ঈশ্বরদীতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের নামে চাঁদা না পেয়ে লোহা ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রের ওপর হামলা চালিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রসহ দোকানের কর্মচারীদের মারধর করা হয়েছে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আলহাজ মোড়ে আকাশ আয়রন স্টোরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— লোহা ব্যবসায়ী মো. স্বপন ওরফে মাথা (৫২) ও তার ছেলে মো. কাওসার আহমেদ আকাশ (২২) সহ দোকানের কর্মচারীরা।
ব্যবসায়ী মাথা ঈশ্বরদী দরিনারিচা থানাপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মাথা ৩ জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাত ৫/৭ জনকে আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে নিজেদের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন তিনি এবং তার ছেলে আকাশ। এ সময় ঈশ্বরদী পৌর ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি তারেক হোসেন, যুবদল কর্মী শাহিন, নাসিরসহ আরও ৫/৭ অজ্ঞাত ব্যক্তি দোকানে এসে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা দোকানে প্রবেশ করে আমার এবং আমার ছেলের ওপর হামলা চালায় এবং দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।’
ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে, হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের দাবি, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযুক্ত যুবদল কর্মী শাহিন হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমরা দোকানে গিয়েছিলাম কিন্তু টাকা লুট করিনি। আমাদের কেউ টাকা লুটের সঙ্গে জড়িত নয়, যুবদল নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৯
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’

২৭ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:০০
ঈশ্বরদীতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের নামে চাঁদা না পেয়ে লোহা ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রের ওপর হামলা চালিয়ে দোকানের ক্যাশ থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী পিতা-পুত্রসহ দোকানের কর্মচারীদের মারধর করা হয়েছে।
রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আলহাজ মোড়ে আকাশ আয়রন স্টোরে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— লোহা ব্যবসায়ী মো. স্বপন ওরফে মাথা (৫২) ও তার ছেলে মো. কাওসার আহমেদ আকাশ (২২) সহ দোকানের কর্মচারীরা।
ব্যবসায়ী মাথা ঈশ্বরদী দরিনারিচা থানাপাড়ার বাসিন্দা। বর্তমানে তারা ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মাথা ৩ জনকে নামীয় এবং অজ্ঞাত ৫/৭ জনকে আসামি করে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে ব্যবসায়ী অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে নিজেদের দোকানে ব্যবসায়িক কাজে ব্যস্ত ছিলেন তিনি এবং তার ছেলে আকাশ। এ সময় ঈশ্বরদী পৌর ৯নং ওয়ার্ড যুবদলের সহ-সভাপতি তারেক হোসেন, যুবদল কর্মী শাহিন, নাসিরসহ আরও ৫/৭ অজ্ঞাত ব্যক্তি দোকানে এসে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে আসামিরা দোকানে প্রবেশ করে আমার এবং আমার ছেলের ওপর হামলা চালায় এবং দোকানের ক্যাশ থেকে নগদ ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা লুট করে পালিয়ে যায়।’
ঘটনার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। আমরা প্রাথমিকভাবে কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি। থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে, হামলাকারীদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। খুব দ্রুতই আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।’
এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজের দাবি, এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
অভিযুক্ত যুবদল কর্মী শাহিন হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, আমরা দোকানে গিয়েছিলাম কিন্তু টাকা লুট করিনি। আমাদের কেউ টাকা লুটের সঙ্গে জড়িত নয়, যুবদল নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।