
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২০
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১৩:২৫
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস
বৃষ্টিতে খেলা থামার আগে ৬ ওভার ৩ বলে দলীয় ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। এতে পুনরায় যখন বল মাঠে গড়ায়, তখন বাংলাদেশের নতুন লক্ষ্যটা হয়ে ওঠে আরও চ্যালেঞ্জিং। পাকিস্তানকে হারাতে বৃষ্টি আইনে টাইগারদের লক্ষ্য নির্ধারিত হয় ৩২ ওভারে ২৪৩ রান। অর্থাৎ বাকি ২৫.৩ ওভারে ২১৬ রান করতে হতো। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে মাত্র ১১৪ রানেই থেমেছে মেহেদী মিরাজের দল। ফলে ১২৮ রানের বড় জয়ে সিরিজে সমতায় ফিরল পাকিস্তান।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ লিটন দাস ৪১ ও তাওহীদ হৃদয়ের ব্যাটে আসে ২৮ রান। পাকিস্তানের সমান ৩টি করে উইকেট শিকার করেছেন হারিস রউফ ও মাজ সাদাকাত।
পাকিস্তানের দেওয়া ২৭৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দলীয় ১৩ রানের মাথায় পরপর সাজঘরে ফেলেন দুই ওপেনার তানজিদ তামিম (১) ও সাইফ হাসান (১২)। এরপর স্কোরবোর্ডে ২ রান যোগ হতেই ফিরে যান নাজমুল হোসেন শান্তও। রানের খাতা খোলার আগেই শাহিন আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়েছেন এই বাঁহাতি ব্যাটার। বিপর্যয় সামলানোর লক্ষ্যে উইকেটে আসেন লিটন ও হৃদয়। কিছুক্ষণ বাদেই অবশ্য তুমুল বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হলে তাদের মাঠ ছাড়তে হয়।
নতুন লক্ষ্য পাওয়ার পর লিটন-হৃদয়ের শুরুটা ছিল দারুণ। টি-টোয়েন্টি ম্যাচের মতো আগ্রাসী হতে হতো, সেটাই করছিলেন তারা। কিন্তু দুজনের জুটিতে ৫৮ রান হতেই সাদাকাতের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরের পথ ধরেন লিটন। ফেরার আগে ৩৩ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৪১ রান করেন তিনি। আফিফ হোসেনকেও (১৪) ফেরান তরুণ এই স্পিনার। এরপর মিরাজ (১) ও রিশাদ হোসেনও (২) ব্যাট হাতে ব্যর্থ। লিটনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে খেলতে থাকা হৃদয়ও দ্রুতই দম হারান। ৩৮ বলে তিনি করেন ২৮ রান।
শেষ ১৯ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। অথচ তখনো ম্যাচের ৫১ বল বাকি। ১২৮ রানের এই হারে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেই হবে সিরিজ নির্ধারণী লড়াই। আগামীকাল ১৫ মার্চ মিরপুরে ফাইনাল ম্যাচটিতে লড়বে বাংলাদেশ-পাকিস্তান।
এর আগে মাজ সাদাকাতের ৭৫, সালমান আগার ৬৪ ও মোহাম্মদ রিজওয়ানের ৪৪ রানে ভয় করে ২৭৫ রান সংগ্রহ করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন রিশাদ হোসেন। দুটি উইকেট পেয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আর একটি করে উইকেট নেন তিনজন বোলার।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৩
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৬
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫০
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯