
০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৫৫
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্বোধন ও অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ।
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২২
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) চিকিৎসা নিতে আসা এক শিশুকে মারধরের ঘটনায় অফিস সহায়ক জিএম নাজমুল হাসানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে শেবাচিম হাসপাতালের ওটিতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, সেখানে কর্মরত অফিস সহায়ক জি এম নাজমুল হাসান শিশুটিকে নির্যাতন করেছেন। এ ঘটনায় শিশুটি ও তার অভিভাবক সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ তুলে ধরাসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, শিশু নির্যাতন প্রচলিত আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। নাজমুলের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৭ মার্চ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
এদিকে শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. এ কে এম মশিউল মুনীর ঘটনাটি তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। আরএস ক্যাজুয়ালিটির চিকিৎসক মো. মাজাহারুল রেজওয়ানকে কমিটির সভাপতি করে এই কমিটিতে সিনিয়র স্টাফ অফিসার ডা. মো. শাখাওয়াত হোসেন এবং সদস্যসচিব মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ডেন্টাল) মো. হাসান মেহমুদকে সদস্য করা হয়।’

০৮ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০১
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম বিতরণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী এবং বিএনপিপন্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহীদের ফরম দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন আইনজীবীদের একাংশ। ফরম ক্রয় করতে গেলে অনেক সম্ভাব্য প্রার্থীকে নির্বাচন কমিশনের কক্ষে প্রবেশের আগেই গেটে আটকে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ তাদের।
রবিবার (৮ মার্চ) এ ঘটনার প্রতিবাদে দুপুরে বরিশাল প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীদের একটি অংশ পুনঃতফসিল ঘোষণার দাবি জানিয়েছে।
তফসিল অনুযায়ী, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন আগামী ২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সে অনুযায়ী গত ৫ মার্চ দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়ন ফরম বিক্রি করা হয়। এক দিনই ছিল ফরম বিক্রির সময়সীমা।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, বিএনপির সংগঠন জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্যরা নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘিরে রেখে অন্যদের মনোনয়ন ফরম কেনায় বাধা দিয়েছেন।
আওয়ামী লীগপন্থী আইনজীবী দেলোয়ার হোসেন দিলু বলেন, ‘সভাপতি পদে প্রার্থী হতে নির্ধারিত সময়ে ফরম নিতে গেলেও আমাকে ফরম দেওয়া হয়নি। দুপুর ২টার দিকে ফরম আনতে গেলে আমাকে এবং আরো অনেককে গেটে আটকে দেয়।’
জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আবুল কালাম আজাদের একটি বক্তব্য নিয়েও সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত আইনজীবীরা প্রশ্ন তোলেন। তাদের দাবি, আবুল কালাম আজাদ হলরুমে এসে বলেন, ‘এই হাউস কি মনে করে ফ্যাসিস্টদের ফরম দেওয়া যাবে?’
বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক কাজী মনির বলেন, ‘মনোনয়ন ফরম কিনতে গেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফরম দিতে অপারগতার কথা জানান।
একটি পাতানো নির্বাচনের প্রক্রিয়া চলছে। একদলীয় নির্বাচন আয়োজনের নীলনকশা করা হচ্ছে। সাধারণ আইনজীবীদের অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে পুনঃতফসিল ঘোষণা করা প্রয়োজন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট এস এম সাদিকুর রহমান লিংকন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে যারা এসেছেন তাদের মনোনয়ন ফরম দেওয়া হয়েছে। বাইরে কী হয়েছে, সে বিষয়ে আমি অবগত নই।’

০৭ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৫৬
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে ছাত্রী হিসেবে দেখানোর ঘটনা অনিচ্ছাকৃত ভুল বলে দুঃখ প্রকাশ করেছে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। অনিচ্ছাকৃত এই ভুল তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘৩ মার্চ দৈনিক প্রথম আলো–সহ কয়েকটি জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন পত্রিকায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা–২০২৬–এর রেজিস্ট্রেশন কার্ডে Gender Coding–এ Male–এর স্থলে Female মুদ্রিত হওয়া শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিষয়টি কম্পিউটার শাখার কারিগরি ত্রুটি ও অনিচ্ছাকৃত ভুল, যা তাৎক্ষণিক সংশোধন করে পুনঃমুদ্রিত রেজিস্ট্রেশন কার্ড শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের উদ্বিগ্ন না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভুলের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।’
৩ মার্চ ২০২৬ “এইচএসসির রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ৩৮ হাজার ছাত্রকে দেখানো হলো ‘মেয়ে’” শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন করা ৩৮ হাজার ছাত্রের রেজিস্ট্রেশন কার্ডে ভুলক্রমে লিঙ্গের জায়গায় ‘ফিমেল বা মেয়ে’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর আগমুহূর্তে অদ্ভুত এই ভুল ধরা পড়ার পর পড়াশোনার প্রস্তুতি বাদ দিয়ে ভুল সংশোধনের জন্য কলেজ ও শিক্ষা বোর্ডে দৌড়ঝাঁপ করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. ইউনুস আলী সিদ্দিকী গত মঙ্গলবার বিষয়টি স্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামের সেটিংস ও অপারেটরের অসাবধানতার কারণে এই ভুল হয়েছে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট অপারেটরের কৈফিয়ত তলব করার পাশাপাশি ওই শিক্ষার্থীদের রেজিস্ট্রেশন কার্ড সংশোধন করে আবার মুদ্রণ করে দেওয়া হচ্ছে।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ সূত্র জানায়, বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীন এ বছর মোট ৮১ হাজার ৮৩১ শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষার জন্য নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেছেন। সাধারণত কলেজে প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার ছয় মাস পর শিক্ষার্থীদের নিবন্ধন করা হয়। মুদ্রণ হওয়া রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণ করা হয় পরীক্ষা শুরুর কয়েক মাস আগে। আগামী জুনে এ বছরের এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
কয়েকটি সরকারি কলেজের শিক্ষকেরা বলেন, প্রথমে ঝালকাঠি ও পরে অন্য একটি জেলার শিক্ষার্থীদের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন কার্ড বিতরণের সময় ভুলের বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর অনুসন্ধান করে দেখা যায়, ৩৮ হাজার ছেলে শিক্ষার্থীকে ভুলক্রমে মেয়ে বা ফিমেল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.