের তার দিয়ে প্রায় ৩০ ফুট দুরত্বে লাইন টেনে আমার টয়লেটের সঙ্গে বিদ্যুৎ সংযোগ করে রাখে যাতে আমি রাতের আধাঁরে টয়লেটে গেলেই বিদ্যুতের ফাঁদে পড়ে মারা যাই। বখাটের হাত থেকে রক্ষায় তিনি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ভুক্তভোগি রানু বেগমের জা মাহামুদা বেগম বলেন, সেহেরী খেতে ওঠে ঘরের দরজার সামনের লাইট বন্ধ পাওয়ায় বাইরে বের হই। এসময় আমাকে দেখে বখাটে হাচান পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে টয়লেটে বিদ্যুত সংযোগ দেওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে।
অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত সত্যতা পাওয়া গেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১১
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সড়ক নির্মাণকাজে চাঁদার দাবিতে ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতাকর্মীর বাধার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এক ঠিকাদার। সোমবার বরিশাল প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ঠিকাদার এ.বি.এম. আওলাদ হোসেন মনু (৫৮)।
লিখিত বক্তব্যে আওলাদ হোসেন মনু বলেন, তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকাভুক্ত প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এবং নগর বিএনপির সাবেক ওয়ার্ড সভাপতি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চলমান প্রায় ৫৮ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণ কাজে চাঁদা না দেওয়ায় গত ১ মার্চ থেকে কাজ বন্ধ করে দেয় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী।
তার অভিযোগ, এ ঘটনায় জড়িত রয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আরিফ হোসেন শান্ত, কর্মী আজমাইন সাকিব এবং সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ। তারা নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ তুললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজের সামগ্রী পরীক্ষা করে মানসম্মত বলে সার্টিফিকেট দিয়েছে।
ঠিকাদার জানান, গত রোববার বিকেলে কাজ শুরুর বিষয়ে জানতে তিনি উপাচার্যের কার্যালয়ে যান। সেখান থেকে বের হয়ে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে প্রধান ফটক দিয়ে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা নিয়ে তাকে ধাওয়া করে। প্রাণভয়ে তিনি উপাচার্যের কক্ষের পাশের একটি কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করেন।
তিনি বলেন, “আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। জীবনের এই বয়সে লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে সরকারি কাজ করছি। চাঁদাবাজদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।”
তবে এর আগে শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল কর্মী আজমাইন সাকিব দাবি করেন, সড়ক নির্মাণের ঢালাই কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। এ কারণে তারা কাজটি বন্ধ করে দিয়েছেন এবং নিম্নমানের পাথর পরিবর্তনের দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. তৌফিক আলম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে সড়ক নির্মাণ কাজ আলোচনা করে শুরু করার চেষ্টা চলছে। একটি ভিজিলেন্স টিম নির্মাণ সামগ্রী পরীক্ষা করে ভালো মান পেয়েছে। কাজ বন্ধ রাখার কোনো কারণ নেই।
উল্লেখ্য, এ ঘটনায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স ধারা এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি এবিএম আওলাদ হোসেন বন্দর থানায় সাবেক সভাপতি রেজা শরিফ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক আরিফ হোসেন শান্তসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.