
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১৮:৫৫
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের দুই চিকিৎসকের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবিরকে ২২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
যা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী, ব্যবসায়ী, বেসরকারী চাকুরীজীবি, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, গৃহিণী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার দুই সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার "মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ" এর ব্যানারে সুবিদখালী সরকারী রহমান ইসহাক পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঢাকা বরগুনা মহাসড়কে সকাল ১০টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে সড়ক অবরোধ করে ডাক্তারদ্বয়কে পুর্নবহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল করে উপজেলা শহর। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রেরণ করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল, সুবিদখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা ইমরুল ইসলাম আলাল, মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল, মোঃ সাব্বির ফরাজী, ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম আজাদ, মোঃ ওলি উল্লাহ, মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, কলেজ শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও গৃহিণী আনজুম আরা বেগম প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলায় কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কিছু দালাল সিন্ডিকেট করে হাসপাতাল চত্ত্বরে রোগীদেরকে তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেষ্ট করাতে চাপ প্রয়োগ করে থাকে। উল্লিখিত দুই ডাক্তার রোগীদেরকে টেস্ট করাতে চাপ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকা ও হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান করে রোগীদের হয়রানি না করতে নিষেধ করলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালরা ষড়যন্ত্র করে এই দুই মানবিক ডাক্তারের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে তাদেরকে বদলি করিয়েছেন। বক্তারা এই দুই ডাক্তারের বদলির আদেশ প্রত্যাহার করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই পুর্নবহালের চান। আন্দোলনকারীরা হুমকি দিয়ে বলেন,আদেশ প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
স্মারকলিপি গ্রহন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মোঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবির এর বদলির আদেশ হওয়ার সংবাদ জানতে পেরেছি। মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি পেয়ে পটুয়াখালী মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করে স্মারকলিপিটি পাঠিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় জনসাধারণের দাবির বিষয়টির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানবিক দিক বিবেচনা করে উল্লিখিত ডাক্তারদ্বয়ের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবির বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মহোদয়সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহা স্মারকলিপি গ্রহন করে বলেন, ডাঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবি’র এর বদলির আদেশনামা হাতে পেয়েছি।
হাসপাতালে কমপ্লেক্সে দালাল চক্রের সক্রিয়তা স্বীকার করে তিনি বলেন,ডাক্তারদের এই বদলির পিছনে কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও দালালদের ষড়যন্ত্র আছে বলে ধারণা করছি।
আমার এখানে ২১ জন ডাক্তারের স্থলে মাত্র ৭জন ডাক্তার আছেন, এখন আরও দুইজন কমে মাত্র ৫ জন ডাক্তার দিয়ে উপজেলাবাসীকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া খুব কষ্টসাধ্য হবে। ডাক্তারদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারে দাবির বিষয়টি নিয়ে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন মহোদয়সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের দুই চিকিৎসকের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবিরকে ২২ সেপ্টেম্বর (সোমবার) বদলির আদেশ দেওয়া হয়।
যা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী, ব্যবসায়ী, বেসরকারী চাকুরীজীবি, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, গৃহিণী ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার দুই সহস্রাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
গতকাল মঙ্গলবার "মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণ" এর ব্যানারে সুবিদখালী সরকারী রহমান ইসহাক পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঢাকা বরগুনা মহাসড়কে সকাল ১০টায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন শেষে সড়ক অবরোধ করে ডাক্তারদ্বয়কে পুর্নবহালের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলে উত্তাল করে উপজেলা শহর। এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি প্রেরণ করেন আন্দোলনকারীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মির্জাগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসিনা বেগম, মির্জাগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি কামরুজ্জামান জুয়েল, সুবিদখালী সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতা ইমরুল ইসলাম আলাল, মোঃ রবিউল ইসলাম রুবেল, মোঃ সাব্বির ফরাজী, ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম আজাদ, মোঃ ওলি উল্লাহ, মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, কলেজ শিক্ষার্থী শারমিন আক্তার ও গৃহিণী আনজুম আরা বেগম প্রমুখ।
বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলায় কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কিছু দালাল সিন্ডিকেট করে হাসপাতাল চত্ত্বরে রোগীদেরকে তাদের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে টেষ্ট করাতে চাপ প্রয়োগ করে থাকে। উল্লিখিত দুই ডাক্তার রোগীদেরকে টেস্ট করাতে চাপ প্রয়োগ করা থেকে বিরত থাকা ও হাসপাতাল চত্বরে অবস্থান করে রোগীদের হয়রানি না করতে নিষেধ করলে ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালরা ষড়যন্ত্র করে এই দুই মানবিক ডাক্তারের বিরুদ্ধে টাকার বিনিময়ে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে তাদেরকে বদলি করিয়েছেন। বক্তারা এই দুই ডাক্তারের বদলির আদেশ প্রত্যাহার করে মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই পুর্নবহালের চান। আন্দোলনকারীরা হুমকি দিয়ে বলেন,আদেশ প্রত্যাহার করা না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
স্মারকলিপি গ্রহন করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ তরিকুল ইসলাম বলেন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ মোঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও মেডিকেল অফিসার ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবির এর বদলির আদেশ হওয়ার সংবাদ জানতে পেরেছি। মির্জাগঞ্জ উপজেলার সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি পেয়ে পটুয়াখালী মাননীয় জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করে স্মারকলিপিটি পাঠিয়ে দিয়েছি। স্থানীয় জনসাধারণের দাবির বিষয়টির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানবিক দিক বিবেচনা করে উল্লিখিত ডাক্তারদ্বয়ের বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবির বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক মহোদয়সহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ প্রশান্ত কুমার সাহা স্মারকলিপি গ্রহন করে বলেন, ডাঃ শামসুল ইসলাম সোহেল ও ডাঃ মু. উমর ফারুক জাবি’র এর বদলির আদেশনামা হাতে পেয়েছি।
হাসপাতালে কমপ্লেক্সে দালাল চক্রের সক্রিয়তা স্বীকার করে তিনি বলেন,ডাক্তারদের এই বদলির পিছনে কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ও দালালদের ষড়যন্ত্র আছে বলে ধারণা করছি।
আমার এখানে ২১ জন ডাক্তারের স্থলে মাত্র ৭জন ডাক্তার আছেন, এখন আরও দুইজন কমে মাত্র ৫ জন ডাক্তার দিয়ে উপজেলাবাসীকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া খুব কষ্টসাধ্য হবে। ডাক্তারদের বদলির আদেশ প্রত্যাহারে দাবির বিষয়টি নিয়ে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন মহোদয়সহ উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলবো।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় কালবৈশাখী ঝড় ও টানা ভারি বৃষ্টিতে মুগ ডালসহ বিভিন্ন রবি ফসলের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে উপজেলার শতাধিক কৃষক চরম ক্ষতির আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের পর টানা দুই দিনের ভারি বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ায় উপজেলার নিচু জমিগুলোতে পানি জমে যায়। ফলে মুগ ডালের ক্ষেত সম্পূর্ণ ডুবে যায়।
পাশাপাশি মরিচ, আলু, চিনাবাদাম ও অন্যান্য রবি ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক ক্ষেতেই গাছ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হওয়ায় ফলন কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
উত্তর শ্রীরামপুর গ্রামের কৃষক গোলাম মস্তফা, আমির হোসেন মৃধা ও সোহরাব মৃধা জানান, মৌসুমের শুরুতে ভালো ফলনের আশায় মুগ ডালের আবাদ করেছিলেন। কিছু কৃষক আংশিক ফসল তুলতে পারলেও অধিকাংশ ক্ষেতেই ফসল মাঠেই রয়ে গেছে। আকস্মিক দুর্যোগে তাদের সেই আশা ভেস্তে যেতে বসেছে। দ্রুত পানি না নামলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
গাবতলী এলাকার কৃষক গাফফার হোসেন বলেন, “আমাদের এলাকায় এমন কোনো কৃষক নেই, যার অন্তত ৫০ হাজার টাকার মুগডাল নষ্ট হয়নি। গ্রামের সবাই এখন দিশেহারা।”
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার বিস্তীর্ণ জমি পানির নিচে তলিয়ে রয়েছে। কৃষকরা নালা কেটে পানি নামানোর চেষ্টা করছেন। তবে স্লুইস গেট খোলা থাকায় জোয়ারের পানি প্রবেশ করায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হচ্ছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন জানান, একটি স্লুইস গেটের কপাট খোলা থাকায় বৃষ্টির পানির সঙ্গে জোয়ারের পানি ঢুকে কৃষিজমি প্লাবিত হয়েছে।
মুগ ডালের ক্ষতি সবচেয়ে বেশি হলেও সূর্যমুখী ক্ষেতেও আংশিক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হবে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।
দীর্ঘ ১০৪ বছর পর কলাপাড়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে যুগ্ম জেলা জজ ও যুগ্ম জেলা দায়রা জজ আদালতের কার্যক্রম।
বৃহস্পতিবার সকালে কলাপাড়ার চৌকি আদালত ভবনে আদালত দুটির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন ভারপ্রাপ্ত বিচারক মেহেদী হাসান।
এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালত দুটি পটুয়াখালী থেকে কলাপাড়ায় স্থানান্তর করা হয়। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপজেলার সকল আইনজীবী ও সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আইনজীবীরা জানান, কলাপাড়া ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবের লক্ষ্যে এই দুটি আদালত স্থাপন করা হয়েছে। এখন থেকে এই দুই উপজেলার দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার বিচারকার্য এই আদালতেই নিষ্পত্তি হবে। ফলে বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষকে আর দূরে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হবে না। এই উদ্যোগে এলাকার মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের সঞ্চার হয়েছে।

৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
ঝালকাঠির নলছিটিতে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে উপজেলার দপদপিয়া চৌমাথা এলাকায় বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়কে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী ‘আব্দুল্লাহ পরিবহন’ নামের বাসটি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ১০ যাত্রী আহত হন।
আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হয়ে পড়ায় বাসটি অতিরিক্ত গতিতে মোড়ে ব্রেক করলে পিছলে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং দুর্ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
নলছিটি থানার ওসি আরিফুল আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। বর্তমানে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৬
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৩৩
৩০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১৭