
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২০
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।

২৯ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:৩৩
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সিরিজ হার এড়ানো নিশ্চিত হয়েছে। পরের ম্যাচে হারলেও সিরিজ ড্র হবে, আর জিতলে শিরোপা ঘরে তুলবে স্বাগতিকরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফট্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। এর আগে দুপুর দেড়টায় টসের নির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিকাল সোয়া চারটার দিকে ম্যাচটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
গতকাল থেকেই চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তা আজও অব্যহত আছে। তাই আগে থেকেই শঙ্কা ছিল আজকের ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে। সেই শঙ্কাই সত্যি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আছে টাইগাররা।
বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচটি আনুষ্ঠানিকভাবে পরিত্যাক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এই ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় বাংলাদেশের সিরিজ হার এড়ানো নিশ্চিত হয়েছে। পরের ম্যাচে হারলেও সিরিজ ড্র হবে, আর জিতলে শিরোপা ঘরে তুলবে স্বাগতিকরা।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফট্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা ছিল স্থানীয় সময় দুপুর ২টায়। এর আগে দুপুর দেড়টায় টসের নির্ধারিত সময় ছিল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য কিছুই হয়নি। শেষ পর্যন্ত বিকাল সোয়া চারটার দিকে ম্যাচটি পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা।
গতকাল থেকেই চট্টগ্রামসহ দেশের অধিকাংশ অঞ্চলেই প্রচুর বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তা আজও অব্যহত আছে। তাই আগে থেকেই শঙ্কা ছিল আজকের ম্যাচ মাঠে গড়ানো নিয়ে। সেই শঙ্কাই সত্যি হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটের ব্যবধানে জিতেছিল বাংলাদেশ। ফলে সিরিজে ১-০তে এগিয়ে আছে টাইগাররা।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৫
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।
সিঙ্গাপুরকে ৩-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। জাকার্তায় এই জয়ের মাধ্যমে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জাকার্তায় খেলাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে আন্তর্জাতিক হকিতে নিজেদের অভিষেক আসরে একের পর এক ইতিহাস তৈরি করে যাচ্ছে বাংলাদেশের মেয়েরা। সেমিফাইনালে দুর্দান্ত খেলেছেন তারা।
আইরিন আক্তার রিয়া বাংলাদেশের অন্যতম একজন খেলোয়াড়। আজ এই ফরোয়ার্ড হ্যাটট্রিক করে বাংলাদেশের জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছেন। খেলা শুরুর আট মিনিটে রিয়ার গোলে লিড নেয় বাংলাদেশ। পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ১২ মিনিটে সমতায় ফেরে সিঙ্গাপুর।
১-১ গোলে সমতা চলতে থাকে ৫৬ মিনিট পর্যন্ত। ৫৭ মিনিটে দ্বিতীয়বার বাংলাদেশকে এগিয়ে দেন রিয়া। পরের মিনিটে আরেকটি গোল করেন তিনি। তার হ্যাটট্রিক পূরণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়।

২৮ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:৪৬
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস
শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজ হারার পর এবার তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
সিলেটে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) প্রথম ম্যাচে সফরকারীদের কাছে ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ।
সিলেটে শ্রীলঙ্কার দেওয়া ১৬২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুটা দারুণ করেছিল বাংলাদেশ। ৩ ওভার ৩ বলেই ৩৯ রান করে ফেলেছিলেন জুয়াইরা ফেরদৌস ও দিলারা আক্তার। তবে এরপরই শুরু হয় ইউকেট পতন। ৪৪ রানের মধ্যে এই দুই ওপেনারের পাশাপাশি বিদায় নেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও অধিনায়ক জ্যোতিও।
১৪ বলে ২৩ রান করে আউট হন দিলারা। জুয়াইরার ব্যাট থেকে আসে ১৬ (১২ বলে) রান। তবে তিন ও চারে নামা শারমিন আর জ্যোতি যথাক্রমে ১ ও ০ রানে আউট হন। তৃতীয় উইকেটে বিপদ কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করেন সোবহানা মোস্তারি ও স্বর্ণা আক্তার। তবে তাদের ধীরগতির ব্যাটিং জয়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ২৬ বলে ১৬ রান করে আউট হন সোবহানা। শেষদিকে চালিয়ে খেলা স্বর্ণা ৪৫ বলে ৬০ রান করে রান আউট হন। তবে শেষ দিকে রাবেয়া খান (৭ বলে ৬) ও সুলতানা খাতুনরা (১০ বলে ৫) বলের সমান রানও করতে পারেননি।
এর আগে ইমেশা দুলানি ও হারশিতা সামারাবিক্রামার ফিফটিতে ১৬১ রানের লড়াকু পুঁজি পায় লঙ্কানরা। দুলানি ৪০ বলে ৫৫ ও হারশিতা ৩৫ বলে ৬১ রান করেন। বাংলাদেশের হয়ে দুইটি উইকেট নেন সুলতানা।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.