
১৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৩:৫৭
নদীবেষ্টিত এলাকা পটুয়াখালী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের পানির ওপর নির্ভরশীল হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে দিন দিন তীব্র হচ্ছে পানির সংকট।
বর্তমানে পৌরসভার চারটি ওভারহেড ট্যাংক থেকে পানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাইয়ের পানিতে দুর্গন্ধ, শেওলা এমনকি লবণাক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে সংকট আরও তীব্র হয়। অনেক এলাকায় পাম্প থেকে প্রথম ৫-১০ মিনিটে অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি ওঠে, যা ব্যবহারের অযোগ্য। পানি সংগ্রহের স্থলও অনেক সময় থাকে অপরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া ধনী পরিবারগুলো নিজস্ব সাবমার্সিবল স্থাপন করে বিকল্প ব্যবস্থা করলেও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে। বিদ্যুৎ-বিভ্রাট বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। তখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ। শহরের অনেক বাসিন্দা জানান, এই পানি সরাসরি পান করা যায় না। ফুটিয়ে বা ফিল্টার ব্যবহার করে পান করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।
স্বনির্ভর রোডের বাসিন্দা গৃহিণী আনু বেগম বলেন, ‘সাবমার্সিবল বসিয়েছি, কিন্তু প্রথমে লবণাক্ত পানি ওঠে। কয়েক মিনিট পর খাবার উপযোগী পানি পাওয়া যায়। আর সাপ্লাইয়ের পানি অনেক সময় দুর্গন্ধযুক্ত ও ময়লা থাকে।’
রিকশাচালক ইব্রাহিম মিয়ার অভিযোগ, ‘পানি ঠিকমতো আসে না। বিশুদ্ধ পানি তো মেলেই না। কখনো সাপ্লাইয়ের পানি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। হোটেলগুলো এই পানি ব্যবহার করে, কিন্তু তা নিরাপদ নয়।’
সমাজসেবক মোজাম্মেল নাসরিন এমা বলেন, ‘এখনই পরিকল্পিত ও টেকসই সমাধান না করলে ভবিষ্যতে পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য সংকটে পড়বে। আধুনিক পানি শোধন প্রযুক্তি, বিকল্প উৎস ও দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদ শামিম বলেন, দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহারের কারণে শিশুদের মধ্যে চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বেড়েছে। হাসপাতালে আসা অনেক শিশু অসুস্থ পানিজনিত সমস্যায়।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক মো. জুয়েল রানা বলেন, গ্রাহকের তুলনায় পাম্পের সংখ্যা কম। প্রতি মাসে ওভারহেড ট্যাংক ও সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করা হয়। তবু কিছু এলাকায় সমস্যা রয়ে গেছে। নিরাপদে পান করতে হলে পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একুইফারে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ছে। পানিতে লিগনিন ও ট্যানিন থাকার ফলে কিছু সময় পর তা লালচে হয়, স্বাদ নষ্ট করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি করে।
নদীবেষ্টিত এলাকা পটুয়াখালী পৌরসভায় দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পৌর কর্তৃপক্ষের সঞ্চালন লাইনের পানির ওপর নির্ভরশীল হলেও জলবায়ু পরিবর্তন, ভূগর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত ব্যবহার ও অপর্যাপ্ত অবকাঠামোর কারণে দিন দিন তীব্র হচ্ছে পানির সংকট।
বর্তমানে পৌরসভার চারটি ওভারহেড ট্যাংক থেকে পানি সরবরাহ করা হলেও তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বিভিন্ন এলাকায় সাপ্লাইয়ের পানিতে দুর্গন্ধ, শেওলা এমনকি লবণাক্ততার অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুষ্ক মৌসুমে সংকট আরও তীব্র হয়। অনেক এলাকায় পাম্প থেকে প্রথম ৫-১০ মিনিটে অতিরিক্ত লবণাক্ত পানি ওঠে, যা ব্যবহারের অযোগ্য। পানি সংগ্রহের স্থলও অনেক সময় থাকে অপরিচ্ছন্ন।
এ ছাড়া ধনী পরিবারগুলো নিজস্ব সাবমার্সিবল স্থাপন করে বিকল্প ব্যবস্থা করলেও নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে। বিদ্যুৎ-বিভ্রাট বা ঘূর্ণিঝড়ের সময় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। তখন সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় পানি সরবরাহ। শহরের অনেক বাসিন্দা জানান, এই পানি সরাসরি পান করা যায় না। ফুটিয়ে বা ফিল্টার ব্যবহার করে পান করতে বাধ্য হচ্ছেন তাঁরা।
স্বনির্ভর রোডের বাসিন্দা গৃহিণী আনু বেগম বলেন, ‘সাবমার্সিবল বসিয়েছি, কিন্তু প্রথমে লবণাক্ত পানি ওঠে। কয়েক মিনিট পর খাবার উপযোগী পানি পাওয়া যায়। আর সাপ্লাইয়ের পানি অনেক সময় দুর্গন্ধযুক্ত ও ময়লা থাকে।’
রিকশাচালক ইব্রাহিম মিয়ার অভিযোগ, ‘পানি ঠিকমতো আসে না। বিশুদ্ধ পানি তো মেলেই না। কখনো সাপ্লাইয়ের পানি খেলে অসুস্থ হয়ে পড়ি। হোটেলগুলো এই পানি ব্যবহার করে, কিন্তু তা নিরাপদ নয়।’
সমাজসেবক মোজাম্মেল নাসরিন এমা বলেন, ‘এখনই পরিকল্পিত ও টেকসই সমাধান না করলে ভবিষ্যতে পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য সংকটে পড়বে। আধুনিক পানি শোধন প্রযুক্তি, বিকল্প উৎস ও দীর্ঘমেয়াদি পানি ব্যবস্থাপনা জরুরি।’
পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ওয়াহিদ শামিম বলেন, দূষিত ও লবণাক্ত পানি ব্যবহারের কারণে শিশুদের মধ্যে চর্মরোগ ও ডায়রিয়া বেড়েছে। হাসপাতালে আসা অনেক শিশু অসুস্থ পানিজনিত সমস্যায়।
পটুয়াখালী পৌরসভার প্রশাসক মো. জুয়েল রানা বলেন, গ্রাহকের তুলনায় পাম্পের সংখ্যা কম। প্রতি মাসে ওভারহেড ট্যাংক ও সঞ্চালন লাইন পরিষ্কার করা হয়। তবু কিছু এলাকায় সমস্যা রয়ে গেছে। নিরাপদে পান করতে হলে পানি ফুটিয়ে বা ফিল্টার করে ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
পটুয়াখালী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে একুইফারে লবণাক্ততা ঢুকে পড়ছে। পানিতে লিগনিন ও ট্যানিন থাকার ফলে কিছু সময় পর তা লালচে হয়, স্বাদ নষ্ট করে এবং দীর্ঘ মেয়াদে স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি করে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নে একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার।
বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা।
দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আনোয়ার হোসেন (৪৮) বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা মজিবর রহমান মাঝি (৫৩) বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি।
এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।” একই এলাকার বাসিন্দা রহিমা বেগম (৩৯) বলেন, “নড়বড়ে সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না।
অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।
ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় জমে উঠেছে ঈদবাজার। রোজার প্রথম সপ্তাহ থেকেই উপজেলার বিভিন্ন বিপণিবিতান ও মার্কেটে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের কেনাকাটায় নারী-পুরুষের পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো।
সবচেয়ে বেশি ভিড় দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন বস্ত্রবিতান ও পোশাকের দোকানগুলোতে। এ বছর মেয়েদের পছন্দের শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানি স্টাইলের ‘ফারসি’ সেলোয়ার-কামিজ। অন্যদিকে ছেলেদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট। এছাড়া শাড়িপ্রেমীদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ি।
সরেজমিনে বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা গেছে, বাউফল পৌরশহর, কালাইয়া বন্দর, কালিশুরী, বগা বন্দর, কনকদিয়া, কাছিপাড়া ও নওমালা বাজার এলাকার বিপণি বিতান গুলোতে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে। দোকানিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী পোশাক দেখাতে ও বিক্রি করতে।
দোকানিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রোজার শুরুতে ব্যবসায়ী ও গৃহস্থালি পরিবারের ক্রেতাদের উপস্থিতি বেশি থাকলেও চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে চাকরিজীবী পরিবারের ক্রেতাদের আনাগোনা বেড়েছে। তাদের ধারণা, বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাস পাওয়ার পর চাকরিজীবীরা ঈদের কেনাকাটায় বাজারে নেমেছেন।
উপজেলার বাজারে মোকলেচ মার্কেটের নগর পল্লি গার্মেন্টস গিয়ে দেখা যায়, দোকানিদের দম ফেলার সময় নেই। ক্রেতারা নিজ নিজ পছন্দ অনুযায়ী পোশাক বেছে নিচ্ছেন। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা পাকিস্তানি স্টাইলের ফারসি সেলোয়ার-কামিজের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে তরুণদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিয়ান ওয়াশ স্টাইলের শার্ট-প্যান্ট।
কালাইয়া বন্দরের ‘বি কে বস্ত্রালয়’-এর স্বত্বাধিকারী শ্যামল কর্মকার বলেন, “এবার ইন্ডিয়ান তসর, কাতান ও ধুপিয়ান শাড়ির নতুন ডিজাইনগুলো ক্রেতাদের কাছে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।”
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তারা দেশীয় নি¤œমানের পোশাককে পাকিস্তানি বা চায়না পণ্য বলে বেশি দামে বিক্রি করছেন। পাশাপাশি পোশাকের মানের তুলনায় অতিরিক্ত দাম নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে কয়েকটি দোকানের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ জানান, বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও পোশাকের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:০৯
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
প্রবাসী কল্যাণ এবং বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেছেন, জাল যার, জল তার। মাছ ধরতে আর ইজারা দিতে হবে না।
সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে গলাচিপা খাল ও এর শাখা খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘অনেক সময় জেলেদের মাছ ধরতে গেলে ইজারা দিতে হয়। এখন থেকে এসব ক্ষেত্রে ইজারা যেন না দিতে হয়, সেই ব্যবস্থা করা হবে। জাল যার, জল তার। যাদের জাল আছে তারাই মাছ ধরবেন, এখানে কোনো ইজারা হবে না।’
তিনি আরও বলেন, সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা বণ্টনের ক্ষেত্রে কোনো দলীয় বিবেচনা করা যাবে না। ঈদ উপলক্ষে ভিজিএফের চাল বিতরণ, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন সহায়তা কার্যক্রম যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, চর এলাকার জমি উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। যাদের বৈধ দলিল আছে, তারা যেন তাদের জমি ভোগ করতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা হবে। আর যেসব জমি এক বছরের জন্য লিজ দেওয়া হয়, সেগুলো প্রকৃত ভূমিহীনদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০৩
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৯:০০
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৬
১৬ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৯