Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:১৭
বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’
বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৯:২১

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৬:৪১
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

০৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩৯
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের বানারীপাড়ায় যৌতুক না পেয়ে নির্মম নির্যাতন করে স্ত্রী মারিয়া আক্তারকে (১৮) হত্যা মামলার আসামী ঘাতক স্বামী রবিউল মৃধাকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত দুইটার দিকে রাজধানীর নন্দীপাড়ার ছোট বটতলার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে তাকে বানারীপাড়া থানায় নিয়ে আসার পরে বরিশাল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
বানারীপাড়া থানার ওসি মোঃ মজিবুর রহমান জানান, বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার জেড, এম মোস্তাফিজুর রহমানের দূরদর্শী দিক নির্দেশনায় গৃহবধু মারিয়া আক্তার মারা যাওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই ঢাকা থেকে হত্যা মামলার মূল আসামী রবিউলকে গ্রেপ্তার করতে পেরেছি।এর আগে বুধবার রাতে নিহত মারিয়া আক্তারের পিতা হুমায়ুন কবির হাওলাদার বাদী হয়ে মেয়ে জামাতা রবিউলকে প্রধান আসামী ও ৪ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে বানারীপাড়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
প্রসঙ্গত, বানারীপাড়া উপজেলার সলিয়াবাকপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা হুমায়ুন কবির হাওলাদারের মেয়ে মারিয়া আক্তারের সঙ্গে প্রায় তিন বছর আগে একই এলাকার রবিউল মৃধার পারিবারিক ভাবে বিবাহ হয়।
তাদের সংসারে দুই বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। জীবিকার তাগিদে তারা রাজধানী ঢাকায় নন্দীপাড়ার ছোট বটতলায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। রবিউল সেখানে লেগুনা গাড়ির চালক।
যৌতুকের টাকার দাবি পূরণ ও বিয়ের সময়ে প্রতিশ্রুত স্বর্নের কানের দুল দিতে না পারা এবং মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে রবিউল স্ত্রী মারিয়াকে মানসিক ও শারিরীকভাবে নির্যাতন করতেন।
স্ত্রীকে নির্যাতনে রবিউলকে তার মা ও বোন ইন্ধন যোগাতেন। রমজান মাসে রবিউল তার স্ত্রী মারিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১৫ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। চা দোকানী দরিদ্র বাবার কাছ থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকৃতি জানানো এবং বাসায় বসে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদক সেবনে বাধা দেওয়ায় তাকে প্রায়ই মারধর করা হতো।
এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (৪ এপ্রিল) রবিউল মৃধা স্ত্রী মারিয়াকে অমানবিকভাবে মারধর করে। এ সময় পিটিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়। , এমনকি তার সংবেদনশীল অঙ্গেও আঘাতের অভিযোগ রয়েছে।
নির্মম নির্যাতনের পরে তাকে কোন চিকিৎসাও করানো হয়নি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় বিনা চিকিৎসায় বাসায় ফেলে রাখা হয়। অসুস্থতার কারনে বাসায় রান্না করতে না পারায় দ্বিতীয় দফা তাকে মারধর করা হয়।
মারিয়ার গুরুতর অসুস্থ অবস্থার খবর পেয়ে তার মা হাফিজা বেগম ঢাকায় ছুঁটে যান। সেখান থেকে বুধবার (৮ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে গুরুতর আহত মারিয়াকে বানারীপাড়ায় পূর্ব সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।
বাড়িতে আসার পর অবস্থার অবনতি ঘটলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে বানারীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসার পর চিকিৎসাধিন অবস্থায় দুপুর ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে বানারীপাড়া থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে মারিয়ার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরিশাল শেবাচিম হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। সেখানে ময়না তদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জানাজা শেষে তার মরদেহ বাবার বাড়ির পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এদিকে মারিয়ার ঘাতক রবিউল মৃধা অল্প সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার হওয়ায় নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তারা ঘাতকের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন।
বরিশালের গৌরনদীতে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের একটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পণ্যবাহী ট্রাক খাদে পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ট্রাকটির চালক ও হেলপার আহত হলেও ভাগ্যক্রমে প্রাণে বেঁচে গেছেন। তারা স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে মহাসড়কের টরকী বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন নীলখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বরিশালগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নীলখোলা ব্রিজের রেলিং ভেঙে সরাসরি খাদে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার বিকট শব্দ শুনে স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং ট্রাকের ভেতর আটকে পড়া চালক ও হেলপারকে উদ্ধার করেন। দুর্ঘটনার তীব্রতা বেশি থাকলেও তারা দুজনেই সামান্য আঘাত পেয়ে প্রাণে রক্ষা পান।
এ বিষয়ে গৌরনদী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম শেখ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
হাম উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময় নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৩০ জন শিশু।
বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) সকালে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের কার্যালয় থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১২ জনে পৌঁছালো।
মৃতরা হলো: বরিশালের বাকেরগঞ্জের পান্না খানের পাঁচ মাস বয়সী ছেলে ইমাম ও বরগুনার আমতলীর আবু বকরের ৯ মাস বয়সী ছেলে আনু সালেহ। শেবাচিম হাসপাতালে বর্তমানে হাম সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে মোট ৯১ জন। আর ছাড়পত্র নিয়ে গেছে ২৭ জন। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে আজ ৯ এপ্রিল পর্যন্ত হাসপাতালটি থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ৩০১ জন।
এ দিকে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতর জানিয়েছে, এই রোগের উপসর্গ নিয়ে বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছিলেন মোট ১০৮০ জন। যার মধ্যে ছাড়পত্র নিয়েছে ৬৩১ জন। আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৫৭ জন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাং শ্যামল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘হাম অতি ছোঁয়াচে সংক্রমণ ব্যাধি। এই রোগ যাতে দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ে তার জন্য বিভাগের সব হাসপাতালে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি টিকা কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।’