
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:৫৬
পটুয়াখালীর মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল ও চক্ষু সেবা কেন্দ্রে চলছে নিয়মবহির্ভূত চিকিৎসা কার্যক্রম। ডাক্তার না হয়েও নামের আগে লেখেন ডাক্তার। তিন থেকে পাঁচশ টাকা ভিজিট নিয়ে করেছেন প্রতারণা। প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান নিয়ে রোগী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
সেখানে নিজে চোখের চিকিৎসক না হলেও ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসা দেন হারুন। একইভাবে তার ভাই হাকিম কলাপাড়াতে সাজেন দাঁতের চিকিৎসক, মহিপুরে সাজেন চক্ষু চিকিৎসক। এভাবেই দিনের পরে দিন প্রতারণা করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদনান (৪) নামের এক শিশুকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন আদনানের পরিবার। চক্ষু সেবা কেন্দ্রের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার আব্দুল হাকিমের কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে তাকে না পেয়ে সাইনবোর্ড দেওয়া নম্বরে কল দিলে হাকিম কথা বলেন। কিছুক্ষণ পরে তার ভাই হারুন এসে হাকিম সেজে তার ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসা দেন।
বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ডাক্তার হাকিমকে ছবি দেখিয়ে তার প্যাড ব্যবহার করে চিকিৎসা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সরাসরি চিকিৎসক নই, তবে যা লিখেছি তাতে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।’
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এশিয়া ডেন্টালে এমন অনিয়ম চলছে। রোগীদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এদিকে হাকিমের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজে না থেকে অন্যদের দিয়ে নিজের নাম-ঠিকানা সম্বলিত প্যাডে রোগীদের প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন। মহিপুরে সদরের চক্ষু সেবা কেন্দ্রে সাজেন চোখের ডাক্তার, কলাপাড়া উপজেলাতে সাজেন দাঁতের ডাক্তার। এভাবেই প্রতারণা করে রোগীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। এমন অহরহ অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
মহিপুর এলাকার সেরাজপুরের বাসিন্দা মো. শাহ-জাহান কাজী বলেন, এই হারুনতো দাঁতের চিকিৎসাই ভুল করে, সেখানে অন্য চিকিৎসা দেয় কেমনে? সেরাজপুরের হারুন মাঝির সমস্যা এক দাঁতে, তিনি তুলে দিয়েছেন অন্য দাঁত। এটা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মহিপুরের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বলেন, আমরা জানি সে দাঁতের চিকিৎসা দেন, তার ভাই চোখের চিকিৎসা দেন৷ তবে সেও তার ভাইয়ের প্রেসক্রিপশনে চোখের চিকিৎসা দেন। এগুলো নিয়ে প্রায়ই রোগীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। কিন্তু সেটা বন্ধ হচ্ছে না, সে দিয়েই যাচ্ছে। তার চোখের বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন অর রশীদ বলেন, আমার ভাইয়ের (আ. হাকিমের) চেম্বারে গিয়ে রোগীর ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে তাকে পাঠাই। তার লেখা ওষুধগুলো তার প্যাডে রোগীকে লিখে দিই। অন্যের প্যাডে বা ফোন কলের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা উচিৎ কিনা সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে হাকিমের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় জানার পরই কোনো প্রশ্ন না শুনেই তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। মোবাইল ফোনে কোনো কথা বলবেন না বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, একজনের ব্যবস্থাপত্রে অন্য কেউ চিকিৎসা দেওয়ায় সুযোগ নেই। শীঘ্রই বিষয়টি খতিয়ে দেখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতা নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, একজনের প্যাডে অন্য কেউ প্রেসক্রাইব করার সুযোগ নেই। এটা অপরাধ, খোঁজ-খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগে জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল।
পটুয়াখালীর মহিপুর সদরের এশিয়া ডেন্টাল ও চক্ষু সেবা কেন্দ্রে চলছে নিয়মবহির্ভূত চিকিৎসা কার্যক্রম। ডাক্তার না হয়েও নামের আগে লেখেন ডাক্তার। তিন থেকে পাঁচশ টাকা ভিজিট নিয়ে করেছেন প্রতারণা। প্রতিষ্ঠানটির সেবার মান নিয়ে রোগী ও এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
সেখানে নিজে চোখের চিকিৎসক না হলেও ভাইয়ের ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসা দেন হারুন। একইভাবে তার ভাই হাকিম কলাপাড়াতে সাজেন দাঁতের চিকিৎসক, মহিপুরে সাজেন চক্ষু চিকিৎসক। এভাবেই দিনের পরে দিন প্রতারণা করে যাচ্ছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আদনান (৪) নামের এক শিশুকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে বিপাকে পড়েন আদনানের পরিবার। চক্ষু সেবা কেন্দ্রের স্বত্বাধিকারী ডাক্তার আব্দুল হাকিমের কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে তাকে না পেয়ে সাইনবোর্ড দেওয়া নম্বরে কল দিলে হাকিম কথা বলেন। কিছুক্ষণ পরে তার ভাই হারুন এসে হাকিম সেজে তার ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসা দেন।
বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত হারুন অর রশীদ বলেন, ‘ডাক্তার হাকিমকে ছবি দেখিয়ে তার প্যাড ব্যবহার করে চিকিৎসা দিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি সরাসরি চিকিৎসক নই, তবে যা লিখেছি তাতে রোগী সুস্থ হয়ে যাবে।’
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এশিয়া ডেন্টালে এমন অনিয়ম চলছে। রোগীদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এতে অনেক রোগী সঠিক চিকিৎসার অভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
এদিকে হাকিমের বিরুদ্ধেও একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজে না থেকে অন্যদের দিয়ে নিজের নাম-ঠিকানা সম্বলিত প্যাডে রোগীদের প্রেসক্রিপশন দিচ্ছেন। মহিপুরে সদরের চক্ষু সেবা কেন্দ্রে সাজেন চোখের ডাক্তার, কলাপাড়া উপজেলাতে সাজেন দাঁতের ডাক্তার। এভাবেই প্রতারণা করে রোগীদের কাছ থেকে প্রতিমাসে হাতিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা। এমন অহরহ অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে।
মহিপুর এলাকার সেরাজপুরের বাসিন্দা মো. শাহ-জাহান কাজী বলেন, এই হারুনতো দাঁতের চিকিৎসাই ভুল করে, সেখানে অন্য চিকিৎসা দেয় কেমনে? সেরাজপুরের হারুন মাঝির সমস্যা এক দাঁতে, তিনি তুলে দিয়েছেন অন্য দাঁত। এটা নিয়ে অনেক ঝামেলা হয়েছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
মহিপুরের বাসিন্দা সোহেল হাওলাদার বলেন, আমরা জানি সে দাঁতের চিকিৎসা দেন, তার ভাই চোখের চিকিৎসা দেন৷ তবে সেও তার ভাইয়ের প্রেসক্রিপশনে চোখের চিকিৎসা দেন। এগুলো নিয়ে প্রায়ই রোগীদের সঙ্গে ঝামেলা হয়। কিন্তু সেটা বন্ধ হচ্ছে না, সে দিয়েই যাচ্ছে। তার চোখের বিষয়ে কোনো ধারণা নেই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুন অর রশীদ বলেন, আমার ভাইয়ের (আ. হাকিমের) চেম্বারে গিয়ে রোগীর ছবি তুলে হোয়াটসঅ্যাপে তাকে পাঠাই। তার লেখা ওষুধগুলো তার প্যাডে রোগীকে লিখে দিই। অন্যের প্যাডে বা ফোন কলের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা উচিৎ কিনা সে বিষয়ে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে হাকিমের মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় জানার পরই কোনো প্রশ্ন না শুনেই তার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। মোবাইল ফোনে কোনো কথা বলবেন না বলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন।
এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর প্রসাদ অধিকারী বলেন, একজনের ব্যবস্থাপত্রে অন্য কেউ চিকিৎসা দেওয়ায় সুযোগ নেই। শীঘ্রই বিষয়টি খতিয়ে দেখে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সহযোগিতা নিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।
পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, একজনের প্যাডে অন্য কেউ প্রেসক্রাইব করার সুযোগ নেই। এটা অপরাধ, খোঁজ-খবর নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ বিষয়ে প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগে জরুরি তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী রোগী ও সচেতন মহল।

০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:২৪
পটুয়াাখালীর বাউফলে আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ও ডাকাত দলের সরদার মো. বাচ্চু সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভীর রাতে বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানার কালিজিরা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার বাচ্চু সরদার বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি আলম সরদারের ছেলে।
র্যাব ও বাউফল থানা সূত্রে জানায়, গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ রাতে বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আজাহার জোমাদ্দারের বাড়িতে ৬/৭ সদস্যের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে তারা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং পায় ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাউফল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন।
র্যাবের দাবি, ঘটনার পর থেকেই বাচ্চু সরদার আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫২
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের মোটরসাইকেল মিছিলে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের হামলার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সাত মিনিট ২৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি বুধবার (১ জুলাই) ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গত শনিবার (২৭ জুন) রাত ৯টার দিকে প্রায় অর্ধশতাধিক মোটরসাইকেল নিয়ে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একটি মিছিল বের করেন। মিছিলটি কালাইয়া বেইলি ব্রিজ থেকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছানো মাত্রই ৩০-৩৫ নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ কর্মীরা অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এ সময় তারা এলোপাতাড়ি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির বিষয়ে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আলী আযম চৌধুরী বলেন, হামলার সময় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে কয়েকজন ছাত্রশিবিরের কর্মীও সরাসরি জড়িত ছিলেন। তারা এক সময় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। হামলায় বিএনপির ৮ থেকে ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন এবং ২০ থেকে ২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়।
হামলার ঘটনায় দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মামুন বাদী হয়ে ৩৯ জনকে আসামি করে বাউফল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে বাউফল থানা পুলিশ মঙ্গলবার (৩০ জুন) বিকেলে এজাহারভুক্ত আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করেছে। ইমরান কালাইয়া ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিষয়ে তদন্ত করেছি। মামলার এজাহারভুক্ত এক আসামি ইমরানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অন্য হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
পটুয়াাখালীর বাউফলে আলোচিত একটি ডাকাতি মামলার দীর্ঘদিনের পলাতক আসামি ও ডাকাত দলের সরদার মো. বাচ্চু সরদারকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৮। মঙ্গলবার (৩০ জুন) গভীর রাতে বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানার কালিজিরা বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার বাচ্চু সরদার বাউফল উপজেলার কালাইয়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি আলম সরদারের ছেলে।
র্যাব ও বাউফল থানা সূত্রে জানায়, গত ২৪ আগস্ট ২০২৫ রাতে বাউফল উপজেলার বাসিন্দা আজাহার জোমাদ্দারের বাড়িতে ৬/৭ সদস্যের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে তারা নগদ ৫ লাখ টাকা এবং পায় ৪৩ লাখ ৩৯ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাউফল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন।
র্যাবের দাবি, ঘটনার পর থেকেই বাচ্চু সরদার আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করেন। দীর্ঘদিনের গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৮ এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান (পিপিএম-সেবা) বিষয়টি নিশ্চিত করে বরিশালটাইমসকে জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বরিশাল মহানগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে কুয়াকাটা-ভাঙ্গা ৬ লেন সড়ক, পর্যটনশিল্প বিকাশে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, পায়রা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নির্মাণ, কুয়াকাটা উপজেলায় রূপান্তর, ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ভোলার গ্যাস দিয়ে শিল্পাঞ্চল (ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী) গড়ে তোলাসহ ৯ দফা দাবিতে ৩০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পায়রা বন্দরের ৬ লেন সড়ক পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন (টোয়াক), হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠী, কলাপাড়া ও কুয়াকাটা নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা আলাদা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন। এতে কয়েক হাজার মানুষ এ দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে শামিল হন।
দক্ষিণাঞ্চলের ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ও দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা বর্তমানে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কটি দ্রুত ৬ লেন করার দাবি দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে কুয়াকাটা পর্যটন তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে, পায়রা বন্দর, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন, লাইট হাউসসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই কুয়াকাটা এখন অবহেলিত। দক্ষিণাঞ্চলের মেঘা প্রকল্পে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৮ দফা দাবিতে রাস্তায় নামে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এবং দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পটুয়াখালীর সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক। তবে এটি জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়ন হলে যাতায়াত আরও নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
অপরদিকে কুয়াকাটায় ৩ তারকা মানের হোটেলসহ ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গড়ে উঠছে। হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিশ্চয়তায় কুয়াকাটা উপজেলা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন কুয়াকাটার নাগরিক সমাজ।
মানববন্ধনে তারা ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটাকে উপজেলায় রূপান্তর, পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গ চালু, কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের দাবিতে কুয়াকাটা-ভাঙ্গা ৬ লেন সড়ক, পর্যটনশিল্প বিকাশে কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন, পায়রা বন্দরকে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটায় বিমানবন্দর নির্মাণ, কুয়াকাটা উপজেলায় রূপান্তর, ভাঙ্গা রেলস্টেশন থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত রেল সংযোগ, নদীভাঙন রোধে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, বরিশাল-ভোলা সেতু নির্মাণ, ভোলার গ্যাস দিয়ে শিল্পাঞ্চল (ভোলা-বরিশাল-পটুয়াখালী) গড়ে তোলাসহ ৯ দফা দাবিতে ৩০ কিলোমিটার সড়কজুড়ে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত দুই ঘণ্টাব্যাপী কুয়াকাটা-ঢাকা মহাসড়কের পায়রা বন্দরের ৬ লেন সড়ক পর্যন্ত এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন (টোয়াক), হোটেল মোটেল এমপ্লয়িজ অ্যাসোসিয়েশন, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব, মহিপুর প্রেসক্লাব, কলাপাড়া প্রেসক্লাব, কুয়াকাটা শিল্পী গোষ্ঠী, কলাপাড়া ও কুয়াকাটা নাগরিক সমাজসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন আলাদা আলাদা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে এতে অংশগ্রহণ করেন। এতে কয়েক হাজার মানুষ এ দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধনে শামিল হন।
দক্ষিণাঞ্চলের ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানজট ও দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা বর্তমানে জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মহাসড়কটি দ্রুত ৬ লেন করার দাবি দীর্ঘদিনের। অন্যদিকে কুয়াকাটা পর্যটন তথা দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়ন হয়েছে, পায়রা বন্দর, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন, লাইট হাউসসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, সেই কুয়াকাটা এখন অবহেলিত। দক্ষিণাঞ্চলের মেঘা প্রকল্পে কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ ৮ দফা দাবিতে রাস্তায় নামে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘দেশের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটা এবং দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলা পটুয়াখালীর সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক। তবে এটি জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, ‘পর্যটন শিল্পের বিকাশ, ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্প্রসারণ এবং দক্ষিণাঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করা সময়ের দাবি। এটি বাস্তবায়ন হলে যাতায়াত আরও নিরাপদ, দ্রুত ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।
অপরদিকে কুয়াকাটায় ৩ তারকা মানের হোটেলসহ ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেল রিসোর্ট গড়ে উঠছে। হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে। এসব বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ নিশ্চয়তায় কুয়াকাটা উপজেলা সময়ের দাবি বলে মনে করছেন কুয়াকাটার নাগরিক সমাজ।
মানববন্ধনে তারা ভাঙ্গা-কুয়াকাটা মহাসড়ক দ্রুত ৬ লেনে উন্নীতকরণ, কুয়াকাটাকে উপজেলায় রূপান্তর, পায়রা বন্দর পূর্ণাঙ্গ চালু, কুয়াকাটা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনসহ ৯ দফা দাবি বাস্তবায়নে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
০২ জুলাই, ২০২৬ ১০:৫১
০১ জুলাই, ২০২৬ ২০:৫৩
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:২৯
০১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:১৫