
১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ১১:২৫
পিরোজপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিমাণে কম এবং অরুচিকর খাবার দেওয়ায় তা গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন রোগীরা।
ফলে নিজেদের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন বা বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে তারা খাবার কিনে খাচ্ছেন। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রোগীদের।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সরেজমিনে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও এর রান্নাঘর ঘুরে দেখা যায়, রান্নাঘরের মেঝে ঝকঝকে, বাসনপত্র ধোয়া, খাবার রাখা হয়েছে পরিপাটি করে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে একটি আদর্শ রান্নাঘর।
কিন্তু এই নিখুঁত বাহ্যিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অপ্রিয় সত্য। রোগীর প্লেটে যে খাবার পৌঁছায়, তার মান আর পরিমাণে রয়েছে বড়সড় গলদ। সকালের নাস্তার জন্য রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি ডিম, সামান্য চিনি ও একটি কলা দেওয়া হয়েছে।
যেখানে নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়ার অভিযোগ করেন রোগীরা। পাশাপাশি দেখা যায়, দরপত্র অনুযায়ী ৪ ইঞ্চি আকারের একটি সবরি জাতের কলা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ছোট একটি চিনিচাপা জাতের কলা।
দুপুরের খাবারে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় মুরগীর মাংস। ৬০ গ্রামের ওপরে একটুকরো মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ৫০ গ্রামের কম ওজনের মাংসের টুকরা। ভাতের চালও মানহীন।
রোগীরা অভিযোগ করে বলছেন, বাজারে মাছের দাম মুরগির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় মাছের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মুরগি। এদিকে হাসপাতালের বাবুর্চি লাইলি আক্তার বলেন, আজকে মাছ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু মাছের পরিবর্তে মাংস দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলছেন, “মাছ বাজারে পায়নি, তাই মাংস দিয়েছে”।
সবরি জাতের কলার পরিবর্তে চিনিচাপা জাতের কলা এবং আকারে ছোট কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিকাদার বলেন “বাজারে সবরি কলা নেই আকারেও বড় নেই। আমি সুপারভাইজারকে এ বিষয়ে জানিয়েছি”।
এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন। নিজের অফিস কক্ষ থেকে চলে আসেন খাবার বিতরণের জায়গায়। খাবার নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পরেন।
তিনি প্রথমে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও পরে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ‘খাবার নিম্নমানের না, খাবার ঠিকমতোই দেওয়া হচ্ছে। আজকে মাছের পরিবর্তে মাংস দিয়েছি। ঠিকাদার মাংসের দামই পাবে, মাছের দাম পাবে না।’ ওজনে কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদার যতটুকু ওজন দিয়েছে সেই দামই পাবে।’
সকালের নাস্তায় নিম্নমানের পাউরুটি এবং দরপত্রে দেওয়া আকারের চেয়ে ছোট আকারের কলা কেন দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রুটি আমরা মেপে নিয়েছি, যে ওজনের দেওয়ার কথা সেই ওজনের দিয়েছে। কলা যেরকম দেওয়ার কথা সেরকম দিয়েছে। এখানে নিয়মের বাইরে কিছু হয়নি। ঠিকাদারকে কার্যাদেশে যে পরিমাণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেই পরিমাণই দিয়েছে।’
জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দরপত্র মূল্যায়নে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি ছিল শেখ এন্ড সন্স ট্রেডার্স। বেশি দরে খাবার সরবরাহের দরপত্র বাগিয়ে নিলেও রোগীদের পাতে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের খাবার, এতে ক্ষুব্ধ রোগীরা।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের পরে আর কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে দরপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালের খাবার সরবরাহ করছে।
এদিকে এ বছরের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে দুদকের পাঁচ সদস্যের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে খাবারের পরিমাণ কম দেওয়ার সত্যতা পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করেছিল। তবে সচেতন মহলের দাবি, দুদক থেকে সতর্ক করার পরেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ বিভাগে ভর্তি রোগীদের ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিন সরকারিভাবে ১৭৫ টাকা মূল্যের তিন বেলা খাবার (সকালে নাশতা, দুপুরে ও রাতে ভাত) দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিশেষ দিবসে প্রতি রোগীকে ২০০ টাকার খাবার দেওয়া হয়।
দরপত্রের শর্ত অনুয়ায়ী, হাসপাতালে প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ২৮ ইরি চালের ৩৩০ গ্রাম ভাত, সপ্তাহে পাঁচ দিন মাছ ও মাংস ৬৩.৬৬ গ্রাম করে দুই বেলা দেওয়ার কথা। সপ্তাহে দুই দিন মাছ ও ডিম দেওয়ার কথা।
এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম ও একটি পাকা সবরি কলা দেওয়ার কথা। কিন্তু মাছ-মাংসের অংশ আকারে ছোট, কলাও ছোট ও নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়া হচ্ছে। মসলা কম দিয়ে তরকারি রান্না করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে, যেটি খেতে রোগীরা আগ্রহী হচ্ছে না।
হাসপাতালের রোগী সদর উপজেলার সিআই পাড়া এলাকার বাসিন্দা জিসান শিকদার বলেন, ‘শ্বাসকষ্ট, পেটের ব্যথা নিয়ে ভর্তি আছি। হাসপাতালে দুইবার সামান্য ভাত, আলু দুই পিস, ছোট সাইজের মাছ-মাংস দেওয়া হয়। তরকারিতে মসলার পরিমাণ খুবই কম, মাছ-মাংস পুরোপুরিভাবে রান্না করা হয় না। খাবার মানসম্মত নয়।’
ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন আসমা আক্তার বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য ভাত, সবজি, ডাল ও মাছের পরিবর্তে ছোট এক টুকরা মাংস দিয়েছে, তা রুচিসম্মত না। আমার মনে হয়েছে, এটা রোগীর খাবার না। আমরা খাবার ফিরিয়ে দিয়েছি, এখন বাইরে থেকে কিনে খাওয়াতে হবে।’
এ বিষয়ে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আমরা নিয়মিত খাবার তদারকি করি, এ বিষয়ক একটা কমিটিও আছে। জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা মিটিংয়ের মাধ্যমে আমরা একটা কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটির মাধ্যমে মাসে এক থেকে দুবার এই খাবার মনিটরিং করা হয়।
আপনারা যে অভিযোগটা দিয়েছেন সে বিষয়ে অবশ্যই আমি তদারকি করব। আমি আগামীকালই আরএমও সাহেবসহ আমাদের যে ঠিকাদার আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করি, যদি কোনো ঘাটতি থাকে আগামীকাল থেকে অবশ্যই রিকভার হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি অর্থে পরিচালিত হাসপাতালগুলোর খাবারের মান নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে রোগীদের নিম্নমানের খাবার সরবরাহের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরিমাণে কম এবং অরুচিকর খাবার দেওয়ায় তা গ্রহণে আগ্রহ হারাচ্ছেন রোগীরা।
ফলে নিজেদের বাড়ি, আত্মীয়-স্বজন বা বাইরের রেস্টুরেন্ট থেকে তারা খাবার কিনে খাচ্ছেন। এতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার রোগীদের।
মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) সরেজমিনে পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও এর রান্নাঘর ঘুরে দেখা যায়, রান্নাঘরের মেঝে ঝকঝকে, বাসনপত্র ধোয়া, খাবার রাখা হয়েছে পরিপাটি করে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে একটি আদর্শ রান্নাঘর।
কিন্তু এই নিখুঁত বাহ্যিকতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক অপ্রিয় সত্য। রোগীর প্লেটে যে খাবার পৌঁছায়, তার মান আর পরিমাণে রয়েছে বড়সড় গলদ। সকালের নাস্তার জন্য রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি ডিম, সামান্য চিনি ও একটি কলা দেওয়া হয়েছে।
যেখানে নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়ার অভিযোগ করেন রোগীরা। পাশাপাশি দেখা যায়, দরপত্র অনুযায়ী ৪ ইঞ্চি আকারের একটি সবরি জাতের কলা দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ছোট একটি চিনিচাপা জাতের কলা।
দুপুরের খাবারে মাছ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় মুরগীর মাংস। ৬০ গ্রামের ওপরে একটুকরো মাংস দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয় ৫০ গ্রামের কম ওজনের মাংসের টুকরা। ভাতের চালও মানহীন।
রোগীরা অভিযোগ করে বলছেন, বাজারে মাছের দাম মুরগির তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি হওয়ায় মাছের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে মুরগি। এদিকে হাসপাতালের বাবুর্চি লাইলি আক্তার বলেন, আজকে মাছ দেওয়ার কথা ছিল কিন্তু মাছের পরিবর্তে মাংস দেওয়া হয়েছে। ঠিকাদারকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, তিনি বলছেন, “মাছ বাজারে পায়নি, তাই মাংস দিয়েছে”।
সবরি জাতের কলার পরিবর্তে চিনিচাপা জাতের কলা এবং আকারে ছোট কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ঠিকাদার বলেন “বাজারে সবরি কলা নেই আকারেও বড় নেই। আমি সুপারভাইজারকে এ বিষয়ে জানিয়েছি”।
এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি দেখে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নিজাম উদ্দিন। নিজের অফিস কক্ষ থেকে চলে আসেন খাবার বিতরণের জায়গায়। খাবার নিম্নমানের ও পরিমাণে কম দেওয়ার বিষয়ে তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং কিছুটা উত্তেজিত হয়ে পরেন।
তিনি প্রথমে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে না চাইলেও পরে উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ‘খাবার নিম্নমানের না, খাবার ঠিকমতোই দেওয়া হচ্ছে। আজকে মাছের পরিবর্তে মাংস দিয়েছি। ঠিকাদার মাংসের দামই পাবে, মাছের দাম পাবে না।’ ওজনে কম কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঠিকাদার যতটুকু ওজন দিয়েছে সেই দামই পাবে।’
সকালের নাস্তায় নিম্নমানের পাউরুটি এবং দরপত্রে দেওয়া আকারের চেয়ে ছোট আকারের কলা কেন দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রুটি আমরা মেপে নিয়েছি, যে ওজনের দেওয়ার কথা সেই ওজনের দিয়েছে। কলা যেরকম দেওয়ার কথা সেরকম দিয়েছে। এখানে নিয়মের বাইরে কিছু হয়নি। ঠিকাদারকে কার্যাদেশে যে পরিমাণ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে সেই পরিমাণই দিয়েছে।’
জানা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দরপত্র মূল্যায়নে সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠানটি ছিল শেখ এন্ড সন্স ট্রেডার্স। বেশি দরে খাবার সরবরাহের দরপত্র বাগিয়ে নিলেও রোগীদের পাতে দেওয়া হচ্ছে নিম্নমানের খাবার, এতে ক্ষুব্ধ রোগীরা।
২০২৩-২৪ অর্থ বছরের পরে আর কোনো দরপত্র আহ্বান করেনি জেলা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। ফলে দরপত্রের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হাসপাতালের খাবার সরবরাহ করছে।
এদিকে এ বছরের জানুয়ারি মাসে পিরোজপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয় থেকে দুদকের পাঁচ সদস্যের একটি দল হাসপাতাল পরিদর্শন করে খাবারের পরিমাণ কম দেওয়ার সত্যতা পেয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করেছিল। তবে সচেতন মহলের দাবি, দুদক থেকে সতর্ক করার পরেও কোনো ভ্রুক্ষেপ করেনি কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, হাসপাতালের অভ্যন্তরীণ বিভাগে ভর্তি রোগীদের ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিন সরকারিভাবে ১৭৫ টাকা মূল্যের তিন বেলা খাবার (সকালে নাশতা, দুপুরে ও রাতে ভাত) দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিশেষ দিবসে প্রতি রোগীকে ২০০ টাকার খাবার দেওয়া হয়।
দরপত্রের শর্ত অনুয়ায়ী, হাসপাতালে প্রতিদিন দুপুর ও রাতে ২৮ ইরি চালের ৩৩০ গ্রাম ভাত, সপ্তাহে পাঁচ দিন মাছ ও মাংস ৬৩.৬৬ গ্রাম করে দুই বেলা দেওয়ার কথা। সপ্তাহে দুই দিন মাছ ও ডিম দেওয়ার কথা।
এ ছাড়া প্রতিদিন সকালে রোগীদের দুটি পাউরুটি, একটি সিদ্ধ ডিম ও একটি পাকা সবরি কলা দেওয়ার কথা। কিন্তু মাছ-মাংসের অংশ আকারে ছোট, কলাও ছোট ও নিম্নমানের পাউরুটি দেওয়া হচ্ছে। মসলা কম দিয়ে তরকারি রান্না করে রোগীদের দেওয়া হচ্ছে, যেটি খেতে রোগীরা আগ্রহী হচ্ছে না।
হাসপাতালের রোগী সদর উপজেলার সিআই পাড়া এলাকার বাসিন্দা জিসান শিকদার বলেন, ‘শ্বাসকষ্ট, পেটের ব্যথা নিয়ে ভর্তি আছি। হাসপাতালে দুইবার সামান্য ভাত, আলু দুই পিস, ছোট সাইজের মাছ-মাংস দেওয়া হয়। তরকারিতে মসলার পরিমাণ খুবই কম, মাছ-মাংস পুরোপুরিভাবে রান্না করা হয় না। খাবার মানসম্মত নয়।’
ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন আসমা আক্তার বলেন, ‘দুপুরের খাবারের জন্য ভাত, সবজি, ডাল ও মাছের পরিবর্তে ছোট এক টুকরা মাংস দিয়েছে, তা রুচিসম্মত না। আমার মনে হয়েছে, এটা রোগীর খাবার না। আমরা খাবার ফিরিয়ে দিয়েছি, এখন বাইরে থেকে কিনে খাওয়াতে হবে।’
এ বিষয়ে পিরোজপুরের সিভিল সার্জন মো. মতিউর রহমান বলেন, ‘পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে আমরা নিয়মিত খাবার তদারকি করি, এ বিষয়ক একটা কমিটিও আছে। জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা মিটিংয়ের মাধ্যমে আমরা একটা কমিটি গঠন করেছি, সেই কমিটির মাধ্যমে মাসে এক থেকে দুবার এই খাবার মনিটরিং করা হয়।
আপনারা যে অভিযোগটা দিয়েছেন সে বিষয়ে অবশ্যই আমি তদারকি করব। আমি আগামীকালই আরএমও সাহেবসহ আমাদের যে ঠিকাদার আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো। প্রতিটি পয়েন্টে তাদের সঙ্গে আলোচনা করব। আশা করি, যদি কোনো ঘাটতি থাকে আগামীকাল থেকে অবশ্যই রিকভার হবে।’
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, সরকারি অর্থে পরিচালিত হাসপাতালগুলোর খাবারের মান নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। তারা দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

১৭ মে, ২০২৬ ১৪:৫১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিং ডিমের বরাদ্দ ভাগাভাগি নিয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে দুটি বিদ্যালয়ের শিক্ষকের আলাপচারিতা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
গত মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হলেও রোববার (১০ মে) ঘটেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের ৩ সদস্যের গঠিত কমিটি তদন্ত শুরু করেছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৯ মিনিট ৫৬ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি উপজেলার ৫৬ নম্বর মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে ধারণ করা।
এতে বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীন ও ৬৫ নম্বর সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের সঙ্গে স্কুল ফিডিং কর্মসূচির খাবার সরবরাহকারী ভোলার বেসরকারি প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ উন্নয়নের ঠিকাদার নুরুন্নবীসহ কয়েকজনকে দেখা যায়।
ভিডিওর শুরুতেই দুই প্রধান শিক্ষককে ধূমপান করতে দেখা যায়। এ সময় ঠিকাদার নুরুন্নবী শিডিউল অনুযায়ী সরবরাহ ও ডিম বণ্টন নিয়ে কথা বলছিলেন। এক পর্যায়ে ১২ হাজার ছাত্রের জন্য ১৮ হাজার ডিমের বরাদ্দ ও ব্যবহার নিয়ে নানা হিসাব-নিকাশ করেন তারা। এতে দুই শিক্ষক অতিরিক্ত ছয় হাজার ডিম বা সমপরিমাণ ডিমের টাকা কীভাবে ভাগবাঁটোয়ারা করবেন, এ নিয়ে তাদের মধ্যে আলোচনা হয়। শিক্ষকরা ঠিকাদারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সমন্বয়ের প্রস্তাব দেন। ঠিকাদার শিডিউল অনুযায়ী কাজ করার পক্ষে অবস্থান নেন। তিনি নিয়মবহির্ভূত কোনো কাজে নিজেকে না জড়ানোর কথা বলেন।
এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নাসির উদ্দীনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সূর্যমনি নেছারিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মো. হাবিবুর রহমানের দাবি, ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে তাদের কথোপকথনকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। এ বিষয়টি তদন্তাধীন জানিয়ে আর মন্তব্য করতে চাননি তিনি। ঠিকাদার নুরুন্নবীর সঙ্গে কয়েক দফায় চেষ্টা করেও বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোল্লা বখতিয়ার রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক ও ঠিকাদারের মধ্যে কথোপকথন সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার বিষয় নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। কমিটির কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আকলিমা আক্তার জানান, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর বিষয় নিয়ে জেলা পর্যায়ে তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে এবং তাদের প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের নিকট দাখিল করা হবে। পাশাপাশি উপজেলায় ফিডিং কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

১৭ মে, ২০২৬ ১২:৪১
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২-৩ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মোহাম্মদ ফজলুল হক আকনের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
ফজলুল হক আকন জানান, পুকুরে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কাপ ,পুঁটিসহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করেছি। এতে আমার প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠতো।
বাড়ির পাশের কিছু লোকজন জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ দিয়েছে। এই পুকুরের পানি স্থানীয় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা এই পুকুরের পানি পান করেন। পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখান থেকে ওযু করেন। আইনি সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দিবেন জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুক্ষণ পরপর পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করতেন।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়ার গ্রাম পুলিশ আশীষ দর্জি জানান, কারা রাতের আঁধারে বিষ দিয়েছে এখনো জানা যায়নি। তবে আমরা তদন্ত করে বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছি।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে দেখি দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ দিয়েছে অনেক মাছ মারা গেছে। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখানে মুসল্লিরা ওযু করেন এবং এলাকাবাসী এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করেন।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় দুর্বৃত্তরা একটি পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ২-৩ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৫ মে) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়া সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশে মোহাম্মদ ফজলুল হক আকনের পুকুরে এ ঘটনা ঘটে।
ফজলুল হক আকন জানান, পুকুরে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সিলভার কাপ ,পুঁটিসহ দেশীয় বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ করেছি। এতে আমার প্রায় ৫-৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠতো।
বাড়ির পাশের কিছু লোকজন জমি সংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পুকুরে বিষ দিয়েছে। এই পুকুরের পানি স্থানীয় ৩০ থেকে ৩৫টি পরিবার এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা এই পুকুরের পানি পান করেন। পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখান থেকে ওযু করেন। আইনি সহায়তার জন্য থানায় অভিযোগ দিবেন জানান তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কিছুক্ষণ পরপর পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠে। পুকুরে বিষ প্রয়োগের কারণেই সব মাছ মরে ভেসে উঠেছে। এতে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করতেন।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড গোলবুনিয়ার গ্রাম পুলিশ আশীষ দর্জি জানান, কারা রাতের আঁধারে বিষ দিয়েছে এখনো জানা যায়নি। তবে আমরা তদন্ত করে বিষয়টি সামনে আনার চেষ্টা করছি।
আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি। এসে দেখি দুর্বৃত্তরা পুকুরে বিষ দিয়েছে অনেক মাছ মারা গেছে। পুকুরের পাশে একটি মসজিদ রয়েছে এখানে মুসল্লিরা ওযু করেন এবং এলাকাবাসী এই পুকুর থেকে পানি সংগ্রহ করে পান করেন।

১৬ মে, ২০২৬ ২০:০০
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৮ মে, ২০২৬ ১৬:৪৬
১৮ মে, ২০২৬ ১৫:০৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
১৮ মে, ২০২৬ ১৪:৪৯