
২০ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:২০
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।
দীর্ঘ ১৭ ঘণ্টা পুরো বাংলাদেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীকে অপেক্ষায় রাখলেন মুশফিকুর রহিম। বুধবার শেষ বিকেলে ঝুঁকি না নিতে গিয়ে সেঞ্চুরিটা পূরণ করতে পারেননি ১৮৭টি বল খেলেও। মাত্র একটি রানের জন্য অপেক্ষায় রেখে দিলেন সারাদেশকে। মুশফিক নিজেও কি স্বস্তিতে ছিলেন গতকাল রাতে? ঠিকমতো ঘুমাতে পেরেছিলেন, উত্তেজনা কিংবা টেনশনে?
অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ। মিরপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে ১৯৫ বল খেলে কাঙ্ক্ষিত সেই মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন মুশফিকুর রহিম। শততম টেস্টে শতরানকারী হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেটে ১১ নম্বর জায়গাটি নিজের করে নিলেন মিস্টার ডিপেন্ডেবল। আর নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের হয়ে প্রথম। প্রথম শততম টেস্ট খেলে সেই টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম- ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা হয়ে গেলো এই নাম।
টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার তিনি। মিরপুরে চলমান এই ম্যাচের আগে ৯৯ টেস্টের ১৮২ ইনিংসে মুশফিকুর রহিমের রান ছিল ৬৩৫১। শতক ১২টি। অর্ধশতক ২৭টি; কিন্তু কেন যেন মাইলফলকের ম্যাচগুলোয় তার রান খুব কম। মাইলফলক বলতে- তার প্রথম টেস্ট, ৫০ নম্বর ও ৭৫ নম্বর টেস্ট। ইতিহাস ও পরিসংখ্যান জানাচ্ছে, ওই তিন টেস্টের একটিতেও তার নামের পাশে কোনো বড়সড় স্কোর নেই।
২০ বছর আগে ক্রিকেট তীর্থ লর্ডসে প্রথম টেস্টের ২ ইনিংসে মুশফিকের সংগ্রহ ছিল মোটে ২২। প্রথম ইনিংসের ৬ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে ৮৫ মিনিট উইকেটে থেকে ৫৬ বল মোকাবিলা করে তিনটি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে ১৯ রান করে ইংলিশ পেসার ম্যাথ্যু হগার্ডের বলে বোল্ড হয়েছিলেন মুশফিক। দ্বিতীয় ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছিল আরও কম; মাত্র ৩ রান। এবার ইংলিশ ফাস্ট বোলার অ্যান্ড্রু ফ্লিনটপের বলে আউট হন মুশফিক।
একই অবস্থা ছিল ৫০ ও ৭৫ নম্বর টেস্টেও। মুশফিক তার ৫০ নম্বর টেস্ট খেলেছেন ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে; ইংল্যান্ডের বিপক্ষে (২০১৬ সালে, ২৮-৩০ অক্টোবর)। ওই ম্যাচে দুই ইনিংসের একবারও দুই অংকের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। প্রথমবার ৪ এবং পরের বার ৯ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনি।
এরপর নিজের ৭৫তম টেস্টটিও মুশফিক স্মরণীয় করে রাখতে পারেননি। সময়কাল ছিল ২০২১ সালের জুলাই। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওই টেস্টের প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুইয়ান ফাস্ট বোলার মুজারাবানির বলে ১১ রানে এলবিডব্লিউর ফাঁদে জড়িয়ে সাজঘরে ফেরেন টেস্টে বাংলাদেশের টপ স্কোরার। দ্বিতীয় ইনিংসে আর তার ব্যাট করতে হয়নি। সাদমান ইসলাম (১১৫) ও নাজমুল হোসেন শান্তর (১১৭) জোড়া শতকে বাংলাদেশ ১ উইকেটে ২৮৪ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ২২০ রানের বড় জয় পায়।
দেখার বিষয় ছিল, নিজের ১০০ নম্বর টেস্টে কী করেন মুশফিক? এবারও কি সেই ১৯, ৩, ৪, ৯ এবং ১১-এ থেমে যাবেন টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবসময়ের সফলতম উইলোবাজ? নাকি ১০০ টেস্টের মাইলফলকের ম্যাচে এবার ব্যাট হাতে জ্বলে উঠে ‘অমর’ হয়ে থাকবেন।?
টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে এর আগে শততম টেস্টে শতরানের কৃতিত্ব রয়েছে মাত্র ১০ জন ব্যাটারের। কলিন ক্রাউড্রে, জাভেদ মিয়াদাঁদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, রিকি পন্টিং, ইনজামাম-উল হক, জো রুট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা, ডেভিড ওয়ার্নারের।
তাই ভক্তরা অধির হয়েছিলেন এবার মুশফিক ভালো খেলে সেই ‘এলিট’ ক্লাবের সদস্য হতে পারেন কি না। শততম টেস্টে ১১ নম্বর শতরানকারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন কি না।
মূলত তা দেখতেই মুখিয়ে ছিলেন অগনিত মুশফিক সমর্থক। এবার আর ভক্তদের হতাশ করেননি তিনি। গতকাল বুধবার শেরে বাংলায় ৫ নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ ব্যাটিং করেছেন মুশফিক। বোঝাই গেল, সেঞ্চুরির পণ করেই মাঠে নেমেছিলেন তিনি।
দু-একটি বিচ্ছিন্ন শট ছাড়া ধৈর্য ধরেই খেলেছেন। পুরো ইনিংসটাই ছিল গাণিতিক ব্যাটিংয়ে সাজানো। যে বলে যা দরকার, ঠিক তাই করেছেন। অযথা অপ্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে কোনো শট খেলার চেষ্টা করেননি। অপেক্ষায় থেকেছেন আলগা ডেলিভারির। হাফভলি, ওভার পিচ আর খাট লেন্থের ডেলিভারিগুলো থেকেই রান তুলেছেন। ভালো বলগুলোকে সমীহ দেখিয়ে রক্ষনাত্মক ভঙ্গিতে খেলেছেন।
দেখে মনে হচ্ছিল, ক্যারিয়ারের ১৩ নম্বর সেঞ্চুরি না হাঁকিয়ে ফিরবেন না সাজঘরে। কিন্তু শতরানের একদম হাত মেলানো দূরত্বে গিয়েও কাল ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনে তা ছোঁয়া সম্ভব হলো না। দিন শেষে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দুরে থেকে অপরাজিত থেকে সাজঘরে ফেরেন মুশফিক।
সিলেটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টেস্টে ইনিংস বিজয়ের ম্যাচে মুশফিক ছাড়া বাকি পাঁচ ব্যাটার মাহমুদুল হাসান জয়, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস- সবাই রান পেলেও মুশফিকই রান পাননি। ২৩ রানে ফিরে গিয়েছিলেন।
এই ম্যাচের প্রথম দিনের প্রেক্ষাপট অবশ্য তেমন ছিল না। ৯৫ রানে ফিরে গিয়েছিলেন তিনজন; সাদমান, মাহমুদুল হাসান জয় ও নাজমুল হোসেন শান্ত। সেখান থেকে দিনের শেষ বল পর্যন্ত অপরাজিত থেকে ১৮৭ বলে ৯৯ রানে নট আউট থাকেন মুশফিক।

১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১১:৫৯
আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মৌসুমকে সামনে রেখে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব নিতে আজ রবিবার ঢাকায় পৌঁছেছেন কিংবদন্তি পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত এই তারকাকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি।
ঢাকা ক্যাপিটালসের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিতে শোয়েব আখতারের যুক্ত হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আগ্রাসী মানসিকতা ও জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষার জন্য পরিচিত আখতার দলটির তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অনুপ্রেরণা জোগাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে তার দিকনির্দেশনা দলকে আরো শৃঙ্খলাবদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে মনে করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, আসন্ন মৌসুমে শক্তিশালী একটি দল গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে শোয়েব আখতারের উপস্থিতি দলের প্রস্তুতি ও মানসিকতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশাবাদী।
উল্লেখ্য, বিপিএলের ১২তম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ২৭ ডিসেম্বর, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে।
আসন্ন বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মৌসুমকে সামনে রেখে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব নিতে আজ রবিবার ঢাকায় পৌঁছেছেন কিংবদন্তি পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার শোয়েব আখতার। ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’ খ্যাত এই তারকাকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর উষ্ণ অভ্যর্থনা জানায় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানা প্রতিষ্ঠান রিমার্ক এইচবি।
ঢাকা ক্যাপিটালসের নতুন মৌসুমের প্রস্তুতিতে শোয়েব আখতারের যুক্ত হওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, আগ্রাসী মানসিকতা ও জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষার জন্য পরিচিত আখতার দলটির তরুণ ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের অনুপ্রেরণা জোগাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মাঠের ভেতরে ও বাইরে তার দিকনির্দেশনা দলকে আরো শৃঙ্খলাবদ্ধ ও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলবে বলে মনে করছে টিম ম্যানেজমেন্ট।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটি জানিয়েছে, আসন্ন মৌসুমে শক্তিশালী একটি দল গড়ে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে শোয়েব আখতারের উপস্থিতি দলের প্রস্তুতি ও মানসিকতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তারা আশাবাদী।
উল্লেখ্য, বিপিএলের ১২তম আসর শুরু হবে আগামী ২৬ ডিসেম্বর। ঢাকা ক্যাপিটালস তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে ২৭ ডিসেম্বর, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে।

১২ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১২:৩৫
আর্শদিপের লজ্জার রেকর্ড; এক ওভারে ১৩ বল, ৭টিই ওয়াইড
ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই ম্যাচে অস্বস্তিকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতের পেসার আর্শদিপ সিং। নিউ চান্ডিগাড়ে বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেন এক অবিশ্বাস্য ১৩ বলের ওভার, যেখানে দেন ৭টি ওয়াইড।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের একাদশ ওভারে প্রথম বলেই ছক্কা খান আর্শদিপ। স্লট পাওয়া বলটি লং অফের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান কুইন্টন ডি কক। এরপর যেন লাইন-লেন্থই হারিয়ে ফেলেন ২৬ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। ছক্কার পর টানা দুটি ওয়াইড, একটি লিগ্যাল ডেলিভারির পর আবার টানা চারটি ওয়াইড। মোট সাতটি ওয়াইডে জর্জরিত হতে থাকে ওভারটি।
এরপর পরের তিন বলে আসে চার রান। শেষ দুই বল—একটি ওয়াইড ও একটি সিঙ্গলে—শেষ হয় ১৩ বলে গড়া ওভার। এক ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরকার্ডে যোগ হয় ১৮ রান।
এই ওভার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ওভারে সর্বাধিক বল করার যৌথ রেকর্ড। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩ বলের ওভার করেছিলেন আফগানিস্তানের নাভিন উল হক। তাদের পরেই আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিসান্ডা মাগালা, যিনি ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ১২ বলের এক ওভার।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে এতদিন দীর্ঘ ওভারের রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে হার্দিক পান্ডিয়া ও খালিল আহমেদের (১১ বল)। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আর্শদিপের নাম। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১০ বলের ওভার—২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং ২০২৪ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পাওয়ার প্লেতে দুই ওভারে ২০ রান দেওয়া আর্শদিপ এই এক ওভারেই খরচ করেন ১৮ রান। শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ৫৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
ডি ককের ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, সঙ্গে ডনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০*) ও ডেভিড মিলারের (১২ বলে ২০*) সংক্ষিপ্ত ঝড়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বড় স্কোর তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা।
আর্শদিপের লজ্জার রেকর্ড; এক ওভারে ১৩ বল, ৭টিই ওয়াইড
ভারতকে ৫১ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তবে সেই ম্যাচে অস্বস্তিকর আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ভারতের পেসার আর্শদিপ সিং। নিউ চান্ডিগাড়ে বৃহস্পতিবার সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে তিনি করেন এক অবিশ্বাস্য ১৩ বলের ওভার, যেখানে দেন ৭টি ওয়াইড।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের একাদশ ওভারে প্রথম বলেই ছক্কা খান আর্শদিপ। স্লট পাওয়া বলটি লং অফের ওপর দিয়ে মাঠের বাইরে পাঠান কুইন্টন ডি কক। এরপর যেন লাইন-লেন্থই হারিয়ে ফেলেন ২৬ বছর বয়সী এই বাঁহাতি পেসার। ছক্কার পর টানা দুটি ওয়াইড, একটি লিগ্যাল ডেলিভারির পর আবার টানা চারটি ওয়াইড। মোট সাতটি ওয়াইডে জর্জরিত হতে থাকে ওভারটি।
এরপর পরের তিন বলে আসে চার রান। শেষ দুই বল—একটি ওয়াইড ও একটি সিঙ্গলে—শেষ হয় ১৩ বলে গড়া ওভার। এক ওভারেই দক্ষিণ আফ্রিকার স্কোরকার্ডে যোগ হয় ১৮ রান।
এই ওভার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর ক্রিকেটারদের মধ্যে এক ওভারে সর্বাধিক বল করার যৌথ রেকর্ড। গত বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১৩ বলের ওভার করেছিলেন আফগানিস্তানের নাভিন উল হক। তাদের পরেই আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সিসান্ডা মাগালা, যিনি ২০২১ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে করেছিলেন ১২ বলের এক ওভার।
ভারতীয় বোলারদের মধ্যে এতদিন দীর্ঘ ওভারের রেকর্ডটি ছিল যৌথভাবে হার্দিক পান্ডিয়া ও খালিল আহমেদের (১১ বল)। এবার সেই তালিকায় যোগ হলো আর্শদিপের নাম। এর আগে তার সর্বোচ্চ ছিল ১০ বলের ওভার—২০২৩ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে এবং ২০২৪ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে।
পাওয়ার প্লেতে দুই ওভারে ২০ রান দেওয়া আর্শদিপ এই এক ওভারেই খরচ করেন ১৮ রান। শেষ পর্যন্ত চার ওভারে ৫৪ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন তিনি।
ডি ককের ৪৬ বলে ৯০ রানের বিধ্বংসী ইনিংস, সঙ্গে ডনোভান ফেরেইরা (১৬ বলে ৩০*) ও ডেভিড মিলারের (১২ বলে ২০*) সংক্ষিপ্ত ঝড়ে ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৩ রানের বড় স্কোর তুলে দক্ষিণ আফ্রিকা।

২৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:২৬
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অদ্ভুত এক ঘটনার জন্ম দিলেন এভারটনের ইদ্রিসা গুয়ে। ম্যাচের মাত্র ১৩তম মিনিটে নিজ দলের সঙ্গী মাইকেল কিনের মুখে চড় মেরে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন সেনেগালের এই মিডফিল্ডার।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি তখনো গোলশূন্য। ব্রুনো ফার্নান্দেসের একটি প্রচেষ্টা বাইরে যাওয়ার পরই হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এভারটন শিবিরে।
‘সম্ভবত’ রক্ষণে বল ক্লিয়ার করতে না পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে ধাক্কাধাক্কিতে জড়ান কিন ও গুয়ে। কিন দু’বার গুয়েকে সরিয়ে দেওয়ার পরই তাকে চড় মেরে বসেন গুয়ে।
ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুজনকে আলাদা করেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। রেফারি টনি হ্যারিংটনও ছিলেন পুরো ঘটনার সরাসরি সামনে।
তাই সিদ্ধান্তে খুব একটা দ্বিধা দেখা যায়নি—সরাসরি লাল কার্ড। পরে ভিএআরের নিশ্চিতকরণও আসে, এ আচরণ স্পষ্টই ‘সহিংসতা’।
ঘটনার পর ম্যাচশেষে ড্রেসিংরুমে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চান গুয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ক্ষমাপ্রার্থনা করে লেখেন, ‘এটা আমার চরিত্র নয়… আর কখনো এমন হবে না।
’ ডেভিড মোয়েস জানিয়েছেন, সতীর্থদের সামনে দাঁড়িয়ে দুঃখ প্রকাশ করায় গুয়েকে হাততালি দিয়ে সমর্থন দিয়েছে দল।
তবে ইউনাইটেড কোচ রুবেন আমোরিমের মতে, বিষয়টি লাল কার্ডের মতো গুরুতর ছিল না। ‘সতীর্থদের সঙ্গে ঝগড়া হতেই পারে,’ মন্তব্য তার।
অপটা জানায়, ২০০০–০১ মৌসুমের পর এই নিয়ে মাত্র তৃতীয়বার কোনো খেলোয়াড় প্রিমিয়ার লিগে নিজের সহখেলোয়াড়ের সঙ্গে সংঘর্ষে লাল কার্ড দেখলেন। এর আগে বিখ্যাত বাউয়ার–ডায়ার (২০০৫) ও ফুলার–গ্রিফিন (২০০৮) ঘটনার নজির রয়েছে।
১০ জনের দল নিয়েও শেষ পর্যন্ত ১–০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এভারটন। ২৯তম মিনিটে দলের একমাত্র গোল করেন কিয়ারনান ডিউসবেরি-হল। ম্যাচের নায়কও ঘটনাটিকে ‘এক মুহূর্তের উন্মাদনা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১২তম স্থানে উঠে এসেছে এভারটন। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট ও গোল ব্যাবধান নিয়ে ১১তম স্থানে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।
ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে অদ্ভুত এক ঘটনার জন্ম দিলেন এভারটনের ইদ্রিসা গুয়ে। ম্যাচের মাত্র ১৩তম মিনিটে নিজ দলের সঙ্গী মাইকেল কিনের মুখে চড় মেরে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন সেনেগালের এই মিডফিল্ডার।
ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচটি তখনো গোলশূন্য। ব্রুনো ফার্নান্দেসের একটি প্রচেষ্টা বাইরে যাওয়ার পরই হঠাৎ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এভারটন শিবিরে।
‘সম্ভবত’ রক্ষণে বল ক্লিয়ার করতে না পারায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমে ধাক্কাধাক্কিতে জড়ান কিন ও গুয়ে। কিন দু’বার গুয়েকে সরিয়ে দেওয়ার পরই তাকে চড় মেরে বসেন গুয়ে।
ঘটনাস্থলে ছুটে এসে দুজনকে আলাদা করেন গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড। রেফারি টনি হ্যারিংটনও ছিলেন পুরো ঘটনার সরাসরি সামনে।
তাই সিদ্ধান্তে খুব একটা দ্বিধা দেখা যায়নি—সরাসরি লাল কার্ড। পরে ভিএআরের নিশ্চিতকরণও আসে, এ আচরণ স্পষ্টই ‘সহিংসতা’।
ঘটনার পর ম্যাচশেষে ড্রেসিংরুমে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের কাছে ক্ষমা চান গুয়ে। সোশ্যাল মিডিয়ায়ও ক্ষমাপ্রার্থনা করে লেখেন, ‘এটা আমার চরিত্র নয়… আর কখনো এমন হবে না।
’ ডেভিড মোয়েস জানিয়েছেন, সতীর্থদের সামনে দাঁড়িয়ে দুঃখ প্রকাশ করায় গুয়েকে হাততালি দিয়ে সমর্থন দিয়েছে দল।
তবে ইউনাইটেড কোচ রুবেন আমোরিমের মতে, বিষয়টি লাল কার্ডের মতো গুরুতর ছিল না। ‘সতীর্থদের সঙ্গে ঝগড়া হতেই পারে,’ মন্তব্য তার।
অপটা জানায়, ২০০০–০১ মৌসুমের পর এই নিয়ে মাত্র তৃতীয়বার কোনো খেলোয়াড় প্রিমিয়ার লিগে নিজের সহখেলোয়াড়ের সঙ্গে সংঘর্ষে লাল কার্ড দেখলেন। এর আগে বিখ্যাত বাউয়ার–ডায়ার (২০০৫) ও ফুলার–গ্রিফিন (২০০৮) ঘটনার নজির রয়েছে।
১০ জনের দল নিয়েও শেষ পর্যন্ত ১–০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে এভারটন। ২৯তম মিনিটে দলের একমাত্র গোল করেন কিয়ারনান ডিউসবেরি-হল। ম্যাচের নায়কও ঘটনাটিকে ‘এক মুহূর্তের উন্মাদনা’ বলে মন্তব্য করেছেন।
এই জয়ে ১২ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের ১২তম স্থানে উঠে এসেছে এভারটন। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট ও গোল ব্যাবধান নিয়ে ১১তম স্থানে আছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.