
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৪১
সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে আছে। সেতুটির আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। পুরানো সেতু অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।
ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। চার গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝখানে বড়হর খালের ওপর নির্মিত এই আয়রন সেতুটি এক সময় হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল।
২০০১ সালে নির্মিত সেতুর আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরানো অবকাঠামো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই মিরাজুল ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল।
তবে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স ৫ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত হয়। ফলে স্থানীয় সাব-ঠিকাদার বিল না পাওয়ার আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রেখেছেন।
ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। নিজেদের উদ্যোগে খালের ওপর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছেন তারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য। সেতুটির উত্তর পাড়ে রয়েছে পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র, আর দক্ষিণ পাড়ে মসজিদ-মাদ্রাসা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়শামনি বলেন, বৃষ্টির সময় সাঁকো দিয়ে যেতে খুবই ভয় লাগে। আমরা দ্রুত ব্রিজ চাই।
মম্বিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেকান্দার শিকদার বলেন, এভাবে মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হোক।
কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ডিবার সংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেছে এবং ৯ মাসের জন্য ডিবার স্থগিতাদেশ পেয়েছে। আশা করছি নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে।
সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে আছে। সেতুটির আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। পুরানো সেতু অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।
ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। চার গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝখানে বড়হর খালের ওপর নির্মিত এই আয়রন সেতুটি এক সময় হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল।
২০০১ সালে নির্মিত সেতুর আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরানো অবকাঠামো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।
পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই মিরাজুল ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল।
তবে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স ৫ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত হয়। ফলে স্থানীয় সাব-ঠিকাদার বিল না পাওয়ার আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রেখেছেন।
ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। নিজেদের উদ্যোগে খালের ওপর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছেন তারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য। সেতুটির উত্তর পাড়ে রয়েছে পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র, আর দক্ষিণ পাড়ে মসজিদ-মাদ্রাসা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়শামনি বলেন, বৃষ্টির সময় সাঁকো দিয়ে যেতে খুবই ভয় লাগে। আমরা দ্রুত ব্রিজ চাই।
মম্বিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেকান্দার শিকদার বলেন, এভাবে মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হোক।
কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ডিবার সংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেছে এবং ৯ মাসের জন্য ডিবার স্থগিতাদেশ পেয়েছে। আশা করছি নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে।
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৪
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৫১
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩৯
১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩১

০৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৪০
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতার ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে কুয়াকাটা পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহকে ইয়াবা সেবন করতে দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুসালেহ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত। এর আগেও পর্যটককে মারধর করে হোটেল থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবাসিক হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউস-এর একটি কক্ষে ইয়াবা সেবনের সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই আবু সালেহ হোটেল থেকে পালিয়ে যায়।
কুয়াকাটা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক আলী হায়দার শেখ জানান, হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউসে বিভিন্ন সময় নারী ও মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে আবু সালেহর বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে তাকে হাতেনাতে ধরতে তিনি হোটেলে যান। এ সময় আবু সালেহ অগোছালো অবস্থায় তাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউসে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হোটেলের দুটি আলাদা কক্ষ থেকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শাহীন-এর সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় পৌর মৎস্যজীবী দলের এক নেতার ইয়াবা সেবনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে কুয়াকাটা পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহকে ইয়াবা সেবন করতে দেখা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আবুসালেহ দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত। এর আগেও পর্যটককে মারধর করে হোটেল থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, সোমবার (৯ মার্চ) সকালে কুয়াকাটা পৌর এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আবাসিক হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউস-এর একটি কক্ষে ইয়াবা সেবনের সময় স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশকে খবর দেন। তবে পুলিশ পৌঁছানোর আগেই আবু সালেহ হোটেল থেকে পালিয়ে যায়।
কুয়াকাটা পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক আলী হায়দার শেখ জানান, হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউসে বিভিন্ন সময় নারী ও মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে আবু সালেহর বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে সোমবার সকালে তাকে হাতেনাতে ধরতে তিনি হোটেলে যান। এ সময় আবু সালেহ অগোছালো অবস্থায় তাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত হোসেন বলেন, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হোটেল বেঙ্গল গেস্ট হাউসে অভিযান চালায়। তবে অভিযানের সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যায়।
ঘটনাস্থল থেকে ইয়াবা সেবনের কিছু সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া হোটেলের দুটি আলাদা কক্ষ থেকে এক ছেলে ও এক মেয়েকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে।
এ বিষয়ে কুয়াকাটা পৌর মৎস্যজীবী দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সালেহর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী জেলা মৎস্যজীবী দলের সভাপতি শাহীন-এর সঙ্গেও একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৩৭
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল এলাকার উর্বর জমি আর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আগাম জাতের তরমুজ ভালো ফলন হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার দর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় চাষ হওয়া আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরের এলাকায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাউফলে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর আগাম জাতের।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ভীর করছেন উপজেলার তরমুজ
চাষিদের কাছে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের তরমুজ, যা ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়াও সিলেট অঞ্চলে
বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর তীরবর্তী চর বেষ্ঠিত চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, ধুলিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজ। আবহাওয়া অনুকুলে
থাকায় চলতি মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে। চন্দ্রদ্বীপের কৃষক মো. সিদ্দিককুর রহমান বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি একরে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ১লাখ ৩৫ হাজার টাকা।প্রতি একরে গড়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ পিচ তরমুজ পাওয়া যায়। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় আড়তদাররাপ্রতি একর তরমুজ খেত সারে৩ থেকে ৪লাখ টাকায়কিনে নিচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বিগত বছরের চেয়ে ভালো লাভে আশা করছেন তিনি।
চরকালাইয়া এলাকায় আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন মো. হান্নান প্যাদা। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। রমজান উপলক্ষে ঢাকার এক আড়ৎদারের কাছে চার একর খেতের সব তরমুজ ঠিকা বিক্রি করে দিয়েছে।
তাতে তার বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে খুলনা থেকে তরমুজ কিনতে এসেছেনআড়তদার সাহেব আলী প্যাদাবলেন, বাউফলের তরমুজের স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি খেতে এসে কিনছেন। ঢাকার কাওরান বাজার থেকে বেপাড়ি আব্দুল গনি সিকদার বলেন, বাউফলের চরাঞ্চলের এলাকার তরমুজ সুমিষ্ট কয়েকবছর ধরে এই এলাকায় আসি তরমুজ কেনার জন্য। বিশেষ করে আগাম জাতের তরমুজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বাউফলের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহ ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়ার ফলে আগাম উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চল এলাকার উর্বর জমি আর অনুকূল আবহাওয়ার কারণে প্রতি বছরের চেয়ে এবার আগাম জাতের তরমুজ ভালো ফলন হয়েছে। রমজান উপলক্ষে বাজার দর ভালো থাকায় চলতি মৌসুমে উপজেলায় চাষ হওয়া আগাম জাতের তরমুজ বিক্রি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও জেলা শহরের এলাকায়।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, বাউফলে চলতি মৌসুমে প্রায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তরমুজ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর আগাম জাতের।
সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রমজান উপলক্ষে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আড়তদাররা ভীর করছেন উপজেলার তরমুজ
চাষিদের কাছে। ফেব্রুয়ারীর মাঝামাঝি সময় থেকেই বাজারে উঠতে শুরু করেছে আগাম জাতের তরমুজ, যা ঢাকাসহ চট্টগ্রাম, খুলনা, কুষ্টিয়াও সিলেট অঞ্চলে
বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলার তেতুঁলিয়া নদীর তীরবর্তী চর বেষ্ঠিত চন্দ্রদ্বীপ, কালাইয়া, কেশবপুর, নাজিরপুর, ধুলিয়া এলাকায় ব্যাপক ভাবে চাষ হয়েছে তরমুজ। আবহাওয়া অনুকুলে
থাকায় চলতি মৌসুমে ফলনও ভালো হয়েছে। চন্দ্রদ্বীপের কৃষক মো. সিদ্দিককুর রহমান বলেন, ৩ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। প্রতি একরে তার সর্বসাকুল্যে খরচ হয়েছে ১লাখ ৩৫ হাজার টাকা।প্রতি একরে গড়ে ১৪০০ থেকে ১৫০০ পিচ তরমুজ পাওয়া যায়। রমজানে তরমুজের চাহিদা বেশি থাকায় আড়তদাররাপ্রতি একর তরমুজ খেত সারে৩ থেকে ৪লাখ টাকায়কিনে নিচ্ছেন। এতে উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে বিগত বছরের চেয়ে ভালো লাভে আশা করছেন তিনি।
চরকালাইয়া এলাকায় আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন মো. হান্নান প্যাদা। তিনি বলেন, চলতি মৌসুমে ৪ একর জমিতে আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। রমজান উপলক্ষে ঢাকার এক আড়ৎদারের কাছে চার একর খেতের সব তরমুজ ঠিকা বিক্রি করে দিয়েছে।
তাতে তার বিগত বছরের চেয়ে বেশি লাভ হয়েছে খুলনা থেকে তরমুজ কিনতে এসেছেনআড়তদার সাহেব আলী প্যাদাবলেন, বাউফলের তরমুজের স্বাদ ও মিষ্টতা ভালো হওয়ায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সরাসরি খেতে এসে কিনছেন। ঢাকার কাওরান বাজার থেকে বেপাড়ি আব্দুল গনি সিকদার বলেন, বাউফলের চরাঞ্চলের এলাকার তরমুজ সুমিষ্ট কয়েকবছর ধরে এই এলাকায় আসি তরমুজ কেনার জন্য। বিশেষ করে আগাম জাতের তরমুজ।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মিলন বলেন, বাউফলের মাটি ও আবহাওয়া তরমুজ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। কৃষকদের প্রশিক্ষণ, উন্নত বীজ সরবরাহ ও নিয়মিত মাঠপর্যায়ে পরামর্শ দেওয়ার ফলে আগাম উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৮:১৮
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফলে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে বাউফল প্রেস ক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাউফল উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে এই মিলনমেলা পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব আবুল হোসেন হাওলাদার বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।
পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে পটুয়াখালীর বাউফলে বিশিষ্ট নাগরিকবৃন্দের সম্মানে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে বাউফল প্রেস ক্লাবের বীর উত্তম সামসুল আলম তালুকদার মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাউফল উপজেলা শাখার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাউফল উপজেলা শাখার আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হোসেন হাওলাদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং ওলামায়ে কেরাম উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা রমজানের গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, রমজান মাস আত্মশুদ্ধি ও ভ্রাতৃত্ববোধের শিক্ষা দেয়। সমাজের বিশিষ্ট নাগরিকদের সাথে এই মিলনমেলা পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব আবুল হোসেন হাওলাদার বলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা গণমানুষের কল্যাণে কাজ করে। রমজানের পবিত্রতা রক্ষা এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
ইফতারের আগে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী ছাড়াও সাংবাদিক, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সুধীজন অংশগ্রহণ করেন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.