
০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২০:২৪
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পলাতক থাকা অস্ত্র মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. মধু হাওলাদারকে (৪৫) গ্রেফতার করা হয়েছে।
রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ২টা ৩০ মিনিটের সময় উপজেলার মজিদবাড়ীয়া ও কাকড়াবুনিয়া ইউনিয়ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত মধু হাওলাদার উপজেলার ভয়াং গ্রামের রুস্তুম আলী হাওলাদারের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ডিএমপির রামপুরা থানার ২০১৮ সালের একটি অস্ত্র আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা ছিল।
মির্জাগঞ্জ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস সালাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আসামিকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

১১ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:১২
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় আম কুড়ানোকে কেন্দ্র করে দুই স্কুলছাত্রকে নির্মমভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের নেতার বিরুদ্ধে। আহত শিশুদের একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউনিয়া গ্রামের মোল্লা বাড়িতে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত মো. ইমাম মোল্লা (৫৫) স্থানীয় গণঅধিকার পরিষদের ওয়ার্ড সভাপতি বলে জানা গেছে।
আহতরা হলো- দশমিনা পাইলট স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আশিক মোল্লা (১০) এবং দশমিনা পাবলিক স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র জুবায়ের মোল্লা (৮)। তারা সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো সেদিনও শিশুরা খেলতে বের হয়েছিল। এক পর্যায়ে তারা বন্ধুদের সঙ্গে ইমাম মোল্লার আমগাছের নিচে গিয়ে পড়ে থাকা আম কুড়াতে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ইমাম মোল্লা এসে শিশুদের ডেকে হঠাৎ করেই আশিক ও জুবায়েরকে বেধড়ক মারধর শুরু করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে আশিককে এলোপাতাড়ি লাথি-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করা হয়। পরে জুবায়েরকেও একইভাবে মারধর করা হয়। শিশুদের চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন তাদের বড় বোন ও দাদি কিন্তু তারাও রেহাই পাননি। তাদেরও ধাক্কা ও মারধর করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়লে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকার একটি দোকানে আটকে রাখেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে তাদের উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আশিকের অবস্থার অবনতি হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
আহত আশিক জানায়, আমি আম পাড়তে যাইনি, গাছের নিচে পড়ে থাকা আম কুড়াতে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করেই ইমাম কাকা আমাকে মারতে শুরু করেন। আমার বুকে লাথি মারলে আমি সঙ্গে সঙ্গে অসুস্থ হয়ে পড়ি।
জুবায়েরও একই অভিযোগ করে বলে, আমরা চুরি করিনি, শুধু পড়ে থাকা আম কুড়িয়েছিলাম। তারপরও আমাদের ওপর এভাবে হামলা করা হয়েছে।
আশিকের বাবা মনির হোসেন বলেন, একটা সামান্য আমের জন্য একজন ৫৫ বছরের মানুষ এভাবে শিশুদের মারধর করতে পারে, এটা ভাবতেই পারছি না। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
জুবায়েরের বাবা জুলহাস মোল্লাও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমার সন্তানদের ওপর যে নির্যাতন হয়েছে, তার বিচার না হলে আমরা নিরাপদ নই।
এদিকে অভিযুক্তের ভাতিজা আল-আমিন মোল্লা বলেন, আমার চাচা যা করেছেন তা সম্পূর্ণ অন্যায়। শিশুদের সঙ্গে এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
অভিযুক্ত ইমাম মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয় দশমিনা উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব মো. মিলন মাতুব্বর জালাল, গতকাল রাতে এ বিষয়ে শুনেছি, সরজমিনে আমরা লোক পাঠিয়ে যদি এমন ঘটনার সত্যতা থাকে, তাহলে ইমাম হোসেনের বিরুদ্ধে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।
পটুয়াখালী জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি শাহ আলম বলেন, এ ধরনের ঘটনা ঘটে থাকলে দুঃখজনক। খোঁজ খবর নিচ্ছি, সত্যতা পেলে বহিষ্কার করা হবে।
দশমিনা থানার ওসি (তদন্ত) ইমাম মেহেদী জানান, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১০ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২৪
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে কুয়াকাটা পৌর এলাকার আবাসিক ‘হোটেল আমান’-এর সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ বাশার জানান, তিনি হোটেল আমানের সামনে একটি ছোট দোকান পরিচালনা করেন। স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোলেমানের সঙ্গে তার বাবার পূর্বের আর্থিক লেনদেনের জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
বাশারের অভিযোগ, সোলেমান হঠাৎ দোকানে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি দোকানের মালামাল তছনছ করেন এবং ব্যাপক ভাঙচুর চালান। এ সময় দোকানের ক্যাশে থাকা বিক্রির নগদ প্রায় ৯০ হাজার টাকা সোলেমান লুটে নিয়ে যান বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাশারের বাবা আনোয়ার মাঝির সঙ্গে অভিযুক্ত সোলেমানের আগে থেকেই পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরে এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাতের আঁধারে এমন আকস্মিক ঘটনায় আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যেও উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সোলেমানের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। ফলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
এ প্রসঙ্গে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত খান বলেন, ঘটনাটি নিয়ে আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:৩৩
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৩২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:২২
১৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:১৮