Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৬
নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬৩ জনের নাম উল্লেখ এবং ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে এই মামলাটি করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মধ্যরাতে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। পরে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের সবাই স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে মাছুম মোস্তফা একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। পথে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উপজেলা সদরের আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান গাড়িতে জ্বালানির জন্য।
পরে গাড়ি রেখে ফিলিং স্টেশনেই মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য যান। কিছুক্ষণ পর ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন যুবক পাম্পে এসে মোটরসাইকেলে তেল নিতে চান এবং সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এ সময় মাছুম মোস্তফা নামাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা তাকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
ভাঙচুরের ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারসহ পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর রাত ১০টার দিকে মাছুম মোস্তফা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মাছুম মোস্তফা ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকালকে সন্ধ্যায় পেট্রোল পাম্পে নামাজরত অবস্থায় তারা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে। নামাজ শেষে বের হয়ে আমি এ বিষয়ে জানতে গেলে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। মুসল্লিরা তখন আমাকে মসজিদের ভেতরে নিরাপদে রাখেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে আমাকে উদ্ধার করেন। ঘটনায় আমার ব্যক্তিগত সহকারী আল আমিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু তাহের তালুকদার ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। সংসদ সদস্যের ওপর হামলার বিষয়টি শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলি।। এখন শুনছি উল্টো আমাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন যাবত আমাদের এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে। এর অন্যতম কারণ তারা সোশ্যাল মিডিয়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এ নিয়ে গত দুই দিন পূর্বধলাতে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এরই জের ধরে গতকালকে হয়তো এ ধরনের আপত্তিকর ঘটনা ঘটেছে, যা কাম্য নয়।
মামলার বিষয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম জানান, মামলা দায়েরের পর ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে অভিযান চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা–৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাছুম মোস্তফা ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার পান ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট।
নেত্রকোণা-৫ (পূর্বধলা) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফাকে অবরুদ্ধ করে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় পূর্বধলা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবু তাহের তালুকদারকে প্রধান আসামি করে ৬৩ জনের নাম উল্লেখ এবং ৫০ থেকে ৬০ জনকে অজ্ঞাত আসামি হিসেবে এই মামলাটি করা হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) মধ্যরাতে মাছুম মোস্তফার ব্যক্তিগত সহকারী মো. আল আমিন বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় মামলাটি করেন। পরে অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিদের সবাই স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গতকাল বিকেলে মাছুম মোস্তফা একটি মাদ্রাসার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে উপজেলা সদরে ফিরছিলেন। পথে শ্যামগঞ্জ-বিরিশিরি সড়কের উপজেলা সদরের আতকাপাড়া গিরিপথ ফিলিং স্টেশনে যান গাড়িতে জ্বালানির জন্য।
পরে গাড়ি রেখে ফিলিং স্টেশনেই মাগরিবের নামাজ আদায় করার জন্য যান। কিছুক্ষণ পর ১৫টির মতো মোটরসাইকেলে ২৫ থেকে ৩০ জন যুবক পাম্পে এসে মোটরসাইকেলে তেল নিতে চান এবং সেখানে হট্টগোল সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা মাছুম মোস্তফার গাড়িতে ভাঙচুর চালান। এ সময় মাছুম মোস্তফা নামাজ শেষ করে ঘর থেকে বের হতে চাইলে বিক্ষুব্ধ যুবকেরা তাকে ধাওয়া করে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
ভাঙচুরের ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর উপজেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারসহ পূর্বধলা থানা থেকে আরও পুলিশ সদস্য এসে সংসদ সদস্যকে সেখান থেকে উদ্ধার করেন। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো গাড়িতে করে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
এরপর রাত ১০টার দিকে মাছুম মোস্তফা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি দাবি করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী এবং তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালানো হয়।
মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে মাছুম মোস্তফা ঢাকা পোস্টকে বলেন, গতকালকে সন্ধ্যায় পেট্রোল পাম্পে নামাজরত অবস্থায় তারা আমার গাড়ি ভাঙচুর করে। নামাজ শেষে বের হয়ে আমি এ বিষয়ে জানতে গেলে তারা আমার ওপর হামলা চালায়। মুসল্লিরা তখন আমাকে মসজিদের ভেতরে নিরাপদে রাখেন। পরে পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসে আমাকে উদ্ধার করেন। ঘটনায় আমার ব্যক্তিগত সহকারী আল আমিন বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে আবু তাহের তালুকদার ঢাকা পোস্টকে বলেন, ওই সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। সংসদ সদস্যের ওপর হামলার বিষয়টি শোনার সঙ্গে সঙ্গে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক বাবুল আলম তালুকদারকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে বলি।। এখন শুনছি উল্টো আমাকে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গত কয়েকদিন যাবত আমাদের এলাকায় উত্তেজনায় বিরাজ করছে। এর অন্যতম কারণ তারা সোশ্যাল মিডিয়াতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছেন, যা নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এ নিয়ে গত দুই দিন পূর্বধলাতে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। এরই জের ধরে গতকালকে হয়তো এ ধরনের আপত্তিকর ঘটনা ঘটেছে, যা কাম্য নয়।
মামলার বিষয়ে পূর্বধলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম জানান, মামলা দায়েরের পর ইতোমধ্যে নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাদেরকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে অভিযান চলমান রয়েছে।
প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নেত্রকোণা–৫ (পূর্বধলা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাছুম মোস্তফা ৮২ হাজার ১৭৭ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী আবু তাহের তালুকদার পান ৭৯ হাজার ৪১২ ভোট।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারকে ভূতে ধরেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই তারা এ দেশের মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে; এ দেশের জনজীবনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেই দেশের জনজীবন সংকটে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানামুখী সংকটে রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সারের সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং গ্যাস সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে চাপে ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদনশীল খাতে স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক শিল্পকারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও ঋণের চাপ বাড়ায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
জকসু ভিপি অভিযোগ করেন, এসব সমস্যার সমাধান না করে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি সরাতে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করা হলে আবারও আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।
সমাবেশ থেকে তিনি সরকারকে গণভোটের রায় এবং ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। তার মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মাজহারুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ আবারও আন্দোলনে নামতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯
দেশের উত্তরের জনপদে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগের কালবৈশাখী ঝড়। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালী, রাঙামাটি, বান্দরবান, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেশের কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিএনপি প্রত্যেকটি বিষয়ে পালিয়ে যাওয়া ফ্যাসিবাদের রাস্তা ধরে হাঁটা শুরু করেছে।
তিনি বলেন, বিএনপির সঙ্গে আমরা একসময় একসঙ্গে মজলুম ছিলাম। আমি বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই- আপনারা হাজার চেষ্টা করলেও ওই আওয়ামী লীগ হতে পারবেন না; বড়জোর দুর্বল আওয়ামী লীগ হতে পারবেন। যে আওয়ামী লীগ একসময় পুরো জাতিকে নিয়ে কিংবা বিরোধী দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করত, আজ তাদের কী দশা? আপনারা ঠিক একই কাজ শুরু করেছেন।
তিনি সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগ তাদের পোষ্য লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরে কর্তৃত্ব কায়েম করেছিল। কিন্তু আজ তাদের সেই দুর্দিনে কোনো লাঠিয়াল পাশে এসে দাঁড়ায়নি।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এ সব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রের মৌলিক যে সমস্ত জায়গায় পরিবর্তন দরকার, সুশাসন কায়েমের জন্য সত্যিকারের স্বাধীনতার স্বাদ জনগণকে দেওয়ার জন্য প্রত্যেকটি বিষয়ে বিএনপি বিরোধিতা করে চলছে। এটি জাতির সঙ্গে সুস্পষ্ট প্রতারণা।
তিনি বলেন, বিএনপি তাদের দেওয়া ৩১ তফা কর্মসূচি সংস্কারের তাদের ইশতেহারেই তারা বিরোধিতা করছে। আমার মনে হয়, তারা যে বিরোধিতা করছে এই জ্ঞানটাও বোধহয় তারা হারিয়ে ফেলেছে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ভুলে যাবেন না। এই জুলাই না হলে, এই মায়েদের, এই বাবাদের, এই ভাইদের, এই বোনদের, সন্তান, স্বামী, ভাই, বোন জীবন না দিলে আজকে আপনারা ক্ষমতার এনজয় করতে পারতেন না। ক্ষমতায় আসার আগেই আপনারা ভুলেছিলেন, শহীদ পরিবার যখন বুকে কষ্ট নিয়ে কান্নাকাটি করছিল। শহীদ পরিবারের কাছে তখন আপনাদের ছুটে যাওয়ার সময় ছিল না। আপনারা ৫ আগস্টের পর ৭ আগস্ট পার্টি অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে বললেন আমাদের নির্বাচন দাও আমরা ক্ষমতায় বসতে চাই। শহীদ পরিবারের দুঃখ আপনাদের অন্তরকে স্পর্শ করেনি। আহত বন্ধুদের নিয়ে আপনাদের কোনো কর্মসূচি, ভাবনা জাতি দেখেনি। কিন্তু এই বিপ্লবের বেনিফিশিয়ারি আপনারা।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যারা বিদেশে ছিলেন, স্বদেশে আসার সুযোগ পেয়েছেন। এই বিপ্লব না হলে আপনারা বোধহয় কল্পনাও করতেন না দেশে ফিরে আসার। আমার জেলের সহকর্মী পার্টনার আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা জেলে ছিলেন একসঙ্গেই ছিলাম তারা হতাশা ব্যক্ত করে বলতেন ৪১ এর আগে হাসিনা এবং আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো সম্ভব না। ২৪ এর অভ্যুত্থানের পরে যখন বঙ্গভবনে শপথ নিলেন উপদেষ্টারা বিএনপির বাংলাদেশে উপস্থিত সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতার আমি পাশাপাশি ছিলাম। উনি আমাকে জিজ্ঞেস করলেন এটা কি হলো? আমি কিছু না বলে আসমানের দিকে আমার এই আঙুলটা উঠলো। তিনি বললেন আসলেই এটা খোদার দান। এটাই মিরাকল। সেই খোদার দান ভুলে গেলেন। এখন কেউ কেউ দাবি করে অমুক আন্দোলনের মাস্টার মাইন্ড। অমুকের নেতৃত্বে আন্দোলন সফল হয়েছে। এগুলো সব ভুয়া।
তিনি বলেন, আমরা কারো ন্যাজ্য অবদানকে কখনো অস্বীকার করি না। আন্দোলন আমরা সবাই করেছি। কিন্তু আমরা তীরে ফিরতে পারি নাই। আমাদের তরি সমুদ্রে ভাসমান ছিল। জুলাই আন্দোলনের নায়করা এই তরি নিয়ে ঘাটে বেড়েছে। জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছে। তাদের সম্মান করতে, ভালোবাসতে শিখুন। তাদের নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করবেন না। আপামর স্বার্থ সমাজ জীবন বাঁচিয়ে রেখে তখন জাপিয়ে পড়েছিল। শ্রমিকরা পাশে দাঁড়িয়েছিল। মায়েরা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। স্ত্রী তার স্বামীকে পানি এগিয়ে দিয়েছিল। সন্তান কোলে নিয়ে মা রাস্তায় নেমে এসেছিলেন। এই দিনগুলো ভুলে যাবেন না।
জামায়াতে আমির আরও বলেন, সংসদে আমরা প্রথম দিনে দাবি তুলেছি, আমরা শপথ নিয়েছি, তারা শপথ নেন নাই। জাতির সঙ্গে দেওয়া ওয়াদা ভঙ্গ করে তারা প্রতারণা করেছে। এরপরে যখন জাতিকে প্রতারিত করা হয়েছে, আমরা নোটিশ দিয়ে আলোচনার ব্যবস্থা করেছি। তারা তার বিরোধিতা করেছে। যে আইনগুলো সংশোধন না হলে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন না হলে, ফ্যাসিবাদী শাসনের পরিবর্তন হবে না। সবগুলো আগের স্বৈরাচারী সরকারের মতো রাখার পক্ষে তারা অবস্থান নিয়েছে। আমরা বিএনপিকে পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছি সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন জায়গায়, জায়গায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, এমনকি এখান থেকে মাত্র কয়েক গোজ দূরে মানুষের আইনের আশ্রয়ের থানার ভেতরে ঢুকে দুঃখজনকভাবে ডাকসুর নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ওপরে হামলা করা হয়েছে। বার্তা পরিষ্কার যেদিন তারা গণভোটের রায় অস্বীকার করেছেন আমি বলেছিলাম বিএনপি আজকে থেকে ফ্যাসিবাদের পথে যাত্রা শুরু করল। এটা ফ্যাসিবাদ।
তিনি বলেন, এ বাংলাদেশ আমরা চাই না। আমরা পরিবর্তনের বাংলাদেশ চাই। যেই বাংলাদেশে শিশু যখন ঘর থেকে বের হবে, কিশোর যখন বের হবে, যুবক যুবতীরা বের হবে, আমার মা বোনেরা বের হবে, তখন কারো বুক কাঁপবে না। নিরাপত্তার সঙ্গে বের হবে। আমরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমাদের সন্তানদের হাতে দা কুড়াল দেখতে চাই না। আমরা খাতা এবং কলম দেখতে চাই। আমরা কোনো আদুভাই, দাদুভাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে আমাদের সন্তানদের পথ আটকাবে আমরা এটা দেখতে চাই না। এই সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে। যদি বন্ধ না করেন, মনে রাখবেন জুলাই শুধু ২৪ সালে ছিল না। জুলাই প্রত্যেক বসরে আসে। সে জুলাই আবার ফিরে আসবে। তখন ফাইনালি ফ্যাসিবাদের কবর রচনা হবে। শুভ বুদ্ধির উদয় হোক জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান দেখান। ৭০ ভাগ মানুষের রায় মেনে নিন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন যদি না করেন, আমাদের লড়াই সংসদের ভেতরেও চলবে, খোলা ময়দানেও চলবে ইনশাআল্লাহ।
বরিশাল টাইমস
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) মুহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম বলেছেন, বর্তমান সরকারকে ভূতে ধরেছে। তারা যখনই ক্ষমতায় এসেছে, তখনই তারা এ দেশের মানুষের জীবনকে বিপর্যস্ত করেছে; এ দেশের জনজীবনকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
রিয়াজুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এলেই দেশের জনজীবন সংকটে পড়ে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠে। তিনি অভিযোগ করেন, অতীতের মতো বর্তমান সময়েও কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ নানামুখী সংকটে রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সারের সংকট, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বিদ্যুৎ ঘাটতি এবং গ্যাস সংকট দেশের অর্থনীতি ও শিল্প খাতকে চাপে ফেলছে।
তিনি আরও বলেন, উৎপাদনশীল খাতে স্থবিরতা তৈরি হচ্ছে এবং অনেক শিল্পকারখানা গ্যাস ও বিদ্যুতের অভাবে বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও ঋণের চাপ বাড়ায় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।
জকসু ভিপি অভিযোগ করেন, এসব সমস্যার সমাধান না করে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি সরাতে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা উপেক্ষা করা হলে আবারও আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে।
সমাবেশ থেকে তিনি সরকারকে গণভোটের রায় এবং ‘জুলাই সনদ’ দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
এদিকে, সমাবেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলামও বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে জনগণের মতামত প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। তার মতে, দেশের বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন।
মাজহারুল ইসলাম আরও বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় ছাত্রসমাজ আবারও আন্দোলনে নামতে পারে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণভোটের বাস্তবায়ন এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
দেশের উত্তরের জনপদে ধেয়ে আসছে ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার বেগের কালবৈশাখী ঝড়। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত রংপুর ও ময়মনসিংহ অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬১ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়োহাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে হতে পারে বজ্রসহ বৃষ্টি। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঢাকা, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, পটুয়াখালী, রাঙামাটি, বান্দরবান, লক্ষ্মীপুর ও ফেনী জেলাসহ খুলনা বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এই উত্তপ্ত পরিস্থিতি দেশের কিছু কিছু জায়গায় অব্যাহত থাকতে পারে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থায় বলা হয়েছে, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। ফলে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে আগামী পাঁচ দিনে আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:০৬
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৪২
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৫
২৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৯