চট্টগ্রামের মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আটক ছাত্রলীগ নেতা আরিফের পক্ষে থানায় তদবির করতে আসে শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে শিবির ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। সবশেষ ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (২১ জুলাই) রাত ১১টায় নগরীর চকবাজার থানায় এসব ঘটনা ঘটে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ১টা) প্রায় ৬ রাউন্ড ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
আটক ছাত্রলীগ নেতার নাম মোহাম্মদ আরিফ। তিনি মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা। তিনি ছাত্রলীগ নেতা মিজানের অনুসারী।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা আরিফকে থানায় তুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে চকবাজার থানায় শিবির ও ছাত্রদলের কর্মীদের হাতাহাতি হয়। ছাত্রলীগ নেতা আরিফের পক্ষে শিবিরের নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চকবাজার থানায় অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৬ রাউন্ড ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা চলমান রয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে।
মহসিন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর বলেন, আরিফ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মিজানের অনুসারী। ২০২২ সালে তিনি আমাকে কুপিয়েছিলেন। তার ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় তার সব তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।
সেগুলো নিয়ে তাকে চকবাজার এলাকা থেকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু মহসিন কলেজ ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনসহ অনেকে থানায় যান। তাকে ছাড়িয়া আনার তদবির করে। এ নিয়ে আমরা বিরোধিতা করলে তারা আমাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা ছাত্রদলের ওপর হামলা করে। থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে নিশ্চয়ই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।
মহসিন কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হোসাইন জুমন রাত সাড়ে ১২টায় বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছে শিবির। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। অথচ তারা (শিবির) তার (ছাত্রলীগ নেতা আরিফ) পক্ষ নিয়ে থানায় হামলা চালিয়েছে। ছাত্রদল নেতাদের মারধর করেছে। পুলিশের উপরও হামলা করেছে। সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় আমাদের শত শত নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দিচ্ছে।
তবে শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সাংবাদিকদের একটি গ্রুপে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম উত্তর মহানগরের প্রচার সম্পাদক সিরাজী মানিক দাবি করেছেন, চকবাজারে ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষ চলছে। ছাত্রদলের অভিযোগের বিষয়ে মহসিন কলেজ ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, আরিফ নামে একজনকে একটি পক্ষ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
তবে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন চকবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)। রাত সাড়ে ১২টায় তিনি বলেন, পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কোনো পক্ষই তো নেই, ধাওয়া করবে কারা।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৪
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মো. আলমগীর হোসেন ফরাজী (৪৫) নামে জামায়াতে ইসলামীর এক সাবেক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
আলমগীর শরীফপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খানপুর গ্রামের মৃত ইউনুছ আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় বাজারে কবিরাজি ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি ঝাড়ফুঁক করতেন। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি শরীফপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক, সেক্রেটারি ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দলের কোনো কার্যক্রমে সক্রিয় নন বলে জানিয়েছে স্থানীয় জামায়াত।
মামলার এজাহার ও শিশুটির পরিবারের বরাতে জানা যায়, গত ১৩ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাথাব্যথা নিয়ে আলমগীরের দোকানে যায় শিশুটি। এ সময় ঝাড়ফুঁক করার কথা বলে তাকে বলাৎকার করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ঘটনাটি কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের কাছে পুরো ঘটনা জানায়। এরপর শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ গত রাতে নিজ বাড়ি থেকে আলমগীরকে গ্রেপ্তার করে।
বেগমগঞ্জ মডেল ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মো. শামসুজ্জামান জানান, আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালতে শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের জিআরও মো. সাইফুল ইসলাম জানান, শিশুটির শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ার পর একই আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করার কথা রয়েছে।
এদিকে শরীফপুর ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি মোজাম্মেল হোসেন জানান, আলমগীর ২০২২ সাল পর্যন্ত দলীয় বিভিন্ন পদে থাকলেও বর্তমানে তিনি নিষ্ক্রিয় এবং দলের কার্যক্রমের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৩১
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
চলতি বছরের প্রথম আট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নিখোঁজ ৩৬ শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। একই সময়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু। শিশু নিখোঁজ ও হত্যার ধারাবাহিক ঘটনায় উদ্বেগ বাড়ছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান বলছে, জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন ঘটনায় মোট ১৫৫ শিশু নিহত হয়েছে। এর মধ্যে শারীরিক নির্যাতনে ৬৮, পারিবারিক পরিসরে নির্যাতনে ৪৯, ধর্ষণের পর ২৬ এবং ধর্ষণচেষ্টার পর চার শিশু নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া গুলিতে তিন, গৃহকর্মী হিসেবে নির্যাতনে দুই, উত্ত্যক্তকারীর হাতে দুই এবং অপহরণের পর একজন শিশুকে হত্যা করা হয়েছে।
সম্প্রতি কুমিল্লায় নিখোঁজের পর ১৩ বছরের শিশু ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় শিশু নিখোঁজ ও হত্যার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। এর আগেও নিখোঁজ শিশুদের কারও মরদেহ মাটিচাপা অবস্থায়, আবার কারও মরদেহ নদী বা ডোবা থেকে উদ্ধার হয়েছে।
শুধু হত্যাই নয়, শিশু নিখোঁজের সংখ্যাও উদ্বেগজনক। পুলিশ সদরদপ্তরের ৩ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশে ১৫ হাজার ৭১৭ শিশু নিখোঁজ হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৯ শিশুকে উদ্ধার করা হয়েছে। সেই হিসাবে এখনো নিখোঁজ রয়েছে ২ হাজার ৩৮ শিশু, যা মোট নিখোঁজের প্রায় ১৩ শতাংশ।
আসকের হিসাবে, একই সময়ে আত্মহত্যা, রহস্যজনক মৃত্যু ও মরদেহ উদ্ধারের আরও ৯৯টি ঘটনাও নথিভুক্ত হয়েছে।
২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:১২
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
রাজধানীর ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় শেরেবাংলা নগর থানাধীন ন্যাম ভবনের ৫ নম্বর বিল্ডিংয়ের তৃতীয় তলার ২০৩ নম্বর ফ্ল্যাটে তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তিনি জানান, মরদেহ তখনও ঝুলন্ত অবস্থায় ছিল। ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিম পাঠানো হচ্ছে।
ডিসি তেজগাঁও বলেন, “লাশ এখনও ঝুলন্ত অবস্থায় আছে। সিআইডির ফরেনসিক টিম আসছে। আমরা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিচ্ছি।”
মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ফরেনসিক পরীক্ষা ও তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।

২২ জুলাই, ২০২৫ ১১:৫৭
চট্টগ্রামের মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতাকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। তাদের অভিযোগ, আটক ছাত্রলীগ নেতা আরিফের পক্ষে থানায় তদবির করতে আসে শিবিরের নেতাকর্মীরা। এ নিয়ে শিবির ও ছাত্রদল নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। সবশেষ ছাত্রদল ও শিবিরের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
সোমবার (২১ জুলাই) রাত ১১টায় নগরীর চকবাজার থানায় এসব ঘটনা ঘটে। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত ১টা) প্রায় ৬ রাউন্ড ককটেল বিস্ফোরণের তথ্য পাওয়া গেছে।
আটক ছাত্রলীগ নেতার নাম মোহাম্মদ আরিফ। তিনি মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা। তিনি ছাত্রলীগ নেতা মিজানের অনুসারী।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের নেতা আরিফকে থানায় তুলে দেওয়াকে কেন্দ্র করে চকবাজার থানায় শিবির ও ছাত্রদলের কর্মীদের হাতাহাতি হয়। ছাত্রলীগ নেতা আরিফের পক্ষে শিবিরের নেতাকর্মীরা থানায় অবস্থান নিলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা চকবাজার থানায় অবস্থান নেয়। রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত প্রায় ৬ রাউন্ড ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা চলমান রয়েছে। এই ঘটনা এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে।
মহসিন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর বলেন, আরিফ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মিজানের অনুসারী। ২০২২ সালে তিনি আমাকে কুপিয়েছিলেন। তার ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় তার সব তথ্য-প্রমাণ আমাদের কাছে আছে।
সেগুলো নিয়ে তাকে চকবাজার এলাকা থেকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কিন্তু মহসিন কলেজ ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনসহ অনেকে থানায় যান। তাকে ছাড়িয়া আনার তদবির করে। এ নিয়ে আমরা বিরোধিতা করলে তারা আমাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে তারা ছাত্রদলের ওপর হামলা করে। থানার সিসিটিভি ফুটেজ দেখলে নিশ্চয়ই এর প্রমাণ পাওয়া যাবে।
মহসিন কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফ হোসাইন জুমন রাত সাড়ে ১২টায় বলেন, ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের পুনর্বাসন করছে শিবির। সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। অথচ তারা (শিবির) তার (ছাত্রলীগ নেতা আরিফ) পক্ষ নিয়ে থানায় হামলা চালিয়েছে। ছাত্রদল নেতাদের মারধর করেছে। পুলিশের উপরও হামলা করেছে। সত্যের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় আমাদের শত শত নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া দিচ্ছে।
তবে শিবিরের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সাংবাদিকদের একটি গ্রুপে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের চট্টগ্রাম উত্তর মহানগরের প্রচার সম্পাদক সিরাজী মানিক দাবি করেছেন, চকবাজারে ছাত্রদল-যুবদলের নেতৃত্বে চট্টগ্রাম কলেজ ও মহসিন কলেজ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা হয়েছে। শিক্ষার্থী ও পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষ চলছে। ছাত্রদলের অভিযোগের বিষয়ে মহসিন কলেজ ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল ইসলাম বলেন, আরিফ নামে একজনকে একটি পক্ষ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কোন মামলা নেই। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
তবে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন চকবাজার থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)। রাত সাড়ে ১২টায় তিনি বলেন, পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। কোনো পক্ষই তো নেই, ধাওয়া করবে কারা।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫