Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৫৭
নদীবেষ্টিত এলাকা পটুয়াখালী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের পানির ওপর নির্ভরশীল হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে দিন দিন তীব্র হচ্ছে পানির সংকট।
বর্তমানে পৌরসভার চারটি ওভারহেড ট্যাংক থেকে পানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাইয়ের পানিতে দুর্গন্ধ, শেওলা এমনকি লবণাক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে সংকট আরও তীব্র হয়। অনেক এলাকায় পাম্প থেকে প্রথম ৫-১০ মিনিটে অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি ওঠে, যা ব্যবহারের অযোগ্য। পানি সংগ্রহের স্থলও অনেক সময় থাকে অপরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া ধনী পরিবারগুলো নিজস্ব সাবমার্সিবল স্থাপন করে বিকল্প ব্যবস্থা করলেও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে। বিদ্যুৎ-বিভ্রাট বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। তখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ। শহরের অনেক বাসিন্দা জানান, এই পানি সরাসরি পান করা যায় না। ফুটিয়ে বা ফিল্টার ব্যবহার করে পান করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।
স্বনির্ভর রোডের বাসিন্দা গৃহিণী আনু বেগম বলেন, ‘সাবমার্সিবল বসিয়েছি, কিন্তু প্রথমে লবণাক্ত পানি ওঠে। কয়েক মিনিট পর খাবার উপযোগী পানি পাওয়া যায়। আর সাপ্লাইয়ের পানি অনেক সময় দুর্গন্ধযুক্ত ও ময়লা থাকে।’
রিকশাচালক ইব্রাহিম মিয়ার অভিযোগ, ‘পানি ঠিকমতো আসে না। বিশুদ্ধ পানি তো মেলেই না। কখনো সাপ্লাইয়ের পানি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। হোটেলগুলো এই পানি ব্যবহার করে, কিন্তু তা নিরাপদ নয়।’
সমাজসেবক মোজাম্মেল নাসরিন এমা বলেন, ‘এখনই পরিকল্পিত ও টেকসই সমাধান না করলে ভবিষ্যতে পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য সংকটে পড়বে। আধুনিক পানি শোধন প্রযুক্তি, বিকল্প উৎস ও দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদ শামিম বলেন, দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহারের কারণে শিশুদের মধ্যে চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বেড়েছে। হাসপাতালে আসা অনেক শিশু অসুস্থ পানিজনিত সমস্যায়।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক মো. জুয়েল রানা বলেন, গ্রাহকের তুলনায় পাম্পের সংখ্যা কম। প্রতি মাসে ওভারহেড ট্যাংক ও সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করা হয়। তবু কিছু এলাকায় সমস্যা রয়ে গেছে। নিরাপদে পান করতে হলে পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একুইফারে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ছে। পানিতে লিগনিন ও ট্যানিন থাকার ফলে কিছু সময় পর তা লালচে হয়, স্বাদ নষ্ট করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি করে।
নদীবেষ্টিত এলাকা পটুয়াখালী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের পানির ওপর নির্ভরশীল হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে দিন দিন তীব্র হচ্ছে পানির সংকট।
বর্তমানে পৌরসভার চারটি ওভারহেড ট্যাংক থেকে পানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাইয়ের পানিতে দুর্গন্ধ, শেওলা এমনকি লবণাক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে সংকট আরও তীব্র হয়। অনেক এলাকায় পাম্প থেকে প্রথম ৫-১০ মিনিটে অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি ওঠে, যা ব্যবহারের অযোগ্য। পানি সংগ্রহের স্থলও অনেক সময় থাকে অপরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া ধনী পরিবারগুলো নিজস্ব সাবমার্সিবল স্থাপন করে বিকল্প ব্যবস্থা করলেও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে। বিদ্যুৎ-বিভ্রাট বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। তখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ। শহরের অনেক বাসিন্দা জানান, এই পানি সরাসরি পান করা যায় না। ফুটিয়ে বা ফিল্টার ব্যবহার করে পান করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।
স্বনির্ভর রোডের বাসিন্দা গৃহিণী আনু বেগম বলেন, ‘সাবমার্সিবল বসিয়েছি, কিন্তু প্রথমে লবণাক্ত পানি ওঠে। কয়েক মিনিট পর খাবার উপযোগী পানি পাওয়া যায়। আর সাপ্লাইয়ের পানি অনেক সময় দুর্গন্ধযুক্ত ও ময়লা থাকে।’
রিকশাচালক ইব্রাহিম মিয়ার অভিযোগ, ‘পানি ঠিকমতো আসে না। বিশুদ্ধ পানি তো মেলেই না। কখনো সাপ্লাইয়ের পানি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। হোটেলগুলো এই পানি ব্যবহার করে, কিন্তু তা নিরাপদ নয়।’
সমাজসেবক মোজাম্মেল নাসরিন এমা বলেন, ‘এখনই পরিকল্পিত ও টেকসই সমাধান না করলে ভবিষ্যতে পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য সংকটে পড়বে। আধুনিক পানি শোধন প্রযুক্তি, বিকল্প উৎস ও দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদ শামিম বলেন, দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহারের কারণে শিশুদের মধ্যে চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বেড়েছে। হাসপাতালে আসা অনেক শিশু অসুস্থ পানিজনিত সমস্যায়।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক মো. জুয়েল রানা বলেন, গ্রাহকের তুলনায় পাম্পের সংখ্যা কম। প্রতি মাসে ওভারহেড ট্যাংক ও সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করা হয়। তবু কিছু এলাকায় সমস্যা রয়ে গেছে। নিরাপদে পান করতে হলে পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একুইফারে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ছে। পানিতে লিগনিন ও ট্যানিন থাকার ফলে কিছু সময় পর তা লালচে হয়, স্বাদ নষ্ট করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি করে।

০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

০৬ মে, ২০২৬ ১২:০৩

০৫ মে, ২০২৬ ১৬:১৩
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় এক মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসানকে (২০) আটক করে পুলিশ। এর আগে একই দিনের দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের পূর্ব নেতা আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ওঠে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আকরামিয়া শিশু এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ সফিকুল ইসলাম জিসান রাতে এক শিশু শিক্ষার্থীকে নিজের শয়নকক্ষে ডেকে নিয়ে যান। এরপর সেখানেই তাকে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। বর্তমানে শিশুটি স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার পর সকালে শিশুটি বাড়িতে এসে এ বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ঘটনার খবর আশপাশে ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত ওই শিক্ষককে অবরুদ্ধ করে রাখেন। পরে দুপুরে রাঙ্গাবালী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত শিক্ষক সফিকুল ইসলাম জিসান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি গত ২৮ এপ্রিল ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। নির্যাতনের শিকার শিশুটি মাদরাসার হিফজ বিভাগের ছাত্র। তার বাড়ি উপজেলার জুগিরহাওলা গ্রামে।
শিশুটির বাবা বলেন, “ঘটনার পর আমার ছেলেকে বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখানো হয়, যাতে সে বাড়িতে এসে কাউকে কিছু না বলে।”
শিশুটির মা বলেন, “আমার ছেলেকে নিরাপদ ভেবে মাদরাসায় পড়তে দিয়েছিলাম। কিন্তু হুজুরে এমন করে তা কে জানতো। আমি এই শিক্ষকের বিচার চাই।”
এদিকে শিক্ষক আটকের কিছুক্ষণ পরেই মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় মানববন্ধন করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান স্থানীয়রা।
মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আমরা চাই, আইনের মাধ্যমে তদন্ত করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। পাশাপাশি এই শিশুটির চিকিৎসার ব্যয়ভার আমরা বহন করব।
রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু ও তার পরিবারকে থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের নতুন কমিটি ঘোষণা ঘিরে তীব্র বিতর্ক দেখা দিয়েছে। মদ্যপ অবস্থায় বার ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত ও বহিষ্কৃত তিন নেতাকে পদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৭টার দিকে কুয়াকাটা জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে পৌর এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে প্রতিবাদ সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন এমপি কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ৭১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করেন।
সংগঠনের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন কমিটিতে সৈয়দ মো. ফারুককে সভাপতি এবং মো. জহিরুল ইসলাম মিরনকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। এছাড়াও বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামীকে সহসভাপতি হাসান হাওলাদারকে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সোহেল মিয়াজীকে সদস্য করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর কাউন্সিলের মাধ্যমে একটি আংশিক (সুপার ফাইভ) কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যা দীর্ঘ প্রায় তিন বছর দায়িত্ব পালন করে।
জানা গেছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর কুয়াকাটা পৌর যুবদলের তিন নেতা— ইউসুফ ঘরামি, সোহেল মিয়াজিকে বহিষ্কার করে পটুয়াখালী জেলা যুবদল।
জেলা শাখার দপ্তর সম্পাদক অ্যাড. মো. আব্দুল্লাহ আল-নোমান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পরে একই অভিযোগে আরও এক নেতা, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. হাসানকেও বহিষ্কার করা হয়।
জানা গেছে, ২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর রাতে কুয়াকাটার একটি হোটেল হ্যান্ডি কড়াই (বার) ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে।বহিষ্কৃত নেতা ইউসুফ ঘরামি বলেন, কেন বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমার জানা নেই। আমরা কোনো অপরাধ করিনি।
অন্যদিকে বহিষ্কৃত নেতা মো. হাসান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ ষড়যন্ত্রমূলক এবং রাজনৈতিক চক্রান্ত। এদিকে কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ ফারুক মীর দাবি করেছেন, নতুন কমিটিতে কোনো বহিষ্কৃত নেতাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। বরং কমিটি ত্যাগ ও যোগ্যতার ভিত্তিতে হয়েছে।
তবে সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরন বলেন, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর বহিষ্কারাদেশ কার্যত অকার্যকর হয়ে যায়। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নের (এমপি) সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার দেউলী বাইতুল মাল আকসা মসজিদ থেকে শুরু করে আব্দুল গফুর হাওলাদারের বাড়ি পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটি এখন এলাকাবাসীর কাছে এক ‘মরণফাঁদে’ পরিণত হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কোনো সংস্কার না হওয়ায় রাস্তার ইটের সলিং উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্তের। সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতা আর কাদা-পানিতে সড়কটি চলাচলের একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ১.৪৫ কিলোমিটার এই সড়কটির উন্নয়নের জন্য প্রায় ২৫ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি প্রাক্কলন অনুমোদন করা হয়েছিল।
নথিতে এইচবিবি দ্বারা উন্নয়নের কথা থাকলেও বর্তমানে রাস্তাটির দশা দেখে বোঝার উপায় নেই যে এখানে কখনো মানসম্মত কাজ হয়েছিল।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার অধিকাংশ স্থানের ইট সরে গিয়ে মাটি বেরিয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও ইট ভেঙে গুঁড়ো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিনের অবহেলায় রাস্তার মাঝখান উঁচু হয়ে দুপাশ দেবে গেছে, ফলে রিকশা, ভ্যান বা মোটরসাইকেল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের হেঁটে চলাই দায় হয়ে পড়েছে।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগী, বৃদ্ধ এবং স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। কৃষিপণ্য পরিবহন করা একেবারেই অসম্ভব।
স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই রাস্তা দিয়ে এখন চলাচল করা আমাদের জন্য অভিশাপ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষা শুরু হলে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। কৃষিপণ্য বাজারে নেওয়া বা জরুরি অবস্থায় রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমরা বারবার জনপ্রতিনিধিদের জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
জরুরি ভিত্তিতে এই বিধ্বস্ত রাস্তাটি পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) বা পাকাকরণের মাধ্যমে আধুনিক যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এলজিইডির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।
রাস্তাটির বর্তমান জরাজীর্ণ অবস্থা ও জনদুর্ভোগের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী (এলজিইডি) চন্দন কুমার আশ্বস্ত করে বলেন, সড়কটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে আমরা অবগত হয়েছি। জনদুর্ভোগ লাঘবে আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে একটি টেকনিক্যাল রিপোর্ট তৈরি করব।
সড়কটি চলাচলের উপযোগী করতে আধুনিক মানের পিচ ঢালাই (কার্পেটিং) রাস্তার জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জোরালো সুপারিশ পাঠানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, আশা করছি, দ্রুতই ইতিবাচক সাড়া মিলবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে।
বরিশাল টাইমস
০৬ মে, ২০২৬ ১৬:১৮
০৬ মে, ২০২৬ ১৫:০৪
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩৯
০৬ মে, ২০২৬ ১৪:২০