
২৭ জুলাই, ২০২৫ ১৩:১৪
বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। বাড়িতে আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকেই উপস্থিত। এরই মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের নষ্ট সুইচ মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বর। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্যচর বাজার এলাকায়। রোববার (২৭ জুলাই) শাহ আলম (২২) নামে ওই যুবকের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এর আগে, শনিবার দুপুরের দিকে মারা যান তিনি। নিহত শাহ আলম নব্যচর গ্রামের শাহ জামাল মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শাহ আলমের বিয়ে উপলক্ষে তার বাবা শাহ জামাল সব আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। বাড়িতে বিয়ের দাওয়াতী মেহমান উপস্থিত ছিলেন। এরই মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের নষ্ট সুইচ মেরামত করতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান শাহ আলম। এ ঘটনায় নব্যচর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শাহ আলমের চাচাতো ভাই শাকিল মিয়া বলেন, ভাই কারেন্টের কাজ জানত, তাই নিজের ফ্যানের সুইচ নিজেই ঠিক করতে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই কারেন্টে শক খেয়ে মারা যায়। বিয়ের দাওয়াত খেতে বাড়িতে অনেক মেহমান এসেছে।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিয়ের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন। বাড়িতে আমন্ত্রিত অতিথিদের অনেকেই উপস্থিত। এরই মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের নষ্ট সুইচ মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বর। এমন মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
ঘটনাটি ঘটেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের নব্যচর বাজার এলাকায়। রোববার (২৭ জুলাই) শাহ আলম (২২) নামে ওই যুবকের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। এর আগে, শনিবার দুপুরের দিকে মারা যান তিনি। নিহত শাহ আলম নব্যচর গ্রামের শাহ জামাল মণ্ডলের ছেলে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শাহ আলমের বিয়ে উপলক্ষে তার বাবা শাহ জামাল সব আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেন। বাড়িতে বিয়ের দাওয়াতী মেহমান উপস্থিত ছিলেন। এরই মধ্যে ঘরের সিলিং ফ্যানের নষ্ট সুইচ মেরামত করতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান শাহ আলম। এ ঘটনায় নব্যচর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শাহ আলমের চাচাতো ভাই শাকিল মিয়া বলেন, ভাই কারেন্টের কাজ জানত, তাই নিজের ফ্যানের সুইচ নিজেই ঠিক করতে গিয়েছিল। হঠাৎ করেই কারেন্টে শক খেয়ে মারা যায়। বিয়ের দাওয়াত খেতে বাড়িতে অনেক মেহমান এসেছে।
মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একজনের মৃত্যুর খবর শুনেছি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৩
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন স্বামী। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভু্ক্তভোগী ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের নামে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে ছালেহা বেগম। এসময় জমির মালিকসহ এলাকাবাসী করলাসহ হাতেনাতে তাকে আটক করে। পরে ছালেহার পরিবারকে জানালে তার স্বামী বদিয়া মিয়া সকাল ৯টার দিকে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। পরে গোপনে থেকে ছালেহা নামের নারীকে এক বস্তা করলাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে, তিনি এসে গাছে বেঁধে তাকে পিটিয়েছেন।’
এ ঘটনায় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, হাতেনাতে করলাসহ এক নারীকে আটক করে জমির মালিক। পরে ওই নারীর স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে গেছেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি কাওসার আলী বলেন, করলা চুরির অভিযোগ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়েছে এমনটি শুনেছি। তবে এ বিষয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন স্বামী। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভু্ক্তভোগী ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের নামে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে ছালেহা বেগম। এসময় জমির মালিকসহ এলাকাবাসী করলাসহ হাতেনাতে তাকে আটক করে। পরে ছালেহার পরিবারকে জানালে তার স্বামী বদিয়া মিয়া সকাল ৯টার দিকে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। পরে গোপনে থেকে ছালেহা নামের নারীকে এক বস্তা করলাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে, তিনি এসে গাছে বেঁধে তাকে পিটিয়েছেন।’
এ ঘটনায় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, হাতেনাতে করলাসহ এক নারীকে আটক করে জমির মালিক। পরে ওই নারীর স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে গেছেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি কাওসার আলী বলেন, করলা চুরির অভিযোগ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়েছে এমনটি শুনেছি। তবে এ বিষয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৭
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ১০ টাকার জন্য চাচি আয়েশা খাতুনকে (৪০) হত্যা করেছে ভাতিজা তৌহিদ হোসেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা খাতুন কৈয়ারচালা এলাকার তারা মিয়ার স্ত্রী। আর তৌহিদ হোসেন তারা মিয়ার আপন ভাই লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ টাকা নিয়ে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এটি বড়দের ঝগড়ায় রূপ নেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র (ডেগার) দিয়ে চাচিকে এলোপাথারী আঘাত করে।
এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পুলিশ রাতেই আয়শা খাতুনের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, আমি ঘটনাস্থলেই আছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ১০ টাকার জন্য চাচি আয়েশা খাতুনকে (৪০) হত্যা করেছে ভাতিজা তৌহিদ হোসেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা খাতুন কৈয়ারচালা এলাকার তারা মিয়ার স্ত্রী। আর তৌহিদ হোসেন তারা মিয়ার আপন ভাই লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ টাকা নিয়ে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এটি বড়দের ঝগড়ায় রূপ নেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র (ডেগার) দিয়ে চাচিকে এলোপাথারী আঘাত করে।
এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পুলিশ রাতেই আয়শা খাতুনের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, আমি ঘটনাস্থলেই আছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

১৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১:০৪
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
ময়মনসিংহের ভালুকায় দলীয় কার্যালয় খোলা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় বাবা-ছেলেকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলের মধ্যে সন্ত্রাস, হানাহানি ও রক্তপাতের ঘটনায় জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও জামিরদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. খোকা মিয়া এবং সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি কর্মী, জামিরদিয়া ইউনিয়নের ভালুকা নিবাসী তোফায়েল আহমেদ রানাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার জামিরদিয়া নারিশের গেইট এলাকায় বাবা ও ছেলের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাবা খোকা মিয়াসহ দুইজন আহত হন।
সূত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাবা খোকা মিয়া ধানের শীষের প্রার্থী ফখর উদ্দিন আহমেদ বাচ্চুর সমর্থক ছিলেন। ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মোর্শেদ আলমের সমর্থক। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
ঘটনার দিন রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে নির্বাচনের পর থেকে বন্ধ থাকা নারিশের মোড়ের রাজনৈতিক কার্যালয় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা খোলেন। বিষয়টি বাবা দেখে কার্যালয় বন্ধ করতে বলেন। এ নিয়ে বাবা-ছেলের মধ্যে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এ সময় ছেলে তোফায়েল আহমেদ রানা বাবাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন এবং তার সঙ্গীরা বাবা খোকা মিয়ার সঙ্গে থাকা লোকজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করেন। এ সময় দলীয় কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করা হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ভালুকা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। গুলিবিদ্ধ খোকা মিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় চিকিৎসক তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.