
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের প্রক্রিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা সমাধান করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা আমার নতুন যাত্রা তো, এটা একটা সমস্যা হয়েছে। আপনারা ডিজিটালাইজেশনের বিপক্ষে না, এটা আমরা বুঝি। কিন্তু ইট শুড বি ইউজার ফেন্ডলি। ফার্স্ট টাইম যেহেতু বলছি নিশ্চয় এটা প্রবলেম হচ্ছে। ইনশাল্লাহ এটা সমাধান করা হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে এটা জাস্ট অবহিত করা, পারমিশন নিয়ে ঢোকার দরকার নাই।
সিইসি আরও বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার বিষয়টা আমরা সার্কুলার করে নিয়েছি। আমরা ক্লিয়ার দিয়ে দিছি অলরেডি। আমরা আপনাদের কাজটা সহজ করতে চাই। আপনারা থাকলে, আপনাদের চোখ থাকলে, আমার জিনিসটার ট্রান্সপারেন্সি বাড়বে। আমরা চাই যে আপনারা দেখুন, পর্যবেক্ষণ করুন।
তিনি বলেন, আমরা প্রবলেমটা আইডেন্টিফাই করেছি। আমি তো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। কমিশন বৈঠকের পর আপনারা দ্রুত সময় সময়ের মধ্যে ইনশাল্লাহ সিদ্ধান্ত পেয়ে যাবেন।
সভায় রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির সভাপতি কাজী এমাদউদ্দীন (জেবেল), সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ডিইউজে সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাংবাদিকরা রোববারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আলটিমেটাম দেন।
নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধনের দাবি দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত নীতিমালার সংশোধন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন অনলাইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জন্য কার্ড ও স্টিকার আবেদনের নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়। এতে বর্তমানে যেমন সমস্যা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও জটিলতা তৈরি হবে।
কাজী জেবেল আরও বলেন, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী রোববারের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহ, কাভারেজ ও সম্প্রচার বিষয়ে সাংবাদিক নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ডের প্রক্রিয়াটা ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা সমাধান করা হবে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসে তিনি এসব কথা বলেন।
সিইসি বলেন, অনলাইনে সাংবাদিক কার্ড দেওয়ার প্রক্রিয়াটি ইউজার ফ্রেন্ডলি না। এটা আমার নতুন যাত্রা তো, এটা একটা সমস্যা হয়েছে। আপনারা ডিজিটালাইজেশনের বিপক্ষে না, এটা আমরা বুঝি। কিন্তু ইট শুড বি ইউজার ফেন্ডলি। ফার্স্ট টাইম যেহেতু বলছি নিশ্চয় এটা প্রবলেম হচ্ছে। ইনশাল্লাহ এটা সমাধান করা হবে। ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ নিয়ে তিনি বলেন, প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে এটা জাস্ট অবহিত করা, পারমিশন নিয়ে ঢোকার দরকার নাই।
সিইসি আরও বলেন, আপনাদের নিরাপত্তার বিষয়টা আমরা সার্কুলার করে নিয়েছি। আমরা ক্লিয়ার দিয়ে দিছি অলরেডি। আমরা আপনাদের কাজটা সহজ করতে চাই। আপনারা থাকলে, আপনাদের চোখ থাকলে, আমার জিনিসটার ট্রান্সপারেন্সি বাড়বে। আমরা চাই যে আপনারা দেখুন, পর্যবেক্ষণ করুন।
তিনি বলেন, আমরা প্রবলেমটা আইডেন্টিফাই করেছি। আমি তো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। কমিশন বৈঠকের পর আপনারা দ্রুত সময় সময়ের মধ্যে ইনশাল্লাহ সিদ্ধান্ত পেয়ে যাবেন।
সভায় রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির সভাপতি কাজী এমাদউদ্দীন (জেবেল), সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী, ডিইউজে সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সাংবাদিকরা রোববারের মধ্যে সমস্যা সমাধানের আলটিমেটাম দেন।
নির্বাচন কমিশন বিটে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) সভাপতি কাজী জেবেল বলেন, সাংবাদিক নীতিমালা সংশোধনের দাবি দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে একাধিকবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করা হলেও এখন পর্যন্ত নীতিমালার সংশোধন হয়নি।
তিনি আরও বলেন, আমাদের সঙ্গে কোনো চূড়ান্ত আলোচনা ছাড়াই নির্বাচন কমিশন অনলাইনের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জন্য কার্ড ও স্টিকার আবেদনের নতুন একটি অ্যাপ চালু করেছে। এই অ্যাপটি ইউজার ফ্রেন্ডলি নয়। এতে বর্তমানে যেমন সমস্যা হচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও জটিলতা তৈরি হবে।
কাজী জেবেল আরও বলেন, সাংবাদিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আগামী রোববারের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে নির্বাচনে সংবাদ সংগ্রহ, কাভারেজ ও সম্প্রচার বিষয়ে সাংবাদিক নেতারা বৈঠক করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২১
জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ডিবি সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলন দমাতে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ ও তা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে তিনি জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছিলেন।
এদিকে সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দখলে থাকা ঢাকা শহরের একাধিক ফ্ল্যাট রিফাত নিলয়ের তত্ত্বাবধানে ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকা সংগ্রহ করতেন রিফাত। পরে সেই অর্থ বেনজীর আহমেদ ও মনিরুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তারের পর রিফাত নিলয়ের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আন্দোলন দমনে অর্থায়নের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবি সূত্র আরো জানায়, এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাবেক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থা।
জুলাই আন্দোলন দমনে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে পরিচিত রিফাত নিলয় জোয়ার্দারকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গত মঙ্গলবার রাতে রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ডিবির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মো. শফিকুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, রিফাত নিলয়ের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।
ডিবি সূত্র জানায়, জুলাই আন্দোলন দমাতে অর্থের জোগান দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রিফাত নিলয় জোয়ার্দারের বিরুদ্ধে। আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহ ও তা নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজে তিনি জড়িত ছিলেন বলে তদন্তে উঠে এসেছে। একাধিক হত্যা মামলার আসামি হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন তিনি প্রকাশ্যে চলাফেরা করছিলেন।
এদিকে সাবেক এসবি প্রধান মনিরুল ইসলাম ও সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দখলে থাকা ঢাকা শহরের একাধিক ফ্ল্যাট রিফাত নিলয়ের তত্ত্বাবধানে ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, এসব ফ্ল্যাট ভাড়া দিয়ে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকা সংগ্রহ করতেন রিফাত। পরে সেই অর্থ বেনজীর আহমেদ ও মনিরুল ইসলামের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।
গোয়েন্দা কর্মকর্তারা বলছেন, গ্রেপ্তারের পর রিফাত নিলয়ের আর্থিক লেনদেন, সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আন্দোলন দমনে অর্থায়নের নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় আরো কেউ জড়িত আছে কি না, তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে ডিবি।
ডিবি সূত্র আরো জানায়, এই গ্রেপ্তারের মাধ্যমে সাবেক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আর্থিক অনিয়ম ও অবৈধ সম্পদ ব্যবস্থাপনার একটি বড় চিত্র সামনে আসতে পারে বলে মনে করছে তদন্ত সংস্থা।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বাংলাদেশের আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পক্ষ নেবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন।
তিনি বলেন, নির্বাচনের ফলাফল সম্পূর্ণ বাংলাদেশের জনগণের সিদ্ধান্ত। জনগণ যে সরকার নির্বাচিত করবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন এসব কথা বলেন।
এর আগে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাংলাদেশের নির্বাচনে কোনো পক্ষ নেয় না। এই নির্বাচনের ফল কী হবে, তা নির্ধারণ করবেন কেবল বাংলাদেশের জনগণ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যে সরকারকে নির্বাচিত করবে, আমরা তাদের সঙ্গেই ভবিষ্যতে কাজ করতে প্রস্তুত। নির্বাচন প্রস্তুতি প্রসঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও নির্বাচন কমিশন কীভাবে নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, সে বিষয়ে সিইসি তাকে বিস্তারিত অবহিত করেন। এ তথ্যগুলো নিয়ে তিনি সন্তুষ্ট বলেও জানান।
তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে তার নিশ্চিতকরণ শুনানির সময় থেকেই তিনি বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন নিয়ে আগ্রহী ছিলেন। বলেন, আমি নির্বাচনের দিনটির দিকে তাকিয়ে আছি এবং এর ফলাফল দেখার অপেক্ষায়।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, সম্প্রতি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতে তিনি জানতে পেরেছেন যে নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর দিনে পরিণত করার প্রত্যাশা রয়েছে। আমিও আশা করি, এটি একটি উৎসবমুখর নির্বাচন হবে, যেখানে বাংলাদেশের জনগণ নির্বিঘ্নে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে। তবে এ সময় জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন কোনো প্রশ্ন নেবেন না জানিয়ে ‘সরি’ বলে চলে যান।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৪
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের দিন এবং এর আগে-পরে নির্দিষ্ট কিছু যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসির সিদ্ধান্ত অনুসারে, ভোটগ্রহণের দিন ট্রাক, মাইক্রোবাস ও ট্যাক্সি ক্যাবসহ চার ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকবে। এছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর তিন দিনের নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) নির্বাচন পরিচালনা অধিশাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের সই করা এক চিঠিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগকে এ নির্দেশনা বাস্তবায়নের অনুরোধ জানানো হয়।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিবসের পূর্ববর্তী মধ্যরাত অর্থাৎ ১১ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টা ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। অন্যদিকে ১০ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিনগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা বা তিনদিন মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
জরুরি সেবা ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু ক্ষেত্রে এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে; আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসন। অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
জরুরি সেবা যেমন—ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত যানবাহন। বিমানবন্দরে যাওয়া-আসা করার যাত্রী বা আত্মীয়স্বজনের গাড়ি (টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে)।
দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনি এজেন্টের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি গাড়ি (জিপ/কার/মাইক্রোবাস)। টেলিযোগাযোগ সেবায় নিয়োজিত বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এবং আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে। এছাড়া স্থানীয় বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনাররা চাইলে আরও কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে পারবেন বা শিথিল করতে পারবেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.