
২৯ জুলাই, ২০২৫ ১৩:০০
সদ্য বিবাহিত এক কিশোরী। চোখে ছিল পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু বাবার অকালমৃত্যু আর সংসারের টানাপোড়েনে সে স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। শেষমেশ বাধ্য হয়েই বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে। বলছিলাম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের রিনা আক্তার মনিরার কথা।
দশম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা এখনো স্বপ্ন দেখে লেখাপড়া করে শিক্ষক হওয়ার। তাই বিয়ের পরও থেমে থাকতে চায়নি সে। নিজের ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে স্কুলে যায় সে; কিন্তু সেখানেই বাধে বিপত্তি।
গত ২০ জুলাই মাকে সঙ্গে নিয়ে মনিরা স্বরূপপুর কুসুমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যায়, সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল রহমান তাকে ক্লাসে বসতে দেননি। বরং জানিয়ে দেন, ‘বিবাহিত মেয়েরা স্কুলে পড়তে পারবে না।’ মনিরা ও তার মা প্রধান শিক্ষকের কাছে অনেক অনুরোধ করলেও কোনো লাভ হয়নি।
এরপর নিরুপায় হয়ে মহেশপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন তারা। কিন্তু অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি কোনো সুরাহা। স্কুলে না যেতে পেরে ভেঙে পড়েছে মনিরা। তার ভাষ্য, আমি লেখাপড়া করে শিক্ষক হতে চাই। বিয়ে হয়েছে মানে এই না যে, স্বপ্ন শেষ। আমি স্কুলে ফিরে যেতে চাই। মনিরা চায়, আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই তারও যেন স্কুলে ফিরে লেখাপড়া করার অধিকার থাকে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রিনা আক্তার মনিরা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। ভুক্তভোগীর মা আফরোজা খাতুন বলেন, মনিরা লেখাপড়ায় মোটামুটি ভালো, তাই স্বামীর অনুমতি নিয়ে মনিরা আমাকে নিয়ে তার স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ক্লাসে বসতে দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘বিবাহিত মেয়েরা স্কুলে পড়তে পারবে না।’
এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের এমন মনগড়া আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা কোনো সরকারি নির্দেশনায় নেই যে, বিবাহিত শিক্ষার্থীরা স্কুলে পড়তে পারবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বরূপপুর কুসুমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ আইন করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র পাল বলেন, ‘বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে ক্লাস করতে দেওয়া হয়নি এমন একটি অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে ফোন করে সেই শিক্ষার্থীকে ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে বলেছি।’
এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
সদ্য বিবাহিত এক কিশোরী। চোখে ছিল পুলিশ অফিসার হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু বাবার অকালমৃত্যু আর সংসারের টানাপোড়েনে সে স্বপ্ন ফিকে হয়ে যায়। শেষমেশ বাধ্য হয়েই বসতে হয় বিয়ের পিঁড়িতে। বলছিলাম ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের রিনা আক্তার মনিরার কথা।
দশম শ্রেণির ছাত্রী মনিরা এখনো স্বপ্ন দেখে লেখাপড়া করে শিক্ষক হওয়ার। তাই বিয়ের পরও থেমে থাকতে চায়নি সে। নিজের ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে স্কুলে যায় সে; কিন্তু সেখানেই বাধে বিপত্তি।
গত ২০ জুলাই মাকে সঙ্গে নিয়ে মনিরা স্বরূপপুর কুসুমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যায়, সেখানে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুল রহমান তাকে ক্লাসে বসতে দেননি। বরং জানিয়ে দেন, ‘বিবাহিত মেয়েরা স্কুলে পড়তে পারবে না।’ মনিরা ও তার মা প্রধান শিক্ষকের কাছে অনেক অনুরোধ করলেও কোনো লাভ হয়নি।
এরপর নিরুপায় হয়ে মহেশপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন তারা। কিন্তু অভিযোগ দেওয়ার পরও মেলেনি কোনো সুরাহা। স্কুলে না যেতে পেরে ভেঙে পড়েছে মনিরা। তার ভাষ্য, আমি লেখাপড়া করে শিক্ষক হতে চাই। বিয়ে হয়েছে মানে এই না যে, স্বপ্ন শেষ। আমি স্কুলে ফিরে যেতে চাই। মনিরা চায়, আর দশটা শিক্ষার্থীর মতোই তারও যেন স্কুলে ফিরে লেখাপড়া করার অধিকার থাকে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী রিনা আক্তার মনিরা ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার চাপাতলা গ্রামের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। ভুক্তভোগীর মা আফরোজা খাতুন বলেন, মনিরা লেখাপড়ায় মোটামুটি ভালো, তাই স্বামীর অনুমতি নিয়ে মনিরা আমাকে নিয়ে তার স্কুলে গেলে প্রধান শিক্ষক তাকে ক্লাসে বসতে দেননি। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, ‘বিবাহিত মেয়েরা স্কুলে পড়তে পারবে না।’
এ ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবক প্রধান শিক্ষকের এমন মনগড়া আচরণে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। কারণ শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা কোনো সরকারি নির্দেশনায় নেই যে, বিবাহিত শিক্ষার্থীরা স্কুলে পড়তে পারবে না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত স্বরূপপুর কুসুমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মমিনুর রহমান বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ আইন করে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।’
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দিনেশ চন্দ্র পাল বলেন, ‘বিয়ে হয়ে যাওয়ার কারণে একজন শিক্ষার্থীকে ক্লাস করতে দেওয়া হয়নি এমন একটি অভিযোগ পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে প্রধান শিক্ষককে ফোন করে সেই শিক্ষার্থীকে ক্লাসে ফিরিয়ে আনতে বলেছি।’
এ বিষয়ে মহেশপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:২৫
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর গোয়ালঘর থেকে পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে। চোরেরা ঘরের দরজায় বাহির থেকে শিকল দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভেতরে আটকে রেখে গরুগুলো নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সুসৃষ্টি গ্রামে সৌদি প্রবাসী মোহসিন আলীর পরিবারের সদস্যরা গরু চুরির বিষয়টি টের পান। এর আগে সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী মোহসিন আলীর বাড়িতে তার স্ত্রী আটটি গরু পালন করতেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনটি গরু হাটে বিক্রি করা হয়। সোমবার দিনের বেলায় গোয়ালঘরে একটি ষাঁড় ও চারটি বকনা গরু বেঁধে রাখা ছিল। পরদিন খাওয়ানোর জন্য আগেই ঘাস কিনে এনে রাখা হয়। তবে মঙ্গলবার ভোরে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, গোয়ালঘরে একটি গরুও নেই।
স্থানীয়দের ধারণা, চোরেরা পরিকল্পিতভাবে বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকে। পরে মূল ফটকের তালা কেটে গোয়ালঘরে প্রবেশ করে গরুগুলো নিয়ে যায়। এসময় পরিবারের সদস্যদের আটকে রাখতে ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়।
প্রবাসী মোহসিন আলীর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, চুরি যাওয়া পাঁচটি গরুর দাম প্রায় ৪ লাখ টাকা। বাড়িতে আমার বউমা ও নাতি-নাতনিরা থাকে। সোমবার রাতে তারা খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ভোরে বউমা দরজা খুলতে গিয়ে দেখে বাইরে থেকে শিকল দেওয়া। বাড়ির মূল ফটকও খোলা ছিল। পরে জানালা দিয়ে ডাকাডাকি করলে প্রতিবেশীরা এসে দরজা খুলে দেন। বাইরে এসে দেখি, গোয়ালঘরে একটিও গরু নেই।
তিনি আরও বলেন, থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল দেখে গেছে। বাড়ির লোকজন এখন গরুগুলো খুঁজতে বের হয়েছে। প্রতিবেশী সানোয়ার হোসেন বলেন, এলাকায় মাঝেমধ্যেই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি এমন ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা গরু খুঁজতে বাইরে গেছেন। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি।
জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলায় এক প্রবাসীর গোয়ালঘর থেকে পাঁচটি গরু চুরি হয়েছে। চোরেরা ঘরের দরজায় বাহির থেকে শিকল দিয়ে পরিবারের সদস্যদের ভেতরে আটকে রেখে গরুগুলো নিয়ে যায়।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সুসৃষ্টি গ্রামে সৌদি প্রবাসী মোহসিন আলীর পরিবারের সদস্যরা গরু চুরির বিষয়টি টের পান। এর আগে সোমবার রাতের কোনো এক সময়ে বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রবাসী মোহসিন আলীর বাড়িতে তার স্ত্রী আটটি গরু পালন করতেন। দুই সপ্তাহ আগে তিনটি গরু হাটে বিক্রি করা হয়। সোমবার দিনের বেলায় গোয়ালঘরে একটি ষাঁড় ও চারটি বকনা গরু বেঁধে রাখা ছিল। পরদিন খাওয়ানোর জন্য আগেই ঘাস কিনে এনে রাখা হয়। তবে মঙ্গলবার ভোরে পরিবারের সদস্যরা দেখতে পান, গোয়ালঘরে একটি গরুও নেই।
স্থানীয়দের ধারণা, চোরেরা পরিকল্পিতভাবে বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে ঢোকে। পরে মূল ফটকের তালা কেটে গোয়ালঘরে প্রবেশ করে গরুগুলো নিয়ে যায়। এসময় পরিবারের সদস্যদের আটকে রাখতে ঘরের দরজায় বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দেওয়া হয়।
প্রবাসী মোহসিন আলীর মা মনোয়ারা বেগম বলেন, চুরি যাওয়া পাঁচটি গরুর দাম প্রায় ৪ লাখ টাকা। বাড়িতে আমার বউমা ও নাতি-নাতনিরা থাকে। সোমবার রাতে তারা খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়ে। মঙ্গলবার ভোরে বউমা দরজা খুলতে গিয়ে দেখে বাইরে থেকে শিকল দেওয়া। বাড়ির মূল ফটকও খোলা ছিল। পরে জানালা দিয়ে ডাকাডাকি করলে প্রতিবেশীরা এসে দরজা খুলে দেন। বাইরে এসে দেখি, গোয়ালঘরে একটিও গরু নেই।
তিনি আরও বলেন, থানায় খবর দিলে পুলিশ এসে ঘটনাস্থল দেখে গেছে। বাড়ির লোকজন এখন গরুগুলো খুঁজতে বের হয়েছে। প্রতিবেশী সানোয়ার হোসেন বলেন, এলাকায় মাঝেমধ্যেই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি এমন ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
আক্কেলপুর থানার ওসি শাহীন রেজা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা গরু খুঁজতে বাইরে গেছেন। এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো মামলা হয়নি।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৩
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন স্বামী। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভু্ক্তভোগী ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের নামে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে ছালেহা বেগম। এসময় জমির মালিকসহ এলাকাবাসী করলাসহ হাতেনাতে তাকে আটক করে। পরে ছালেহার পরিবারকে জানালে তার স্বামী বদিয়া মিয়া সকাল ৯টার দিকে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। পরে গোপনে থেকে ছালেহা নামের নারীকে এক বস্তা করলাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে, তিনি এসে গাছে বেঁধে তাকে পিটিয়েছেন।’
এ ঘটনায় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, হাতেনাতে করলাসহ এক নারীকে আটক করে জমির মালিক। পরে ওই নারীর স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে গেছেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি কাওসার আলী বলেন, করলা চুরির অভিযোগ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়েছে এমনটি শুনেছি। তবে এ বিষয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় জমি থেকে করলা চুরির অভিযোগে স্ত্রী ছালেহা বেগমকে (৪০) গাছে বেঁধে পিটিয়েছেন স্বামী। এমন ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভু্ক্তভোগী ছালেহা বেগম একই ইউনিয়নের ছোটধনতোলা এলাকার বদিয়া মিয়ার স্ত্রী। তাদের নামে মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বংশিপাড়া এলাকার ফরহাদ হোসেনের জমি থেকে করলা চুরি করে ছালেহা বেগম। এসময় জমির মালিকসহ এলাকাবাসী করলাসহ হাতেনাতে তাকে আটক করে। পরে ছালেহার পরিবারকে জানালে তার স্বামী বদিয়া মিয়া সকাল ৯টার দিকে এসে তাকে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে বেধড়ক পেটান। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
জমির মালিক ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘জমি থেকে প্রায়ই করলা চুরি হয়। পরে গোপনে থেকে ছালেহা নামের নারীকে এক বস্তা করলাসহ তাকে হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে বিষয়টি তার স্বামীকে জানালে, তিনি এসে গাছে বেঁধে তাকে পিটিয়েছেন।’
এ ঘটনায় দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য আবুল হোসেন বলেন, হাতেনাতে করলাসহ এক নারীকে আটক করে জমির মালিক। পরে ওই নারীর স্বামী এসে তাকে শাসন করে বাড়ি নিয়ে গেছেন।
রৌমারী থানার ভারপ্রাপ্ত (কর্মকর্তা) ওসি কাওসার আলী বলেন, করলা চুরির অভিযোগ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়েছে এমনটি শুনেছি। তবে এ বিষয় কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:০৭
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ১০ টাকার জন্য চাচি আয়েশা খাতুনকে (৪০) হত্যা করেছে ভাতিজা তৌহিদ হোসেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা খাতুন কৈয়ারচালা এলাকার তারা মিয়ার স্ত্রী। আর তৌহিদ হোসেন তারা মিয়ার আপন ভাই লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ টাকা নিয়ে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এটি বড়দের ঝগড়ায় রূপ নেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র (ডেগার) দিয়ে চাচিকে এলোপাথারী আঘাত করে।
এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পুলিশ রাতেই আয়শা খাতুনের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, আমি ঘটনাস্থলেই আছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় ১০ টাকার জন্য চাচি আয়েশা খাতুনকে (৪০) হত্যা করেছে ভাতিজা তৌহিদ হোসেন। এ ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আয়েশা খাতুন কৈয়ারচালা এলাকার তারা মিয়ার স্ত্রী। আর তৌহিদ হোসেন তারা মিয়ার আপন ভাই লাল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১০ টাকা নিয়ে দুই শিশুর মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে এটি বড়দের ঝগড়ায় রূপ নেয়। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে তোহিদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্র (ডেগার) দিয়ে চাচিকে এলোপাথারী আঘাত করে।
এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পুলিশ রাতেই আয়শা খাতুনের হত্যাকারীকে গ্রেপ্তার করেছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ীয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল্লাহ সাইফ বলেন, আমি ঘটনাস্থলেই আছি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.