রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'

৩০ জুলাই, ২০২৬ ২২:১২
৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৪:০৯

৩০ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৮

১২ অক্টোবর, ২০২৫ ১৯:৪২
রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে জনমত গঠন এবং আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করার লক্ষ্যে বরিশালের বাবুগঞ্জে বিভিন্ন অনন্য কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জাতীয়তাবাদী যুবদল। তৃণমূল পর্যায়ে উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডে ব্যাপক গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ, ভাষণ প্রচার, কর্মশালা ও জনসমাবেশ কার্যক্রম শুরু করেছে তারা। ওয়ার্ডভিত্তিক বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানো হচ্ছে ৩১ দফার সুফল। একইসাথে ধানের শীষের পক্ষে করা হচ্ছে ভোট প্রার্থনা। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে কর্মশালা ও জনসমাবেশের আয়োজন করা হচ্ছে। একইসাথে হাট-বাজারে গিয়ে প্রজেক্টরের মাধ্যমে বড় পর্দায় প্রচার করা হচ্ছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভাষণ এবং সাক্ষাৎকার। বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সংগ্রামী আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবের নেতৃত্বে চলছে যুবদলের এসব অনন্য কর্মযজ্ঞ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাবুগঞ্জে যুবদলের এসব গণমুখী কার্যক্রমে ইতোমধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। যুবদলের পাশাপাশি এই গণসংযোগ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হচ্ছেন বিএনপি এবং ছাত্রদলসহ সহযোগী সংগঠনগুলো। স্থানীয় সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন। যুবদলের এই সাংগঠনিক কার্যক্রমকে ঐতিহাসিক এবং অনুকরণীয় বলেও আখ্যা দিয়েছেন কেউ কেউ। গত ১ অক্টোবর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১৫ দিনব্যাপী এসব বর্ণাঢ্য গণমুখী কার্যক্রম শুরু করেছে যুবদল। ইতোমধ্যে উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর, কেদারপুর, দেহেরগতি ও চাঁদপাশা ইউনিয়নে আগাম নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে কর্মশালা, জনসমাবেশ এবং প্রত্যেক ওয়ার্ডে স্থানীয় যুবদল নেতাকর্মীদের দিয়ে যুব টিম বানিয়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের মাঝে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এ ঘটনাকে ইতিবাচক রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবেই দেখছেন সাধারণ মানুষসহ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।
দেহেরগতি গ্রামের কৃষক ফজলুর রহমানের সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তিনি বেশ উৎফুল্ল হয়ে জানান, তারেক রহমানের ৩১ দফা সম্বলিত লিফলেট তার হাতে তুলে দিয়ে গেছেন যুবদল আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিবসহ যুবদল নেতাকর্মীরা। লিফলেট পড়ে ভালো লাগলে এবং এই দাবিগুলোর সাথে একমত হলে তা বাস্তবায়নের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন তারা। যুবদলের এই আচরণ তাকে মুগ্ধ করেছে। ফজলুর রহমান আরো জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দল সমর্থন করেন না। গত ৩টি নির্বাচনে তিনি ভোট দিতে যাননি। তার মতে সেগুলো ছিল সাজানো নির্বাচন। তাই বদলা কামাই দিয়ে তিনি ভোট দিতে যাননি। তবে এবার তিনি ভোট দিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, তার হাতে দেওয়া লিফলেটে যা লেখা সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়া দেশের জন্য খুবই দরকার বলে তিনি মনে করেন। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশ সোনার দেশ হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাই তারেক রহমানের ৩১ দফার লিফলেটটি তিনি সযতনে রেখে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।
চাঁদপাশা এলাকার সবজি বিক্রেতা ষাটোর্ধ মজিবর হাওলাদারের বক্তব্যও অনেকটা অভিন্ন। নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এই প্রতিবেদকের কাছে খোলামেলা বলেন, 'কাকু আমরা গরীব মানুষ। রাজনীতি করি না, পেটনীতি করি। একটা ভোট আছে যারে দিলে দ্যাশের জন্য ভালো হইবে তারেই দিমু। জিয়ার পোলাডা দ্যাশে আইতে পারে না বহুত বৎসর। বিদ্যাশে বইয়া সে দ্যাশের কতা ভাবে। ভাবনাচিন্তা কইরা সে যা ল্যাকছে এইগুলা সঠিক। লিফলেটের এগুলা করতে পারলে দ্যাশ উন্নত হইবে। মানুষ ভালো থাকবে। তাই তারেই ভোটটা দিমু। আমি আপনেগো মতোন বেশি লেহাপড়া না জানলেও পাকিস্তান আমলে মেট্রিক পর্যন্ত পড়ছি। দ্যাশের ভালোমন্দ কিছু হইলেও বুঝি।'
আগরপুর এলাকার ভ্যানচালক ইউনূস ক্ষোভের সাথে বলেন, 'আওয়ামী লীগের আমলে মোগো কেউ পাত্তা দিতো না। নেতাগো ভ্যানে টানছি হেই ভাড়াও পাই নাই। চাইতে গ্যালে চোখ গরম দিয়া কইতো যা পরে নিস। ভোট দিতে যাইয়া হুনি তারা কয়- তোর ভোট দেওয়া লাগবে না। ভোট হইয়া গ্যাছে, বাড়ি যা। এবার নির্বাচনের আগেই তো যুবদলের পোলাপান বাড়ি আইছে। আইয়া সুন্দরভাবে বুঝাইয়া একখান কাগজ দিয়া গ্যাছে। ধানের শীষে ভোট চাইয়া গ্যাছে। আগে তো মোগো কেউ জিগাইতো না। বাড়ি আইয়া কইতো অমুক মেয়ারে ভোট না দিলে এলাকায় থাকতে পারবা না। যুবদলের পোলাপানের ব্যবহার দেইখ্যা ভালো লাকছে। মোর বউও কইছে এইবার ভোট দিতে যাইবে।'
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক বলেন, 'উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধের কথা চিন্তা করে আমি আওয়ামী লীগের একজন মৌন সমর্থক ছিলাম। কিন্তু ২০১৮ সালে রাতের ভোট আর ২০২৪ সালে বিনা ভোটে জোর করে ক্ষমতায় থাকার জন্য ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যেভাবে গুলি করে পাখির মতো মানুষ হত্যা করা হয়েছে সেটা কোনো সুস্থ মানুষ সমর্থন করতে পারে না। এই দেশ কারো বাপের একার সম্পত্তি না। কারো বাপের বাড়ির জমিদারি বেঁচা টাকা দিয়ে এই দেশের উন্নয়ন হয় নাই। জনগণের ট্যাক্সের টাকা সঠিক খাতে খরচ করে দেশ ও জাতির উন্নয়ন করাই সরকারের দায়িত্ব। এজন্যই তাদের আমরা ভোট দিয়ে ক্ষমতায় বসাই। কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে জনগণের কথা ভুলে নিজেদের তারা দেশের মালিক ভাবতে শুরু করে। তারেক রহমানের ৩১ দফা যেন শুধু নির্বাচনী ওয়াদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। জুলাই সনদ আজো বাস্তবায়িত হয়নি। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যদি সত্যিই ৩১ দফা বাস্তবায়ন করে তাহলে এদেশে সত্যিকারের গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা হবে বলে আমি মনে করি।'
বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রাফিল বলেন, 'বাবুগঞ্জে জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ আছি। আমরা জিয়ার সৈনিক হিসেবে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছি। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনের সাংগঠনিক দায়িত্বে ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান। আমরা তখন তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ ছিলাম। ২০১৮ সাল থেকে আমাদের এই অঞ্চলে দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন। দল যাকে ধানের শীষ প্রতীক দেবে আমরা তার পক্ষেই কাজ করবো। তবে বর্তমান সাংগঠনিক নেতাই মনোনয়ন পাবেন বলে আমরা শতভাগ আশাবাদী। তাকে বিজয়ী করে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়ন করতে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছি। মানুষকে বুঝিয়ে ধানের শীষের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছি। মানুষের মাঝে স্বতঃস্ফূর্ত সাড়া দেখেছি আমরা।'
জাতীয়তাবাদী যুবদলের বাবুগঞ্জ উপজেলা শাখার আহবায়ক রাকিবুল হাসান খান রাকিব যুবদলের এই অনন্য কর্মসূচি সম্পর্কে বলেন, 'আমাদের প্রিয় নেতা জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা রাষ্ট্রের পূর্নাঙ্গ একটি বিধান। সকল মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ৩১ দফায় রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশে কোনো বৈষম্য থাকবে না। সকল শ্রেণিপেশার মানুষ তাদের ন্যায্য অধিকার ফিরে পাবে। তাই গণমানুষের মুক্তির সনদ এই ৩১ দফা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বাবুগঞ্জ উপজেলার ৬ ইউনিয়নের ৫৪টি ওয়ার্ডসহ গ্রাম পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছি আমরা। জনগনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়ার চেষ্টা করছি। বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের অভাব, অভিযোগ, সমস্যার কথা শুনে সেগুলো সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা করছি। আমাদের নেতা জনাব তারেক রহমান বলেছেন আগামী নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করে তাদের সমর্থন নিতে বলেছেন তিনি। ধানের শীষের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করতে বলেছেন। শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবদল সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছে। আমরা একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই। যাতে আমাদের দেখাদেখি অন্যরাও ইতিবাচক ভালো কাজে উৎসাহিত হয়ে অবদান রাখেন।'
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
সক্রিয় মৌসুমি বায়ু ও গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে আগামী পাঁচ দিন সারা দেশে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। ভারতের ছত্তিশগড় ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত এই নিম্নচাপের কারণে দেশের বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, একই সময়ে কিছু কিছু অঞ্চলে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমে আসতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবিরের দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে সারাদেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ,খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কিছু কিছুজায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
শনিবার (০১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী ০২ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’
বরিশাল নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চিহ্নিত মাদক কারবারি 'গাঁজা রফিক'-এর স্ত্রী ও একাধিক মাদক মামলার আসামি আনু বেগম কর্তৃক অনলাইন নিউজপোর্টাল 'তালাশ বিডি'-র সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার মাছুদুর রহমান আসলামকে মুঠোফোনে মাদক ও অস্ত্র মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার হুমকির অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এই হুমকির ঘটনা ঘটে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, পূর্বে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিচারাধীন একটি মামলাকে কেন্দ্র করেই এই হুমকির জন্ম। গত ২১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:১৫ মিনিটে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসংলগ্ন সংগ্রাম রাস্তায় সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে একদল চিহ্নিত অপরাধী। ওই দলে উপস্থিত ছিল এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ফকির, 'ইতালি শহীদ'-এর সহযোগী তাপস, গাঁজা রফিক, তুহিন এবং কালাম মেম্বারসহ আরও কয়েকজন।
সে সময় সন্ত্রাসী নাক কাটা রুবেল, মাইনুল ও তাপস অস্ত্র উঁচিয়ে সাংবাদিক আসলামের মাথায় ঠেকিয়ে হত্যার ভয় দেখায়। তারা নাক কাটা রুবেলের বিরুদ্ধে পূর্বে প্রকাশিত সকল সংবাদ অনলাইন থেকে মুছে ফেলার নির্দেশ দেয় এবং ভবিষ্যতে তাদের কোনো অপরাধের খবর প্রকাশ না করার জন্য চূড়ান্ত হুমকি প্রদান করে।
প্রাণনাশের হুমকির পর সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলাম তার পত্রিকা সম্পাদকের সাথে পরামর্শ করে বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ‘দ্রুত বিচার আইনে’ একটি নালিশি দরখাস্ত করেন। বিজ্ঞ বিচারক প্রাথমিক শুনানি ও ঘটনার বিবরণ দেখে সত্যতা অনুধাবন করেন এবং কোতয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) ঘটনাটি সরাসরি এজাহার বা এফআইআর (FIR) হিসেবে রুজু করার নির্দেশ দেন।
আদালতের নির্দেশের পর কোতয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামি তাপস এবং মাইনুলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করে। পরবর্তীতে ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে কোতয়ালি থানার সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) রাজিব দাস সনেট অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পেয়ে আদালতে মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন।
আদালতে চার্জশিট দাখিল ও আসামিদের কারাবরণের ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে অপরাধী চক্রটি। এর জের ধরেই গতকাল রাতে গাঁজা রফিকের স্ত্রী আনু বেগম মুঠোফোনে সাংবাদিক মাছুদুর রহমান আসলামের সাথে যোগাযোগ করেন। তিনি স্পষ্ট জানান, আদালত থেকে মামলা উঠিয়ে না নিলে তাকে বড় ধরনের মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের মামলায় জড়িয়ে চিরতরে ফাঁসিয়ে দেওয়া হবে।
পরপর এমন প্রাণনাশের হুমকি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ষড়যন্ত্রে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ। প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে সাংবাদিক আসলাম বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ বিষয়ে তিনি পুনরায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নগরীর কোতয়ালি মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।’
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ছত্তিশগড়ে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ থেকে আগামী ৫ দিন বরিশালসহ সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’
পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ছত্তিশগড়ে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপ ও সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আজ থেকে আগামী ৫ দিন বরিশালসহ সারাদেশে হালকা থেকে মাঝারি এবং কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আগামী ৫ দিন অব্যাহত থাকতে পারে এবং প্রথম ২৪ ঘণ্টায় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুকের দেওয়া এক পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানানো হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, আগামীকাল সকাল ৯টার মধ্যে বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং চট্টগ্রাম বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এছাড়া সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে।
আগামী শনিবার (১ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
আগামী রোববার (২ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, খুলনা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামী সোমবার (৩ আগস্ট) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে রংপুর, ময়মনসিংহ এবং সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারীবর্ষণ হতে পারে এবং সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।’