
১৬ নভেম্বর, ২০২৫ ০১:৪৬
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।
বরিশাল শহরের ভাটারখাল এলাকার মূর্তিমাণ সন্ত্রাস মাসুদ হাওলাদার মাসুম এবার পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে আলোচনায় এসেছে। বহুমুখী সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে জড়িত ত্রিশোর্ধ্ব এই যুবককে শুক্রবার রাতে কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ ধরতে গিয়ে অতর্কিত হামলার শিকার হয়। মাসুমের নেতৃত্বে চালানো হামলায় উপ-পরিদর্শক পদমর্যাদার কর্মকর্তাসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। পুলিশ এই ঘটনায় স্ত্রী-ভাই-বোনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হলেও সন্ত্রাসী মাসুম পালিয়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসা যুবককে ধরতে শহরে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মাসুম হাওলাদার মহানগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হলেও সে আওয়ামী লীগের শাসনামলে দলটির নেতাকর্মীদের সাথে গভীর সখ্যতা রেখে চলেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে সে বান্দরোডস্থ ভাটারখাল কলোনী নিয়ন্ত্রণ নেওয়াসহ আশপাশ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে একাধিক সহিংস পরিবেশ তৈরি করে, যা নিয়ে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃত্ব সংক্ষুব্ধ।
সূত্র জানায়, বরিশাল সদর আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারপন্থী ছাত্রদল নেতা মাসুম ৫ আগস্টের পরে প্রথম টার্গেট করে ভাটারখাল কলোনীর হালিম শাহ’র পরিবারকে। আওয়ামী লীগ ঘরনার এই পরিবারের একজন জিদনী শেখকে মাসুম এবং তার সন্ত্রাসী বাহিনী এলোপাতাড়ি কুপিয়ে অর্ধপঙ্গু করে দিয়েই ক্ষ্যান্ত হয়নি। মাসুমের সন্ত্রাসের ধারাবাহিকতায় সবশেষ পরিবারটি এলাকা ত্যাগে বাধ্য হয়।
মাসুমের মূর্তিমাণ সন্ত্রাসের শিকার হয়েছেন কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব তীরবর্তী রসুলপুর কলোনীর বাসিন্দা কবির মুন্সিও। চলতি বছরের শুরুর দিকে আওয়ামী লীগের পদবিহীন কর্মী কবির মুন্সির অর্থ উপার্জনের একমাত্র বাহন স্পিডবোর্টটি আটকে রাখে এবং ৭০ হাজার টাকা দাবি করে। মুন্সি বিভিন্ন স্থানে দৌড়ে কারও সহযোগিতা না পেয়ে শেষত্বক টাকা দিয়ে স্পিডবোর্টটি ছাড়িয়ে নেন।
এছাড়া ভাটারখালসহ আশপাশ এলাকায় চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিস্তারেও মাসুমের যোগসূত্র পাওয়া যায়। সূত্রগুলো জানায়, কলোনীর মাদক বিক্রেতারা সকলে সর্বদা মাসুমের নাম জপতে থাকেন। ৫ আগস্টের পরে সে এলাকায় বিএনপির নাম ভাঙিয়ে একাধিক সন্ত্রাসী কর্মকান্ড করে কলোনীর বাসিন্দাদের মধ্যে এক ধরনের ভীতি ধরিয়ে দেয়।
তবে তার সন্ত্রাসী কার্যকলাপের মধ্যে বেশিমাত্রায় আলোচিত হয় জিদনী শেখকে কুপিয়ে পঙ্গু করে দেওয়ার ঘটনাটি। এই মামলার আসামি মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে গেলে তার হামলার শিকার হয় পুলিশ।
কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছে, মামলার আসামি ছাত্রদল নেতা মাসুমকে শুক্রবার রাতে ধরতে পুলিশ ভাটারখালে যায়। একপর্যায়ে তার বাসার দিয়ে পুলিশ সদস্যরা রওনা হলে তার নেতৃত্বে প্রথমে ইট ছোড়া হয়। পুলিশ সদস্যরা তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে গেলে মাসুমের নেতৃত্বে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ এসআই গোলাম মো. নাসিমসহ অন্তত তিন পুলিশ সদস্য আহত হন। এসময় স্ত্রী রিমি বেগম, ভাই সোহেল হাওলাদার, বোন শিল্পি এবং সহযোগী রিফাতকে আটক করা হলেও পালিয়ে যায় মাসুম। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পুলিশ শুক্রবার রাতে মাসুমকেও আটক করেছিল, কিন্তু সে পুলিশ সদস্যের হাত কামড়ে পালিয়ে যায়।
কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ৭০ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়েছে। এবং চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। হামলায় নেতৃত্ব দেওয়া মাসুমসহ অন্যদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।
ছাত্রদল নেতা মাসুমের এই সিরিজ সন্ত্রাসে ওষ্ঠাগত হয়ে উঠেছেন ভাটারখালবাসী। স্থানীয়রা বলছেন, মাসুমের ক্রমাগত সন্ত্রাসে বিএনপির বদনাম হচ্ছে, বিশেষ করে তার নেতা সরোয়ারকে বিতর্কিত করে চলছেন।
তবে মজিবর রহমান সরোয়ার বলছেন, তিনি বা তার দল বিএনপি সন্ত্রাসের আশ্রয়দাতা হবে না। দলীয় পরিচয়ে কেউ অপরাধ করলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পদক্ষেপ রাখারও সুযোগ আছে।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ২০:২২
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রশংসায় ভাসছেন নগরবাসীর। গত (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ শফিকুল ইসলাম,(বিএমপি) পুলিশের কমিশনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেই,নগরবাসীর নিরাপত্তা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি,মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ, কিশোর গ্যাং,ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন।
পুলিশ কমিশনার নির্দেশনায়,মাদকের স্পটগুলো (মাদকমুক্ত) নগরীতে রুপ নিয়েছে। নগরীর অর্ধশত স্পটে প্রকাশ্যে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।
বিনোদন কেন্দ্রগুলোর আশপাশে হরহামেশাই চলতে মাদক সেবন। ত্রিশ গোডাউন,বেলসপার্কের হ্যালিপ্যাড, কেডিসি, মুক্তিযোদ্ধা পার্ক, রসুলপুর, পলাশপুর, বেলতলা, লামছড়িসহ বিভিন্ন জায়গায় মাদক বিক্রি ও সেবন করতে প্রকাশ্যে।
তিনি গভীর রাতে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আকস্মিক পরিদর্শন করেন (বিএমপি) কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। এ সময় তিনি চেকপোস্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরেজমিনে তদারকি করেন এবং রাত্রীকালীন নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা প্রদান করেন।
কমিশনার শফিকুল ইসলাম নথুল্লাবাদ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালসহ বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে পথচারী, দুরপাল্লার লঞ্চ ও নাইটকোচ যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। যাত্রাপথে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রমণ নিরাপত্তায় করণীয় বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন।
বরিশাল মেট্রোপলিটন (বিএমপি) পুলিশের কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে জনগণের দোরগোড়ায় পুলিশি সেবা পৌঁছে দিতে বিএমপি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৪৭
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'
যাদের জন্ম নদীতে, সংসার নৌকায় আর জীবন কাটে ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করে; সেই মান্তা সম্প্রদায়ের কাছে ‘রাষ্ট্র’ কিংবা ‘সরকার’ ছিল এতদিন কেবলই ধোঁয়াশা। নাগরিকত্বের স্বাদহীন কয়েক প্রজন্মের বঞ্চনা পেরিয়ে এবার ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখতে যাচ্ছেন তারা। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের সহস্রাধিক মান্তা মানুষ প্রথমবারের মতো তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন।
বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাস করেন ১৭৯টি মান্তা পরিবারের প্রায় চারশ মানুষ। এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তি এবার নতুন ভোটার হয়েছেন। এই সম্প্রদায়ের সর্দার জাকির হোসেন জানান, আগে ভোট আসত আর যেত, কিন্তু ডাঙার মানুষের মতো নাগরিক সুযোগ-সুবিধা তাদের কাছে ছিল কল্পনাতীত।
তিনি বলেন, কখনও কোনো প্রার্থী আমাদের খোঁজ নিতে আসত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি। আমরা এমন প্রার্থীকে বেছে নেব, যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্টের কথা বুঝবেন।
নতুন ভোটার হওয়া আলমগীর শোনালেন তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা। তিনি বলেন, নৌকায় ফিরতে রাত হলে ডাঙায় পুলিশ ধরলে পরিচয়পত্র দেখাতে পারতাম না, ফলে চরম হয়রানির শিকার হতে হতো। জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ায় এখন অন্তত বুক ফুলিয়ে নিজের পরিচয় দিতে পারব।
অন্যদিকে, ষাটোর্ধ্ব সামিরন বিবি জানান তাদের মৌলিক সংকটের কথা। নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় অভাব এখন নিত্যসঙ্গী। মারা গেলে দাফনের জায়গাটুকুও সহজে মেলে না। তাই যে প্রার্থী এই সংকট দূর করবে, তাকেই তারা সংসদে পাঠাতে চান।
বরিশাল জেলা নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠান মান্তাদের নিয়ে দীর্ঘ বছর কাজ করে আসছে। তাদের চেষ্টা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সহায়তায় এই জনগোষ্ঠীর প্রায় হাজারের বেশি মানুষ নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।
মান্তা সম্প্রদায়কে মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি। সংস্থাটির প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তারা জাতীয় পরিচয়পত্রের গুরুত্বই বুঝত না। বারবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে সচেতন করতে হয়েছে।
এখানকার প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস তিনি জানান, মান্তাদের ভোটার করাটাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জের। অনীহা ছিল তাদের নিজেদেরই। কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন- মান্তারা জাতীয় পরিচয়পত্র কী সেটাই জানত না। তাদের এর সুফল বোঝাতেই সময় লেগেছে সবচে বেশি। একাধিকবার তাদের কাছে গিয়ে নাগরিকত্বের বিষয়ে জানাতে হয়েছে।
তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মান্তা সম্প্রদায়ের ভোট গুরুত্ব রাখবে জানিয়ে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, যে সকল প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের ইশতেহারে অবশ্যই এই মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নে করণীয় কী সেটি সুনিদৃষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে।
তিনি আরো বলেন, 'যে সকল প্রার্থী এই গোষ্ঠীর ভোটকে নিজের দিকে টানতে পারবেন তার জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই এগিয়ে থাকবে।'

২৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩৭
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলায় আগমনকে কেন্দ্র করে জনসভাস্থল পাতারহাট আরসি কলেজ মাঠ পরিদর্শন করেছেন জামায়াতে ইসলামীর জেলা শাখার আমির অধ্যাপক মোহাম্মদ আবদুল জব্বারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শনের সময় বরিশাল জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. মাহফুজুর রহমান, বরিশাল প্রেসক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের মজলিশে শুরা সদস্য সগির বিন সাঈদ, জেলা শ্রমিক কল্যান ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন ইয়ামিন, জেলা জামায়াতের কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ এম সাইফুর রহমান, নুরুল হক সোহরাব, জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি আকবর হোসেন, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা শহিদুল ইসলাম, হিজলা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারী সৈয়দ গুলজার আলমসহ জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় বরিশাল-৪ আসনের দাঁড়িপাল্লা মার্কার প্রার্থী অধ্যাপক আব্দুল জব্বার বলেন, আগামী ৬ ফেব্রুয়ারী আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, জনসভায় এতো বেশি লোকের সমাগম ঘটবে শেষপর্যন্ত আরসি কলেজ মাঠে আমরা জায়গা দিয়ে কিভাবে সামাল দিবো তা ভেবে দেখা হচ্ছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.