
১২ জুন, ২০২৫ ০১:২৩
ভোলা সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে পড়শির হামলা যুবক নিহতসহ একই পরিবারের অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন। পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে-সন্তানেরা ১০ জুন বিকেল তিনটার দিকে অস্ত্রসমেত হামলা চালিয়ে ইসমাইল হাওলাদারসহ (২৬) পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে ৮ জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একদিন বাদে ইসমাইলসহ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিয়ে আসা হয়। শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাদের মধ্যে ইসমাইলের মৃত্যু হয়।
নিহত ইসমাইলের দুলাভাই মো. মাইদুল দেওয়ান (৩৫) বরিশালটাইমসকে জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত বজলু জোমাদ্দারের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। ১০ জুন বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথার কাটাকাটি হলে বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে মফিজ জোমাদ্দার (৩৫), সবুজ জোমাদ্দার (৪০), মিজান জোমাদ্দার (৩০), শ্যালক কামাল বেপারীসহ অন্তত ১০/১২ জন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এসময় তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে ধারালো চাইনিজ কুঠাল দিয়ে ইসমাইলের মাথায় কোপ দেয়, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই চিত্র দেখে স্বজনেরা এগিয়ে গেলে একে একে সকলকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রাখে। তাৎক্ষণিকভাবে ইসমাইলসহ ৮জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একদিন বাদে বুধবার (১১ জুন) তাদের মধ্যে ইসমাইল, বিউটি বেগম এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মি. মাইদুল জানান, সকালে শেবাচিমে ভর্তি করা হলে রাতে ইসমাইল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে বুধবার সকালে হামলাকারী বজলু জোমাদ্দারসহ তার ছেলে-সন্তানদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সাইফুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান চলছে। কিন্তু ঘটনার পরে সকলে মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপন করায় গ্রেপ্তার করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’
ভোলা সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে পড়শির হামলা যুবক নিহতসহ একই পরিবারের অন্তত ৯জন আহত হয়েছেন। পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশি বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে-সন্তানেরা ১০ জুন বিকেল তিনটার দিকে অস্ত্রসমেত হামলা চালিয়ে ইসমাইল হাওলাদারসহ (২৬) পরিবারের সদস্যদের কুপিয়ে জখম করে। তাদের মধ্যে ৮ জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে একদিন বাদে ইসমাইলসহ তিনজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে নিয়ে আসা হয়। শেবাচিমে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তাদের মধ্যে ইসমাইলের মৃত্যু হয়।
নিহত ইসমাইলের দুলাভাই মো. মাইদুল দেওয়ান (৩৫) বরিশালটাইমসকে জানান, আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত বজলু জোমাদ্দারের সাথে তাদের দীর্ঘদিনের বিরোধ চলে আসছে। ১০ জুন বিকেলে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে তাদের সাথে কথার কাটাকাটি হলে বজলু জোমাদ্দারের নেতৃত্বে তার ছেলে মফিজ জোমাদ্দার (৩৫), সবুজ জোমাদ্দার (৪০), মিজান জোমাদ্দার (৩০), শ্যালক কামাল বেপারীসহ অন্তত ১০/১২ জন লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করে। এসময় তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে ধারালো চাইনিজ কুঠাল দিয়ে ইসমাইলের মাথায় কোপ দেয়, এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই চিত্র দেখে স্বজনেরা এগিয়ে গেলে একে একে সকলকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে ফেলে রাখে। তাৎক্ষণিকভাবে ইসমাইলসহ ৮জনকে উদ্ধার করে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। একদিন বাদে বুধবার (১১ জুন) তাদের মধ্যে ইসমাইল, বিউটি বেগম এবং খাদিজাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
মি. মাইদুল জানান, সকালে শেবাচিমে ভর্তি করা হলে রাতে ইসমাইল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এর আগে বুধবার সকালে হামলাকারী বজলু জোমাদ্দারসহ তার ছেলে-সন্তানদের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়।
মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) সাইফুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, এই ঘটনায় জড়িত সকলকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে অভিযান চলছে। কিন্তু ঘটনার পরে সকলে মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে আত্মগোপন করায় গ্রেপ্তার করতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে বাড়ি তৈরি করার নকশা আটকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে বিএনপি সময় চাকুরিতে যোগদান করলেও পরবর্তীতে বনে যান আওয়ামী লীগের সমর্থক। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আবারও বোল পাল্টে অন্য সংগঠনের কর্মী হওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। সে চেষ্টায় তিনি সফল হবেন হয়তো কিন্তু স্থানীয়দের দাবি ইঞ্জিনিয়ার আতিকের অপসারণ।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুল ইসলাম ২০০১ সালে চাকুরিতে যোগদান করেন। যোগদানের ২৫ বছরে মধ্যে বাউফল পৌরসভাতেই প্রায় ১৮ বছর কর্মরত আছেন। পৌরসভার বিল্ডিং প্লানিংয়ের অনুমোদনের দায়িত্ব তার হাতে। কিন্তু বাহিরের কোন আর্কিটেকচারের করা নকশা তার হাতে পাশ হয় না বলে অভিযোগে রয়েছে। বিধান রয়েছে, প্লান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ কোনভাবেই জড়িত থাকতে পারবেন না। কিন্তু নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের মাধ্যমে নকশা তৈরি করে পাশ করাতে বাধ্য করা হয় গ্রাহককে। না হলে প্ল্যান পাশ করাতে পারেন না ভবন নির্মাণ মালিকগণ।
তাছাড়া নিজের করা প্লান পাশ করাতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন ফি ১০০০ টাকা, ৫০০ বর্গফিট একটি একতলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য ২০০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি বর্গফিটের জন্য ২০০০ করে সরকারী ভাবে জমা দিতে হয়। পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহককে দুইগুণ, তিনগুণ ক্ষেত্রবিশেষ তারচেয়েও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
অথচ নিয়ম রয়েছে, প্রতি তিন মাস অন্তর বিল্ডিং প্ল্যানিং কমিটির সভা করতে হবে। কিন্তু ২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ১টি সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৫ আগস্টের পর দেড় বছরে মাত্র ২টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের মত করে তার দপ্তর পরিচালনা করে আসছেন গত ১৯ বছর ধরে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের সাথে আঁতাত করে একই উপজেলায় বহু বছর কর্মরত রয়েছেন। একজন কর্মকর্তা এত বছর একই উপজেলায় কর্মরত থাকতে পারেন কিনা সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে প্ল্যান তৈরি করার কারণে বর্তমানে পৌরসভা ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ২৫-৩০টি প্ল্যান পেন্ডিং রয়েছে। পৌরসভার শুরু থেকেই ভবন নির্মাণের নকশা বাধ্যতামূলক। এ সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। ভবন নির্মাণ মালিকদের কাছ থেকে নানা টালবাহানা পাকিয়ে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাতিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএননিসি) এর নিয়ম অনুসারে ডিজাইনকৃত প্রকৌশলী ওই সাইট সুপারভাইস বা দেখাশোনা করবেন এবং অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কাগজে কলমে সব ঠিক থাকলেও নকশা করা প্রকৌশলীরা বাউফল উপজেলায় কোন দিন আসে নাই বা তারা চিনেনও না।
মুঠোফোনে কথা হয় প্রকৌশলী মো ফয়েজউল্লাহর সাথে। তিনি জানান, ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে দিয়ে নকশার সকল কাজ করিয়ে থাকেন। প্লানের তদারকি তারা করেন না। তিনি বাউফল উপজেলায় অসেননি এবং চিনেনও না।
ইঞ্জিনিয়ার নাঈম নামের অপর এক প্রকৌশলী জানান, তিনি আগে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের সকল কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি ভান্ডারিয়া পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। কোন কাজের তদারকি তিনি বাউফলে এসে করেননি।
ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় নামের পটুয়াখালীর একজন প্রকৌশলী জানান, তাকে দিয়ে নামমাত্র পারিশ্রমিক দিয়ে নকশার ডিজাইনের কাজ করাতেন। ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে বলতেন, বাউফল পৌরসভার সকল নাগরিকের নকসার কাজ আতিক সাহেব বিনামূল্যে করে থাকেন। তাই তাকে নামমাত্র পারিশ্রমিক পরিশোধ করতেন।
মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আতিকের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ সত্য। আমি নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের করা কোন নকসার কাজের অনুমোদন দেয়া হয় না। আমি এর আগে পৌর প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।
পৌর প্রশাসক আমাদেরকে এক সাথে নিয়ে বসে সকল নকশা পাশ করার নির্দেশ দেন আতিক সাহেবকে। কিন্তু এর পরও সে আমাদের কোন নকসা অনুমোদন দেন না। বর্তমান ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করলে তিনি কিছুটা তাড়িয়ে দেয়ার মত আচারণ করেছেন।
এবিষয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘আমি ২৪ সালের ৫ আগস্টের ৩ মাস আগে প্লান অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। এখনও অনুমোদন পাইনি। আমার কাছ থেকে কয়েক ধাপে মোট ৬০ হাজার টাকার বেশি নেয়া হয়েছে। টাকাও ফেরৎ দেয় না আর নকসা অনুমোদনও দেয় না।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্লান অনুমোদনের জন্য যাবতীয় সকল কাগজ-পত্র দিয়েছি কিন্তু কবে অনুমোদন হবে জানিনা। আমার কাছ থেকে ২৬-২৮হাজার টাকা নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, আমার কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা নিয়েছে নকসা অনুমোদনের জন্য। ১বছর হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত অনুমোদন হয়নি। তার প্লানটি বাহিরের ইঞ্জিয়ার দিয়ে করিয়েছেন।
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নির্মাণ ভবন মালিক তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমি বাহিরে একজন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নকশা তৈরি করেছি। প্রায় ৬মাস হয়েছে অনুমোদন দিচ্ছে না। কাজ শুরু করতে মালামাল এনে রেখেছি অনুমোদনের কারণে কাজ শুরু করতে পারছি না। অনেক মাল নষ্ট হয়ে গেছে।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ রোডের বাসিন্দা মো. ফয়সাল বলেন, ‘আমি ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আমার বিল্ডিং প্লান ও সয়েল স্টেস্টের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। এখনও পর্যন্ত প্লান পাশ হয়নি। সম্প্রতি তিনি আবার নতুন করে টাকা দাবি করছেন।’
পৌরসভার ২নংওয়ার্ডে বাসিন্দা মো আনিক জানান, তার নিজস্ব সম্পত্তিতে একটি বাউন্ডারি ওয়াল করতে আতিক তার কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। ১ বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও কোন ধরনের প্লান অনুমোদন না দিয়ে নানা অজুহাতে আজ-কাল করে সময় ক্ষেপণ করছেন।
অভিযুক্ত প্রকৌশলী মো আতিকুল ইসলাম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। এমনকি জানুয়ারী পর্যন্ত কোন প্লান পেইন্ডিং নেই। তিনি কোন প্লানের সাথে জড়িত না বলেও জানান তিনি।’
এবিষয়ে ডেপুটি ডিরেক্টর অব লোকাল গভার্নমেন্ট (ডিডিএলজি) জুয়েল রানা বলেন, ‘পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে আমরা তদন্ত করেছি তার বিরুযদ্ধে কোন অভিযোগ পাইনি। এক ব্যক্তি এক উপজেলায় ১৮/১৯ বছর থাকতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
পটুয়াখালীর বাউফল পৌর শহরে বাড়ি তৈরি করার নকশা আটকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে প্রকৌশলী আতিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ২০০১ সালে বিএনপি সময় চাকুরিতে যোগদান করলেও পরবর্তীতে বনে যান আওয়ামী লীগের সমর্থক। কিন্তু ৫ আগস্টের পর আবারও বোল পাল্টে অন্য সংগঠনের কর্মী হওয়ার চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। সে চেষ্টায় তিনি সফল হবেন হয়তো কিন্তু স্থানীয়দের দাবি ইঞ্জিনিয়ার আতিকের অপসারণ।
বিভিন্ন মাধ্যম জানা গেছে, ইঞ্জিনিয়ার আতিকুল ইসলাম ২০০১ সালে চাকুরিতে যোগদান করেন। যোগদানের ২৫ বছরে মধ্যে বাউফল পৌরসভাতেই প্রায় ১৮ বছর কর্মরত আছেন। পৌরসভার বিল্ডিং প্লানিংয়ের অনুমোদনের দায়িত্ব তার হাতে। কিন্তু বাহিরের কোন আর্কিটেকচারের করা নকশা তার হাতে পাশ হয় না বলে অভিযোগে রয়েছে। বিধান রয়েছে, প্লান অনুমোদন প্রক্রিয়ার সাথে পৌরসভার কর্মকর্তাবৃন্দ কোনভাবেই জড়িত থাকতে পারবেন না। কিন্তু নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের মাধ্যমে নকশা তৈরি করে পাশ করাতে বাধ্য করা হয় গ্রাহককে। না হলে প্ল্যান পাশ করাতে পারেন না ভবন নির্মাণ মালিকগণ।
তাছাড়া নিজের করা প্লান পাশ করাতে গুণতে হয় মোটা অংকের টাকা। ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন ফি ১০০০ টাকা, ৫০০ বর্গফিট একটি একতলা বিশিষ্ট ভবনের জন্য ২০০০ টাকা এবং পরবর্তী প্রতি বর্গফিটের জন্য ২০০০ করে সরকারী ভাবে জমা দিতে হয়। পৌরসভা কর্তৃক নির্ধারিত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহককে দুইগুণ, তিনগুণ ক্ষেত্রবিশেষ তারচেয়েও বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
অথচ নিয়ম রয়েছে, প্রতি তিন মাস অন্তর বিল্ডিং প্ল্যানিং কমিটির সভা করতে হবে। কিন্তু ২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ১টি সভাও অনুষ্ঠিত হয়নি। ৫ আগস্টের পর দেড় বছরে মাত্র ২টি সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজনৈতিক শক্তি কাজে লাগিয়ে নিজেই নিজের মত করে তার দপ্তর পরিচালনা করে আসছেন গত ১৯ বছর ধরে।
অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীন দলের সাথে আঁতাত করে একই উপজেলায় বহু বছর কর্মরত রয়েছেন। একজন কর্মকর্তা এত বছর একই উপজেলায় কর্মরত থাকতে পারেন কিনা সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বিভিন্ন মাধ্যমে প্ল্যান তৈরি করার কারণে বর্তমানে পৌরসভা ইঞ্জিনিয়ারের কাছে ২৫-৩০টি প্ল্যান পেন্ডিং রয়েছে। পৌরসভার শুরু থেকেই ভবন নির্মাণের নকশা বাধ্যতামূলক। এ সুযোগকে পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। ভবন নির্মাণ মালিকদের কাছ থেকে নানা টালবাহানা পাকিয়ে অনৈতিক ভাবে অর্থ হাতিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড (বিএননিসি) এর নিয়ম অনুসারে ডিজাইনকৃত প্রকৌশলী ওই সাইট সুপারভাইস বা দেখাশোনা করবেন এবং অঙ্গীকারনামা দিতে হবে। কাগজে কলমে সব ঠিক থাকলেও নকশা করা প্রকৌশলীরা বাউফল উপজেলায় কোন দিন আসে নাই বা তারা চিনেনও না।
মুঠোফোনে কথা হয় প্রকৌশলী মো ফয়েজউল্লাহর সাথে। তিনি জানান, ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে দিয়ে নকশার সকল কাজ করিয়ে থাকেন। প্লানের তদারকি তারা করেন না। তিনি বাউফল উপজেলায় অসেননি এবং চিনেনও না।
ইঞ্জিনিয়ার নাঈম নামের অপর এক প্রকৌশলী জানান, তিনি আগে ইঞ্জিনিয়ার আতিকের সকল কাজ করতেন। বর্তমানে তিনি ভান্ডারিয়া পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। কোন কাজের তদারকি তিনি বাউফলে এসে করেননি।
ইঞ্জিনিয়ার সঞ্জয় নামের পটুয়াখালীর একজন প্রকৌশলী জানান, তাকে দিয়ে নামমাত্র পারিশ্রমিক দিয়ে নকশার ডিজাইনের কাজ করাতেন। ইঞ্জিনিয়ার আতিক তাকে বলতেন, বাউফল পৌরসভার সকল নাগরিকের নকসার কাজ আতিক সাহেব বিনামূল্যে করে থাকেন। তাই তাকে নামমাত্র পারিশ্রমিক পরিশোধ করতেন।
মো. শফিকুর রহমান অভিযোগ করে সাংবাদিকদের বলেন, ইঞ্জিনিয়ার আতিকের বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ সত্য। আমি নিজে একজন ইঞ্জিনিয়ার। আমাদের করা কোন নকসার কাজের অনুমোদন দেয়া হয় না। আমি এর আগে পৌর প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম।
পৌর প্রশাসক আমাদেরকে এক সাথে নিয়ে বসে সকল নকশা পাশ করার নির্দেশ দেন আতিক সাহেবকে। কিন্তু এর পরও সে আমাদের কোন নকসা অনুমোদন দেন না। বর্তমান ইউএনও মহোদয়ের কাছে অভিযোগ করলে তিনি কিছুটা তাড়িয়ে দেয়ার মত আচারণ করেছেন।
এবিষয়ে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘আমি ২৪ সালের ৫ আগস্টের ৩ মাস আগে প্লান অনুমোদনের জন্য দিয়েছি। এখনও অনুমোদন পাইনি। আমার কাছ থেকে কয়েক ধাপে মোট ৬০ হাজার টাকার বেশি নেয়া হয়েছে। টাকাও ফেরৎ দেয় না আর নকসা অনুমোদনও দেয় না।
পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা সোহাগ বলেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসে প্লান অনুমোদনের জন্য যাবতীয় সকল কাগজ-পত্র দিয়েছি কিন্তু কবে অনুমোদন হবে জানিনা। আমার কাছ থেকে ২৬-২৮হাজার টাকা নিয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের একজন সরকারী কর্মকর্তা জানান, আমার কাছ থেকে ২৩ হাজার টাকা নিয়েছে নকসা অনুমোদনের জন্য। ১বছর হয়ে গেছে এখন পর্যন্ত অনুমোদন হয়নি। তার প্লানটি বাহিরের ইঞ্জিয়ার দিয়ে করিয়েছেন।
পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের নির্মাণ ভবন মালিক তাসলিমা বেগম বলেন, ‘আমি বাহিরে একজন ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা নকশা তৈরি করেছি। প্রায় ৬মাস হয়েছে অনুমোদন দিচ্ছে না। কাজ শুরু করতে মালামাল এনে রেখেছি অনুমোদনের কারণে কাজ শুরু করতে পারছি না। অনেক মাল নষ্ট হয়ে গেছে।
পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের মহিলা কলেজ রোডের বাসিন্দা মো. ফয়সাল বলেন, ‘আমি ২০২২ সালের অক্টোবর মাসে আমার বিল্ডিং প্লান ও সয়েল স্টেস্টের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা নিয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার আতিক। এখনও পর্যন্ত প্লান পাশ হয়নি। সম্প্রতি তিনি আবার নতুন করে টাকা দাবি করছেন।’
পৌরসভার ২নংওয়ার্ডে বাসিন্দা মো আনিক জানান, তার নিজস্ব সম্পত্তিতে একটি বাউন্ডারি ওয়াল করতে আতিক তার কাছ থেকে ১৭ হাজার টাকা নিয়েছেন। ১ বছরের বেশি সময় হয়ে গেলেও কোন ধরনের প্লান অনুমোদন না দিয়ে নানা অজুহাতে আজ-কাল করে সময় ক্ষেপণ করছেন।
অভিযুক্ত প্রকৌশলী মো আতিকুল ইসলাম সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমি কোন অনিয়মের সাথে জড়িত নই। এমনকি জানুয়ারী পর্যন্ত কোন প্লান পেইন্ডিং নেই। তিনি কোন প্লানের সাথে জড়িত না বলেও জানান তিনি।’
এবিষয়ে ডেপুটি ডিরেক্টর অব লোকাল গভার্নমেন্ট (ডিডিএলজি) জুয়েল রানা বলেন, ‘পৌর প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। এর আগে আমরা তদন্ত করেছি তার বিরুযদ্ধে কোন অভিযোগ পাইনি। এক ব্যক্তি এক উপজেলায় ১৮/১৯ বছর থাকতে পারেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন এটি মন্ত্রণালয়ের বিষয়।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৭