
৩১ ডিসেম্বর, ২০২৫ ২১:১৯
মঙ্গলবারের সকালটি ছিল প্রকৃতির মতোই নিস্তব্ধ ও কুয়াশায় ঢাকা। কিন্তু সেই কুয়াশার চাদর ভেদ করেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এক হৃদয়বিদারক সংবাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আবহাওয়ার বিষণ্নতা আর শোকসংবাদের ভারে যেন মুহূর্তেই কালো হয়ে ওঠে পুরো দেশ।
বরিশাল নগরীতে খবরটি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ছোটাছুটি। কোথাও নিঃশব্দ কান্না, কোথাও আহাজারি। সবার চোখেমুখে একটাই অনুভূতি দেশ ও জাতি তার সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান একজন অভিভাবককে হারালো।
বিএনপি কার্যালয়ে শোকের ঢল, কান্নায় ভেঙে পড়েন নেতারা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরিশাল নগর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। কার্যালয়ে শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। সেখানে উপস্থিত মানুষদের অনেকেই যেন কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন।
বরিশালের উন্নয়নের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে নেতাকর্মীরা বলেন, তার হাত ধরেই বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ৯টি জেলা নিয়ে দেশের পঞ্চম প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে বরিশাল বিভাগ গঠনের ঘোষণা দেন তিনি, যা তার শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়।
একই সময়ে বরিশাল বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর উদ্বোধন করেন। তার শাসনামলে দেশের পঞ্চম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, বরিশাল সার্কিট হাউজ, বরিশাল জেলা জজ আদালত ভবন উদ্বোধন করেন। তার উদ্যোগে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বিকেএসপি, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির দক্ষিণের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন বলেন, নদীবেষ্টিত বরিশালে বেগম খালেদা জিয়া বারবার সফর করেছেন। তিনি লঞ্চে করে মুলাদী, হিজলা, বাকেরগঞ্জসহ প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিতেন।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরিন বলেন, বরিশাল বিভাগের ইতিহাসের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বরিশাল বিভাগ তারই ঘোষণা এবং তার সময়েই বাস্তবায়ন হয়েছে। বিভাগের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় রয়েছে তার অবদান।
সাধারণ মানুষরাও বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, তার শাসনামলে দেশ ও বরিশালে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
মঙ্গলবারের সকালটি ছিল প্রকৃতির মতোই নিস্তব্ধ ও কুয়াশায় ঢাকা। কিন্তু সেই কুয়াশার চাদর ভেদ করেই মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে এক হৃদয়বিদারক সংবাদ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন বাংলাদেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। আবহাওয়ার বিষণ্নতা আর শোকসংবাদের ভারে যেন মুহূর্তেই কালো হয়ে ওঠে পুরো দেশ।
বরিশাল নগরীতে খবরটি পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শুরু হয় দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের ছোটাছুটি। কোথাও নিঃশব্দ কান্না, কোথাও আহাজারি। সবার চোখেমুখে একটাই অনুভূতি দেশ ও জাতি তার সবচেয়ে প্রিয় ও মূল্যবান একজন অভিভাবককে হারালো।
বিএনপি কার্যালয়ে শোকের ঢল, কান্নায় ভেঙে পড়েন নেতারা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বরিশাল নগর ও জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মীরা। কার্যালয়ে শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। সেখানে উপস্থিত মানুষদের অনেকেই যেন কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছিলেন।
বরিশালের উন্নয়নের ইতিহাসে বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা স্মরণ করে নেতাকর্মীরা বলেন, তার হাত ধরেই বরিশাল বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি ৯টি জেলা নিয়ে দেশের পঞ্চম প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে বরিশাল বিভাগ গঠনের ঘোষণা দেন তিনি, যা তার শাসনামলেই বাস্তবায়িত হয়।
একই সময়ে বরিশাল বিমানবন্দরের নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি নিজেই এর উদ্বোধন করেন। তার শাসনামলে দেশের পঞ্চম সিটি কর্পোরেশন হিসেবে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন গঠিত হয়। এছাড়াও তিনি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়া বরিশাল বিভাগীয় গণগ্রন্থাগার, বরিশাল সার্কিট হাউজ, বরিশাল জেলা জজ আদালত ভবন উদ্বোধন করেন। তার উদ্যোগে বরিশাল শিক্ষা বোর্ড, বিকেএসপি, বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজসহ একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলা বিএনপির দক্ষিণের সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহিন বলেন, নদীবেষ্টিত বরিশালে বেগম খালেদা জিয়া বারবার সফর করেছেন। তিনি লঞ্চে করে মুলাদী, হিজলা, বাকেরগঞ্জসহ প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের খোঁজখবর নিতেন।
বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট বিলকিস আক্তার শিরিন বলেন, বরিশাল বিভাগের ইতিহাসের সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার নাম চিরকাল স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। বরিশাল বিভাগ তারই ঘোষণা এবং তার সময়েই বাস্তবায়ন হয়েছে। বিভাগের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি স্থাপনায় রয়েছে তার অবদান।
সাধারণ মানুষরাও বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বলেন, তার শাসনামলে দেশ ও বরিশালে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে, যা মানুষ আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।
০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:১০
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:১৩
০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪০

০৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ০২:১০
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’
বরিশাল নগরীতে বেপরোয়া গতির ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত হয়েছেন। শুক্রবার গভীর রাতে কোতয়ালি থানাধীন রূপাতলী উকিলবাড়ি সড়ক সম্মুখ বরিশাল-ঝালকাঠি সড়কে জুয়েল (২৮) এবং রাসেল (২৫) নামের যুবকদ্বয়ের মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয় ট্রাকটি। এতে রাসেলের ঘটনাস্থলে মৃত্যু হলেও জুয়েলকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে পৌছানের আগেই পথে জুয়েলও মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
রূপাতলীর বাসিন্দা জুয়েল এবং রুইয়ার পোল এলাকার রাসেল উভয়ে এসিআই এনিমেল হেলথের স্টোরে হেলপার পদে কর্মরত ছিলেন।
কোতয়ালি পুলিশ জানায়, শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অফিস শেষ করে জুয়েল এবং রাসেল নাস্তা করতে মোটরসাইকেলযোগে রূপাতলী বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরিত দিক থেকে ঝালকাঠিগামী মালবোঝাই (কুষ্টিয়া-ট ১১-২৫৪৫) ট্রাক বেপরোয়া গতিতে এসে মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাসেল প্রাণ হারান। এবং গুরুতর আহত জুয়েলকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে মেডিকেলে পৌছানোর আগেই জুয়েলেরও মৃত্যু হয়, ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
এর আগে দুর্ঘটনার পরপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রাকটি রাস্তার ওপর রেখেই পালিয়ে গেছেন চালক এবং হেলপার। পুলিশ তাদের দুজনকে গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালাচ্ছে বলে জানান, কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
তিনি বরিশালটাইমসকে জানান, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং লাশ উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এই ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে। তাছাড়া চালক ও হেলপারকে আটক করতে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে, জানান ওসি।’

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’
রাজধানী ঢাকার রমনা থানা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাসানকে বরিশাল থেকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানাধীন শহরের বিবিরপুকুর পাড়সংলগ্ন এলাকা থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, ত্রিশোর্ধ্ব যুবক আহসান হাসান নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের ইউনিট কমিটির সক্রিয় নেতা এবং তার বিরুদ্ধে বরিশাল ও ঢাকায় একাধিক মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাই আগস্টে তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ওপর হামলা চালিয়েছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে নিজেকে আড়ালে রাখেন। এবং শহরের বৈদ্যপাড়া এলাকার বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে অন্তবর্তী সরকারবিরোধী প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন।
স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ গোলাম মো. নাসিম বরিশালটাইমসকে জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা আহসান হাসান বিবিপুকুরসংলগ্ন আওয়ামী লীগের পার্টি অফিসের কাছে অবস্থান করেছেন এবং তার বিরুদ্ধে ঢাকা ও বরিশালে একাধিক মামলা আছে এই তথ্য নিশ্চিত হয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শুক্রবার তাকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক কারাগারে পাঠিয়ে দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের পরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা একাধিক মামলায় জড়িয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গ্রামের বরিশাল এবং ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নেওয়াসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এড়িয়ে চলছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হলো না! বিলম্বে হলেও তাকে আইনের আওতায় আসতে হয়েছে।’

০২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৮
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।
পবিত্র রমজান মাসের এখনো এক মাসেরও বেশি সময় বাকি। রোজায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায় বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেন। এবার সিয়াম সাধনার মাসটি আসার আগেই বেড়েছে চিনির দাম। বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫-১১০ টাকায়। যা গত সপ্তাহে ছিল ৯৫-১০০ টাকা।
এছাড়া নতুন বছরের শুরুতেই কাঁচাবাজারে স্বস্তির হাওয়া লেগেছে। মাছ-মাংসের দামে হেরফের দেখা যায়নি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁও, শ্যামলী, কল্যাণপুর, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।
গত বছরের ডিসেম্বরে প্রতি কেজি চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। টিসিবি জানায়, গত এক মাসে চিনির দাম বেড়েছে ৫ শতাংশ। কাজীপাড়া এলাকার মুদি দোকানি আরিফ হোসেন জানান, পাইকারিতে দাম বেশি। প্রতি প্যাকেট চিনিতে ৪-৫ টাকা লাভ থাকে। প্রতি কেজি খোলা চিনি ১০০ টাকা, প্যাকেট চিনি ব্র্যান্ডভেদে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
দোকানিরা জানান, চিনির দাম বাড়তে পারে। এমন আশঙ্কায় অনেকে চিনি তুলে রেখেছেন। অনেকে আবার পরিচিত ক্রেতা ছাড়া চিনি বিক্রি করছেন না। শ্যামলীর বিক্রেতা হিমেল মাহমুদ জানান, প্রতি বস্তা (৫০ কেজি) চিনিতে ৫০ টাকা বেড়েছে। বাড়তি দাম লেখা প্যাকেট চিনি এখনো অনেক দোকানে আসেনি।
এদিকে, বাজারে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে পেঁয়াজ ও আলুর দাম। নতুন আলু ও পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়ায় কমেছে পণ্য দুটির দাম।
প্রতি কেজি মুড়িকাটা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়, যা গত সপ্তাহে ছিল ৬৫-৭০ টাকা। ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০-৬৫ টাকায়। প্রতি কেজি নতুন আলু মিলছে ১৫-২০ টাকায়।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.