বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’

০৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:২২
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) সম্মুখে যুবকদের দুটি গ্রুপ শুক্রবার মধ্য রাতে হঠাৎ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। লাঠিসোঠা নিয়ে উভয়গ্রুপের ঘণ্টাব্যাপি পাল্টাপাল্টি ধাওয়া-ইটপাটকেল নিক্ষেপে ভিসি গেটসংলগ্ন বরিশাল-কুয়াকাটা আঞ্চলিক সড়কসহ আশপাশ এলাকাসমূহে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেট্রোপলিটন বন্দর (সাহেবেরহাট) পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও নৈরাজ্যে কারা জড়িত তা নিশ্চিত বলতে পারছে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশের একটি মেসে অবস্থানরত বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপ আকস্মিক লাঠিসোঠা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এবং একপর্যায়ে দুটি গ্রুপ ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় লিপ্ত হওয়ার পাশাপাশি একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়েছেন। তখন পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, ঘণ্টাখানেক ধরে এমন পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার এই সংঘাতে কারা জড়িত তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া না গেলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র বলছে, ১ নম্বর গেটের বিপরিত পাশের মেস থেকে সংঘাতের সূত্রপাত হয়। একপর্যায়ে তা ব্যাপক আকারে রূপ এবং তার আভা বাইরে ছড়িয়ে পড়ে অর্থাৎ দুটি গ্রুপ বিশ্ববিদ্যালয় সম্মুখ সড়কে প্রকাশ্য সংঘাতে জড়িয়ে পড়েন। মেসের অভ্যন্তরে দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে এই বিশৃঙ্খল পরিবেশ তৈরি হয় বলে সূত্রটি দাবি করেছে।
তবে এই সংঘাতে কারা জড়িত সেই খবর তাৎক্ষণিক নিশ্চিত করতে না পারলেও সূত্রগুলো গভীর রাতে জানিয়েছে, প্রথমে সংঘাতটি সমাজবিজ্ঞান এবং অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে থাকলেও পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জড়িয়ে উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলেন।
সবশেষ রাত ১২টার সময় খবর নিয়ে জানা গেছে, অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থী লাঠিসোটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি গেটের বিপরিত পাশে ছাতিমতলা এলাকায় অবস্থান নিয়ে আছেন। অনুরূপভাবে সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন ভোলার রোড এলাকায় অবস্থান করছেন। শিক্ষার্থীদের দুটি গ্রুপের এই মুখোমুখি অবস্থান রাতে ফের সংঘাতের আশঙ্কা বদ্ধমূল করে তুলেছে, পুলিশও আছে সতর্ক।
পুলিশের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও শিক্ষার্থীদের এই সংঘাত রোধে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেন সহকারী প্রক্টর ড. গাজী সাখাওয়াত হোসেন। তবে ঘটনায় কারা জড়িত তিনিও সেই বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেননি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন বন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেনও অনুরূপ তথ্য দিয়েছেন। পুলিশ কর্মকর্তা বরিশালটাইমসকে জানান, দুটি গ্রুপ মুখোমুখি হয়ে আছেন, তাদের নিয়ন্ত্রণে নিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পাশাপাশি তারাও কাজ করছেন। তবে কি কারণে এবং কারা গভীর রাতে সংঘাতে জড়ালেন তা সুনিশ্চিত বলা সম্ভব হচ্ছে না, মন্তব্য করেন ওসি।’

০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৪৬
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকাগামী ইউরো স্টার লাইন পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১২-২৭৯৫) আশোকাঠী এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়।
দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে গৌরনদী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন অফিসার মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাস থেকে আহতদের উদ্ধার করে গৌরনদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন গৌরনদীর মো. মাহবুব (৩৯) ও শিশু আব্দুর রহমান (২), বরিশালের মনিরুজ্জামান (৩৮) ও মমতাজ বেগম (৬০) এবং চট্টগ্রামের জামাল হোসেন (৩৩)।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, একজন নারী ও একজন শিশু। এ ঘটনায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।

০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:৩৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ধামুড়া-শোলক সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৮৩ লাখ ৩৯ হাজার ৫৩৫ টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সেতু দেড় বছর ধরে পড়ে আছে সংযোগ সড়কের অভাবে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নির্মিত সেতুটি এখনো যান চলাচলের জন্য কার্যকর না হওয়ায় স্থানীয় মানুষের কোনো কাজে আসছে না।
এদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ নিয়ে দেখা দিয়েছে নতুন জটিলতা।
স্থানীয় জমির মালিকদের অভিযোগ, যথাযথ জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করেই ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে জমির মালিকদের চাপ ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সেতু নির্মাণের আগে সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমির বিষয়টি যথাযথভাবে নিশ্চিত করা হয়নি। ফলে সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় সেটি ব্যবহার করা যাচ্ছে না।
জমির মালিক আঃ রব হাওলাদার অভিযোগ করেন, সেতু নির্মাণের সময় তার জমির ওপর দিয়ে সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে আপত্তি জানালে প্রকৌশলী সুব্রত রায় সরকারি নিয়মে জমি অধিগ্রহণ করে নেওয়ার কথা বলেছিলেন। কিন্তু সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার পর জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তার দাবি।
আঃ রব হাওলাদারের অভিযোগ, বর্তমানে জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণ দিতে রাজি না হয়ে বরং মামলা করার হুমকি ও বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে। এমনকি স্বেচ্ছায় জমি ছেড়ে চলে যাওয়ার জন্যও চাপ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
স্থানীয় জমির মালিকদের প্রশ্ন, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি ব্যবহার করা হবে কি না। তাদের দাবি, উন্নয়ন প্রকল্প হলেও জমির মালিকের সম্পত্তির অধিকার এবং প্রচলিত আইন মেনেই জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সেতু নির্মাণের সময়ই সংযোগ সড়কের জন্য প্রয়োজনীয় জমি, মালিকানা ও ভূমি ব্যবস্থাপনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হলে বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। এখন প্রকল্পের সেই ঘাটতির দায় সাধারণ জমির মালিকদের ওপর চাপানো হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এ অবস্থায় সংযোগ সড়কের কাজ শুরুর আগে প্রকল্পের নকশা, জমির দাগ-খতিয়ান, মালিকানা এবং জমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত নথি প্রকাশ্যে যাচাইয়ের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণের আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত ব্যক্তিমালিকানাধীন জমিতে কোনো কাজ না করার দাবি তাদের।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করা না হলে জমির মালিকদের সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বড় ধরনের বিরোধ সৃষ্টি হতে পারে। এ জন্য জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্ত দাবি করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়ে উজিরপুর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে গুরুত্বসহকারে যুক্ত করা হবে।
স্থানীয়দের দাবি উন্নয়নের নামে জমি দখল নয়, আইনানুগভাবে জমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করে দ্রুত সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হোক।

১৭ নভেম্বর, ২০২৫ ০৩:১৭
বরিশাল শহরের আলোচিত রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুমকে অবশেষে গ্রেপ্তারে সফলতা পেয়েছে পুলিশ। শহরের ১০ নং ওয়ার্ডের ভাটারখাল কলোনীর এই সন্ত্রাসীকে একটি মামলায় গত শুক্রবার রাতে গ্রেপ্তার করতে গিয়ে পুলিশ হামলার শিকার হয়। একাধিক মামলায় অভিযুক্ত ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাসুমের নেতৃত্বে তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হামলায় এসআই পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। সেই ঘটনায় পুলিশ স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করলেও পালিয়ে যায় মাসুম। তবে সেই ঘটনার পরে ৪৮ ঘণ্টা অতিবাহিত হওয়ার আগেই বহুমুখী অপরাধে জড়িত মাসুমকে রোববার গভীর রাতে পুলিশ তাদের বাগে নিয়ে আসল।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করে, মাসুম ১০ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের পদধারী নেতা হলেও আওয়ামী লীগের শাসনামলে তিনি দলটির নেতাকর্মীদের ছত্রছায়ায় ছিলেন। বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা গত বছরের ৫ আগস্ট আ’লীগ সরকারের পতনের পরে কীর্তনখোলা নদীর পশ্চিম তীরবর্তী ভাটারখাল কলোনীসহ গোটা ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করেন। এনিয়ে দ্বন্দ্বে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়া দেওয়া হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী কাঁচাবাজরে চাঁদাবাজি, ছিনতাই এমনকি মাদক বাণিজ্যে জড়িত থাকারও প্রমাণ পাওয়া যায়।
বিস্ময়কর বিষয় হচ্ছে, ত্রিশোর্ধ্ব সন্ত্রাসী মাসুমের বিরুদ্ধে সাংবাদিককে মারধর করাসহ খোদ আদালত সম্মুখে মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ আছে। এসব ঘটনাবলীতে তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
একাধিক মামলার আসামি মাসুমের সর্বশেষ সন্ত্রাসে গত রোববার রাতে আক্রান্ত হন বরিশাল কোতয়ালি থানাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ তিন পুলিশ সদস্য। পুলিশ জানায়, ওই দিন রাতে মাসুমকে গ্রেপ্তার করতে ভাটারখাল এলাকায় তার বাসায় যান এসআই নাসিমসহ বেশকজন পুলিশ সদস্য। এসময় পুলিশ সদস্যদের ওপর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে হামলে পড়েন ছাত্রদল নেতা। এতে তিন পুলিশ সদস্য আহত হন এবং মাসুম এসআই নাসিমের হাত কামড়ে পালিয়ে যান।
পুলিশ এই ঘটনায় তার স্ত্রী, ভাই-বোন এবং সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে। এবং পুলিশ বাদী হয়ে মাসুমকে প্রধান অভিযুক্ত করে ৭০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। সেই মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন তিনি। পুলিশও ছিল তোকে তোকে, কখন রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের টুটি চেপে ধরা যায়।
পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, আলোচিত সন্ত্রাসী মাসুমকে গ্রেপ্তারে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ নাসিম সাহসী ভুমিকা রাখেন। বিভিন্ন মাধ্যম নিশ্চিত হয়ে রোববার গভীর রাতে ভাটারখাল এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন তিনি। অবশ্য গত শুক্রবার এই পুলিশ কর্মকর্তার হাত কামড়েই পালিয়ে গিয়েছিলেন মাসুম।
রাজনৈতিক সন্ত্রাস মাসুমের ৫ আগস্ট পরবর্তী বেশকিছু সন্ত্রাসী কার্যকলাপ তুলে ধরে শনিবার গভীর রাতে এই ‘ভাটারখালে ছাত্রদল নেতা মাসুমের ধারাবাহিক সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ করে বরিশালটাইমস। পুলিশ জানিয়েছে, এই সংবাদটি তাদের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি নিবন্ধিত হয়। মূলত এরপরে এই মূর্তিমাণ সন্ত্রাসীকে ধরতে মাঠপুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়।
মাসুমের এই গ্রেপ্তার খবরে ওয়ার্ড বিএনপির নেতারাও স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিএনপি নেতা জানান, মাসুমকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে আগামী বুধবার ওয়ার্ডবাসী মানববন্ধন করার সিদ্ধান্তও নিয়েছিল। এরই মধ্যে রোববার রাতে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে, এই খবর ভাটারখালবাসীর জন্য খুশির বটে।
কোতয়ালি থানা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, পুলিশের ওপর হামলার মামলায় মাসুমকে দিনের রিমান্ড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার নির্দেশনা আছে। সোমবার তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করবে পুলিশ।
ভাটারখালের ত্রাস মাসুমকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ নিয়ে যাওয়ার বেশ কিছু ভিডিও ফেসবুকে প্রকাশ পেয়েছে। সেই ভিডিওর নিচে অসংখ্য মানুষ কমেন্ট করে তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ তুলে ধরছেন এবং তাকে গ্রেপ্তার করায় পুলিশকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে।
সর্বশেষ খবরে জানা গেছে, মাসুম রোববার রাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পরে তার অপরাধের জগতের নিয়ন্ত্রণ নিতে বেশ কয়েকটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে উঠেছে। সদর রোডের একটি গ্রুপ মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে সিটি মার্কেটসংলগ্ন সব্জির বাজারে আতঙ্ক তৈরি করেছে।’
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:২৪
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০০:০৬
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:২৪
১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:৪৬