
১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:২৫
পিরোজপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিমাণে কম এবং অরুচিকর খাবার দেওয়ায় তা গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন রোগীরা।
ফলে নিজেদের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন বা বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে তারা খাবার কিনে খাচ্ছেন। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রোগীদের।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সরেজমিনে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও এর রান্নাঘর ঘুরে দেখা যায়, রান্নাঘরের মেঝে ঝকঝকে, বাসনপত্র ধোয়া, খাবার রাখা হয়েছে পরিপাটি করে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে একটি আদর্শ রান্নাঘর।
কিন্তু এই নিখুঁত বাহ্যিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অপ্রিয় সত্য। রোগীর প্লেটে যে খাবার পৌঁছায়, তার মান আর পরিমাণে রয়েছে বড়সড় গলদ। সকালের নাস্তার জন্য রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি ডিম, সামান্য চিনি ও একটি কলা দেওয়া হয়েছে।
যেখানে নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়ার অভিযোগ করেন রোগীরা। পাশাপাশি দেখা যায়, দরপত্র অনুযায়ী ৪ ইঞ্চি আকারের একটি সবরি জাতের কলা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ছোট একটি চিনিচাপা জাতের কলা।
দুপুরের খাবারে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় মুরগীর মাংস। ৬০ গ্রামের ওপরে একটুকরো মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ৫০ গ্রামের কম ওজনের মাংসের টুকরা। ভাতের চালও মানহীন।
রোগীরা অভিযোগ করে বলছেন, বাজারে মাছের দাম মুরগির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় মাছের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মুরগি। এদিকে হাসপাতালের বাবুর্চি লাইলি আক্তার বলেন, আজকে মাছ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু মাছের পরিবর্তে মাংস দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলছেন, “মাছ বাজারে পায়নি, তাই মাংস দিয়েছে”।
সবরি জাতের কলার পরিবর্তে চিনিচাপা জাতের কলা এবং আকারে ছোট কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিকাদার বলেন “বাজারে সবরি কলা নেই আকারেও বড় নেই। আমি সুপারভাইজারকে এ বিষয়ে জানিয়েছি”।
এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন। নিজের অফিস কক্ষ থেকে চলে আসেন খাবার বিতরণের জায়গায়। খাবার নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পরেন।
তিনি প্রথমে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও পরে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ‘খাবার নিম্নমানের না, খাবার ঠিকমতোই দেওয়া হচ্ছে। আজকে মাছের পরিবর্তে মাংস দিয়েছি। ঠিকাদার মাংসের দামই পাবে, মাছের দাম পাবে না।’ ওজনে কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদার যতটুকু ওজন দিয়েছে সেই দামই পাবে।’
সকালের নাস্তায় নিম্নমানের পাউরুটি এবং দরপত্রে দেওয়া আকারের চেয়ে ছোট আকারের কলা কেন দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রুটি আমরা মেপে নিয়েছি, যে ওজনের দেওয়ার কথা সেই ওজনের দিয়েছে। কলা যেরকম দেওয়ার কথা সেরকম দিয়েছে। এখানে নিয়মের বাইরে কিছু হয়নি। ঠিকাদারকে কার্যাদেশে যে পরিমাণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেই পরিমাণই দিয়েছে।’
জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দরপত্র মূল্যায়নে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি ছিল শেখ এন্ড সন্স ট্রেডার্স। বেশি দরে খাবার সরবরাহের দরপত্র বাগিয়ে নিলেও রোগীদের পাতে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের খাবার, এতে ক্ষুব্ধ রোগীরা।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের পরে আর কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে দরপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালের খাবার সরবরাহ করছে।
এদিকে এ বছরের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে দুদকের পাঁচ সদস্যের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে খাবারের পরিমাণ কম দেওয়ার সত্যতা পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করেছিল। তবে সচেতন মহলের দাবি, দুদক থেকে সতর্ক করার পরেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ বিভাগে ভর্তি রোগীদের ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিন সরকারিভাবে ১৭৫ টাকা মূল্যের তিন বেলা খাবার (সকালে নাশতা, দুপুরে ও রাতে ভাত) দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিশেষ দিবসে প্রতি রোগীকে ২০০ টাকার খাবার দেওয়া হয়।
দরপত্রের শর্ত অনুয়ায়ী, হাসপাতালে প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ২৮ ইরি চালের ৩৩০ গ্রাম ভাত, সপ্তাহে পাঁচ দিন মাছ ও মাংস ৬৩.৬৬ গ্রাম করে দুই বেলা দেওয়ার কথা। সপ্তাহে দুই দিন মাছ ও ডিম দেওয়ার কথা।
এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম ও একটি পাকা সবরি কলা দেওয়ার কথা। কিন্তু মাছ-মাংসের অংশ আকারে ছোট, কলাও ছোট ও নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়া হচ্ছে। মসলা কম দিয়ে তরকারি রান্না করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে, যেটি খেতে রোগীরা আগ্রহী হচ্ছে না।
হাসপাতালের রোগী সদর উপজেলার সিআই পাড়া এলাকার বাসিন্দা জিসান শিকদার বলেন, ‘শ্বাসকষ্ট, পেটের ব্যথা নিয়ে ভর্তি আছি। হাসপাতালে দুইবার সামান্য ভাত, আলু দুই পিস, ছোট সাইজের মাছ-মাংস দেওয়া হয়। তরকারিতে মসলার পরিমাণ খুবই কম, মাছ-মাংস পুরোপুরিভাবে রান্না করা হয় না। খাবার মানসম্মত নয়।’
ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন আসমা আক্তার বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য ভাত, সবজি, ডাল ও মাছের পরিবর্তে ছোট এক টুকরা মাংস দিয়েছে, তা রুচিসম্মত না। আমার মনে হয়েছে, এটা রোগীর খাবার না। আমরা খাবার ফিরিয়ে দিয়েছি, এখন বাইরে থেকে কিনে খাওয়াতে হবে।’
এ বিষয়ে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আমরা নিয়মিত খাবার তদারকি করি, এ বিষয়ক একটা কমিটিও আছে। জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা মিটিংয়ের মাধ্যমে আমরা একটা কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটির মাধ্যমে মাসে এক থেকে দুবার এই খাবার মনিটরিং করা হয়।
আপনারা যে অভিযোগটা দিয়েছেন সে বিষয়ে অবশ্যই আমি তদারকি করব। আমি আগামীকালই আরএমও সাহেবসহ আমাদের যে ঠিকাদার আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করি, যদি কোনো ঘাটতি থাকে আগামীকাল থেকে অবশ্যই রিকভার হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি অর্থে পরিচালিত হাসপাতালগুলোর খাবারের মান নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিমাণে কম এবং অরুচিকর খাবার দেওয়ায় তা গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন রোগীরা।
ফলে নিজেদের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন বা বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে তারা খাবার কিনে খাচ্ছেন। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রোগীদের।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সরেজমিনে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও এর রান্নাঘর ঘুরে দেখা যায়, রান্নাঘরের মেঝে ঝকঝকে, বাসনপত্র ধোয়া, খাবার রাখা হয়েছে পরিপাটি করে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে একটি আদর্শ রান্নাঘর।
কিন্তু এই নিখুঁত বাহ্যিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অপ্রিয় সত্য। রোগীর প্লেটে যে খাবার পৌঁছায়, তার মান আর পরিমাণে রয়েছে বড়সড় গলদ। সকালের নাস্তার জন্য রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি ডিম, সামান্য চিনি ও একটি কলা দেওয়া হয়েছে।
যেখানে নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়ার অভিযোগ করেন রোগীরা। পাশাপাশি দেখা যায়, দরপত্র অনুযায়ী ৪ ইঞ্চি আকারের একটি সবরি জাতের কলা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ছোট একটি চিনিচাপা জাতের কলা।
দুপুরের খাবারে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় মুরগীর মাংস। ৬০ গ্রামের ওপরে একটুকরো মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ৫০ গ্রামের কম ওজনের মাংসের টুকরা। ভাতের চালও মানহীন।
রোগীরা অভিযোগ করে বলছেন, বাজারে মাছের দাম মুরগির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় মাছের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মুরগি। এদিকে হাসপাতালের বাবুর্চি লাইলি আক্তার বলেন, আজকে মাছ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু মাছের পরিবর্তে মাংস দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলছেন, “মাছ বাজারে পায়নি, তাই মাংস দিয়েছে”।
সবরি জাতের কলার পরিবর্তে চিনিচাপা জাতের কলা এবং আকারে ছোট কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিকাদার বলেন “বাজারে সবরি কলা নেই আকারেও বড় নেই। আমি সুপারভাইজারকে এ বিষয়ে জানিয়েছি”।
এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন। নিজের অফিস কক্ষ থেকে চলে আসেন খাবার বিতরণের জায়গায়। খাবার নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পরেন।
তিনি প্রথমে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও পরে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ‘খাবার নিম্নমানের না, খাবার ঠিকমতোই দেওয়া হচ্ছে। আজকে মাছের পরিবর্তে মাংস দিয়েছি। ঠিকাদার মাংসের দামই পাবে, মাছের দাম পাবে না।’ ওজনে কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদার যতটুকু ওজন দিয়েছে সেই দামই পাবে।’
সকালের নাস্তায় নিম্নমানের পাউরুটি এবং দরপত্রে দেওয়া আকারের চেয়ে ছোট আকারের কলা কেন দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রুটি আমরা মেপে নিয়েছি, যে ওজনের দেওয়ার কথা সেই ওজনের দিয়েছে। কলা যেরকম দেওয়ার কথা সেরকম দিয়েছে। এখানে নিয়মের বাইরে কিছু হয়নি। ঠিকাদারকে কার্যাদেশে যে পরিমাণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেই পরিমাণই দিয়েছে।’
জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দরপত্র মূল্যায়নে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি ছিল শেখ এন্ড সন্স ট্রেডার্স। বেশি দরে খাবার সরবরাহের দরপত্র বাগিয়ে নিলেও রোগীদের পাতে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের খাবার, এতে ক্ষুব্ধ রোগীরা।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের পরে আর কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে দরপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালের খাবার সরবরাহ করছে।
এদিকে এ বছরের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে দুদকের পাঁচ সদস্যের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে খাবারের পরিমাণ কম দেওয়ার সত্যতা পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করেছিল। তবে সচেতন মহলের দাবি, দুদক থেকে সতর্ক করার পরেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ বিভাগে ভর্তি রোগীদের ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিন সরকারিভাবে ১৭৫ টাকা মূল্যের তিন বেলা খাবার (সকালে নাশতা, দুপুরে ও রাতে ভাত) দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিশেষ দিবসে প্রতি রোগীকে ২০০ টাকার খাবার দেওয়া হয়।
দরপত্রের শর্ত অনুয়ায়ী, হাসপাতালে প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ২৮ ইরি চালের ৩৩০ গ্রাম ভাত, সপ্তাহে পাঁচ দিন মাছ ও মাংস ৬৩.৬৬ গ্রাম করে দুই বেলা দেওয়ার কথা। সপ্তাহে দুই দিন মাছ ও ডিম দেওয়ার কথা।
এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম ও একটি পাকা সবরি কলা দেওয়ার কথা। কিন্তু মাছ-মাংসের অংশ আকারে ছোট, কলাও ছোট ও নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়া হচ্ছে। মসলা কম দিয়ে তরকারি রান্না করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে, যেটি খেতে রোগীরা আগ্রহী হচ্ছে না।
হাসপাতালের রোগী সদর উপজেলার সিআই পাড়া এলাকার বাসিন্দা জিসান শিকদার বলেন, ‘শ্বাসকষ্ট, পেটের ব্যথা নিয়ে ভর্তি আছি। হাসপাতালে দুইবার সামান্য ভাত, আলু দুই পিস, ছোট সাইজের মাছ-মাংস দেওয়া হয়। তরকারিতে মসলার পরিমাণ খুবই কম, মাছ-মাংস পুরোপুরিভাবে রান্না করা হয় না। খাবার মানসম্মত নয়।’
ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন আসমা আক্তার বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য ভাত, সবজি, ডাল ও মাছের পরিবর্তে ছোট এক টুকরা মাংস দিয়েছে, তা রুচিসম্মত না। আমার মনে হয়েছে, এটা রোগীর খাবার না। আমরা খাবার ফিরিয়ে দিয়েছি, এখন বাইরে থেকে কিনে খাওয়াতে হবে।’
এ বিষয়ে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আমরা নিয়মিত খাবার তদারকি করি, এ বিষয়ক একটা কমিটিও আছে। জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা মিটিংয়ের মাধ্যমে আমরা একটা কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটির মাধ্যমে মাসে এক থেকে দুবার এই খাবার মনিটরিং করা হয়।
আপনারা যে অভিযোগটা দিয়েছেন সে বিষয়ে অবশ্যই আমি তদারকি করব। আমি আগামীকালই আরএমও সাহেবসহ আমাদের যে ঠিকাদার আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করি, যদি কোনো ঘাটতি থাকে আগামীকাল থেকে অবশ্যই রিকভার হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি অর্থে পরিচালিত হাসপাতালগুলোর খাবারের মান নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫

১৪ মার্চ, ২০২৬ ২০:৪১
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা. জি. আ.) বলেছেন- একজন মুমিন হিসেবে আকিদা, আমল, আখলাক, আদব ইত্যাদি সকল বিষয়ে আমাদেরকে সতর্কতার সাথে সঠিক পথ অবলম্বন করা আবশ্যক। নিজের ইচ্ছাধীন যেকোন পথ বেছে নিলেই তাতে পূর্ণাঙ্গ মুমিন হওয়া যায় না।
ঈমানের পূর্ণতার অন্তরায় হচ্ছে বদ আকিদা। এজন্য সর্বদা সঠিক আকিদার অনুসরণ করা প্রতিটি ঈমানদারের জন্য আবশ্যক। যারা মহান আল্লাহর সরাসরি হুকুমের বিরুদ্ধাচারণ করে কিংবা পবিত্র কোরআনের আয়াতের ব্যাখ্যায় নিজস্ব মতবাদ প্রতিষ্ঠায় ব্যাস্ত, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর সুন্নতকে অবজ্ঞা করে, সাহাবায়ে কেরামের সমালোচনা করে ও তাদের সত্যের মাপকাঠি মনে করে না, সালফে সালেহীন ও আউলিয়ায় কেরামের অনুসরণ করা থেকে মানুষকে বিরত রাখতে বিভ্রান্তি ছড়ায় কষ্মিনকালেও তারা গ্রহণযোগ্য হবে না।
মনে রাখতে হবে, ইসলামে সীরাতুল মুস্তাকিম তথা সরল সঠিক পথে কোনোরূপ বাড়াবাড়ি কিংবা শীথিলতার সুযোগ নেই। দীন ইসলাম শুধুমাত্র পুস্তকে লিপিবদ্ধ অবস্থায় আমাদের নিকট পৌঁছায় নি।
বরং সর্বযুগে ধারাবাহিকভাবে আমলের মাধ্যমে আমাদের নিকট পৌঁছেছে। সামাজে একদল লোক পূর্ববর্তী হক্কানী আলেম-ওলামা পীর মাশায়েখকে গালমন্দ করে তাদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে অথচ নিজস্ব বিভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী তৈরির জন্য যথেষ্ট কৌশল অবলম্বন করে। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।
আমরা আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী। যারা কথায় কিংবা কর্মে আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের বিরুদ্ধচারণ করে আমরা তাদের সাথে কোনরূপ সম্পর্ক রাখতে চাই না।
আজ শনিবার বাদ জোহর আখেরী মুনাজাত পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা মাহফিলে আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন।
উল্লেখ্য এ বছর বার্ষিক মাহফিল রমজানে অনুষ্ঠিত হওয়ার কারণে অত্র দরবার শরীফে দেশের বৃহত্তম ইফতার, খতম তারাবীহ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহফিলের শেষদিন অন্যান্যের মধ্যে আরও আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ, বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নাজেমে আ’লা ড. সৈয়দ মুহাঃ শরাফত আলী, ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ রূহুল আমিন আফসারী, দারুন্নাজাত সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার প্রধান মুফতী মাওলানা মোঃ ওসমান গণি ছালেহী, হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মোঃ মোহেব্বুল্রাহ আল মাহমুদ, বাংলাদেশ ছাত্র হিযবুল্লাহর সাবেক সভাপতি মাওলানা মোঃ শামসুল আলম মোহেব্বী প্রমূখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে তিনদিনব্যাপী মাহফিলের আখেরী মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। আখেরী মুনাজাতে উপস্থিত লাখো লাখো মেহমানদের আমীন আমীন ক্রন্দনের রোনাজারীতে আকাশ-বাতাস ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

১৪ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৫
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলায় নদীর তীরে গলাকাটা অবস্থায় এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার সমুদয়কাঠী ইউনিয়নের পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ পাশে সন্ধ্যা নদী সংলগ্ন এলাকায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলের দিকে পূর্ব সারেংকাঠী গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মামুন মোল্লার ইটভাটার দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে নদীর ধারে একটি গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন ইটভাটার শ্রমিকেরা। পরে তারা বিষয়টি পুলিশকে জানান।
খবর পেয়ে পুলিশের নেছারাবাদ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পরিচয় শনাক্তের জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শুরু করা হয়।
পুলিশ জানায়, মরদেহটির মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় স্থানীয় কেউই মৃত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অজ্ঞাত কোনো স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে ধরে এনে নির্জন স্থানে হত্যা করে মরদেহটি সেখানে ফেলে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
এ বিষয়ে নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বলেন, মৃত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন সার্কেল এসপি সাবিহা মেহেবুবা। পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত ও ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

১২ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
পিরোজপুর–১ আসনের সংসদ সদস্য মাসুদ সাঈদী ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন। সেখানে তিনি সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে পাঠানো খেজুর বিতরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেছেন।
মাসুদ সাঈদী ফেসবুক পোস্টে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সরকার সরাসরি কাউকে খেজুর দেয় না। বরং দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরব সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের জনগণের জন্য উপহার হিসেবে খেজুর পাঠানো হয়ে থাকে। ১৯৮০ এর দশক থেকে এই সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এবারও সৌদি সরকারের কিং সালমান হিউম্যানিটেরিয়ান এইড অ্যান্ড রিলিফ সেন্টারের মাধ্যমে বাংলাদেশে খেজুর পাঠানো হয়েছে।
তিনি জানান, পিরোজপুর জেলায় মোট ১৩৯ কার্টন খেজুর এসেছে। এর মধ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলায় ১৮ কার্টন, নাজিরপুর উপজেলায় ২৪ কার্টন ও জিয়ানগর উপজেলায় ১৪ কার্টন খেজুর বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও লেখেন, বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসক ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ, মাদরাসা ও এতিমখানার জন্য এসব খেজুর বিতরণের লক্ষ্যে তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। তিনটি উপজেলার জন্য মোট ৫৬ কার্টন খেজুর বরাদ্দ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
মাসুদ সাঈদী দাবি করেন, অতীতে তার নির্বাচনি এলাকায় খেজুর বিতরণে দুর্নীতির কোনো অভিযোগ তার জানা নেই। তবুও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে যেন খেজুর পৌঁছে যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।
পিরোজপুর-১ আসনের বরাদ্দ পাওয়া খেজুর নিয়ে সাধারণ মানুষ, স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠন ও সামাজিক কর্মীরাও ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় আলোচনা ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, খেজুরের বরাদ্দ, বণ্টন প্রক্রিয়া ও প্রকৃত উপকারভোগীদের বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন মতামত প্রকাশ করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের স্বচ্ছতার দাবিও তুলেছেন কেউ কেউ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.