
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪৩
নোয়াখালীর মাইজদী শহরে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে মাইকে 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দিয়েছে মো.আলো (৩৩) নামে এক যুবক। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ওই যুবক। ঘটনাস্থল থেকে মাইক ও অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মাইজদী শহরের জেলা আওয়ামী লীগের তালাবদ্ধ কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি সিএনজি অটোরিকশায় দুটি মাইক স্থাপন করে মাইজদী শহরের জেলা আওয়ামী লীগের তালাবদ্ধ কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন নোয়াখালী পৌরসভার দত্তেরহাট এলাকার বাসিন্দা মো. আলো।
এ সময় তিনি মাইক্রোফোনে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ওই যুবক সিএনজি অটোরিকশায় করে পালিয়ে যান।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, স্লোগান দেওয়া যুবকের নাম আলো। তার মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি মাইক ও একটি অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালীর মাইজদী শহরে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে মাইকে 'জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু' স্লোগান দিয়েছে মো.আলো (৩৩) নামে এক যুবক। পরে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ওই যুবক। ঘটনাস্থল থেকে মাইক ও অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করেছে পুলিশ।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে মাইজদী শহরের জেলা আওয়ামী লীগের তালাবদ্ধ কার্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে একটি সিএনজি অটোরিকশায় দুটি মাইক স্থাপন করে মাইজদী শহরের জেলা আওয়ামী লীগের তালাবদ্ধ কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হন নোয়াখালী পৌরসভার দত্তেরহাট এলাকার বাসিন্দা মো. আলো।
এ সময় তিনি মাইক্রোফোনে ‘শেখ হাসিনা আসবে, বাংলাদেশ হাসবে’, ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে ওই যুবক সিএনজি অটোরিকশায় করে পালিয়ে যান।
সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুল ইসলাম জানান, স্লোগান দেওয়া যুবকের নাম আলো। তার মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি মাইক ও একটি অ্যামপ্লিফায়ার জব্দ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৫০
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৮
২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:১৮

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৪৫
ওমান প্রবাসীর স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনা কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর গলাচিপায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুর, শাশুড়িসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সন্তান জন্ম দেওয়া নারী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শ্বশুরসহ দুজনকে আটক করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমে খেই হারিয়ে ফেলার দাবি করেছেন থানার ওসি।
মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন, তিনি গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী এলাকার ওমান প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী। স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।
২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাত থেকে তাকে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন শ্বশুর মো. রুস্তুম গাজী (৬০)। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শ্বশুর, শাশুড়ি হাওয়া বেগম এবং ননদ খালেদা বেগম ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি একবার গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
এরপর ওই নারী গত ২৬ মার্চ গলাচিপা পৌর এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে একটি ছেলেসন্তান জন্ম দেন। পরদিন নবজাতককে তার অজান্তে ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমসহ অজ্ঞাতনামারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রায় এক মাস পর তিনি গলাচিপা থানায় মামলা করেন।
এ ঘটনায় রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ওই নারীর শ্বশুর রুস্তম গাজী ও নবজাতক বিক্রিতে সহায়তা করার অভিযোগে বেসরকারি ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান নবজাতক উদ্ধার ও দুজন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী এলাকার ওমান প্রবাসীর স্ত্রী তার শ্বশুর মো. রুস্তম গাজীর (৬০) বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে ধর্ষণ করেন। পরে বিভিন্ন সময় তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি অভিযুক্তরা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি গর্ভপাত করানোরও চেষ্টাও করেন।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার কথা বলে গলাচিপা পৌর এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়, সেখানে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন।
পরদিন নবজাতককে ভুক্তভোগীর অজান্তে ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমসহ অজ্ঞাতনামারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার এক মাস পর গত রবিবার গলাচিপা থানায় অভিযোগ করার পর ওই নারীর শ্বশুর এবং লিপি বেগমকে আটক করে পুলিশ। পরদিন করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘মামলার এজাহার অনুযায়ী ধর্ষণের দায়ে প্রধান অভিযুক্ত ও বাচ্চা অপহরণে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাচ্চাও উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।’
এক বছরের বেশি সময় ধরে ধর্ষণ এবং নবজাতককে অপহরণের অভিযোগ কেন এক মাস পরে থানায় জানানো হলো, সে ব্যাপারে মামলাকারী নারীর কাছ থেকে পরিষ্কার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ওসি জানান, পুলিশও বেশ কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতায় রয়েছে। বিস্তারিত তদন্তের পর সব কিছু পরিষ্কার হওয়া যাবে।
ওমান প্রবাসীর স্ত্রীর সন্তান প্রসবের ঘটনা কেন্দ্র করে পটুয়াখালীর গলাচিপায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় শ্বশুর, শাশুড়িসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন সন্তান জন্ম দেওয়া নারী। তার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ শ্বশুরসহ দুজনকে আটক করেছে। ঘটনার তদন্তে নেমে খেই হারিয়ে ফেলার দাবি করেছেন থানার ওসি।
মামলায় ওই নারী অভিযোগ করেন, তিনি গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী এলাকার ওমান প্রবাসী এক ব্যক্তির স্ত্রী। স্বামী প্রবাসে থাকায় তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকেন।
২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাত থেকে তাকে প্রায়ই ধর্ষণ করতেন শ্বশুর মো. রুস্তুম গাজী (৬০)। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে শ্বশুর, শাশুড়ি হাওয়া বেগম এবং ননদ খালেদা বেগম ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি একবার গর্ভপাত করানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।
এরপর ওই নারী গত ২৬ মার্চ গলাচিপা পৌর এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে একটি ছেলেসন্তান জন্ম দেন। পরদিন নবজাতককে তার অজান্তে ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমসহ অজ্ঞাতনামারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রায় এক মাস পর তিনি গলাচিপা থানায় মামলা করেন।
এ ঘটনায় রবিবার (২৬ এপ্রিল) রাতে ওই নারীর শ্বশুর রুস্তম গাজী ও নবজাতক বিক্রিতে সহায়তা করার অভিযোগে বেসরকারি ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান নবজাতক উদ্ধার ও দুজন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার ডাকুয়া ইউনিয়নের আটখালী এলাকার ওমান প্রবাসীর স্ত্রী তার শ্বশুর মো. রুস্তম গাজীর (৬০) বাড়িতে বসবাস করতেন। তার স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে ২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি রাতে ধর্ষণ করেন। পরে বিভিন্ন সময় তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। পরে বিষয়টি অভিযুক্তরা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি গর্ভপাত করানোরও চেষ্টাও করেন।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ২৬ মার্চ ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার কথা বলে গলাচিপা পৌর এলাকার একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়, সেখানে সিজারের মাধ্যমে একটি পুত্রসন্তান জন্ম দেন।
পরদিন নবজাতককে ভুক্তভোগীর অজান্তে ক্লিনিকের আয়া লিপি বেগমসহ অজ্ঞাতনামারা অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার এক মাস পর গত রবিবার গলাচিপা থানায় অভিযোগ করার পর ওই নারীর শ্বশুর এবং লিপি বেগমকে আটক করে পুলিশ। পরদিন করা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, ‘মামলার এজাহার অনুযায়ী ধর্ষণের দায়ে প্রধান অভিযুক্ত ও বাচ্চা অপহরণে জড়িত একজনকে গ্রেপ্তার করেছি। বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে বাচ্চাও উদ্ধার করা হয়েছে। আসামিদের আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হবে।’
এক বছরের বেশি সময় ধরে ধর্ষণ এবং নবজাতককে অপহরণের অভিযোগ কেন এক মাস পরে থানায় জানানো হলো, সে ব্যাপারে মামলাকারী নারীর কাছ থেকে পরিষ্কার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ওসি জানান, পুলিশও বেশ কিছু বিষয়ে অস্পষ্টতায় রয়েছে। বিস্তারিত তদন্তের পর সব কিছু পরিষ্কার হওয়া যাবে।

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:৩৮
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে। তবে এর উল্টো চিত্র এখন দেখা যাচ্ছে পেট্রল পাম্পগুলোতে মজুত আছে পর্যাপ্ত, কিন্তু নেই আগের মতো ক্রেতার ভিড়। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করছেন পাম্প কর্মীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুদিন আগেও যেখানে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, সেখানে এখন পুরো পরিবেশই অনেকটা ফাঁকা। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের মাঝে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত তেল পাওয়া যাচ্ছে।
তবে অনেকেই মনে করছেন, আগে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের অজুহাতে তেল সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতাও কমেছে।
পৌরশহরের ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহাদ হোসেন বলেন, ‘বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। স্টোরেজ ট্যাংকে তেল জমে থাকছে, আবার নতুন সরবরাহও আসছে। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার লিটার পেট্রল আসার অপেক্ষায় রয়েছে। যদি বিদ্যমান তেল শেষ না হয়, তাহলে লড়িতে তেল রেখে দিতে হবে যা আমাদের জন্য চাপ তৈরি করছে।’
পৌরশহরের সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘আগে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার পেট্রল বিক্রি হতো। এখন সেই পরিমাণ তেল বিক্রি করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগছে। নতুন করে সরবরাহও আসছে, ফলে কোনো সংকট নেই।’
এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, ‘ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বর্তমানে কোনো সংকট নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে জ্বালানি তেল সরবরাহ শুরু হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে ভোক্তাদের মাঝে। তবে এর উল্টো চিত্র এখন দেখা যাচ্ছে পেট্রল পাম্পগুলোতে মজুত আছে পর্যাপ্ত, কিন্তু নেই আগের মতো ক্রেতার ভিড়। ফলে অনেকটা অলস সময় পার করছেন পাম্প কর্মীরা।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) বিকাল ৩টার দিকে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কিছুদিন আগেও যেখানে শত শত মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা যেত, সেখানে এখন পুরো পরিবেশই অনেকটা ফাঁকা। অনিয়ন্ত্রিত বিক্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবং ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের মাঝে নির্ধারিত পরিমাণে তেল সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ায় পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে।
মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আগে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় তেল পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার কারণে দ্রুত তেল পাওয়া যাচ্ছে।
তবে অনেকেই মনে করছেন, আগে আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের অজুহাতে তেল সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি অতিরিক্ত দামে বিক্রির প্রবণতাও কমেছে।
পৌরশহরের ঘোড়াঘাট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আহাদ হোসেন বলেন, ‘বেচাকেনা আগের তুলনায় অনেক কমে গেছে। স্টোরেজ ট্যাংকে তেল জমে থাকছে, আবার নতুন সরবরাহও আসছে। বর্তমানে প্রায় সাড়ে ১১ হাজার লিটার পেট্রল আসার অপেক্ষায় রয়েছে। যদি বিদ্যমান তেল শেষ না হয়, তাহলে লড়িতে তেল রেখে দিতে হবে যা আমাদের জন্য চাপ তৈরি করছে।’
পৌরশহরের সাধনা ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ‘আগে প্রতিদিন তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার লিটার পেট্রল বিক্রি হতো। এখন সেই পরিমাণ তেল বিক্রি করতে ৪ থেকে ৫ দিন সময় লাগছে। নতুন করে সরবরাহও আসছে, ফলে কোনো সংকট নেই।’
এ বিষয়ে ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন বলেন, ‘ফুয়েল কার্ড ব্যবস্থার ফলে জ্বালানি সরবরাহে স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। বর্তমানে কোনো সংকট নেই। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।’

২৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৬
নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে বসতঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে আরাফাতুন (২০) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) গভীর রাতের এই ঝড়ে জেলার আত্রাই, রানীনগরসহ কয়েকটি উপজেলায় শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত আরাফাতুন আত্রাই নদীর তীরে বসবাসরত একটি বেদে পরিবারের সদস্য এবং তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, রাত তিনটার দিকে শুরু হওয়া তীব্র ঝড়ে একটি বিশাল ইউক্যালিপটাস গাছ তার অস্থায়ী ঘরের ওপর উপড়ে পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে গাছ পড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সরকারি সহায়তা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। নিহত নারীর পরিবারকেও সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
নওগাঁয় কালবৈশাখী ঝড়ে বসতঘরের ওপর গাছ ভেঙে পড়ে আরাফাতুন (২০) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) গভীর রাতের এই ঝড়ে জেলার আত্রাই, রানীনগরসহ কয়েকটি উপজেলায় শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত আরাফাতুন আত্রাই নদীর তীরে বসবাসরত একটি বেদে পরিবারের সদস্য এবং তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন।
পুলিশ জানায়, রাত তিনটার দিকে শুরু হওয়া তীব্র ঝড়ে একটি বিশাল ইউক্যালিপটাস গাছ তার অস্থায়ী ঘরের ওপর উপড়ে পড়ে। এতে তিনি গুরুতর আহত হলে দ্রুত রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, ঝড়ে গাছ পড়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
এ বিষয়ে নওগাঁর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের সরকারি সহায়তা ও আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। নিহত নারীর পরিবারকেও সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.