Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জুন, ২০২৫ ১২:৫৯
রাজশাহীর মোহনপুর ও বাগমারা উপজেলার সীমান্তবর্তী গনিপুর ইউনিয়নের আচিনঘাটে বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী সাহেব আলীর হাটু ও পায়ে পেরেক পুতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমানের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের একপর্যায়ে সাহেব আলীর দুই পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকাল ৯ টার দিকে আচিনঘাট গ্রামের সাহেব আলীর নিজ আম-লিচুর বাগানে এ অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। আহত সাহেব আলী আচিনঘাট গ্রামের মৃত লবিণ প্রামাণিকের ছেলে।
আহত সাহেব আলীর পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান আওয়ামী লীগের ৭/৮ জন সন্ত্রাসী নিয়ে সাহেব আলীর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে।
সাহেব আলীর ছেলে মৃদুল হাসান জানান, আমার বাবা বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী। গত ৫ আগস্ট পূর্বে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের হাতে আটক হয়ে বেশকিছু দিন কারাভোগ করেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একাধিকবার।
মৃদুল জানান, আমাদের আম ও লিচু বাগানের বসে থাকা অবস্থায় জামাত নেতা মাহবুব রহমান ও তার ভাড়াটে পার্শ্ববর্তী নামাজগ্রামের কতিপয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা শরীরে হাতুড়ি দিয়ে পেরেক পুতে নির্যাতন করে। তারা আমার বাবার দুই পা ভেঙ্গে দেয়। এসময় বাবার আত্ম-চিৎকারে আমরা দৌড়ে গিয়ে আমার বাবাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেকে) ভর্তি করায়। তিনি জানান, বাবার চিকিৎসা শেষে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
এদিকে, আহত সাহেব আলীর পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেন গণিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, সাহেব আলী গত ঈদের আগে গ্রামের মোড়ে সন্ধ্যার সময় আমার ভাইয়ের উপর হামলা চালায়। মারপিট করে। সে একজন মাদকাসক্ত। বাগান পাহারার আড়ালে সেখানে নিয়মিত মাদক সেবন করে। বহিরাগত মাদক সেবিরা এসে বাগানে আড্ডা জমিয়ে মাদক সেবন করে। তাকে মাদক সেবনে বাঁধা দিলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা করে। সেসময় আশেপাশে লোকজন এসে তাকে মারপিট করে। জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে এড়িয়ে যান।
ঐ গ্রামের স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা সময়ের আলোকে জানান, পুকুরের পাড় ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন জামায়াত নেতা মাহবুব রহমান ও সাহেব আলীর মধ্যে বেশকিছু দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। জামায়াত নেতা মাহবুব রহমানের মালিকানাধীন পুকুরে সাহেব আলীর ভিটা জমির অনেকখানি পাড় ভেঙ্গে ঢুকে যায়। সাহেব আলীর পাড় বেঁধে চাইলে উভয়ের মধ্যে ঝামেলা বাঁধে। গত তিন বছর পূর্বে স্থানীয় এক মীমাংসায় পাড় বেঁধে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিন বছর পার হলেও সায়েব আলীর ভিটা জমির পাড় বেঁধে না দেয়ায় ঈদের আগে জামায়াত নেতাকে পাড় বেঁধে দেয়ার চাপ দেয় সায়েব আলী। এরই জেরে জামায়াত নেতা মাহবুব রহমান আওয়ামী সন্ত্রাসী দিয়ে সায়েব আলীকে উপর্যুপরি পিটিয়ে আহত করে।
গণিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল মৃধা জানান, সাহেব আলী বিএনপির একজন নির্যাতিত ও একনিষ্ঠ কর্মী। তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তার দুই হাঁটুতে ও পায়ে পেরেক পুতে নির্যাতন করা হয়েছে। ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান ও আওয়ামী লীগের কতিপয় দোসর সাহেব আলীকে অমানুষিক নির্যাতন করেছে। আমরা গণিপুর ইউনিয়ন বিএনপি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
রাজশাহীর মোহনপুর ও বাগমারা উপজেলার সীমান্তবর্তী গনিপুর ইউনিয়নের আচিনঘাটে বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী সাহেব আলীর হাটু ও পায়ে পেরেক পুতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমানের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের একপর্যায়ে সাহেব আলীর দুই পা হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ জুন) সকাল ৯ টার দিকে আচিনঘাট গ্রামের সাহেব আলীর নিজ আম-লিচুর বাগানে এ অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। আহত সাহেব আলী আচিনঘাট গ্রামের মৃত লবিণ প্রামাণিকের ছেলে।
আহত সাহেব আলীর পরিবারের অভিযোগ, পারিবারিক জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান আওয়ামী লীগের ৭/৮ জন সন্ত্রাসী নিয়ে সাহেব আলীর উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারপিট করে গুরুতর আহত করেছে।
সাহেব আলীর ছেলে মৃদুল হাসান জানান, আমার বাবা বিএনপির একনিষ্ঠ কর্মী। গত ৫ আগস্ট পূর্বে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে পুলিশের হাতে আটক হয়ে বেশকিছু দিন কারাভোগ করেন। সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন তিনি। আওয়ামী লীগের আমলে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন একাধিকবার।
মৃদুল জানান, আমাদের আম ও লিচু বাগানের বসে থাকা অবস্থায় জামাত নেতা মাহবুব রহমান ও তার ভাড়াটে পার্শ্ববর্তী নামাজগ্রামের কতিপয় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা শরীরে হাতুড়ি দিয়ে পেরেক পুতে নির্যাতন করে। তারা আমার বাবার দুই পা ভেঙ্গে দেয়। এসময় বাবার আত্ম-চিৎকারে আমরা দৌড়ে গিয়ে আমার বাবাকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেকে) ভর্তি করায়। তিনি জানান, বাবার চিকিৎসা শেষে আইনগত ব্যবস্থা নিবো।
এদিকে, আহত সাহেব আলীর পরিবারের অভিযোগ অস্বীকার করেন গণিপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান। তিনি উল্টো অভিযোগ করে বলেন, সাহেব আলী গত ঈদের আগে গ্রামের মোড়ে সন্ধ্যার সময় আমার ভাইয়ের উপর হামলা চালায়। মারপিট করে। সে একজন মাদকাসক্ত। বাগান পাহারার আড়ালে সেখানে নিয়মিত মাদক সেবন করে। বহিরাগত মাদক সেবিরা এসে বাগানে আড্ডা জমিয়ে মাদক সেবন করে। তাকে মাদক সেবনে বাঁধা দিলে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার উপর হামলা করে। সেসময় আশেপাশে লোকজন এসে তাকে মারপিট করে। জমিজমা নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করে এড়িয়ে যান।
ঐ গ্রামের স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা সময়ের আলোকে জানান, পুকুরের পাড় ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন জামায়াত নেতা মাহবুব রহমান ও সাহেব আলীর মধ্যে বেশকিছু দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। জামায়াত নেতা মাহবুব রহমানের মালিকানাধীন পুকুরে সাহেব আলীর ভিটা জমির অনেকখানি পাড় ভেঙ্গে ঢুকে যায়। সাহেব আলীর পাড় বেঁধে চাইলে উভয়ের মধ্যে ঝামেলা বাঁধে। গত তিন বছর পূর্বে স্থানীয় এক মীমাংসায় পাড় বেঁধে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিন বছর পার হলেও সায়েব আলীর ভিটা জমির পাড় বেঁধে না দেয়ায় ঈদের আগে জামায়াত নেতাকে পাড় বেঁধে দেয়ার চাপ দেয় সায়েব আলী। এরই জেরে জামায়াত নেতা মাহবুব রহমান আওয়ামী সন্ত্রাসী দিয়ে সায়েব আলীকে উপর্যুপরি পিটিয়ে আহত করে।
গণিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বকুল মৃধা জানান, সাহেব আলী বিএনপির একজন নির্যাতিত ও একনিষ্ঠ কর্মী। তাকে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তার দুই হাঁটুতে ও পায়ে পেরেক পুতে নির্যাতন করা হয়েছে। ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাহবুব রহমান ও আওয়ামী লীগের কতিপয় দোসর সাহেব আলীকে অমানুষিক নির্যাতন করেছে। আমরা গণিপুর ইউনিয়ন বিএনপি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে মন্দিরের একাধিক কক্ষের তালা কেটে প্রতিমার স্বর্ণালংকার, রুপা ও দানবাক্সের নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ চুরি হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, চোরেরা ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরের কালীমন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির ও জগন্নাথ মন্দিরের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিমার বিভিন্ন স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চার ভরি ওজনের দুই জোড়া স্বর্ণের বালা, এক ভরি ওজনের দুই জোড়া শাঁখা, চার আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, আট আনা ওজনের একটি ‘মায়ের জিভ’, আট আনা ওজনের একটি চেন, দশ আনা ওজনের একটি নথ, চার আনা ওজনের দুই জোড়া পেটি, প্রায় পাঁচ ভরি রুপা, দানবাক্সের নগদ সাত হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।
মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপাসিন্ধু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানাই।
মন্দিরের কর্মকর্তা অসীম দাশ সোনা বলেন, মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
সৌদি আরবের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া সাড়ে ১২ হাজার কার্টুন খেজুর দেশের বিভিন্ন জেলায় বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার জন্য ৫২০ কার্টন বরাদ্দ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে হদিস মিলছে না ২০ কার্টন খেজুরের।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট সূত্রে জানা গেছে, সৌদি যুবরাজের পক্ষ থেকে ১২ হাজার ৫০০ কার্টন খেজুর উপহার হিসেবে আসে বাংলাদেশে। গত ১ মার্চ সেসব খেজুর জেলাভিত্তিক বণ্টনের জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের কাছে পাঠায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। কুমিল্লায় মোট ৫২০ কার্টন খেজুর পাঠানো হয়, যে তথ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এখনো রয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আবেদ আলী বলেন, আমাদের কাছে ৫০০ কার্টন খেজুর এসেছিল। আমরা সেগুলোই বণ্টন করেছি। অধিদপ্তর সংশোধন করে সেটি পরে ৫০০ কার্টনই করেছে।
তালিকা সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সংশোধন না, এটা বরাদ্দটাই ৫০০ ছিল। এটাই সংশোধন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য,মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফেসবুকে লাইভে এসে নিজ এলাকার কর্মকাণ্ডের হিসেব তুলে ধরেন কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ। ওই লাইভে দেবিদ্বারে ৩৯ কার্টন খেজুর পাওয়ার বিষয়টি জানান তিনি। তার এই তথ্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেজুর নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হলে বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়।
ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের ব্রহ্মপুত্র নদে মাছ ধরতে গিয়ে দুই বস্তা সরকারি ওষুধ পেয়েছেন জেলেরা। বুধবার (১১ মার্চ) সকালে উপজেলার তেঁতুলিয়া মসজিদ এলাকার নদে মাছ ধরার সময় ওষুধভর্তি দুটি বস্তা পান তারা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থানীয় জেলেরা ব্রহ্মপুত্র নদে জাল ফেলে মাছ ধরছিলেন। জাল টেনে তোলার সময় মুখ বাধা দুটি বড় পাটের বস্তা দেখতে পান তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। এ সময় বস্তার মুখ খুলে ভেতরে সরকারি হাসপাতালের বিভিন্ন প্রকারের ওষুধ পাওয়া যায়। পুলিশ ওষুধভর্তি বস্তা দুটি থানায় নিয়ে যায়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন বলেন, আমি যতদূর শুনেছি বস্তায় থাকা ওষুধ ২০২৩ সালের।
ওই সময় কেউ হয়তো নদীতে ফেলে থাকতে পারে। ওষুধের প্যাকেট পচনশীল না হওয়ায় এবং বস্তাভর্তি থাকায় পানির নিচে রয়ে যায়। তিনি বলেন, উদ্ধার ওষুধের বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেবে। তদন্তের জন্য যে কোনো সহযোগিতা করা হবে।
গফরগাঁও থানার ওসি আ স ম আতিকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সাতক্ষীরা কেন্দ্রীয় মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছে। গভীর রাতে মন্দিরের একাধিক কক্ষের তালা কেটে প্রতিমার স্বর্ণালংকার, রুপা ও দানবাক্সের নগদ অর্থ লুট করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। মন্দির কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৮ লাখ টাকার সম্পদ চুরি হয়েছে।
বুধবার (১১ মার্চ) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। সাতক্ষীরা জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, চোরেরা ‘মায়ের বাড়ি’ মন্দিরের কালীমন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, রাধাগোবিন্দ মন্দির ও জগন্নাথ মন্দিরের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে প্রতিমার বিভিন্ন স্বর্ণালংকার ও দানবাক্সের অর্থ চুরি করে নিয়ে যায়।
চুরি হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চার ভরি ওজনের দুই জোড়া স্বর্ণের বালা, এক ভরি ওজনের দুই জোড়া শাঁখা, চার আনা ওজনের এক জোড়া কানের দুল, আট আনা ওজনের একটি ‘মায়ের জিভ’, আট আনা ওজনের একটি চেন, দশ আনা ওজনের একটি নথ, চার আনা ওজনের দুই জোড়া পেটি, প্রায় পাঁচ ভরি রুপা, দানবাক্সের নগদ সাত হাজার টাকা এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী।
মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপাসিন্ধু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছে। বারবার মন্দিরে চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। আমরা দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও মন্দিরের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানাই।
মন্দিরের কর্মকর্তা অসীম দাশ সোনা বলেন, মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। প্রশাসনের কাছে দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।
সাতক্ষীরা সদর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৪
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৫৫
১১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৭