
২৭ মে, ২০২৫ ১৬:৩০
সরকারি বিভিন্ন সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অনলাইনে ‘এক ঠিকানায় সকল নাগরিক সেবা’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক সেবা বাংলাদেশ।
সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রশিক্ষিত নাগরিক সেবা উদ্যোক্তগণ এই সেবাগুলো নাগরিক সেবা কেন্দ্র থেকে সাধারণ নাগরিকদের প্রদান করবেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গুলশান, উত্তরা ও নীলক্ষেত এলাকায় নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলশান ও উত্তরার কেন্দ্র ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে নীলক্ষেত কেন্দ্রও কার্যক্রম শুরু করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং সরকারের আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই সেবার উদ্বোধন করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে, নানাবিধ হয়রানি রোধে ও ভোগান্তিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”
একইভাবে সেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এক ঠিকানায় প্রয়োজনীয় সকল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও আইসিটি বিভাগকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এই সেবার আওতায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টির জন্য নিয়মিতভাবে সেবার আপডেট ও সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দেন তিনি।
তিনি বলেন, “সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের চেষ্টা হচ্ছে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে যতগুলে সেবা এর আওতায় আনা যায় সবগুলোকে দ্রুত নিয়ে আসা।”
এসময় বিভিন্ন নাগরিক সেবার প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “এমন ব্যবস্থা আমাদেরকে অবশ্যই দাঁড় করাতে হবে যাতে জন্ম গ্রহণ করা মাত্রই শিশুরা জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যায়। এটাই যেন হয় তার নাগরিক স্বীকৃতি।”
নাগরিক সেবা কেন্দ্রের পরিচালনা ও মালিকানা সম্পর্কে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা জায়গার মালিকদের সাথে চুক্তি করে ভাড়া পরিশোধ করবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাড়া হ্রাসকৃত হারে নির্ধারিত হবে। উদ্যোক্তারা নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ইউটিলিটির দায়িত্ব নিবেন। সেবা মান বজায় না রাখলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
তিনি বলেন, "নাগরিক সেবা বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি সেবা প্রদানের প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার একটি আন্দোলন—যার ভিত্তি প্রযুক্তি এবং চালিকা শক্তি স্থানীয় উদ্যোক্তাবৃন্দ। অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সম্প্রসারণশীল এই উদ্যোগ সারাদেশে নাগরিক সেবার আকর্ষণীয় রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হবে।”
আইসিটি বিভাগের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, শূণ্য বাজেটে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের বিদ্যমান সম্পদ বব্যাবহার করেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা বাংলাদেশ" শীর্ষক এই উদ্যোগের মাধ্যমে পোস্ট অফিসসহ অব্যবহৃত সরকারি স্থাপনাগুলোকে রূপান্তর করে আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেসে পরিণত করা হবে এবং সেগুলো স্থানীয় উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, নাগরিকদের জন্য হাঁটা-দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত এই নাগরিক সেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় উদ্যোক্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কর ফাইলিংসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা প্রদান করবেন।
এই মডেলটি যেমন সরকারি সেবা নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য করবে, তেমনি দেশের যুবসমাজ ও নারীদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে জানিয়ে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, “সামাজিক ব্যবসার নীতিমালায় অনুপ্রাণিত ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চালিত এই উদ্যোগ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং নাগরিক ক্ষমতায়নের প্রতিচ্ছবি।”
তিনি বলেন, এই সেবার লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যা নাগরিকদের জন্য কার্যকর এবং সহজলভ্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, নাগরিক সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের মধ্য কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০০ জন নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয়। তাদের ডিজিটাল লিটারেসি, গ্রাহক সেবা ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন উদ্যোক্তাকে (৫০ জন নারী ও ৫০ জন পুরুষ) সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ নূরুল আনোয়ার এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।
সরকারি বিভিন্ন সেবাকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে অনলাইনে ‘এক ঠিকানায় সকল নাগরিক সেবা’ স্লোগানে যাত্রা শুরু করেছে নাগরিক সেবা বাংলাদেশ।
সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস।
প্রশিক্ষিত নাগরিক সেবা উদ্যোক্তগণ এই সেবাগুলো নাগরিক সেবা কেন্দ্র থেকে সাধারণ নাগরিকদের প্রদান করবেন।
পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীর গুলশান, উত্তরা ও নীলক্ষেত এলাকায় নাগরিক সেবা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এরমধ্যে গুলশান ও উত্তরার কেন্দ্র ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে নীলক্ষেত কেন্দ্রও কার্যক্রম শুরু করবে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের উদ্যোগে এবং সরকারের আইসিটি বিভাগের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই সেবার উদ্বোধন করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “দালাল চক্রের দৌরাত্ম্য কমাতে, নানাবিধ হয়রানি রোধে ও ভোগান্তিমুক্ত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগটি যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে।”
একইভাবে সেবার সহজ প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে এক ঠিকানায় প্রয়োজনীয় সকল সেবা পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে প্রবাসী সেবা কেন্দ্র তৈরির বিষয়ে উদ্যোগ নিতেও আইসিটি বিভাগকে নির্দেশনা দেন তিনি।
এই সেবার আওতায় সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে সরকারের সবগুলো মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা সৃষ্টির জন্য নিয়মিতভাবে সেবার আপডেট ও সমন্বয়ের বিষয়ে জোর দেন তিনি।
তিনি বলেন, “সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতা তৈরি করা আমাদের লক্ষ্য। আমাদের চেষ্টা হচ্ছে প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে যতগুলে সেবা এর আওতায় আনা যায় সবগুলোকে দ্রুত নিয়ে আসা।”
এসময় বিভিন্ন নাগরিক সেবার প্রসঙ্গ টেনে প্রফেসর ইউনূস বলেন, “এমন ব্যবস্থা আমাদেরকে অবশ্যই দাঁড় করাতে হবে যাতে জন্ম গ্রহণ করা মাত্রই শিশুরা জন্ম নিবন্ধন সনদ পেয়ে যায়। এটাই যেন হয় তার নাগরিক স্বীকৃতি।”
নাগরিক সেবা কেন্দ্রের পরিচালনা ও মালিকানা সম্পর্কে তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা জায়গার মালিকদের সাথে চুক্তি করে ভাড়া পরিশোধ করবেন। প্রাথমিক পর্যায়ে ভাড়া হ্রাসকৃত হারে নির্ধারিত হবে। উদ্যোক্তারা নিরাপত্তা, রক্ষণাবেক্ষণ ও ইউটিলিটির দায়িত্ব নিবেন। সেবা মান বজায় না রাখলে লাইসেন্স বাতিল হতে পারে।
তিনি বলেন, "নাগরিক সেবা বাংলাদেশ শুধুমাত্র একটি সেবা প্রদানের প্ল্যাটফর্ম নয়, এটি সরকার ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার একটি আন্দোলন—যার ভিত্তি প্রযুক্তি এবং চালিকা শক্তি স্থানীয় উদ্যোক্তাবৃন্দ। অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই ও সম্প্রসারণশীল এই উদ্যোগ সারাদেশে নাগরিক সেবার আকর্ষণীয় রূপান্তর ঘটাতে সক্ষম হবে।”
আইসিটি বিভাগের পক্ষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, শূণ্য বাজেটে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে এটা প্রমাণিত হয়েছে যে দেশের বিদ্যমান সম্পদ বব্যাবহার করেই সামনে এগিয়ে চলা সম্ভব।
তিনি বলেন, নাগরিক সেবা বাংলাদেশ" শীর্ষক এই উদ্যোগের মাধ্যমে পোস্ট অফিসসহ অব্যবহৃত সরকারি স্থাপনাগুলোকে রূপান্তর করে আধুনিক কো-ওয়ার্কিং স্পেসে পরিণত করা হবে এবং সেগুলো স্থানীয় উদ্যোক্তা দ্বারা পরিচালিত হবে।
তিনি জানান, নাগরিকদের জন্য হাঁটা-দূরত্বের মধ্যে অবস্থিত এই নাগরিক সেবা কেন্দ্রগুলোতে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় উদ্যোক্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কর ফাইলিংসহ বিভিন্ন সরকারি ডিজিটাল সেবা প্রদান করবেন।
এই মডেলটি যেমন সরকারি সেবা নাগরিকদের জন্য সহজলভ্য করবে, তেমনি দেশের যুবসমাজ ও নারীদের জন্য অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করবে জানিয়ে ফয়েজ তৈয়্যব বলেন, “সামাজিক ব্যবসার নীতিমালায় অনুপ্রাণিত ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে চালিত এই উদ্যোগ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং নাগরিক ক্ষমতায়নের প্রতিচ্ছবি।”
তিনি বলেন, এই সেবার লক্ষ্য হচ্ছে একটি জাতীয় নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা যা নাগরিকদের জন্য কার্যকর এবং সহজলভ্য ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করবে এবং একই সাথে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, নাগরিক সেবা কেন্দ্রের উদ্যোক্তা হবার জন্য প্রথম ধাপে আবেদনকারীদের মধ্য কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ২০০ জন নারী ও পুরুষ অংশগ্রহণকারী নির্বাচন করা হয়। তাদের ডিজিটাল লিটারেসি, গ্রাহক সেবা ও ডিজিটাল সেবা প্রদানে নিবিড় প্রশিক্ষণ শেষে ১০০ জন উদ্যোক্তাকে (৫০ জন নারী ও ৫০ জন পুরুষ) সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ, ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোঃ নূরুল আনোয়ার এবং জাতীয় পরিচয়পত্র অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ এস এম হুমায়ুন কবীর।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৫:৩০
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।
সৌদি আরবে বিদ্যুতায়িত হয়ে শামীম হোসেন নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার (৪ মে) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
মৃত শামীম হোসেন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহাদান ইউনিয়নের খাগুরিয়া গ্রামের আব্দুল ছালামের বড় ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন। জীবিকার তাগিদে ২০২৪ সালে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি তেল পাম্পে কর্মরত ছিলেন।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে দামাম শহরের একটি বাসার ছাদে শুকনো কাপড় তুলতে যান শামীম। এ সময় অসাবধানতাবশত বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সৌদি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। বর্তমানে তার মরদেহ স্থানীয় একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
পরিবারের সচ্ছলতা ফেরাতে ধার-দেনা করে শামীমকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা আব্দুল ছালাম। ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো পরিবার এখন দিশেহারা।
সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন মোস্তফা শামীমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, একটু সুখের আশায় বিদেশে গিয়ে তরুণের এমন মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সরিষাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আফরোজা আফসানা জানান, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মরদেহের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার সব ধরনের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটিকে সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

০৬ জুন, ২০২৬ ১৪:২৬
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে চুরি ও অর্থপাচারের কারণেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে চাপে জনগণ বলে অভিযোগ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
শনিবার (০৬ জুন) সকালে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আগের সরকারের সময়ে যে চুরি ও অর্থপাচার হয়েছে, তার আর্থিক বোঝা বর্তমান সরকারকেও বহন করতে হচ্ছে।
তবে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব থেকে দেশের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষকে সুরক্ষা দিতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন আরও বলেন, দীর্ঘদিনের দুর্নীতির চক্র থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসা সহজ নয় এবং এ প্রক্রিয়ায় সময় লাগবে।
প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করলেও সরকারের অনুরোধে নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষের কথা বিবেচনা করে শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থাৎ এসব গ্রাহককে অতিরিক্ত কোনো মূল্য পরিশোধ করতে হবে না।
তিনি আরও বলেন, একই বিবেচনায় অকটেন ও পেট্রোলের দাম বাড়ানো হলেও ডিজেলের মূল্য দ্বিতীয় দফায় বাড়ানো হয়নি। ডা. জাহেদ অভিযোগ করেন, অতীতে কিছু প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে দেশের বিদ্যুৎ খাতকে আমদানিনির্ভর করে রাখা হয়েছিল, যার প্রভাব এখনো অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে বিদ্যমান।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৬:১৮
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী কারাগারে থাকার সময় নিয়মিত গানের আসর বসতো, আর সেই আসরের প্রধান শিল্পী ছিলেন সংগীতশিল্পী ও সাবেক সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর নিজ বাসভবনে জেলজীবনের নানা স্মৃতি তুলে ধরতে গিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছেন আইভী।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে স্কুলজীবনের কয়েকজন পুরোনো বন্ধুর সঙ্গে আলাপকালে আইভী জানান, কারাগারে প্রায়ই সাংস্কৃতিক পরিবেশে সময় কাটতো। সেখানে মমতাজ বেগম বিভিন্ন গান পরিবেশন করতেন এবং বন্দিদের মন ভালো রাখার চেষ্টা করতেন।
তবে একটি নির্দিষ্ট গান গাইতে মমতাজকে বারণ করেছিলেন আইভী। ‘আমার ভাইয়েরে কইও নাইওর আনতো গিয়া’ গানটি শুনলেই তার মনে পড়ে যেত সদ্যপ্রয়াত ছোট ভাই আহমদ আলী রেজা রিপনের কথা। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান রিপন। এরপর এক মাসের ব্যবধানে গ্রেফতার হন আইভী।
আইভী জানান, ভাইয়ের মৃত্যুর স্মৃতি এতটাই তীব্র ছিল যে ওই গান শুনলেই তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তেন। তাই তিনি মমতাজকে বলেছিলেন, কারামুক্তির দিন চাইলে গানটি গাইতে পারবেন। কাকতালীয়ভাবে তার মুক্তির দিন বিকেলেই কারাগারের গানের আসরে মমতাজ সেই গানটি পরিবেশন করেন। তখনও আইভী জানতেন না, কয়েক ঘণ্টা পরই তিনি মুক্তি পেতে যাচ্ছেন।
জেলজীবনে তিনি একটি কবিতাও লিখেছেন বলে জানা গেছে। সেই কবিতায় সুর দিয়েছেন মমতাজ বেগম। বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, উপযুক্ত সময়ে গানটি জনসমক্ষে পরিবেশন করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে কবিতা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইভী হেসে বলেন, ‘আমি আবার কী কবিতা লিখি! খুব সাধারণ কিছু লেখা। মমতাজ আপা গুণী শিল্পী বলেই সেটাকে গান বানানোর চেষ্টা করেছেন।’
এদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে আইভীর বাসভবনে দেখা করতে যান সাবেক নারী কাউন্সিলর মিনুয়ারা বেগমসহ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছোট ভাইয়ের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি আইভী। একসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.