বরিশালের বাবুগঞ্জে শিখন ঘাটতি দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের এক বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সময়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমানকে ওই বিদায়ী সংবর্ধনা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সরোয়ার হোসেন ও মোঃ অহিদুল ইসলাম। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা অনিতা রানী দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ক্ষুদ্রকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুন নাহার, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর হোসনে আরা, রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু, বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনা বেগম, দেহেরগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, উত্তর দেহেরগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনতি রানী দাস, খানপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা কনা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি আল-আমিন সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাসেল প্রমুখ।
সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমানের বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মানপত্র পাঠ করেন মুশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা নার্গিস। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ওই শিক্ষক সমন্বয় ও সংবর্ধনা সভায় বিদায়ী অতিথিকে এসময় ফুলেল শুভেচ্ছাসহ সম্মাননা স্মারক ও উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত অতিথির হাতে ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ অতিথিরা। শিক্ষার মানোন্নয়নে ওই সমন্বয় সভা ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একটি মিলনমেলায় পরিনত হয়। #

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১৯
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’
২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকার কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরে মোসা. সেলিনা বেগমের বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার। সেদিন রাতে গোয়েন্দা (ডিবি) পরিচয়ে টিপুকে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর এক দিন পরই টিপুকে ক্রসফায়ারে হত্যা করার খবর পান সেলিনা বেগম।
বরিশালে ছাত্রদল ও জাসাসের দুই নেতাকে ক্রসফায়ার দেওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ আজ মঙ্গলবার সাক্ষী হিসেবে সেলিনা বেগম এ কথা বলেন।
সেলিনা বেগমের ভাগনির স্বামী টিপু হাওলাদার। ২০১১ সালে সাক্ষীর ভাগনির সঙ্গে টিপুর বিয়ে হয়। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে।
২০১৫ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আগৈলঝাড়া উপজেলা ছাত্রদলের তৎকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টিপু হাওলাদার এবং একই উপজেলার জাসাসের সাংগঠনিক সম্পাদক কবির মোল্লাকে ক্রসফায়ারে হত্যা করা হয়।
আজকের জবানবন্দিতে সেলিনা বেগম বলেন, টিপু হাওলাদার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৫ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তাঁর কেরানীগঞ্জের ঘাটারচরের বাড়িতে আসেন টিপু হাওলাদার। ১৯ ফেব্রুয়ারি রাতে তাঁর বাসায় ডিবি পুলিশ আসে। তাঁরা জিজ্ঞাসা করলে আসা লোকজন জানান যে তাঁরা বরিশাল থেকে এসেছেন এবং তাঁদের সঙ্গে ঢাকার কিছু লোক আছেন। তাঁরা টিপুকে ঘুম থেকে উঠিয়ে নিয়ে যান।
সাক্ষী সেলিনা আরও বলেন, এ ঘটনার সময় তিনি চিৎকার করেন। তখন পাশের বাসা থেকে নাহার বেগম নামে একজন প্রতিবেশী এগিয়ে আসেন। তাঁরা দুজন টিপুকে যে স্থানে গাড়িতে তোলা হয়, সে পর্যন্ত যান। সে রাতেই ভাগনিকে ফোন দিয়ে তিনি ঘটনা জানান। পরে ২১ ফেব্রুয়ারি সকালে টেলিভিশনে দেখেন টিপু ও কবির নামে দুজন ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। তাঁর ভাগনির কাছে তিনি শুনেছেন, অন্য থানার দুজন পুলিশ টিপুকে ক্রসফায়ার দিয়ে হত্যা করেছেন।
এ মামলায় চারজন আসামি। এর মধ্যে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এবং বরিশালের সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) এ কে এম এহসানউল্লাহ পলাতক। অপর দুই আসামি বরিশালের উজিরপুর থানার সাবেক এএসআই মো. মাহাবুল ইসলাম এবং মো. জসিম উদ্দিন গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।’

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৫৫
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক হাফিজ আশরাফুল হকের পদত্যাগ ও অপসারণের দাবিতে অনশনে বসেছেন বিভাগের প্রায় ১৩০ শিক্ষার্থী।
সোমবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ১২টা থেকে উপাচার্যের দপ্তরের সামনে অনশন করছেন তারা। বিকেল ৫টার দিকে চেয়ারম্যান হাফিজ আশরাফুল হকসহ বিভাগের অন্য শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করতে সেখানে গেলে সেখানে হাফিজ আশরাফুল হককে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে প্রত্যাখ্যান করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান সজিব বলেন, ‘স্বৈরাচার হাফিজ আশরাফুল হকের অপসারণের দাবিতে আমরা অনশনে বসেছি। তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত আমাদের অনশন চলবে।’
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভাগের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নানা ধরনের অব্যবস্থাপনা চলছে। বিভাগে পক্ষপাতমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা, সেশনজটসহ বিভিন্ন সমস্যার জন্য তারা বর্তমান চেয়ারম্যানকে দায়ী করছেন। এসব সমস্যা সমাধানে চেয়ারম্যান কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছেন বলেও অভিযোগ তাদের।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক থেকে কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগে হাফিজ আশরাফুল হক চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিভাগটির মাত্র দুটি ব্যাচ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছে।

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১২:২৯
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’
পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মো. সাদ্দাম হাওলাদার নামে এক বিএনপি নেতা। একইসঙ্গে তিনি বিএনপির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সাংগঠনিক পদ ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকেও পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। জিয়া সাইবার ফোর্সের বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি সাদ্দাম হাওলাদার সোমবার (৩১ আগস্ট) নিজের ফেসবুক আইডি থেকে পবিত্র কাবা শরীফকে সাক্ষী রেখে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দেওয়ার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এছাড়াও তিনি ওই ভিডিওর কমেন্টে দীর্ঘ একটি স্ট্যাটাস দিয়ে লিখে বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।
হঠাৎ করে ক্ষমতাসীন দল বিএনপির রাজনীতি ছাড়ার এমন সিদ্ধান্তের পেছনে অন্য কোনো রহস্য রয়েছে কি না সে ব্যাপারে সাদ্দাম হোসেনের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলেও তিনি সৌদি আরবে অবস্থান করায় কোনো বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসে সাদ্দাম হাওলাদার লেখেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় মাতৃভূমি, প্রিয় জন্মভূমি বরিশালের গৌরনদী-আগৈলঝাড়াবাসী আপনারা সবাই কেমন আছেন। আশা করি সকলে ভালো আছেন, আমিও আল্লাহর অশেষ রহমতে ও আপনাদের দোয়া এবং ভালোবাসায় অনেক ভালো আছি। শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ্। আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, বাংলাদেশের বৃহত্তম দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত আমি, আমার পরিবার বাবা ও চাচাসহ বংশের ৯০% সকলেই এই দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম। আমি মো. সাদ্দাম হাওলাদার জাতীয় উপ-নির্বাচন কমিটির (সাবেক) সদস্য ও ৪নং মডেল গৈলা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক প্রার্থী ও একজন একটিভ সদস্য এবং বর্তমানে আগৈলঝাড়া উপজেলা জিয়া সাইবার ফোর্সের সহ-সভাপতি দায়িত্বরত অবস্থায় আছি।
আপনারা সকলেই জানেন, বর্তমানে আমি একজন সৌদি প্রবাসী ও রেমিটেন্সযোদ্ধা, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতি প্রেক্ষাপটে আমার দ্বারা রাজনীতি করা সম্ভব নয়। আমরা বই পুস্তকে পড়েছিলাম রাজনীতি হলো জনগণের সেবা করা, এখন দেখছি ভিন্ন হাজারো কথা/অভিযোগ থাকলেও দলের প্রতি আমার বিন্দু পরিমাণ কোনো অভিযোগ নেই। আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে ভালোবাসি, ভালোবাসি দেশনায়ক তারেক রহমানের মতো সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে, ভালোবাসি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে। আমি কোনো বড় রাজনীতিবিদ না বা ত্যাগী নেতাকর্মী নয়, আমার চাইতে হাজারো লক্ষ কোটি নেতাকর্মী এখন দলের কাছে বোঝা ও অবহেলিত। তাই আমি স্ব-সম্মানে সজ্ঞানে বাংলাদেশ নামক সকল রাজনীতি থেকে দূরে সরে যাচ্ছি এবং পদত্যাগ করলাম। আজকের পর থেকে আমি কোনো দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই। আল্লাহতায়ালার ঘর পবিত্র কাবা শরীফকে সামনে রেখে তওবা করলাম, সকলে আমার জন্য দোয়া করবেন এবং আমার রাজনৈতিক জীবনে যদি জানা/অজানা কাউকে বিন্দু পরিমাণ কষ্ট দিয়ে থাকি তাহলে আমাকে আপনাদের কারো ছেলে, ভাই, বন্ধু বা সন্তান হিসেবে ক্ষমা করে দিবেন। আমি সকলের কাছে বিনয়ের সঙ্গে মাফ চাই।’
সবশেষে তিনি বিশেষ দ্রষ্টব্য দিয়ে লিখেছেন, ‘রাজনীতি ছিল আমার আবেগ ও মনের খোরাক, ভেবেছিলাম জনগণের সেবা করবো। তবে সেটা রাজনীতি দিয়ে হইলো না, তবে রাজনীতির বাইরেও যে মানবসেবা করা যায়, সেটা আমি সাদ্দাম প্রমাণ করে দিব আল্লাহ ভরসা। বিগত দিনে যেমন অসহায় হতদরিদ্র মানুষের পাশে সর্বদা ছিলাম, ভবিষ্যতে আমার সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।’
এ ব্যাপারে আগৈলঝাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোল্লা বশির আহমেদ পান্না সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। তাছাড়া সাদ্দাম হাওলাদার কর্মের সুবাদে দীর্ঘদিন থেকে সৌদি আরবে রয়েছেন। কারো সঙ্গে কোনো ধরনের বিরোধ থেকে সাদ্দাম হাওলাদার ক্ষোভের কারণে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

২৪ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৪২
বরিশালের বাবুগঞ্জে শিখন ঘাটতি দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রধান শিক্ষকদের এক বিশেষ সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই সময়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মিলনায়তনে সাবেক শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমানকে ওই বিদায়ী সংবর্ধনা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশাল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ মোস্তফা কামাল। বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা সরোয়ার হোসেন ও মোঃ অহিদুল ইসলাম। উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা অনিতা রানী দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমান।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও ক্ষুদ্রকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খায়রুন নাহার, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর হোসনে আরা, রহমতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা প্রধান শিক্ষক সমিতির সভাপতি মোক্তার হোসেন, উপজেলা শিক্ষা কমিটির সদস্য আবদুর রাজ্জাক বাচ্চু, বাবুগঞ্জ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিনা বেগম, দেহেরগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, উত্তর দেহেরগতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিনতি রানী দাস, খানপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইসমত আরা কনা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক আবুল কাশেম, উপজেলা প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের সভাপতি আল-আমিন সরদার, সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন রাসেল প্রমুখ।
সাবেক উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আসফিয়া রহমানের বদলিজনিত বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মানপত্র পাঠ করেন মুশুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীমা নার্গিস। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত ওই শিক্ষক সমন্বয় ও সংবর্ধনা সভায় বিদায়ী অতিথিকে এসময় ফুলেল শুভেচ্ছাসহ সম্মাননা স্মারক ও উপহারসামগ্রী প্রদান করা হয়। সংবর্ধিত অতিথির হাতে ক্রেস্ট ও উপহারসামগ্রী তুলে দেন প্রধান অতিথি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাসহ অতিথিরা। শিক্ষার মানোন্নয়নে ওই সমন্বয় সভা ও বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষকদের একটি মিলনমেলায় পরিনত হয়। #
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬