
০৯ অক্টোবর, ২০২৫ ১৮:৫৬
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে পায়রা নদীর আকস্মিক ভাঙনে এক রাতেই চার পরিবারের বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ২০টি পরিবার। ভয়াবহ এই ভাঙনে পুরো গ্রামজুড়ে এখন চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে কোব্বাত হাওলাদারের ছেলে জাকির হাওলাদার (৫০), দলিল উদ্দিন ফকিরের ছেলে কুদ্দুস (৫৫), খালেক হাওলাদারের স্ত্রী আলেয়া বেগম (৭০) এবং মৃত নজরুলের স্ত্রী লাভলী বেগমের বসতঘর পায়রা নদীর তীব্র স্রোতে মুহূর্তেই নদীগর্ভে তলিয়ে যায়।
এছাড়া, জাহিদুলের স্ত্রী বিউটি বেগম, মন্নান হাওলাদারের ছেলে জাকিরসহ আরও অন্তত ১৫-২০টি পরিবারের ঘরবাড়িও এখন ভাঙনের মুখে। বুধবার দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, বহু ঘরবাড়ি, গাছপালা ও কবরস্থান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। সহায়-সম্বল হারানো পরিবারগুলো এখন ওয়াপদা ভেড়িবাঁধের পাশে অস্থায়ী ঝুপড়িতে মানবেতর জীবনযাপন করছে।
গ্রামবাসী জানায়, গত পাঁচ-ছয় বছরে বাহেরচর গ্রামের শতাধিক পরিবারের ভিটেমাটি, ফসলি জমি ও বাগান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ফজলু মিরার ছেলে মামুন মিরা, ক্ষিতিশ ঘরামীর ছেলে গোপাল ঘরামী, কৃষ্ণ প্রসাদের স্ত্রী রাধা রাণীসহ ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ— “আমরা সব হারিয়েছি, কিন্তু সরকারি বা জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে কোনো কার্যকর সহায়তা পাইনি।”
আঙ্গারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. জিল্লুর রহমান সোহরাব হোসেন বলেন, “পায়রার ভাঙনে বাহেরচর গ্রামটি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। যেটুকু অবশিষ্ট ছিল, তাও এখন ভাঙছে।” তিনি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পরিষদের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং আশ্রয়ণ প্রকল্পের সুবিধা পেতে তাদের তালিকাভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. এজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তালিকা সম্পন্ন হলে সহযোগিতা প্রদান করা হবে।”
পটুয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রাকিব বলেন, “ভাঙন এলাকায় মেন্টেনেন্স প্রকল্পের একটি কাজ চলমান আছে, তবে শুধু মেন্টেনেন্স দিয়ে এত বড় এলাকা রক্ষা সম্ভব নয়। ভাঙনরোধে একটি সমীক্ষা প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, শীঘ্রই কাজ শুরু হবে।”
বাহেরচরের পায়রা তীরবর্তী গ্রামজুড়ে এখন শুধুই হাহাকার আর অনিশ্চয়তার ছায়া। যারা একদিন নদীর তীরেই গড়ে তুলেছিলেন তাদের জীবনের ভিত্তি, আজ সেই নদীই কেড়ে নিয়েছে তাদের ঘর, ভিটে আর নিরাপত্তা— রেখে গেছে কেবল ভাঙনের ভয় আর অজানা ভবিষ্যতের চিন্তা।

২৭ জুন, ২০২৬ ১৩:০০
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে এক সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালাগাল, মারধর এবং খুন-জখমের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নামধারী দুই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক (৫৩) বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছন। জিডি নং- ১৬৮৩।
জিডির বিবরণ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারী এএইচএম আবুবকর সিদ্দিক পেশায় একজন সাংবাদিক। শুক্রবার ( ২৬ জুন) বিকেল ৬টার দিকে তিনি (আবু বক্কর) সংবাদ সংগ্রহের জন্য বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে অবস্থান করছিলেন। এ সময় অভিযুক্ত মো. রিয়াজ (৩০), ‘জাগো জনতা’ পত্রিকার ‘বাউফল প্রতিনিধি’ ও মো.:এনামুল হক এনা (৩০) ‘বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)’ ও ‘এ দিন’ পত্রিকার প্রতিনিধি সেখানে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিক আবুবকর সিদ্দিককে দেখতে পেয়ে হঠাৎ অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করে।
এ সময় সাংবাদিক আবু সিদ্দিক গালাগাল করতে নিষেধ করলে, তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে টানা হেঁচড়া করে মারধর করার চেষ্টা করে। এ সময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় মো: মাসুম বিল্লাহ, মো জসিম, মো: বশারসহ কয়েকজন সাক্ষী এগিয়ে এসে বিবাদীদ্বয়কে নিবৃত্ত করেন। উপস্থিত সাক্ষীদের সামনেই বিবাদীদ্বয় ও তাদের সাথে থাকা অজ্ঞাতনামা আরও ২ জন সহযোগী ভুক্তভোগী সাংবাদিককে ভবিষ্যতে খুন ও জখম করার হুমকি প্রদান করে চলে যায়।
জিডিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিবাদীদ্বয় এলাকায় সংবাদকর্মীর পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন লোকজনকে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন ও হয়রানি করে আসছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিক স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিজের ভবিষ্যতের নিরাপত্তার স্বার্থে বাউফল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) আবেদন করেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এনামুল হক এনা ও রিয়াজের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করে তাদের পাওয়া যায়নি।
বাউফল থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জিডিটি গ্রহণ করেছে । থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম জিডিটি নথিভুক্ত করে তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এসআই (নিরস্ত্র) খোরশেদ আলীকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন। এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রকৃত সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন।’

২৫ জুন, ২০২৬ ২২:০১
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
কুয়াকাটার লেম্বুরবন সংলগ্ন সৈকত থেকে শাহাবুদ্দিন (৫৫) নামের এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টায় তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মৃত ওই জেলের বাড়ি ভোলার লক্ষ্মীপুর গ্রামে ।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ জুন গঙ্গামতি থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে ফাইবার ট্রলার যোগে গভীর সমুদ্রে যান জেলেরা। ওইদিন সকাল ১০টার দিকে হঠাৎ ঝড়ের কবলে পড়ে ঢেউয়ের তান্ডবে ট্রলার থেকে জেলে শাহাবুদ্দিন ছিকটে পরে। ঘটনার পর সহকর্মীরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।
মহিপুর থানার ওসি শামীম হাওলাদার জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২৫ জুন, ২০২৬ ১৭:১৭
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পটুয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। এ সময় তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন ২০২৬) দুপুরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে পটুয়াখালীর দুমকি থানাধীন লেবুখালী টোলপ্লাজাসংলগ্ন এলাকায় কোস্টগার্ড স্টেশন পটুয়াখালী একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে সন্দেহজনক একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের ৭ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় ইয়াবা বহনের অভিযোগে এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়। তার কাছ থেকে ৪ হাজার ৪৫ টাকা নগদ অর্থও জব্দ করা হয়েছে।
কোস্টগার্ড সূত্রে জানা গেছে, জব্দ ইয়াবা, নগদ অর্থ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বরিশালটাইমসকে বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
৩০ জুন, ২০২৬ ১২:৪৬
২৯ জুন, ২০২৬ ২০:৩০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:৫০
২৯ জুন, ২০২৬ ১৯:০৩