
১১ আগস্ট, ২০২৫ ১৫:৫৭
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজের বিরুদ্ধে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই জামায়াত নেতা।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রতারণার শিকার দুই ভুক্তভোগী গত ২ আগস্ট উপজেলা ও জেলা আমির বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এতে দলীয় নেতাদের তোপের মুখে পড়েন সিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন সিরাজুল। জানা গেছে, বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে সাদুল্লাপুর জামায়াত কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে দলীয় নেতারা বিষয়টির সমাধান করেছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মাসুদ রানাও জামায়াত নেতা। তিনি দমোদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা নিজেই তার ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনি লিখেন, ‘থানা আমিরের নেতৃত্বে সমাধান হয়েছে’। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরইমধ্যে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ও ভুক্তভোগীদের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এ ঘটনার আরও একটি ভিডিও ও অডিও রেকর্ড পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী মাসুদ রানা লিখিত অভিযোগে জানান, শিক্ষক নিবন্ধনে পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে সিরাজুল তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পুরো টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি বারবার চাপ দেন। পরে চাচা আকবর আলীর অফিসে গিয়ে সিরাজুলকে ৫০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাত দিতে থাকেন সিরাজুল।
আরেক ভুক্তভোগী আব্দুল হাদী জানান, তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন সিরাজুল। পরে ৭৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয় এবং তিনি ১৫ হাজার টাকা দেন। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে টাকা ফেরত চাইলে সিরাজুল তাকেও নানা অজুহাত দিতে থাকেন। পরে দলীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় টাকা ফেরত পান হাদী।
সম্প্রতি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা মফিজল হকও সিরাজুলের বিরুদ্ধে জামায়াতের উপজেলা ও জেলা আমিরের কাছে অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় সিরাজুল ২০-২৫ জনকে নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায় এবং ছেলে তাজুল ইসলামকে অপহরণের চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়দের সহায়তায় অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার এমন কাণ্ডে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মফিজল হক বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অথচ তাকেই সিরাজুল ইসলাম হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এতে তিনি পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক জামায়াত নেতা জানান, সিরাজুল দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিবন্ধন ও সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে অনেকের কাছে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন।
সম্প্রতি এক চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নেওয়ার ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ভুক্তভোগী ও তার পক্ষের লোকজন তাজুল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে সিরাজুলের সঙ্গে বৈঠক করেন। যেখানে কয়েকজন দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিরাজুল টাকা লেনদেন ও ব্যাংকের চেক নেওয়ার বিষয় স্বীকার করেন। প্রমাণ হিসেবে একজন ৩ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের কথোপকথনের ভিডিও ধারণ করেন। যা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেই ভুক্তভোগী বলেন, সরকারি চাকরির আশায় সিরাজুল ইসলামের কাছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা কয়েক দফায় দেন তিনি। পরে তিনি আরও ২ লাখ টাকা দাবি করেন।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মো. এরশাদুল হক ইমন বলেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অভিযোগের পর তা দলীয়ভাবে সমাধান হয়েছে। সিরাজুল টাকা নেননি, তিনি শুধু মধ্যস্থতা করেছেন বলেও দাবি উপজেলা জামায়াত আমিরের।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে তিনটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে এসব বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সিরাজুল সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। বলেন, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করানোর অনুরোধে তিনি অভিযোগকারীদের কান্তনগর এলাকার জহুরুল ইসলাম নামে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। এর বেশি কিছু নয়। তিনি নিজে কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেন।
টাকা লেনদেনের ভিডিও ফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরি দেয়ার আশ্বাসে দমোদরপুরের মোস্তফা নামের একজন তাজুলের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নিয়েছে। পরে দুই লাখ টাকা দেয়ার জন্য তাজুল তাকে বাড়িতে ডেকে আনে, যেখানে দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তার মতে, এসব ঘটনা সেক্রেটারি হওয়ার আগের। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।
গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. সিরাজুল ইসলাম সিরাজের বিরুদ্ধে ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করিয়ে দেওয়ার নামে একাধিক প্রার্থীর কাছ থেকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ওই জামায়াত নেতা।
এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে প্রতারণার শিকার দুই ভুক্তভোগী গত ২ আগস্ট উপজেলা ও জেলা আমির বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এতে দলীয় নেতাদের তোপের মুখে পড়েন সিরাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে সিনিয়র নেতাদের মধ্যস্থতায় টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন সিরাজুল। জানা গেছে, বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে সাদুল্লাপুর জামায়াত কার্যালয়ে উভয় পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করে দলীয় নেতারা বিষয়টির সমাধান করেছেন।
ভুক্তভোগীদের একজন মাসুদ রানাও জামায়াত নেতা। তিনি দমোদরপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী মাসুদ রানা নিজেই তার ফেসবুকে পোস্ট করেন। তিনি লিখেন, ‘থানা আমিরের নেতৃত্বে সমাধান হয়েছে’। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে এবং উপজেলা জুড়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরইমধ্যে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা ও ভুক্তভোগীদের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এছাড়া এ ঘটনার আরও একটি ভিডিও ও অডিও রেকর্ড পাওয়া যায়।
ভুক্তভোগী মাসুদ রানা লিখিত অভিযোগে জানান, শিক্ষক নিবন্ধনে পাস করিয়ে দেওয়ার কথা বলে সিরাজুল তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন। পুরো টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি বারবার চাপ দেন। পরে চাচা আকবর আলীর অফিসে গিয়ে সিরাজুলকে ৫০ হাজার টাকা দেন। কিন্তু পরীক্ষায় অকৃতকার্য হওয়ার পর টাকা ফেরত চাইলে নানা অজুহাত দিতে থাকেন সিরাজুল।
আরেক ভুক্তভোগী আব্দুল হাদী জানান, তার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করেন সিরাজুল। পরে ৭৫ হাজার টাকায় চুক্তি হয় এবং তিনি ১৫ হাজার টাকা দেন। পরীক্ষায় অকৃতকার্য হলে টাকা ফেরত চাইলে সিরাজুল তাকেও নানা অজুহাত দিতে থাকেন। পরে দলীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় টাকা ফেরত পান হাদী।
সম্প্রতি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের পাতিল্যাকুড়া গ্রামের বাসিন্দা মফিজল হকও সিরাজুলের বিরুদ্ধে জামায়াতের উপজেলা ও জেলা আমিরের কাছে অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৮ জুলাই সন্ধ্যায় সিরাজুল ২০-২৫ জনকে নিয়ে তার বাড়িতে হামলা চালায় এবং ছেলে তাজুল ইসলামকে অপহরণের চেষ্টা করে। কিন্তু স্থানীয়দের সহায়তায় অপহরণের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। তার এমন কাণ্ডে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মফিজল হক বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অথচ তাকেই সিরাজুল ইসলাম হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এতে তিনি পরিবার নিয়ে উদ্বিগ্ন।
এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলার একাধিক জামায়াত নেতা জানান, সিরাজুল দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক নিবন্ধন ও সরকারি চাকরি দেওয়ার নামে অনেকের কাছে লাখ লাখ টাকা নিয়েছেন।
সম্প্রতি এক চাকরিপ্রত্যাশীর কাছ থেকে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নেওয়ার ঘটনা স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনার জন্ম দেয়। পরে ভুক্তভোগী ও তার পক্ষের লোকজন তাজুল নামে এক ব্যক্তির বাড়িতে সিরাজুলের সঙ্গে বৈঠক করেন। যেখানে কয়েকজন দলীয় নেতা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে সিরাজুল টাকা লেনদেন ও ব্যাংকের চেক নেওয়ার বিষয় স্বীকার করেন। প্রমাণ হিসেবে একজন ৩ মিনিট ৪৯ সেকেন্ডের কথোপকথনের ভিডিও ধারণ করেন। যা সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সেই ভুক্তভোগী বলেন, সরকারি চাকরির আশায় সিরাজুল ইসলামের কাছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা কয়েক দফায় দেন তিনি। পরে তিনি আরও ২ লাখ টাকা দাবি করেন।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা জামায়াতের আমির মো. এরশাদুল হক ইমন বলেন, এটি দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। অভিযোগের পর তা দলীয়ভাবে সমাধান হয়েছে। সিরাজুল টাকা নেননি, তিনি শুধু মধ্যস্থতা করেছেন বলেও দাবি উপজেলা জামায়াত আমিরের।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মো. রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে তিনটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তবে এসব বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সিরাজুল সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। বলেন, শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় পাশ করানোর অনুরোধে তিনি অভিযোগকারীদের কান্তনগর এলাকার জহুরুল ইসলাম নামে একজনের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেন। এর বেশি কিছু নয়। তিনি নিজে কোনো টাকা নেননি বলে দাবি করেন।
টাকা লেনদেনের ভিডিও ফাঁসের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারি চাকরি দেয়ার আশ্বাসে দমোদরপুরের মোস্তফা নামের একজন তাজুলের মাধ্যমে প্রায় ১৭ লাখ টাকা নিয়েছে। পরে দুই লাখ টাকা দেয়ার জন্য তাজুল তাকে বাড়িতে ডেকে আনে, যেখানে দলীয় নেতাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। তার মতে, এসব ঘটনা সেক্রেটারি হওয়ার আগের। রাজনৈতিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে কয়েকজন তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে।

০২ জুলাই, ২০২৬ ২৩:১৫
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। একই ঘটনায় ওই কক্ষের চার আবাসিক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুলাই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হলের ওয়ার্ডেন সহযোগী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল এবং সহকারী অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন। কমিটিকে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হল প্রশাসন জানায়, ২ জুলাই চার শিক্ষার্থী রসায়ন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত শামীম, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের মো. গিয়াসউদ্দিন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মো. রাকিব এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমানকে পৃথকভাবে একই ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ জুন হলের তৃতীয় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমা খচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। পরে এ–সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কক্ষটির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে এ ঘটনার দায় তারা এড়াতে পারেন না। আগামী ৫ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কার্যালয়ে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন বলেন, “আজ আমরা প্রথম বৈঠক করেছি। চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি, তবে বাকিদের পাওয়া যায়নি। তাই সবাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দেবেন। এরপর সোমবার আবার বৈঠকে বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে লিখিত বক্তব্য পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
অভিযোগের বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা একজন মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় অনুভূতি থেকে এবং দাওয়াতের নিয়তে পতাকাটি টাঙিয়েছিলাম। মানুষ ফুটবল নিয়ে যেভাবে মত্ত হয়ে আছে, সেখান থেকে ধর্মীয় সচেতনতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি বলেন, পতাকাটি প্রায় দুইদিন টানানো ছিল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে সেটি নামিয়ে ফেলা হয়।
তালেবান বা অন্য কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে পতাকাটির কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এ ধরনের কোনো প্রশ্নই আসে না।”
তদন্ত কমিটির বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, পরীক্ষার কারণে তিনি প্রথম বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে হল প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিতভাবে দেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয়।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন। একই ঘটনায় ওই কক্ষের চার আবাসিক শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
হল প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত ১লা জুলাই তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির আহ্বায়ক হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন। সদস্য হিসেবে রয়েছেন হলের ওয়ার্ডেন সহযোগী অধ্যাপক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল এবং সহকারী অধ্যাপক ড. শাহাদাত হোসেন। কমিটিকে তিন কর্ম দিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
হল প্রশাসন জানায়, ২ জুলাই চার শিক্ষার্থী রসায়ন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত শামীম, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের মো. গিয়াসউদ্দিন, পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মো. রাকিব এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমানকে পৃথকভাবে একই ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
নোটিশে বলা হয়, গত ২৭ জুন হলের তৃতীয় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমা খচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। পরে এ–সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কক্ষটির আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে এ ঘটনার দায় তারা এড়াতে পারেন না। আগামী ৫ জুলাই সকাল ১০টার মধ্যে তদন্ত কমিটির আহ্বায়কের কার্যালয়ে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মীর ফেরদৌস হোসেন বলেন, “আজ আমরা প্রথম বৈঠক করেছি। চার শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছি, তবে বাকিদের পাওয়া যায়নি। তাই সবাইকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তারা রবিবার সকাল ১০টার মধ্যে লিখিত বক্তব্য জমা দেবেন। এরপর সোমবার আবার বৈঠকে বসে বিষয়টি পর্যালোচনা করা হবে।”
তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিকভাবে যার সঙ্গে কথা হয়েছে, তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে লিখিত বক্তব্য পাওয়ার আগে এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত মন্তব্য করা ঠিক হবে না।”
অভিযোগের বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। আমরা একজন মুসলিম হিসেবে ধর্মীয় অনুভূতি থেকে এবং দাওয়াতের নিয়তে পতাকাটি টাঙিয়েছিলাম। মানুষ ফুটবল নিয়ে যেভাবে মত্ত হয়ে আছে, সেখান থেকে ধর্মীয় সচেতনতার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।”
তিনি বলেন, পতাকাটি প্রায় দুইদিন টানানো ছিল। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় এলে সেটি নামিয়ে ফেলা হয়।
তালেবান বা অন্য কোনো উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে পতাকাটির কোনো সম্পর্ক ছিল কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমাদের ওই রকম কোনো উদ্দেশ্য ছিল না। এ ধরনের কোনো প্রশ্নই আসে না।”
তদন্ত কমিটির বিষয়ে আরিফ হাসনাত শামীম বলেন, পরীক্ষার কারণে তিনি প্রথম বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে হল প্রশাসনের দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই লিখিতভাবে দেবেন।
উল্লেখ্য, গত ২৭ জুন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় কালেমা খচিত একটি পতাকা টানানোর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরে হল প্রশাসনের নির্দেশে পতাকাটি নামিয়ে ফেলা হয়।

০২ জুলাই, ২০২৬ ২২:৪৪
দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে জাপানের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক উচ্চগতির পেট্রোল বোট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের Official Security Assistance (OSA) কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত পাঁচটি পেট্রোল বোট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই বছরের নভেম্বরে নোট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
পরবর্তীতে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীক-এ নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার, গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার এবং ধারণক্ষমতা ১৩ দশমিক ৫ টন। বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত টহল, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এসব পেট্রোল বোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাপানের OSA কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প শুধু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতাই বৃদ্ধি করবে না, বরং বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করবে।
বরিশাল টাইমস
দেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা, উপকূলীয় এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সমুদ্রসম্পদ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার সক্ষমতা বাড়াতে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়েছে জাপানের দেওয়া পাঁচটি আধুনিক উচ্চগতির পেট্রোল বোট।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) জাপানের Official Security Assistance (OSA) কর্মসূচির আওতায় প্রাপ্ত পাঁচটি পেট্রোল বোট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জাপানের পররাষ্ট্রবিষয়ক সংসদীয় উপমন্ত্রী শিমাদা তোমোয়াকি। অনুষ্ঠানে জাপানের প্রতিনিধি দল, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমন্ত্রিত অতিথিরাও উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ ও জাপানের দীর্ঘদিনের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও কৌশলগত অংশীদারিত্বের ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের নভেম্বরে পাঁচটি উচ্চগতিসম্পন্ন পেট্রোল বোট সংগ্রহের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। একই বছরের নভেম্বরে নোট বিনিময়ের মাধ্যমে প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্প বাস্তবায়ন শেষে চলতি বছরের ৬ ফেব্রুয়ারি বোটগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছায়।
পরবর্তীতে জাপানি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে বানৌজা নির্ভীক-এ নৌবাহিনীর সদস্যদের বোট পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
নৌবাহিনী সূত্র জানায়, প্রতিটি পেট্রোল বোটের দৈর্ঘ্য ১৬ দশমিক ১৫ মিটার, প্রস্থ ৩ দশমিক ৫৩ মিটার, গভীরতা ১ দশমিক ৭৮ মিটার এবং ধারণক্ষমতা ১৩ দশমিক ৫ টন। বোটগুলো ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩২ নটিক্যাল মাইল গতিতে চলাচল করতে সক্ষম। কম গভীরতাসম্পন্ন জলপথে চলাচলের উপযোগী হওয়ায় দেশের নদী, মোহনা ও উপকূলীয় অঞ্চলের সংকীর্ণ ও দুর্গম নৌপথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে অভিযান পরিচালনায় এগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এছাড়া সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, নিয়মিত টহল, নজরদারি, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দিতে এসব পেট্রোল বোট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নৌবাহিনী জানিয়েছে, জাপানের OSA কর্মসূচির আওতায় বাস্তবায়িত এ প্রকল্প শুধু বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সক্ষমতাই বৃদ্ধি করবে না, বরং বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রতিরক্ষা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত করবে।
বরিশাল টাইমস

০১ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৬
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’
ফরিদপুরের ভাঙা উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ৪ ঘণ্টাব্যাপী ভয়াবহ ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে সুমন (২০) নামে এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩০ জুন) সন্ধ্যা সাতটা থেকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়ে রাত ১০টা পর্যন্ত চলতে থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে হাসামদিয়া ও কাপুড়িয়া সদরদি গ্রামের কয়েকজন কিশোরের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার জেরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে সন্ধ্যার পর দুই পক্ষের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সাথে আগ্নেয়াস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।
এ সময় অন্ধকারে ছোড়া গুলিতে সুমন নামে এক যুবক গুরুতর আহত হন। এ সময় আশেপাশের মসজিদের মাইক থেকে সংঘর্ষের খবর ছড়িয়ে পড়ে এবং সবাইকে এগিয়ে আসার জন্য বলা হয়। গুলিবিদ্ধ সুমনকে ভাঙা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জন্য নেওয়া হলে পরিস্থিতির আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার হয়। রাত ১১টার দিকে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের বড় ভাই জিহাদ শেখ। নিহত সুমন শেখ ভাঙা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাপুরিয়া সদরদী গ্রামের মিলন শেখ-এর ছেলে।
ভাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, সংঘর্ষ শুরু হলে রাত সাড়ে ৭ দিকে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। এতে সড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। পরে রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে যানবাহন চলাচল আবার শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙা সার্কেল) মো. রেজওয়ান দীপু সাংবাদিকদের বলেন, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে, কাপুড়িয়া সদরদী ও হাসামদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রাত ১০টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
তিনি আরও জানান, নতুন করে উত্তেজনা এড়াতে বর্তমানে তিনি নিজে ভারী পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছেন।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৪৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৪:৪৯