
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৫
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।
বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নে দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী নামের এক বিএনপি কর্মী খুন হয়েছেন। স্থানীয় বৌসেরহাট বাজারের অদূরে বুধবার রাতে তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি রাতেই উদ্ধার করে।
ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক কর্মী দেলোয়ার হোসেনের সাথে আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীর বিরোধ ছিল। সেই বিরোধে তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হতে পারে।
পুলিশ জানায়, দেলোয়ার চৌধুরী বৌসেরহাট বাজারে ইজারা উত্তোলনের কাজ করেন। তারাবির নামাজ চলাকালে তিনি বাইসাইকেলযোগে বাসার উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তখন পথিমধ্যে বাদামতলা নামক এলকায় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে লাশ রাস্তার পাশে ফেলে রাখে।
এই খুনের ঘটনায় নিহতের স্বজনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন চৌধুরী এবং তার ছোট ভাই কবির চৌধুরীকে দায়ী করেছেন।
রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আজাদী হাসানাত ফিরোজ জানান, দেলোয়ার হোসেন চৌধুরীর সাথে চাচাতো ভাইয়ের সন্তান আওয়ামী লীগ নেতা জাকির চৌধুরীর জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই বিরোধীয় জেরে নৃশংস খুনের শিকার হলেন বিএনপি কর্মী।
তবে এই হত্যাকান্ডে কারা জড়িত পুলিশ তাৎক্ষণিক কিছু বলতে পারছে না।
বিমানবন্দর থানা পুলিশের ওসি মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত লক্ষ্য করা গেছে। অনুমান, কুপিয়ে হত্যার পরে বিএনপি কর্মীর লাশটি রাস্তার পাশে হাটুসমান জলে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
রাত ১টার দিকে বিমানবন্দর থানা পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
এর আগে RAB-CIDসহ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা পরিদর্শন করেন।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০১
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’

০৭ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৫৬
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.