
১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৪২
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫