
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।
নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে নারী প্রার্থী মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লড়ছেন আলোচিত এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
বড় বড় রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি নয়, বরং ভোটারদের কাছে ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে ভোট চেয়ে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আশা মণি।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ এলাকায় গণসংযোগকালে এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই বিচিত্র প্রতিশ্রুতি দেন, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।
নির্বাচনী মাঠে তরুণ ভোটারদের ব্যাপক আগ্রহের মধ্যে আশা মণি বলেন, ‘অনেক তরুণ ভাই আমাকে বলছেন, আপা আমাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা—আমাকে একটা করে ভোট দিন, আমি বিজয়ী হলে আপনাদের বিয়ের ব্যবস্থা সহজ করে দেব।’ শুধু তরুণরাই নন, দাদা-দাদি থেকে শুরু করে নানা-নানি ও চাচা-চাচি—সবার কাছেই ‘বিয়ের উপহার’ হিসেবে একটি করে ভোট চেয়েছেন তিনি।
আশা মণির এমন বক্তব্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হাস্যরসের জোয়ার বইছে। জয়দেব দেবনাথ নামের এক নেটিজেন মন্তব্য করেছেন, ‘কেউ দিতে চাচ্ছে বেহেশত, কেউ ফ্যামিলি কার্ড, আর আশা মণি আপা দিতে চাচ্ছেন বউ অথবা স্বামী!’
উল্লেখ্য, এর আগেও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন আশা মণি, তবে সেবার তিনি মাত্র হাতেগোনা কয়েকটি ভোট পান। ভোটের সমীকরণ যাই হোক, স্থানীয় সমাজকর্মী আম্বিয়া খাতুন মনে করেন, নারী ক্ষমতায়ন ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে আশা মণি একজন সাহসী পথযাত্রী।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে আশা মণিসহ মোট ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পুরো জেলায় তিনটি সংসদীয় আসনে নারী প্রার্থী মাত্র দুজন। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও-২ আসনে জাতীয় পার্টির নূরুন্নাহার বেগম এবং ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে লড়ছেন আলোচিত এই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৭:৫০
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৬
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৪
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:০৪

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০১
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।
দুলাভাইয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল শ্যালিকার। পরে সেই শ্যালিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় তীব্র ক্ষোভে পরিকল্পিতভাবে শ্যালিকার স্বামী রাজু মিঞাকে (১৯) ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। পুলিশ এ ঘটনায় হোতাসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গ্রেপ্তার আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদ (৩৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার কোতোয়ালি থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফিরোজের শাশুড়ি ফাতেমা বেগমকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত ২১ জানুয়ারি রাতে ফটিকছড়ি উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের বাসিন্দা রাজু মিঞা তার মালিকানাধীন ভাঙারির দোকানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেলে পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
বিজ্ঞাপন
খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে ধর্মপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধসংলগ্ন পেয়ারুল ইসলামের সেগুন বাগানের পশ্চিম পাশে খনখাইয়া খালের ঢাল থেকে রাজুর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের বাবা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মামলাটি তদন্তের অংশ হিসেবে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এর ধারাবাহিকতার ভিত্তিতে মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলার কোতোয়ালী থানাধীন পাঁচথুবি এলাকা থেকে মামলার মূল আসামি মো. ফিরোজ আহাম্মদকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন এবং ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
ফিরোজ আহাম্মদের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান এলাকায়। তিনি ঢাকায় চাকরি করতেন। তার স্ত্রী ফটিকছড়ির ধর্মপুর এলাকায় বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন। সেই সময় ফিরোজ তার স্ত্রীর ছোট বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে সেই নারী প্রতিবেশী রাজু মিঞার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। সামাজিক মীমাংসার মাধ্যমে সম্প্রতি ভুক্তভোগী রাজুর সঙ্গে ফিরোজের শালীর বিয়ে হয়।
এই বিয়েকে কেন্দ্র করে ফিরোজ আহাম্মদ ও তার শাশুড়ি ফাতেমা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। স্থানীয়ভাবে সামাজিক মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তাদের ক্ষোভ প্রশমিত হয়নি। একপর্যায়ে তারা রাজু মিঞাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেল জানান, পরিকল্পনা অনুযায়ী ২১ জানুয়ারি রাতে ফিরোজ আহাম্মদ কৌশলে রাজুকে তার স্ত্রীর একটি থ্রি-পিস দেওয়ার কথা বলে খনখাইয়া খালের পাড়ে ডেকে নেন। সেখানে পৌঁছানোর পর ধারালো ছুরি দিয়ে রাজুর পেট, গলা ও পিঠে একাধিক আঘাত করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই রাজুর মৃত্যু হয়।
হত্যার পর আসামি মরদেহ খালের ঢালে বালিচাপা দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত ছুরিটি খালের পানিতে ফেলে দেন। রাজুর সঙ্গে থাকা থ্রি-পিসটি পাশের সেগুন বাগানে ফেলে দিয়ে তিনি প্রথমে ঢাকায় এবং পরে কুমিল্লায় পালিয়ে যান।
তিনি আরও বলেন, আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ পরবর্তী অভিযানে হত্যার পরিকল্পনায় জড়িত অপর আসামি ফাতেমা বেগমকে গ্রেপ্তার করে। একইসঙ্গে খনখাইয়া খাল থেকে হত্যায় ব্যবহৃত ছুরি এবং সেগুন বাগান থেকে থ্রি-পিস উদ্ধার করা হয়।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৩
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে কামাল জামিনের আবেদন করেন।
অন্যদিকে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, আসামি কামাল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জাল–জালিয়াতির অভিযোগে কামালের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।
মামলায় বলা হয়, মো. কামাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন বাবার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। একই স্কুলে তিনি তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা সাজিয়ে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেন।
কামাল মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তার জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা এবং চাচিকে বাবা-মা সাজিয়ে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
চাচাকে বাবা বানিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অভিযোগে দুদকের করা মামলায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব) মো. কামাল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ তার জামিন আবেদন নাকচ করে এ আদেশ দেন। এর আগে আদালতে হাজির হয়ে কামাল জামিনের আবেদন করেন।
অন্যদিকে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন মর্মে দুদকের পক্ষ থেকে তার জামিন বাতিলের আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নথি সূত্রে জানা গেছে, আসামি কামাল গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর উচ্চ আদালত থেকে চার সপ্তাহের আগাম জামিন নেন। পরে ২৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সহযোগিতার শর্তে ডিএনএ পরীক্ষা পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়। একই সঙ্গে ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন সাপেক্ষে জামিন শুনানির দিন ধার্য করা হয়।
গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর প্রতারণা ও জাল–জালিয়াতির অভিযোগে কামালের বিরুদ্ধে বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. মনজুরুল ইসলাম মিন্টু।
মামলায় বলা হয়, মো. কামাল কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সিরাজনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি এবং ফিলিপনগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত অধ্যয়নকালীন বাবার নাম হিসেবে তার প্রকৃত জন্মদাতা আবুল কাশেমের নাম ব্যবহার করেন। একই স্কুলে তিনি তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা মো. আহসান হাবীব এবং চাচি মোছা. সানোয়ারা খাতুনকে বাবা-মা সাজিয়ে নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করেন।
কামাল মুক্তিযোদ্ধা কোটায় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং চাকরি লাভসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ভোগের উদ্দেশ্যে তার জন্মদাতা বাবা মো. আবুল কাশেম ও মা মোছা. হাবীয়া খাতুনের পরিবর্তে আপন চাচা এবং চাচিকে বাবা-মা সাজিয়ে ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষায় অংশ নেন। পরবর্তী সময়ে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় প্রশাসন ক্যাডারের চাকরিতে যোগদান করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের রাজনীতির মাঠে বড় ধরনের মেরুকরণ ঘটেছে। সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্যানেল চেয়ারম্যান ও দুই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রায় তিন শতাধিক নেতা-কর্মী একযোগে বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের গোয়ালনগর পাটওয়ারী বাজার এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী ওসমান গাজীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাসেম চোকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
যোগদানকারী উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বকাউল, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আবু বকর পাটোয়ারী, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর সরকার।
এই তিন নেতা নেতৃত্বে একযোগে প্রায় তিন শতাধিক নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় তাদের ফুলেল মালা দিয়ে বরণ করে নেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন বাবর এবং থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল গাজী বাহারসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।
নবাগত নেতারা জানান, ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ভালোবেসে বিএনপিতে যোগদান করেছেন তারা। যোগদানকৃতরা আগামীর রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান সমন্বয়কারী ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন মো. বাবর বেপারি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর ইতিবাচক প্রভাব আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রতিফলিত হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা। যোগদানকারী নেতা-কর্মীরা চাঁদপুর ৩ সদর আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে খুবই ভালোবাসেন। তারা ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন প্রধানিয়া, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কবির চোকদার, থানা সমন্বয়কারী মাসুদ রায়হান, আমিন গাজী, বিএনপি নেতা জয়নাল বেপারী, শ্রমিক নেতা নয়ন, আইনজীবী নেতা অ্যাডভোকেট শামীম হোসেন প্রমুখ।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চাঁদপুরের রাজনীতির মাঠে বড় ধরনের মেরুকরণ ঘটেছে। সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্যানেল চেয়ারম্যান ও দুই ইউপি সদস্যের নেতৃত্বে প্রায় তিন শতাধিক নেতা-কর্মী একযোগে বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের গোয়ালনগর পাটওয়ারী বাজার এলাকায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী ওসমান গাজীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হাসেম চোকদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়।
যোগদানকারী উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন- রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আলী আহমেদ বকাউল, ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও ইউপি সদস্য আবু বকর পাটোয়ারী, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি সদস্য মো. জাহাঙ্গীর সরকার।
এই তিন নেতা নেতৃত্বে একযোগে প্রায় তিন শতাধিক নেতা-কর্মী আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। এ সময় তাদের ফুলেল মালা দিয়ে বরণ করে নেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন বাবর এবং থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী ঢালী, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল গাজী বাহারসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ।
নবাগত নেতারা জানান, ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে ভালোবেসে বিএনপিতে যোগদান করেছেন তারা। যোগদানকৃতরা আগামীর রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধান সমন্বয়কারী ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহির উদ্দিন মো. বাবর বেপারি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে একটি নতুন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এই যোগদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এর ইতিবাচক প্রভাব আসন্ন সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রতিফলিত হবে।
তিনি আরও বলেন, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপি অধ্যুষিত এলাকা। যোগদানকারী নেতা-কর্মীরা চাঁদপুর ৩ সদর আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী শেখ ফরিদ আহমেদ মানিককে খুবই ভালোবাসেন। তারা ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল হোসেন প্রধানিয়া, ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কবির চোকদার, থানা সমন্বয়কারী মাসুদ রায়হান, আমিন গাজী, বিএনপি নেতা জয়নাল বেপারী, শ্রমিক নেতা নয়ন, আইনজীবী নেতা অ্যাডভোকেট শামীম হোসেন প্রমুখ।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.