
২৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৪:৫২
‘জনকণ্ঠের’ মত ‘মাই টিভি’ দখলে কিছু ব্যক্তি সুপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করিয়েছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৬ মিনিটে নিজের ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি করেন।
নুর স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও সুপরিকল্পিতভাবে কিছু ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করিয়েছে। এতোদিন তারা নগদ ৫ কোটি কিংবা শেয়ার লিখে নেয়ার দেনদরবার করেছে, সমঝোতায় মিলেনি, তাই ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মবের মাধ্যমে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেফতার করিয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তুলে লেখেন, আচ্ছা, এই যে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানার ‘ছাত্র হত্যা’ মামলায় আসামি করে ১ বছর পর গ্রেফতার করানো হয়েছে। মামলার বাদী কি জানে এই মামলায় কাকে কাকে আসামি করা হয়েছে? তৌহিদ আফ্রিদি কিংবা তার বাবা ‘ছাত্র হত্যা’ করেছে এই মামলা প্রমাণ করতে পারবে? তাহলে কেন এই নাটক?
আফ্রিদি যদি লীগের হয়ে কিছু করে থাকে সেজন্য তাকে সুনির্দিষ্টভাবে সেসব অভিযোগে মামলা দেয়া যেত বলে উল্লেখ করে নুর প্রশ্ন করেন, সে ধরনের মামলা না করে কেন তাকে ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ীর ‘ছাত্র হত্যার’ মামলায় ভিত্তিহীনভাবে আসামি করে এক বছর পর গ্রেফতার করানো হলো? এই যে হঠাৎ বিপ্লবের চেতনায় দখলদার হয়ে ওঠা ‘ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল মব’ সৃষ্টিকারী দুর্বৃত্তদের চাপে প্রশাসন মাঝে মাঝে কিছু বিবেচনাহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এর প্রভাব কি প্রশাসন বা আমরা উপলব্ধি করতে পারতেছি?
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, স্বাভাবিকভাবেই সরাসরি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকার ফলে এ দু’জনের গ্রেফতার দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনসহ অনেকক্ষেত্রে রেফারেন্স হবে যে, এভাবে যারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, গণমাধ্যমের মালিক/ব্যবসায়ী/সেলিব্রিটিরাও মবের শিকার হচ্ছে।
তাদেরকেও ঢালাওভাবে আসামি করে প্রশাসন অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হয়রানি, মামলা বাণিজ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীদেরও বেলাতেও রেফারেন্স হিসেবে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন ও অন্যান্য সংস্থা এগুলোকে উদাহরণ হিসেবে তাদের রিপোর্টে তুলে ধরবে (এ বিষয়টি হয়তো সাধারণ মানুষ অনেকেই বুঝবে না, তাদের জন্য বলা; মাঝে মাঝে নিশ্চয়ই দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ পশ্চিমা দেশসমূহ লীগ আমলে বাংলাদেশে বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন নিয়ে রিপোর্ট দিতো) ব্যবহার করবে।
তিনি মনে করেন, এসব ইস্যুতে সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি চাপ বাড়বে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাবে দেশি-বিদেশি চাপে অনেকক্ষেত্রে সরকার/আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ গ্রহণে পিছপা হতে বাধ্য হবে। কার্যত এসব ভুল পদক্ষেপ প্রকারান্তে ফ্যাসিবাদের ফেরারই রাস্তা তৈরিতেই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সবশেষে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও যারা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এগুলো করাচ্ছে তাদের মুখোস উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হোক।
প্রসঙ্গত, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গত ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে গতকাল সোমবার বিকেলে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন মো. আসাদুল হক বাবু। দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত বছরের ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় আসামির তালিকায় নাসির উদ্দীন সাথী ও তৌহিদ আফ্রিদির নামও রয়েছে। মামলায় নাসির উদ্দীন ২২ নম্বর এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
‘জনকণ্ঠের’ মত ‘মাই টিভি’ দখলে কিছু ব্যক্তি সুপরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে মাইটিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করিয়েছে বলে দাবি করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। সোমবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টা ৬ মিনিটে নিজের ফেসবুকে দেয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি করেন।
নুর স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও সুপরিকল্পিতভাবে কিছু ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশে মাই টিভির চেয়ারম্যান নাসির উদ্দীন সাথী ও তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করিয়েছে। এতোদিন তারা নগদ ৫ কোটি কিংবা শেয়ার লিখে নেয়ার দেনদরবার করেছে, সমঝোতায় মিলেনি, তাই ডিজিটাল ও ফিজিক্যাল মবের মাধ্যমে প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে গ্রেফতার করিয়েছে।
তিনি প্রশ্ন তুলে লেখেন, আচ্ছা, এই যে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ী থানার ‘ছাত্র হত্যা’ মামলায় আসামি করে ১ বছর পর গ্রেফতার করানো হয়েছে। মামলার বাদী কি জানে এই মামলায় কাকে কাকে আসামি করা হয়েছে? তৌহিদ আফ্রিদি কিংবা তার বাবা ‘ছাত্র হত্যা’ করেছে এই মামলা প্রমাণ করতে পারবে? তাহলে কেন এই নাটক?
আফ্রিদি যদি লীগের হয়ে কিছু করে থাকে সেজন্য তাকে সুনির্দিষ্টভাবে সেসব অভিযোগে মামলা দেয়া যেত বলে উল্লেখ করে নুর প্রশ্ন করেন, সে ধরনের মামলা না করে কেন তাকে ও তার বাবাকে যাত্রাবাড়ীর ‘ছাত্র হত্যার’ মামলায় ভিত্তিহীনভাবে আসামি করে এক বছর পর গ্রেফতার করানো হলো? এই যে হঠাৎ বিপ্লবের চেতনায় দখলদার হয়ে ওঠা ‘ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল মব’ সৃষ্টিকারী দুর্বৃত্তদের চাপে প্রশাসন মাঝে মাঝে কিছু বিবেচনাহীন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এর প্রভাব কি প্রশাসন বা আমরা উপলব্ধি করতে পারতেছি?
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, স্বাভাবিকভাবেই সরাসরি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত না থাকার ফলে এ দু’জনের গ্রেফতার দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনসহ অনেকক্ষেত্রে রেফারেন্স হবে যে, এভাবে যারা ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, গণমাধ্যমের মালিক/ব্যবসায়ী/সেলিব্রিটিরাও মবের শিকার হচ্ছে।
তাদেরকেও ঢালাওভাবে আসামি করে প্রশাসন অন্যায়ভাবে গ্রেফতার হয়রানি, মামলা বাণিজ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীদেরও বেলাতেও রেফারেন্স হিসেবে দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠন ও অন্যান্য সংস্থা এগুলোকে উদাহরণ হিসেবে তাদের রিপোর্টে তুলে ধরবে (এ বিষয়টি হয়তো সাধারণ মানুষ অনেকেই বুঝবে না, তাদের জন্য বলা; মাঝে মাঝে নিশ্চয়ই দেখেছেন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ পশ্চিমা দেশসমূহ লীগ আমলে বাংলাদেশে বিরোধী দলের ওপর দমন-পীড়ন নিয়ে রিপোর্ট দিতো) ব্যবহার করবে।
তিনি মনে করেন, এসব ইস্যুতে সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি চাপ বাড়বে, ফলে স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাবে দেশি-বিদেশি চাপে অনেকক্ষেত্রে সরকার/আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ গ্রহণে পিছপা হতে বাধ্য হবে। কার্যত এসব ভুল পদক্ষেপ প্রকারান্তে ফ্যাসিবাদের ফেরারই রাস্তা তৈরিতেই সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সবশেষে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুর বলেন, ‘জনকণ্ঠ’ দখলের ন্যায় ‘মাই টিভি’ দখলেও যারা প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে এগুলো করাচ্ছে তাদের মুখোস উন্মোচন করে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হোক।
প্রসঙ্গত, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় গত ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেফতার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পরে গতকাল সোমবার বিকেলে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ীতে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেন মো. আসাদুল হক বাবু। দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিদের ছোঁড়া গুলিতে গুলিবিদ্ধ হন আসাদুল। চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় গত বছরের ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা জয়নাল আবেদীন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় আসামির তালিকায় নাসির উদ্দীন সাথী ও তৌহিদ আফ্রিদির নামও রয়েছে। মামলায় নাসির উদ্দীন ২২ নম্বর এবং তার ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭

০৩ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১১
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৪
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
বগুড়া-৬ (সদর) আসনের উপনির্বাচন সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পূর্বনির্ধারিত বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ সদর উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল তার।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) জেলা প্রশাসন এই সফর বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চের ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে নতুন কোনো তারিখ ঠিক করা হলে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ ও ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তারেক রহমান। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী শপথ গ্রহণের আগে তিনি বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ওই শূন্য আসনে আগামী ৯ এপ্রিল উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।
উপনির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও দলের জেলা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা এই সফর স্থগিতের বিষয়ে বলেন, বগুড়া সদর আসনে বর্তমানে নির্বাচনী তফসিল চলছে। এ সময়ে সরকারের কোনো বিশেষ কর্মসূচি বা ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মতো অনুষ্ঠান হলে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের প্রশ্ন উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নিয়মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তাই বিধি ভঙ্গের সুযোগ না দিতেই তিনি এই সফর স্থগিত করেছেন।
এর আগে গত ২৭ ফেব্রুয়ারি সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম শিবগঞ্জ সফরে এসে জানিয়েছিলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রী ১০ মার্চ বগুড়ায় আসবেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমণকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। তবে নির্বাচনী বিধিনিষেধের কারণে শেষ মুহূর্তে সফরটি পিছিয়ে দেওয়া হলো।
বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে ইতিমধ্যে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির রেজাউল করিম বাদশাসহ ৩ জন। এই আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের ছেড়ে দেওয়া আসন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ রয়েছে।
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলাে আওয়ামী লীগ নেতার জামিনে মুক্তির পর তার বাসায় মিষ্টি নিয়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া কয়েকটি ছবি ঘিরে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গতকাল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আখলাক হায়দার কুমিল্লা কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পর তার বাসায় ফুল ও মিষ্টি নিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে যান উপজেলা বিএনপির আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদক সোহেল আহমেদ।
বুধবার রাতে তাদের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোহেল আহমেদ অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে তিনি বিএনপিতে যোগ দেন। বিএনপিতে সক্রিয় থাকলেও আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত যোগাযোগ রয়েছে বলে স্থানীয়ভাবে গুঞ্জন রয়েছে।
বুড়িচং উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ সুমন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে লেখেন, “আলহামদুলিল্লাহ, বুড়িচং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আখলাক হায়দার ভাই জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। সাথে কফি হাউজের সোহেল ভাইও আছে। উনি থানা বিএনপির নেতা হইলেও আখলাক ভাইয়ের কলিজার লোক। বিএনপির বড় ডোনার।”
কারাগার থেকে মুক্তির পর আখলাক হায়দারের বাসায় যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে সোহেল আহমেদ বলেন, “বাসায় যাওয়া কি অন্যায়? এবার আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি পাস করতে পারত না।
আমার কাছে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সব সমান।” তার এই বক্তব্য ঘিরে বুড়িচংয়ের রাজনৈতিক অঙ্গনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। কেউ এটিকে ব্যক্তিগত সৌজন্য সাক্ষাৎ হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ রাজনৈতিক সমঝোতার ইঙ্গিত খুঁজছেন।