
০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:১৪
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ।
জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন।
সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে।
জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তেল পেয়ে আমরা আবার সমুদ্রে যেতে পারছি, এতে অনেক স্বস্তি লাগছে।
আরেক জেলে রবিউল মাঝি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে কিছুদিন মাছ ধরতে পারলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব।
ট্রলার মাঝি আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সরকারি মূল্যে তেল পাওয়ায় এখন অন্তত কয়েকটা ট্রিপ দিতে পারব। এটা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জেলেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সীমিত পরিসরে সরকারি মূল্যে ডিজেল সরবরাহ করেছি। সামনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এর আগে তারা যেন কিছুটা স্বস্তিতে মাছ ধরতে পারে—সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলেদের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে সরকারি সহায়তায় সমুদ্রে যেতে পেরে খুশি উপকূলের জেলেরা।
সারাদেশে জ্বালানি সংকটের প্রভাব পড়লেও পটুয়াখালীর আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে দেখা মিলেছে স্বস্তির চিত্র। সরকারি উদ্যোগে ডিজেল সরবরাহ পাওয়ায় আবারও গভীর সমুদ্রে যাত্রা শুরু করেছে উপকূলের জেলেরা।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মৎস্য বন্দর হিসেবে পরিচিত এই বন্দরের অধিকাংশ মানুষ জেলে পেশার ওপর নির্ভরশীল। তবে গত কয়েকদিন ধরে জ্বালানি সংকটের কারণে সমুদ্রগামী ট্রলার চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে পড়েছিল। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো জেলে ও সংশ্লিষ্ট শ্রমজীবী মানুষ।
জেলেদের এই সংকট বিবেচনায় নিয়ে কলাপাড়া উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে জেলেদের মাঝে সরকারি মূল্যে প্রায় ২৭ হাজার লিটার ডিজেল বিতরণ করা হয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক এ কার্যক্রম তদারকি করেন।
সরকারি এই সহায়তা পাওয়ার পর রোববার (৫ এপ্রিল) সকালে বন্দর থেকে শত শত ট্রলারকে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করতে দেখা গেছে। হঠাৎ করে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসে পুরো মৎস্য বন্দরে।
জেলে মো. মিজান মাঝি বলেন, কয়েকদিন ধরে তেলের অভাবে ট্রলার নিয়ে বসে থাকতে হয়েছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সরকারি দামে তেল পেয়ে আমরা আবার সমুদ্রে যেতে পারছি, এতে অনেক স্বস্তি লাগছে।
আরেক জেলে রবিউল মাঝি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে কিছুদিন মাছ ধরতে পারলে পরিবার নিয়ে একটু স্বস্তিতে থাকতে পারব।
ট্রলার মাঝি আলমগীর হোসেন বলেন, বাজারে তেলের দাম বেশি হওয়ায় সমুদ্রে যাওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। সরকারি মূল্যে তেল পাওয়ায় এখন অন্তত কয়েকটা ট্রিপ দিতে পারব। এটা আমাদের জন্য বড় সহায়তা।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদিক বলেন, জ্বালানি সংকটের কারণে জেলেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা সীমিত পরিসরে সরকারি মূল্যে ডিজেল সরবরাহ করেছি। সামনে ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তাই এর আগে তারা যেন কিছুটা স্বস্তিতে মাছ ধরতে পারে—সে লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পর্যায়ক্রমে প্রয়োজন অনুযায়ী জেলেদের সহযোগিতা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত ৫৮ দিনের সামুদ্রিক মাছ শিকার নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে। এর আগে সরকারি সহায়তায় সমুদ্রে যেতে পেরে খুশি উপকূলের জেলেরা।

০৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৫৮
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে আবারও একটি ৮ ফুট লম্বা মৃত ডলফিন ভেসে এসেছে। সৈকতের পশ্চিম পাশে জোয়ারের পানির সাথে ভেসে আসা ডলফিনটির শরীরের বেশিরভাগ অংশের চামড়া উঠে গেছে এবং পেট ফেটে গেছে। দড়ি দিয়ে লেজ বাঁধা সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। স্থানীয় উপরা সদস্য আব্দুল জলিল প্রথম ডলফিনটি দেখতে পান এবং পরে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানান।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি ইরাবতী ডলফিন যার মাথা গোলাকার এবং সাধারণ ডলফিনের মতো লম্বা ঠোঁট থাকে না। এ প্রজাতির ডলফিন সাধারণত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অগভীর উপকূলীয় জল ও বড় নদীগুলোতে বসবাস করে। এটি একটি বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে পরিচিত এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য অশনিসংকেত। ডলফিনের মৃত্যু উপকূলীয় পরিবেশের অবনতির ইঙ্গিত দেয়। দ্রুত কারণ অনুসন্ধান করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
উপকূল পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনের উপরা যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল হোসেন রাজু বলেন, বারবার মৃত্যু ডলফিন ও কচ্ছপ ভেসে আসা প্রমাণ করে যে আমাদের সামুদ্রিক পরিবেশ হুমকির মুখে। অনিয়ন্ত্রিত মাছ ধরা, প্লাস্টিক দূষণ ও নৌযানের অসচেতন চলাচল এর জন্য দায়ী হতে পারে।
বন বিভাগ মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান জানান, ডলফিনটির মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ধারণে বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং স্থানীয়দের সচেতন করতে কাজ চলছে।
পরে ডলফিন রক্ষা কমিটি, কুয়াকাটা পৌরসভা, বন বিভাগ ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন উপরা সদস্যরা যৌথভাবে মৃত ডলফিনটিকে মাটি চাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।
সচেতন মহল মনে করছে, এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে থাকলে তা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াবে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

০৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:১৮
পটুয়াখালীর মহিপুরে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন- মহিপুর থানার বিপিনপুর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মৃত হাসেম হাওলাদারের দুই ছেলে মো. রফিক হাওলাদার ও মো. কুদ্দুস হাওলাদার। এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে মৃত আলম গাজীর ছেলে মো. শাহ আলম ও তার বোন মোসা. শারমিন বেগমকে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় মামলা একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো মূল্যে মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।
পটুয়াখালীর মহিপুরে অভিযান চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ এক নারী সহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে মহিপুর থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।
আটককৃতরা হলেন- মহিপুর থানার বিপিনপুর এলাকার ৪ নং ওয়ার্ডের মৃত হাসেম হাওলাদারের দুই ছেলে মো. রফিক হাওলাদার ও মো. কুদ্দুস হাওলাদার। এছাড়া কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে মৃত আলম গাজীর ছেলে মো. শাহ আলম ও তার বোন মোসা. শারমিন বেগমকে।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মহিপুর থানায় মামলা একটি জিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৩৬(১) সারণির ১৯(খ) ধারায় রুজু করা হয়েছে।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। যেকোনো মূল্যে মাদক নির্মূলে পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করা হবে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে।

০৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৭
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের প্রায় ৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনার সময় এই অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় তোপের মুখে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করেন।
কালাইয়া ইউপি সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৯২১ জন। তাদের জন্য মোট ৭৩.৬৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকে ৩০ কেজি ওজনের মোট ২ হাজার ৪৫৬ বস্তা চাল ছাড় করা হয়।
কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে ইউপি কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনা করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২ হাজার ২৬৪ বস্তা চাল রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা চাল কম পাওয়া যায়, যার পরিমাণ ৫.৭৬ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারমূল্যে এই চালের দাম আনুমানিক ২ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা।
চাল গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার, ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন।
তদারকি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক বস্তা আলাদা করার পর গণনায় ঘাটতি ধরা পড়ে। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা কম পাওয়া গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকেই সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে চালের একটি অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবালুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, “গুদাম থেকে নির্ধারিত সব চালই গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৯২ বস্তা চাল কোথায় গেল, তা আমরা নিশ্চিত নই।”
এ প্রসঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ভুল হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমন আর হবে না।” এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নে জেলেদের জন্য বরাদ্দ সরকারি ভিজিএফের প্রায় ৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনার সময় এই অনিয়ম ধরা পড়ে। এ সময় তোপের মুখে ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান প্রকাশ্যে নিজের ভুল স্বীকার করেন।
কালাইয়া ইউপি সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ৯২১ জন। তাদের জন্য মোট ৭৩.৬৮ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকে ৩০ কেজি ওজনের মোট ২ হাজার ৪৫৬ বস্তা চাল ছাড় করা হয়।
কিন্তু বিকেল ৪টার দিকে ইউপি কার্যালয়ের সামনে জেলেদের উপস্থিতিতে বস্তা গণনা করতে গিয়ে দেখা যায়, সেখানে ২ হাজার ২৬৪ বস্তা চাল রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা চাল কম পাওয়া যায়, যার পরিমাণ ৫.৭৬ মেট্রিক টন। বর্তমান বাজারমূল্যে এই চালের দাম আনুমানিক ২ লাখ ৫৯ হাজার ২০০ টাকা।
চাল গণনার সময় উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার, ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক এবং তদারকি কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার) উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন।
তদারকি কর্মকর্তা মো. জুবায়ের হোসেন বলেন, ওয়ার্ডভিত্তিক বস্তা আলাদা করার পর গণনায় ঘাটতি ধরা পড়ে। নির্ধারিত সংখ্যার চেয়ে ১৯২ বস্তা কম পাওয়া গেছে।
অভিযোগ উঠেছে, কালাইয়া খাদ্য গুদাম থেকেই সংশ্লিষ্টদের যোগসাজশে চালের একটি অংশ সরিয়ে ফেলা হয়েছিল। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকবালুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
ইউপি সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক বলেন, “গুদাম থেকে নির্ধারিত সব চালই গ্রহণ করা হয়েছে। অতিরিক্ত ১৯২ বস্তা চাল কোথায় গেল, তা আমরা নিশ্চিত নই।”
এ প্রসঙ্গে প্যানেল চেয়ারম্যান মো. ফিরোজ হাওলাদার ঘাটতির বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, “ভুল হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে এমন আর হবে না।” এ সময় তিনি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের অনুরোধ জানান।
বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সালেহ আহমেদ জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.