Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৫:৫৫
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্বোধন ও অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ।
'লেখাপড়া শিখে যিনি লেখাপড়া শেখান, এক প্রদীপের আলো দিয়ে হাজার প্রদীপ জ্বালান'- সেই মহান মানুষটি নাম শিক্ষক। পৃথিবীতে মা-বাবার পরে যার নাম শুনলে শ্রদ্ধায় মাথা নত হয়ে যায় তিনি শিক্ষক। তাকে বলা হয় জাতি গড়ার কারিগর। বরিশালের বাবুগঞ্জে সেই জাতি গড়ার মহান কারিগররা অবশেষে তাদের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্নের ঠিকানা পেয়েছেন। বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এদিকে এ উপলক্ষ্যে এক অনন্য এবং ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তারা। টিচার্স ক্লাব ভবনের উদ্বোধনের দিনেই উপজেলার প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা পর্যায়ের অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষককে দেওয়া হয়েছে সংবর্ধনা।
বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) নানান বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ গুণী শিক্ষককে ওই সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এসময় তাদের উত্তরীয় পরিয়ে বরণ এবং সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। টিচার্স ক্লাবের ভবন নির্মাণসহ শিক্ষক সংবর্ধনার গোটা অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা করেন উপজেলার বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী, সমাজসেবক, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক সভাপতি ও ঢাকার এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। পাশে থেকে শিক্ষকদের উৎসাহ প্রদান এবং সহায়তা করেন আরেক দানবীর, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ মিলনায়তনে টিচার্স ক্লাবের সভাপতি অধ্যাপক শাহে আলমের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষক সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ, কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম শফিউল্লাহ।
টিচার্স ক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রধান শিক্ষক মাসুদ আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আ.ন.ম আব্দুল হালিম, সরকারি বিএম কলেজের সহযোগী অধ্যাপক কামরুজ্জামান মিজান, ঢাকার পানি উন্নয়ন বোর্ডর উপ-পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিশ্বাস, কেদারপুর সোনার বাংলা হাইস্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর রহমান টুটুল, ভোলার ইসলামী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মেজবাউল আমিন, বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) কমিটির সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না, বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি ও পূর্ব হোসনাবাদ ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক সাইফুল রহিম, টিচার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম শাহজাহান, বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সামসুল আলম ফকির প্রমুখ।
এসময় সংবর্ধিত অতিথি শুণী শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, ডাকুয়া মারুফুল হক ও হারুন অর রশিদ খান। টিচার্স ক্লাবের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক মোক্তার হোসেন ও কাজী এনায়েত হোসেন। এসময় উল্লেখযোগ্য শিক্ষক নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষক এনায়েত করিম ফারুক, আব্দুল লতিফ হাওলাদার, প্রধান শিক্ষক এইচ.এম ইউসুফ আলী, ফারুক হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান টুলু, শফিকুল ইসলাম বাদল, মনিরুল ইসলাম, এ.কে আজাদ, ইসমত আরা কনা, আরিফুর রহমান সুমন প্রমুখ। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাবুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাইফুল ইসলাম, আরিফ হোসেন, আবুল বাশার, বিমানবন্দর প্রেসক্লাবের মহিউদ্দিন খাঁন রানা, রুবেল সরদার, আবু হানিফ ফকির, সুমন আকন প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কলেজ ও মাদ্রাসা থেকে অবসরপ্রাপ্ত ১৯ জন গুণী শিক্ষক হলেন- মাওলানা আব্দুল হান্নান খান, মাওলানা আব্দুল কাদের মাল, মাওলানা আব্দুল মতিন, ডাকুয়া মারুফুল হক, খান আবু জাফর মোঃ সালেহ, শামসুল হক, হারুন অর রশিদ খান, নুরুল হক, হারুন অর রশিদ হাওলাদার, মজিবুর রহমান, আব্দুর রহমান শাহআলম, মফিজুল ইসলাম মির্জা, আফরোজা খানম, হোসনেয়ারা বেগম, রাহিমা আক্তার, মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, আবু সায়েম বাচ্চু শিকদার, আনোয়ার হোসেন এবং অপু চন্দ্র দাস। সংবর্ধিত শিক্ষকদের উত্তরীয় পরিয়ে ফুলেল শুভেচ্ছা এবং তাদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন অতিথিরা। এসময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন সংবর্ধিত অনেক শিক্ষক। এটা তাদের শিক্ষকতা জীবনের শ্রেষ্ঠ সম্মান বলে অভিহিত করেন এবং আয়োজক টিচার্স ক্লাবকে ধন্যবাদ জানান।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান মেহেরুন্নেসা শিরিন বলেন, 'শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড এবং শিক্ষক হলেন সেই জাতি গড়ার কারিগর। তাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের আসনে বসাতে হবে। শিক্ষকদের অবদানেই আজকে আমি এই চেয়ারে বসেছি। শিক্ষকদের কল্যাণে আমৃত্যু কাজ করে যেতে চাই।'
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সাবেক সভাপতি ও এভারগ্রীন ট্রেডিং ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'শিক্ষকের ঋণ কখনো শোধ করা যায় না। একজন মানুষের জীবনে মা-বাবার পরে যার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে তিনি হলেন শিক্ষক। সেই শিক্ষকদের জন্য কিছু করতে পারলে নিজেকে ধন্য মনে হয়। সমাজ আলোকিত করে এমন সকল ভালো কাজের সাথে আছি এবং থাকবো।'
অপর বিশেষ অতিথি বাবুগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত বিমানবাহিনী কর্মকর্তা কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ বলেন, 'পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতায় বিগত দিনে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে পুনরুদ্ধার করে শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে। এই গুরুদায়িত্ব নিতে হবে শিক্ষাগুরুদেরকেই। শিক্ষার্থীদের মাঝে পাঠাভ্যাস তৈরি করা এবং তাদের নৈতিক শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা জরুরি। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষকে ভূমিকা রাখতে হবে।'
অবসরপ্রাপ্ত গুণী শিক্ষকদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আগে বৃহস্পতিবার সকালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাবের নবনির্মিত ভবনের শুভ উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কেটে ওই নতুন ভবনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ভবনদাতা শিক্ষানুরাগী আবুল কালাম আজাদ। এসময় তার সহধর্মিণী প্রধান অতিথি মেহেরুন্নেসা শিরিনসহ অন্যান্য অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে দোয়া-মোনাজাত করা হয়। পরে টিচার্স ক্লাবের জন্য একটি বড় পর্দার এলইডি টিভি উপহার দেন অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি আরেক শিক্ষানুরাগী অ্যাডভোকেট এস.এম সফিউল্লাহ।
উল্লেখ্য, বিগত ২০০৮ সালে বাবুগঞ্জ উপজেলা টিচার্স ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। টিচার্স ক্লাবের জন্য জমি দান করেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ ইসহাক এবং তার সহধর্মিণী নূর-ই-করিমা। সেখানে টিনের বেড়া দিয়ে টিচার্স ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছিল। সম্প্রতি সেখানে একতলা বিশিষ্ট একটি পাকাভবন তৈরি করে দেন দানবীর শিক্ষানুরাগী ও সমাজসেবক আবুল কালাম আজাদ। #

১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’
সন্ধ্যা রাতে বরিশাল শহরের পরেশ সাগর মাঠে জান আহম্মেদ নামের এক যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টা করা হয়। পূর্বপরিচিত রাকিব নামের বিশোর্ধ্ব যুবক ফোন করে মেট্রোপলিটন বিমানবন্দর থানাধীন শাহ পরান সড়কের ২০ বছর বয়সি জানকে ডেকে নেন। এবং সেখানে পৌছানো মাত্রই সৌরভ (২২) নামক যুবকের নেতৃত্বে রাকিব (২৩), সজিব (২২), অরিনসহ (২১) ৯/১০ জনের একটি বাহিনী হামলে পড়েন। একপর্যায়ে তারা জানকে ব্যাপক মারধর করাসহ লোহার রড পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে যুবক রক্তাক্ত জখম হলে তার ডাক-চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করে। রোববার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র বরিশাল শহরে আতঙ্ক-উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জড়িতদের গ্রেপ্তারে করে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আশ্বাস দিয়েছে। পুলিশ যাওয়ার আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বরিশাল সিটির ১৫ নং ওয়ার্ডের পরেশ সাগরের মাঠে জান আহমেদ নামের যুবককে ৯/১০ জন যুবক একত্রিত হয়ে মারধর করেছিল। একপর্যায়ে তারা তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে রক্তাক্ত করলে তিনি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন, তখন আরও পেটানো হয়। মারধর সহ্য করতে না পেরে যুবক বাচানোর আকুতি জানিয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এসময় সৌরভসহ তার সাঙ্গপাঙ্গরা বীরদর্পে চলে গেলেও পরবর্তীতে খুনের হুমকি দিতে ভুল করেননি। সন্ধ্যা রাতে শহরের জনগুরুত্বপূর্ণ এলাকায় প্রকাশ্যে যুবককে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার এই ঘটনা জনমনে আতঙ্ক-উত্তেজনা সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে কোতয়ালি পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করলেও হামলাকারীরা আগেই পালিয়ে যায়।
অভিযোগ আছে, শহরের বটতলা এলাকার শামীমের ছেলে সৌরভ একটি সক্রিয় কিশোর গ্যাংয়ের প্রধান। তার নেতৃত্বে শহরের একটি অংশে মাদক বাণিজ্যসহ বহুমুখী সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলে আসছে। সবশেষ তার সন্ত্রাসের শিকার হলেন শাহ পরান সড়কের সুমন আহম্মেদের ছেলে জান আহম্মেদ। হামলায় আক্রান্ত যুবকের মামা রেদোয়ান রানা বরিশালের একজন প্রতিষ্ঠিত সংবাদ কর্মী, ফলে বিষয়টি মিডিয়াঙ্গনে আলোচনা আরও বাড়িয়ে তোলে।
সাংবাদিক রেদোয়ান রানা জানান, ভাগিনা জানকে হত্যার উদ্দেশে মারধর করাসহ রড় দিয়ে পিটিয়েছে কিশোর গ্যাং গ্রুপ। তাকে উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মাথাসহ শরীরের একাধিক স্থান জখম হয়েছে। চিকিৎসকেরা তাকে পর্যবেক্ষকে রেখেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, যুবক জানের বাবা সুমন আহম্মেদ ছেলেকে খুনের চেষ্টা করাসহ বিভিন্ন ধারায় একটি এজাহার জমা দিয়েছেন। এতে তিনি ছেলে পূর্ববিরোধের কথা উল্লেখ করেছেন। তার এই এজাহারটি যে কোনো সময়ে নথিভুক্ত হতে পারে। কোতয়ালি পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
পুলিশ কর্মকর্তা জানান, এর আগে হামলার খবর পেয়ে সন্ধ্যা রাতে পরেশ সাগর মাঠে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু পুলিশ সেখানে পৌছানোর আগেই হামলাকারীরা পালিয়ে গেছে। তাদের ধরতে মাঠপুলিশ কাজ করছে এবং বর্তমানে শহরের পরিবেশ-পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।’

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
১৬ মার্চ, ২০২৬ ০৩:৩১
১৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৩
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৫৭
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫